X
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

গণপরিবহন চালুর দাবিতে সড়কে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

আপডেট : ০২ মে ২০২১, ১৪:০৩

স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চালুর দাবিতে নগরীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন পরিবহন শ্রমিকরা। পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী রবিবার (২ মে) দুপুরে নগরীর বিভিন্ন স্থানে এ কর্মসূচি পালিত হয়। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত সারাদেশের ২৪৯টি পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন এ আন্দোলন কর্মসূচি পালন করছে।

সকালে মহাখালী বাস টার্মিনালের সামনে মানববন্ধনে দাঁড়ান সেখানকার পরিবহন শ্রমিকরা। এ সময় তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে গণপরিবহন চালুর দাবি করেন। বিক্ষোভ সমাবেশটির আয়োজন করে ঢাকা জেলা বাস মিনি বাস সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন।

বিক্ষোভ সমাবেশে ঢাকা জেলা বাস মিনিবাস সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন (মহাখালী) সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক বলেন, ‘লকডাউন বা বিধিনিষিধ ঘোষণা করা হলেও একমাত্র গণপরিবহন ছাড়া সবকিছুই চলছে। এদিকে পরিবহন শ্রমিকরা কাজ না থাকায় মানবেতর জীবন যাপন করছে। আমরা এখন চাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে, আমাদের এই সুযোগ করে দেন। আমরা খেয়ে-পরে পরিবার-পরিজন নিয়ে বাঁচতে চাই।’

এর আগে গত শুক্রবার গণপরিবহন চালুসহ তিন দফা দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবে কর্মসূচি ঘোষণা করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেড়ারেশন।

দাবি বাস্তবায়নে রবিবার (২ মে) সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল এবং আগামী মঙ্গলবার (৪ মে) সারাদেশে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করার কথা রয়েছে।

শ্রমিকদের তিন দফা দাবি হচ্ছে:

১. স্বাস্থ্যবিধি মেনে মোট আসনের অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন ও পণ্য পরিবহন চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে।

২. সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের আর্থিক অনুদান ও খাদ্য সহায়তা প্রদান করতে হবে।

৩. সারাদেশে বাস ও ট্রাক টার্মিনালগুলোতে পরিবহন শ্রমিকদের জন্য ১০ টাকায় ওএমএসের চাল বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে।

 

/এসএস/এমএএ/

সম্পর্কিত

নিয়ন্ত্রণে আসছে না ডেঙ্গু, দিনে ৩০০ রোগী

নিয়ন্ত্রণে আসছে না ডেঙ্গু, দিনে ৩০০ রোগী

অপরাধ দমনে ডিএমপি’র শ্রেষ্ঠ যারা

অপরাধ দমনে ডিএমপি’র শ্রেষ্ঠ যারা

অস্থায়ী গেট কিপারদের চাকরি রাজস্বকরণের দাবি

অস্থায়ী গেট কিপারদের চাকরি রাজস্বকরণের দাবি

বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা উল্টে একজন নিহত

বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা উল্টে একজন নিহত

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:১৯

অস্বাভাবিক সব অফার দিয়ে দেশে ‘ভেলকি’ সৃষ্টি করেছিল ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি। আর এর ফলে দায় বেড়ে খাদের কিনারায় এসেছে প্রতিষ্ঠানটি। অর্ডার করে ঠিক সময় পণ্য না পেয়ে মামলাও করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহক। গ্রেফতার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী (সিও) মোহাম্মদ রাসেল বলছেন, প্রথমত তিনি একটি ব্র্যান্ড তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন। পরবর্তি সময়ে কোনও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বা দেশের বড় কোনও প্রতিষ্ঠানের কাছে দায়সহ বিক্রি করার পরিকল্পনা ছিল তার।

আজ শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় র‌্যাব সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল তার ব্যবসায়িক পরিকল্পনা সম্পর্কে এমন তথ্য র‌্যাবকে জানিয়েছেন বলে জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা।

তিনি জানান, মোহাম্মদ রাসেল ‘জেনে-শুনেই’ এই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন।

এছাড়াও ইভ্যালিকে শেয়ার মার্কেটেও অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টা ছিল মোহাম্মদ রাসেলের। খন্দকার আল মঈন জানান, প্রতিষ্ঠানটির বয়স তিন বছর অতিবাহিত হলে তিনি শেয়ারবাজারে অন্তর্ভুক্ত হতেন- এমনটাই প্রচেষ্টা ছিল তার। সম্প্রতি ইভ্যালি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হলে প্রায়শই ফেসবুক লাইভে এসে গ্রাহকের কাছে সময় চাইতেন মোহাম্মদ রাসেল। এটা তার সময়ক্ষেপণের একটা ‘অপকৌশল’ ছিল বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

