X
রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪
৮ বৈশাখ ১৪৩১

বাজার মনিটরিংয়ে মাঠে থাকবে সরকারের ১৩ সংস্থা

শফিকুল ইসলাম
১৯ মার্চ ২০২৩, ১০:০০আপডেট : ১৯ মার্চ ২০২৩, ১০:১৬

আসন্ন রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে কঠোর বাজার মনিটরিং করবে সরকার। এর অংশ হিসেবে আজ রবিবার (১৯ মার্চ) সরকারের দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের সভা ডেকেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সকাল সাড়ে ১০টায় সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই, বাণিজ্যমন্ত্রীসহ প্রধানমন্ত্রীর দফতর, স্বরাষ্ট্র, স্থানীয় সরকার, অর্থ, কৃষি, খাদ্য, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এবং বাংলাদেশ আনসারসহ দেশের চারটি গোয়েন্দা সংস্থার উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, এবছর চাহিদা অনুযায়ী বাজারে পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে থাকবে প্রশাসন। রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের একাধিক মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থা বাজারে সার্বক্ষণিক নজরদারি করে। রোজার সময় বাজার অশান্ত করতে নিত্যপণ্যের সরবরাহে বাধা সৃষ্টি, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অনৈতিক মুনাফা অর্জনসহ ভেজাল বিক্রিসহ নানা ধরনের অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল-জরিমানাসহ বিভিন্ন উপায়ে সাজা দেওয়ারও ব্যবস্থা থাকবে।

জানা গেছে, দাম বাড়াতে তৎপর অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি বন্ধে পুরো রমজান মাস জুড়ে বাজার তদারকি করবে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতর। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮টি মনিটরিং টিম বাজারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবে। কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি ও অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে চারটি গোয়েন্দা সংস্থাকে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাজার নজরদারিতে ঢাকা সিটি করপোরেশন, আনসার, নিরাপদ খাদ্য অধিদফতর এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের একাধিক টিম বাজার মনিটরিংয়ে কাজ করবে। বাজারে মনিটরিংয়ে থাকবে পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাবের বিশেষ টিম। 

ইতোমধ্যেই আসন্ন রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার পরিস্থিতিতে নজর রাখতে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন। গত ১২ মার্চ রবিবার দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা জুম মিটিংয়ে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) তিনি এ নির্দেশ দেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘বাজার মনিটরিংয়ে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে রমজানে যাতে কিছুতেই জিনিসপত্রের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়ানো না হয়,  সে ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে থাকবে সরকার। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্টের ব্যবহারও করা হবে।’

রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন জানিয়েছেন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ডিসি, ইউএনও ও বিভাগীয় কমিশনারদের কঠোর নজরদারিতে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বাজারে দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি দেখা গেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।’

এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি বাজার পরিস্থিতি নজরদারি করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়া ট্রেডিং করপোরেশনের (টিসিবি) অধীনে সরকার নির্ধারিত মূল্যে খোলা বাজারে ওএমসের পণ্য কার্ডের মাধ্যমে বিক্রিরও নির্দেশ দেন তিনি। ওএমএসে কোনও ধরনের অব্যবস্থাপনা থাকলে তা দূরীকরণে কাজ করতে হবে বলেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জানিয়েছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব আহমেদ। 

সরকার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আসছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এবারের রমজান সরকারের এই মেয়াদের শেষ রোজার মাস। এ কারণে রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখাকে গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে সরকার। তবে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা কতটা সফল হবে তা নিয়ে সরকারের বিভিন্ন মহলেই রয়েছে শঙ্কা। এই শঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যকার যুদ্ধ পরিস্থিতি। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ডলার সংকটের কারণে পণ্য আমদানিতে এলসি জটিলতা। এরপরও রমজানে মানুষকে একটু স্বস্তিতে রাখার বিষয়টি মাথায় রেখে দুই মাস আগে থেকেই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ শুরু করেছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। 

জানা গেছে, ইতোমধ্যে রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণে এরইমধ্যে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই) সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে একটি বৈঠক করেছে। এলসি খোলা নিয়ে যে জটিলতা ছিল তা সহজ করেছে সরকার। রমজান শুরু হওয়ার আগেই বাজারে রমজানে চাহিদা বাড়ে এমন পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ রাখার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, বিভিন্ন ধরনের ডাল ও খেজুরের সরবরাহ যাতে ঠিক থাকে তার ওপর নজর রাখা হয়েছে। অন্যান্য বছরের মতো এবারও বাজার পর্যবেক্ষণ বা মনিটরিংয়ের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে সরকারের ১৩টি সংস্থা মাঠে থাকবে। আর নিত্য প্রয়োজনীয় ১৫টি পণ্যের দাম বেঁধে দেওয়া হবে। এসব তদারকিতে কমিটি করা হবে। এবার এক মাস আগে থেকেই বাজারে আছে টিসিবি।

এদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতি, একইসঙ্গে ডলার সংকটের কারণে পণ্য আমদানিতে এলসি জটিলতায় রমজানে বাংলাদেশের বাজারে পণ্যের দাম ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার শঙ্কা করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। তারা বলছে, বাংলাদেশে রমজান মাসে চাহিদা বাড়ে এমন সব পণ্যের দাম গত বছরের তুলনায় এ বছর ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বাড়তি থাকবে। আন্তর্জাতিক বাজারে গত বছরের দামের সঙ্গে এ বছরের দাম যদি এক হয়, এরপরও ডলারের এক্সচেঞ্জ রেটের কারণে পণ্যের দাম ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বেশি হবে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, ২০২১ সালের জুলাই মাস থেকে ২০২২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সাত মাসে খেজুর আমদানি করা হয়েছিল ৪৬ হাজার মেট্রিক টন। আর ২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত একই সময়ে খেজুর আমদানি করা হয়েছে ৩১ হাজার মেট্রিক টনের বেশি। এই সময়ে এই পণ্যটি গতবারের তুলনায় ৩১ শতাংশ কম আমদানি করা হয়েছে। তবে পণ্যের বাজারে কোনও ধরনের ঘাটতি নেই বলেও জানিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। তারা বলছে, বাজারে পণ্যের ঘাটতি না থাকলেও ব্যবসায়ীরা যোগসাজশ করে পণ্যের দাম বাড়ায়। যাতে বাজার অস্থিতিশীল হয়।

বাজারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ টিসিবির মাধ্যমে সুলভমূল্যে বিপণন সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। এ বছরই প্রথমবার দেশের এক কোটি পরিবারের কাছে কার্ডের মাধ্যমে রমজানের নিত্যপণ্য পৌঁছে দেবে টিসিবি। এর মধ্য দিয়ে কমপক্ষে দেশের পাঁচ কোটি মানুষ উপকৃত হবেন। পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে ভোগ্যপণ্য আমদানির বিষয়টিও নজরদারিতে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্তরে চালের যৌক্তিক মূল্য ঠিক করতেও কাজ করছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের একটি যৌথ কমিটি।

মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মওলা জানিয়েছেন, নতুন আইনকানুন করে লাভ হবে না। এর পরিবর্তে পণ্যের সঠিক চাহিদা নির্ধারণ করে আমদানির পরিমাণ বাড়াতে হবে। পাইপলাইনে পণ্যের সরবরাহ ঠিক রাখতে হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ১৭টি ভোগ্যপণ্যকে নিত্যপ্রয়োজনীয় মনে করা হলেও রোজা সামনে রেখে আপাতত ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, পেঁয়াজ, ছোলা ও খেজুরের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কাজ শুরু হয়েছে। ডলার জটিলতার কারণেই এ বছর আমদানি প্রক্রিয়ায় বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, প্রতি অর্থবছরে দেশে ভোজ্যতেলের চাহিদা ২১ লাখ টন যার ৯০ শতাংশই আমদানি করতে হয়। কেবল রোজার মাসে ভোজ্যতেলের চাহিদা থাকে ৪ লাখ টনের মতো। সারা বছরের জন্য প্রয়োজন হয় ১৮ লাখ টন চিনি, এরমধ্যে ৩ লাখ টনের চাহিদা থাকে কেবল রোজার সময়। সারা বছর যেখানে ৫ লাখ টন মসুর ডাল লাগে, সেখানে শুধু রোজায় চাহিদা থাকে ৮০ হাজার টনের মতো। ফলে ডালের চাহিদা মেটাতে ৫০ শতাংশ আমদানি করতে হয়। বছরে ৮০ হাজার টন ছোলার প্রয়োজন হয় দেশে, যার ৮০ শতাংশই ব্যবহার হয় রোজার মাসে। এ সময় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় পেঁয়াজের। ২৫ লাখ টন বার্ষিক চাহিদার ৫ লাখ টনই ব্যয় হয় রোজার সময়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিভিন্ন সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খুচরা বাজার থেকে শুরু করে দেশের পাইকারি মোকামগুলোয় অভিযান চালাবে, যাতে রমজানকে পুঁজি করে কারসাজির মাধ্যমে কেউ অতি মুনাফা লুটতে না পারে।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন, রমজানে কোনও পণ্যের ঘাটতি নাই। পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। তবে আমদানিনির্ভর পণ্যের বাজার দর নির্ভর করছে আন্তর্জাতিক বাজার দরের ওপর। সেক্ষেত্রে দেশীয় বাজার পরিস্থিতি কেমন হবে তা সময়ই বলে দেবে।

