X
সোমবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২২, ১০ মাঘ ১৪২৮
সেকশনস

২০৪১ সালের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বাংলাদেশের পাশে থাকবে কোইকা

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:৫৯

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, গত ১৩ বছরে প্রযুক্তির টেকসই ব্যবহার খুলে দিয়েছে দেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য। ভূমিকা রেখেছে সৃজনশীলতা, উদ্ভাবন ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনীতির চালিকা শক্তি হিসেবে। এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (কোইকা) বাংলাদেশের যৌথ অংশীদারিত্ব। 

প্রতিমন্ত্রী মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সির কোইকা-বাংলাদেশ সিলভার জুবলি নাইট উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

পলক বলেন, শুরু থেকেই আইসিটি বিভাগের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে নানা প্রকল্প গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করে ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গী হয়ে কাজ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এ কারণেই দক্ষিণ কোরিয়ার আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থা কোইকা বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। আর এই সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে ডিসেম্বরে বাংলাদেশ আইটি কানেক্ট ভার্চুয়াল ডেস্ক উদ্বোধন করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী পলক। এই ডেস্কটি উভয় দেশের প্রযুক্তি ও বিপিও খাতে উদ্ভাবন-বিনিয়োগের সেতুবন্ধ হবে বলে মনে করেন তিনি। 

কোইকার প্রাযুক্তিক ও আর্থিক সহায়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেছেন, কোইকার সঙ্গে যৌথদারিত্বে আইসিটি বিভাগ কোরিয়ার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আমরা দেশে ই-সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন করেছি। মহেশখালীতে বাস্তবায়ন করা হয়েছে ডিজিটাল আইল্যান্ড প্রকল্প। কোরিয়া টেলিকম ও আইওএম কক্সবাজারের উপজেলাগুলোকে উচ্চগতির ইন্টারনেটে সংযুক্ত করেছে। পাশাপাশি, শিক্ষা-প্রশিক্ষণ, মোবাইল হেলথ কেয়ার, অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন, সোলার ইলেকট্রিসিটি এবংই-কমার্স খাতে অবদান রেখেছে। বাংলা গভ প্রকল্প বাস্তবায়নে দিয়েছে সফট লোন।

২০৪১ সালের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বাংলাদেশের পাশে থাকবে কোইকা

কেবল সরকারি পর্যায়ে নয়; দেশের বেসরকারি খাতেও কোইকার মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে অংশীদারিত্ব জোরদার হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী। 

পলক বলেন, আমি মনে করি বাংলাদেশ ও কোরিয়ার মধ্যে দীর্ঘ মেয়াদের যে আস্থার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে তা আগামীতে আরও গভীর হবে। উভয় দেশের জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সাহায্য করবে। বাংলাদেশের ২০৪১ সালের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কোরিয়ার সর্বাত্মক সহায়তা অব্যহত থাকবে।   

বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জাং-কুন, বাংলাদেশ সরকারের অর্থনীতি সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম বাংলাদেশের প্রতিনিধি রিচার্ড রিগ্যান এবং কোইকা বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ইয়াং আদো এসময় বক্তব্য রাখেন।

/এইচএএইচ/এলকে/
সম্পর্কিত
দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে আকর্ষণীয় গন্তব্য: পলক
দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে আকর্ষণীয় গন্তব্য: পলক
ইউনিভার্সিটি ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ
ইউনিভার্সিটি ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ
রবিবার ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস
রবিবার ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস
আইসিটির ২৭ প্রকল্পে ২০ শতাংশ অগ্রগতি
আইসিটির ২৭ প্রকল্পে ২০ শতাংশ অগ্রগতি
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে আকর্ষণীয় গন্তব্য: পলক
দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে আকর্ষণীয় গন্তব্য: পলক
ইউনিভার্সিটি ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ
ইউনিভার্সিটি ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ
রবিবার ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস
রবিবার ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস
আইসিটির ২৭ প্রকল্পে ২০ শতাংশ অগ্রগতি
আইসিটির ২৭ প্রকল্পে ২০ শতাংশ অগ্রগতি
ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সরকারকে আজিয়াটা গ্রুপের সিইও’র অভিনন্দন
ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সরকারকে আজিয়াটা গ্রুপের সিইও’র অভিনন্দন
© 2022 Bangla Tribune