‘ব্যবসায়িক অপকৌশল’ হিসেবে নতুন গ্রাহকদের উপর দায় চাপিয়ে পুরাতন গ্রাহকদের আংশিক অর্থ ফেরত অথবা পণ্য ফেরত দিতেন উল্লেখ করে এই র‌্যাব কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘তার এই দায় ট্রান্সফারের দুরভিসন্ধিমূলক অপকৌশল চালিয়ে তিনি প্রতারণা করে আসছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি নেটওয়ার্কে যতো গ্রাহক তৈরি হয় লাইবেলিটিজ বাড়তে থাকে।’

গ্রেফতারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, রাসেল ২০০৭ সালে একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স এবং পরবর্তীতে ২০১৩ সালে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন। তিনি ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত একটি কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতা করেন। ২০১১ সালে ব্যাংকিং সেক্টরে চাকরি শুরু করেন। প্রায় ৬ বছর চাকরির পর ২০১৭ সালে ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে ব্যবসা শুরু করেন। তিনি প্রায় এক বছর শিশুদের ব্যবহার্য একটি আইটেম নিয়ে ব্যবসা করেন এবং পরে তিনি ওই ব্যবসা বিক্রি করে দেন। ২০১৮ সালে আগের ব্যবসালব্ধ অর্থ দিয়ে ইভ্যালি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ইভ্যালির কার্যক্রম শুরু হয়। কোম্পানিতে তিনি সিইও এবং তার স্ত্রী চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত হন।

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক আরও বলেন, ইভ্যালির অবকাঠামো সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভাড়াকৃত স্পেসে ধানমন্ডিতে প্রধান কার্যালয় এবং কাস্টমার কেয়ার স্থাপিত হয়। একইভাবে ভাড়াকৃত স্থান আমিন বাজার ও সাভারে তাদের ওয়্যার হাউজ চালু করা হয়। কোম্পানিতে শুরুর দিকে প্রায় দুই হাজার স্টাফ ছিল। সেই সঙ্গে প্রায় ১৭০০ অস্থায়ী কর্মচারীও ছিল। যা বর্তমানে ১৩০০ জন স্টাফ এবং প্রায় ৫০০ জন অস্থায়ী কর্মচারীতে এসে দাঁড়িয়েছে। প্রথমদিকে কর্মচারীদের মাসিক বেতন বাবদ ইভ্যালির খরচ হতো প্রায় ৫ কোটি টাকার বেশি, যা বর্তমানে দেড় কোটিতে এসে দাঁড়িয়েছে। গত জুন থেকে অনেকের বেতন দিতে সক্ষম হয়নি প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন:
জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল 
ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন?
ইভ্যালির রাসেলের বাসায় র‍্যাবের অভিযান

/আরটি/ইউএস/

সম্পর্কিত

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

ময়মনসিংহ থেকে ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের দুই সদস্য’ গ্রেফতার

ময়মনসিংহ থেকে ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের দুই সদস্য’ গ্রেফতার

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৪৩

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালিকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী (সিও) মোহাম্মদ রাসেল জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে র‌্যাব। আজ শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় র‌্যাব সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, ব্যবসা বাড়াতে তিনি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন আইটেম নিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। তিনি তার এই ইভ্যালির মাধ্যমে মোবাইল সেট, টিভি, ফ্রিজ, এসি, মোটরবাইক এমনকি গাড়িও বিক্রি করেছেন। মূল্যছাড়ের অফারে এর ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়। ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠানটি বিশাল আকারের লাইবেলিটিজ তৈরি হয়।

‘ব্যবসায়িক অপকৌশল’ হিসেবে নতুন গ্রাহকদের উপর দায় চাপিয়ে পুরাতন গ্রাহকদের আংশিক অর্থ ফেরত অথবা পণ্য ফেরত দিতেন উল্লেখ করে এই র‌্যাব কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘তার এই দায় ট্রান্সফারের দুরভিসন্ধিমূলক অপকৌশল চালিয়ে তিনি প্রতারণা করে আসছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি নেটওয়ার্কে যতো গ্রাহক তৈরি হয় লাইবেলিটিজ বাড়তে থাকে।’ 

গ্রেফতারকৃত রাসেল ‘জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি গ্রহণ করেছেন’ বলে র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন তিনি। কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, বিদেশি একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকে লোভনীয় অফারের আলোকে ইভ্যালির কার্যক্রম শুরু করে।