জানা গেছে, সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দ্রব্যমূল্য-সংক্রান্ত এক বৈঠকে পণ্যের অবৈধ মজুদ এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি বন্ধে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতা চাওয়া হয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নিত্য পণ্য নিয়ে কারসাজির প্রমাণ পেয়েছে। এ ছাড়া জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতরের তদন্তে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ার পেছনে অসাধু ব্যবসায়ীদের ষড়যন্ত্রের প্রমাণ মিলেছে। এসব কারণে আরও কঠোরভাবে বাজার মনিটরিং করা হবে। 

বাজার তদারকির জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮টি মনিটরিং টিম রয়েছে। একজন উপ-সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তার নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের একজন ম্যাজিস্ট্রেট, একজন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, অর্থ, খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের একজন করে কর্মকর্তা এবং আনসার, পুলিশ ও র‌্যাবের সমন্বয়ে গঠিত এই সব টিম সারাবছর মাঠে থাকার কথা থাকলেও মূলত রমজানকে কেন্দ্র মাঠে কার্যকর ভূমিকা পালনে সচেষ্ট হয়। এসব টিম নিয়মিত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করা ছাড়াও অনিয়মের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের টিম ছাড়াও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, ঢাকা সিটি করপোরেশন, র‌্যাব এবং জেলা প্রশাসনের একাধিক টিম বাজার মনিটরিংয়ে কাজ করে। যে কোন পণ্য আমদানি থেকে শুরু করে উৎপাদনসহ পাইকারি ও খুচরা মূল্য মনিটরিং করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। 

সম্প্রতি দ্রব্যমূল্য-সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন, পুরো রমজান মাস বাজার মনিটরিং করা হবে। পণ্যের দাম বেশি নেওয়ার কোনও সুযোগ নেই। রমজানে পণ্যের মূল্য যাতে না বাড়ে, এ জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে যথাযথ দায়িত্ব পালনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

/ইউএস/
সম্পর্কিত
সোনার দাম কমেছে, আজ থেকেই কার্যকর
ওঠানামা করছে মুরগির দাম, বাড়ছে সবজির
সয়াবিন তেলের দাম পুনর্নির্ধারণ করলো সরকার
সর্বশেষ খবর
ইটভাটার ধোঁয়ায় পুড়েছে অর্ধশতাধিক কৃষকের স্বপ্ন
ইটভাটার ধোঁয়ায় পুড়েছে অর্ধশতাধিক কৃষকের স্বপ্ন
টিভিতে আজকের খেলা (২১ এপ্রিল, ২০২৪)
টিভিতে আজকের খেলা (২১ এপ্রিল, ২০২৪)
বিএনপির কোনও নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলা দেওয়া হয় না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বিএনপির কোনও নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলা দেওয়া হয় না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
গরমে সুপেয় পানি নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে পুলিশ
গরমে সুপেয় পানি নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে পুলিশ
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতির অভিযোগ: সাবেক আইজিপি বেনজীরের পাল্টা চ্যালেঞ্জ
দুর্নীতির অভিযোগ: সাবেক আইজিপি বেনজীরের পাল্টা চ্যালেঞ্জ
সারা দেশে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় ছুটি ঘোষণা
সারা দেশে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় ছুটি ঘোষণা
সোনার দাম কমেছে, আজ থেকেই কার্যকর
সোনার দাম কমেছে, আজ থেকেই কার্যকর
শিল্পী সমিতির নির্বাচন: সভাপতি মিশা, সম্পাদক ডিপজল
শিল্পী সমিতির নির্বাচন: সভাপতি মিশা, সম্পাদক ডিপজল
মুখোমুখি ইরান-ইসরায়েল, পরীক্ষার মুখে মার্কিন সামরিক কৌশল
মুখোমুখি ইরান-ইসরায়েল, পরীক্ষার মুখে মার্কিন সামরিক কৌশল