নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ঘরের মাঠে রেকর্ড গড়ে জিতেছে বাংলাদেশ। নিজেদের মাঠে সর্বোচ্চ রান তাড়ার কীর্তি গড়েছে। যে জয়ে ম্যাচসেরা ইনিংসটি খেলেছেন তাওহীদ হৃদয়। তবে ম্যাচের পর সতীর্থ শামীম হোসেনের প্রশংসা করেছেন তিনি।
১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শামীমকে সঙ্গে নিয়ে ২৭ বলে অপরাজিত ৫১ রান করেন হৃদয়। তাদের জুটিতেই দুই ওভার হাতে রেখে ৬ উইকেটে ম্যাচ জেতে বাংলাদেশ। ২১ বলে ৪৯* রান যোগ করেন তারা।
ওই সময় সবচেয়ে বেশি আগ্রাসী ছিলেন শামীম। ১৩ বলে অপরাজিত ছিলেন ৩১ রানে। ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তাই শামীমের প্রশংসা করে হৃদয় বলেছেন, ‘সত্যি বলতে, আমি তার ব্যাটিং খুব উপভোগ করি। কারণ, সে এমন সব শট খেলতে পারে, যা আমাদের খুব কম ব্যাটসম্যানই পারে। ছয় নম্বরে এমন একজন খেলোয়াড় দরকার, যে যেকোনো সময়, যেকোনো দিকে রান করতে পারে। এমন শট খেললে বোলাররাও অনেক চাপের মধ্যে থাকে। উদাহরণ হিসেবে, সে যে ছক্কাটা মেরেছে—খেয়াল করলে দেখবেন, আমরা খুব কমই এমন ছক্কা মারতে পারি। তাই অবশ্যই দোয়া করি, ইনশাআল্লাহ সে আরও ভালো করবে এবং ধারাবাহিক থাকবে।’
অথচ রান তাড়ায় শুরুর দিকে খুব একটা স্বস্তিদায়ক অবস্থায় ছিল না বাংলাদেশ। ১০ ওভারে ২ উইকেটে স্কোর ছিল ৭৭। ১০.১ ওভারে তানজিদ হাসান আউট হয়ে ফিরলে পারভেজ হোসেন ইমন নামার পরই পাল্টায় দৃশ্যপট। চতুর্থ উইকেটে তাওহীদ হৃদয়কে নিয়ে ২৮ বলে ৫৭ রান যোগ করেন পারভেজ। এই ঝড়ো জুটিতেই বাংলাদেশ ম্যাচে ফেরে। পারভেজ ১৪ বলে ২৮ রানের ক্যামিও খেলে ফিরলে তখন ৫.১ ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন পড়ে আর ৪৯ রান। সেই মুহূর্তেই কিউইদের ওপর চড়াও হওয়া শুরু করেন শামীম। নো লুক শটে ছক্কাও মারেন তিনি। পারভেজের প্রভাববিস্তারী ইনিংস নিয়ে হৃদয় বলেছেন, ‘কথায় আছে অ্যাটাক ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যদি বেশি নুইয়ে থাকেন, তখন কিন্তু কাজ হয় না। ইমন যেটা করেছে, ও সঠিকটা বেছে নিয়ে খুব ক্লিয়ার মাইন্ড ছিল। আমি ওকে কিছু তথ্য দিয়েছি যে এদিক-ওদিক চেষ্টা করলে ভালো হবে। ওর প্রয়োগটা ভালো ছিল।’