/আরটি/ইউএস/

সম্পর্কিত

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

ময়মনসিংহ থেকে ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের দুই সদস্য’ গ্রেফতার

ময়মনসিংহ থেকে ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের দুই সদস্য’ গ্রেফতার

ময়মনসিংহ থেকে ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের দুই সদস্য’ গ্রেফতার

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:২৯

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমে (এবিটি) সক্রিয় থাকার অভিযোগে ময়মনসিংহ থেকে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে এন্টি টেরোরিজম ইউনিট (এটিইউ)। বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানাধীন চেচুয়া বাজারস্থ কালীবাড়ি মসজিদ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। 

গ্রেফতারকৃত সদস্যরা হলেন মো. কাওসার আহাম্মেদ মিলন (৩০) এবং জাহিদ মোস্তফা (২০)। এসময় তাদের কাছ থেকে দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, চারটি সিম কার্ড, সাতটি উগ্রপন্থী বইয়ের সফটকপি ও প্রিন্টেট হার্ড কপি জব্দ করার কথা জানিয়েছে এটিইউ। সংস্থাটি জানিয়েছে, এসব বইয়ের মধ্যে আল বালাগ, তিতুমীর মিডিয়া, সাহম আল হিন্দ মিডিয়া, জসীমউদ্দিন রহমানী ও আনোয়ার আল আওলাকীর বই রয়েছে। এছাড়া ফেসবুক ও মেসেঞ্জার থেকে তাদের সংগঠনের উগ্রবাদী কার্যক্রম ও বই বিক্রি সংক্রান্ত ৩৪ পাতা স্ক্রিনশট জব্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে এন্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস শাখার পুলিশ সুপার মো. আসলাম খান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামি মো. কাওসার আহাম্মেদ ও জাহিদ মোস্তফা দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে আল রিহাব পাবলিকেশন ও অনলাইনে আশ শাবাব প্রকাশনী হতে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিম’-এর প্রধান মুফতি জসীমুদ্দিন রহমানিসহ অন্যান্য উগ্রবাদী লেখকের উগ্রপন্থী বই অনলাইনে বিভিন্ন জনের কাছে বিক্রি করতেন। সরকার ও রাষ্ট্র বিরোধী ষড়যন্ত্র, জনমনে ত্রাস, ভীতি ও জননিরাপত্তা বিপন্ন করার লক্ষ্যে পরিকল্পনা, গোপনে অনলাইন এবং অফলাইনে উগ্রবাদী ও জিহাদী বই বিক্রির ও জিহাদে উদ্বুদ্ধকরণ ভিডিও শেয়ারের মাধ্যমে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের কার্যক্রম পরিচালনা ও ‘খেলাফত’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আরও অজ্ঞাতনামা দুই-তিন জনকে নিয়ে আলোচনা ও প্রস্তুতি গ্রহণ করছিল।

তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃত কাওসার আহম্মেদ ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে 'আনসারুল্লাহ বাংলা টিম' এর মতাদর্শ প্রচারকারী বই সংগ্রহ করে বিক্রি ও সরবরাহের কাজে নয় বছর ধরে জড়িত। গ্রেফতারকৃত অপর আসামি জাহিদ মোস্তফা তাকে এই কাজে দুই বছর ধরে সহযোগিতা করে আসছিলো। আসামিরা চেচুয়া বাজারে বইয়ের দোকানের আড়ালে একাধিক ফেইক ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে সারা দেশে এবিটি সদস্যদের কাছে উগ্র মতাদর্শের বই বিক্রি করে আসছিলো। মুক্তাগাছা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

/আরটি/ইউএস/

সম্পর্কিত

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

মাদকবিরোধী অভিযানের রাজধানীতে ৭৮ জন গ্রেফতার

মাদকবিরোধী অভিযানের রাজধানীতে ৭৮ জন গ্রেফতার

ছিনতাইকারীকে ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে আহত দিনমজুরের মৃত্যু

ছিনতাইকারীকে ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে আহত দিনমজুরের মৃত্যু

মাদকবিরোধী অভিযানের রাজধানীতে ৭৮ জন গ্রেফতার

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০৪

মাদকবিরোধী অভিযানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে একদিনে আরও ৭৮ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা থেকে আজ  শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

আজ সকালে ডিএমপি মিডিয়া শাখার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ইফতেখায়েরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত এই ৭৮ জনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৫৩টি মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ১৯৫ গ্রাম ৬৫০ পুরিয়া হেরোইন, ২৬ কেজি ৮০ গ্রাম ১৩০ পুরিয়া গাঁজা, ৭৫ বোতল ফেন্সিডিল, ১০টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন ও ১৫ হাজার ৫৬১ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।

/আরটি/ইউএস/

সম্পর্কিত

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

ময়মনসিংহ থেকে ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের দুই সদস্য’ গ্রেফতার

ময়মনসিংহ থেকে ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের দুই সদস্য’ গ্রেফতার

ছিনতাইকারীকে ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে আহত দিনমজুরের মৃত্যু

ছিনতাইকারীকে ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে আহত দিনমজুরের মৃত্যু

নিয়ন্ত্রণে আসছে না ডেঙ্গু, দিনে ৩০০ রোগী

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০০

নিয়ন্ত্রণে আসছে না ডেঙ্গু। এখনও দিনে ২৫০-৩০০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালে। অনেকে বাসায় কাতরাচ্ছেন। ত্যক্ত-বিরক্ত নাগরিকরা ক্ষোভ ঝাড়ছেন নগর কর্তৃপক্ষের প্রতি। কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবের অন্যতম কারণ আবহাওয়া। চলতি মাসে আবহাওয়া অনুকূলে ফিরবে। তখন ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আসবে।

অন্যদিকে কীটতত্ত্ববিদরা বলছেন, যেভাবে কাজ চলছে তাতে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আসবে না। এজন্য আরও জনবল দিয়ে এলাকাভিত্তিক কাজ করা দরকার।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৩২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৯ জন, মার্চে ১৩ জন, এপ্রিলে ৩ জন, মে’তে ৪৩ জন, জুনে ২৭২ জন, জুলাইয়ে দুই হাজার ২৮৬ জন, আগস্টে সাত হাজার ৬৯৮ জন এবং সেপ্টেম্বরের ১৫ তারিখ পর্যন্ত ৪ হাজার ৪৭৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এই হিসাবে আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে আক্রান্তের ধারা একই গতিতে আছে। সব মিলিয়ে চলতি বছর ১৪ হাজার ৮৩১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব বলছে গত কয়েক মাস ধরে ডেঙ্গুর প্রকোপ ঊর্ধ্বমুখী। আক্রান্তদের বেশিরভাগই শিশু। ১৫ সেপ্টেম্বরের পরিসংখ্যান বলছে- আক্রান্তদের মধ্যে শূন্য থেকে একবছর বয়সী আছে দুই শতাংশ। শূন্য থেকে ১০ বছর বয়সী ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ, ১১ থেকে ২০ বছর বয়সী ২৩ দশমিক ৪ শতাংশ, ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী ২৪ দশমিক ২ শতাংশ, ৩১ থেকে ৩০ বছর বয়সী ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী ৭ দশমিক ১ শতাংশ, ৫০ থেকে ৬০ বছর বয়সী ৬ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ২ শতাংশ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন।

এদিকে, গত ২৫ আগস্ট সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে ডিএসসিসি মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘দেশে এডিস মশা বিস্তারের অন্যতম কারণ আবহাওয়া। আবহাওয়া অনুকূলে এলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা শূন্যে নেমে আসবে। এ বছর বৃষ্টি বেশি হওয়ায় ডেঙ্গু বেশি ছড়িয়েছে।’

চলতি মাসেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম। গত রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে তিনি একথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ‘এখন ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়লেও এ মাসেই নিয়ন্ত্রণে আসবে। ২০১৯ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেশি ছিল। সতর্কতা অবলম্বন করায় এবার সংখ্যাটা কমেছে।’

উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিন আমাদের মশককর্মীরা কাজ করছেন। নগরবাসীকে সচেতন করে যাচ্ছি। আমি মনে করি ডিএনসিসিতে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’

তবে দুই মেয়র ও মন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পরও আশা দেখছেন না নগরবাসী। তারা বলছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশন তেমন কিছু করছে না। বরং নাগরিকদের দায়ী করে জেল-জরিমানা করছে। এভাবে ভয়-ভীতি দেখিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

জানতে চাইলে জুরাইনের বাসিন্দা মিজানুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঢাকার ঘরে ঘরে ডেঙ্গু। মহামারি আকার নিয়েছে যেন। আমাদের ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৯ জন মারা গেছে শুনেছি। একটি ওয়ার্ডেই যদি এতজন মারা যায়, বাকিগুলোর অবস্থা বুঝে নিন।’

পুরান ঢাকার বাসিন্দা আলাউদ্দিন বলেন, ‘এলাকায় মশার বেশ উৎপাত। আমরা করপোরেশনকে সচেতন করতে কয়েকটি প্রতীকী প্রোগ্রাম করেছি। কোনও তৎপরতাও দেখা যাচ্ছে না।’

কীটতত্ত্ববিদ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, ‘আমরা ডেঙ্গুর সঠিক তথ্য পাচ্ছি না। এভাবে কাজ করলে ডেঙ্গু যাবে না। সপ্তাহে অন্তত একবার হলেও সিটি করপোরেশনকে প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে পরিদর্শনে যেতে হবে। এজন্য প্রতিটি ওয়ার্ডকে আলাদা ব্লকে ভাগ করে নিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘উত্তর সিটিতে দুই লাখ হোল্ডিং রয়েছে। এজন্য ১২০০ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিতে সুপারিশ করেছি। একজনের দায়িত্বে দিনে ১২০টি বাড়ি পড়বে। সপ্তাহে প্রতিটি বাড়ি একবার ভিজিট করা হবে। ভিজিটরের দায়িত্ব হবে ডেঙ্গুর লার্ভা থাকলে সেই খবর সিটি করপোরেশনে পৌঁছানো। এভাবে কাজ করলে বাসাবাড়িতে ডেঙ্গু থাকবে না। কলকাতায় এই মডেল ব্যবহার করে সফলতা পাওয়া গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশক নিধনকে দুভাগে ভাগ করতে হবে। প্রথমত, এডিস ও দ্বিতীয়ত কিউল্যাক্স। এ ছাড়া মশা নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশন আলাদা শাখাও স্থাপন করতে পারে।’

/এফএ/

সম্পর্কিত

আজ সিনোফার্মের ৪ লাখ ৩৬ হাজার ডোজ দেওয়া হয়েছে

আজ সিনোফার্মের ৪ লাখ ৩৬ হাজার ডোজ দেওয়া হয়েছে

অপরাধ দমনে ডিএমপি’র শ্রেষ্ঠ যারা

অপরাধ দমনে ডিএমপি’র শ্রেষ্ঠ যারা

অস্থায়ী গেট কিপারদের চাকরি রাজস্বকরণের দাবি

অস্থায়ী গেট কিপারদের চাকরি রাজস্বকরণের দাবি

বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা উল্টে একজন নিহত

বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা উল্টে একজন নিহত

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

নিয়ন্ত্রণে আসছে না ডেঙ্গু, দিনে ৩০০ রোগী

নিয়ন্ত্রণে আসছে না ডেঙ্গু, দিনে ৩০০ রোগী

অপরাধ দমনে ডিএমপি’র শ্রেষ্ঠ যারা

অপরাধ দমনে ডিএমপি’র শ্রেষ্ঠ যারা

অস্থায়ী গেট কিপারদের চাকরি রাজস্বকরণের দাবি

অস্থায়ী গেট কিপারদের চাকরি রাজস্বকরণের দাবি

বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা উল্টে একজন নিহত

বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা উল্টে একজন নিহত

স্কুল গেটে অভিভাবকদের জটলা, স্বাস্থ্যবিধিতে অনীহা!

স্কুল গেটে অভিভাবকদের জটলা, স্বাস্থ্যবিধিতে অনীহা!

বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের অনুমোদন পেয়েছে বিতর্কিতরাও

বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের অনুমোদন পেয়েছে বিতর্কিতরাও

৭ প্রতিষ্ঠানকে বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর ল্যাব বসাতে অনুমোদন

৭ প্রতিষ্ঠানকে বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর ল্যাব বসাতে অনুমোদন

সেজান জুস কারাখানায় অগ্নিকাণ্ড, এখনও মর্গে অজ্ঞাত ৭ মরদেহ

সেজান জুস কারাখানায় অগ্নিকাণ্ড, এখনও মর্গে অজ্ঞাত ৭ মরদেহ

বোমা বানাতে গিয়ে আহত শফিকুলের মৃত্যু

বোমা বানাতে গিয়ে আহত শফিকুলের মৃত্যু

পীর সিন্ডিকেটের মামলা থেকে মুক্তি চেয়ে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন

পীর সিন্ডিকেটের মামলা থেকে মুক্তি চেয়ে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন

সর্বশেষ

ড্রেনে পড়েছিল ২ যুবকের লাশ

ড্রেনে পড়েছিল ২ যুবকের লাশ

বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদন বদলের কথা অস্বীকার করলেন আইএমএফ প্রধান

প্রতিবেদন বদলানোর কথা অস্বীকার করলেন আইএমএফ প্রধান

ছয় বছর ধরে পানিবন্দি ফতুল্লার ওসমান আলী স্টেডিয়াম 

ছয় বছর ধরে পানিবন্দি ফতুল্লার ওসমান আলী স্টেডিয়াম 

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

টিভিতে আজ

টিভিতে আজ

© 2021 Bangla Tribune