X
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

গ্রেফতারের আগে যা বললেন নাসির

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২১, ০১:৪২

ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে চলচ্চিত্র নায়িকা পরীমণির মামলা দায়েরের পর এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি নাসির উদ্দিন মাহমুদকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি। সোমবার (১৪ জুন) রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।  গ্রেফতারের আগে নাসির উদ্দিন দাবি করেন, দামি মদ নিতে না দেওয়ায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ঘটনার রাতে বোট ক্লাবে মদ্যপ অবস্থায় ঢুকে পরীমণিসহ কয়েকজন। এসময় তাদের সঙ্গে থাকা এক ছেলে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেছিল। আর তারা যখন রাতে ক্লাবে প্রবেশ করে তখন সিকিউরিটি অফিসাররাও ছিলেন না।’

নাসির উদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘ঘটনার রাতে আমি উপস্থিত ছিলাম। আমি বোট ক্লাবের একজন পরিচালক। আমি যখন রাতে বের হয়ে যাচ্ছিলাম তখন পরীমণিসহ কয়েকজন ক্লাবের ভেতরে ঢুকে। যারা এসেছিল সবাই মদ্যপান অবস্থায় ছিল।’

‘আমি কমপ্লিটলি ভিকটিমাইজড’ উল্লেখ করে নাসির উদ্দিন আরও বলেন, ‘ক্লাবের ভেতরে ঢুকেই বারের রিসিপশনে চলে যায় তারা। সেখানে দামি মদ ছিল। সেসব দামি দামি মদ তারা নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।’

আপনার বিরুদ্ধেই কেন অভিযোগ পরীমণির-এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে নাসির উদ্দিন বলেন, ‘তারা ড্রিঙ্কস নিয়ে যেতে চেয়েছিল। তারা নিয়ে যেতে পারেনি। এই ক্ষোভ থেকেই আমাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে আমার ধারণা।’

/আরটি/এমআর/

সম্পর্কিত

করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫৯ জন বিচারক চিকিৎসাধীন

করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫৯ জন বিচারক চিকিৎসাধীন

ঢাকায় গ্রেফতার বেড়েছে

ঢাকায় গ্রেফতার বেড়েছে

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে অভিযান: ২৪ মামলায় ৩ লাখ ৩১ হাজার টাকা জরিমানা

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে অভিযান: ২৪ মামলায় ৩ লাখ ৩১ হাজার টাকা জরিমানা

দক্ষিণখানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার নারী কারাগারে

দক্ষিণখানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার নারী কারাগারে

মাদক ভয়ংকর-৪

কত প্রকার মাদক আছে দেশে?

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১৫:০০

দেশে এখন পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ২৭ ধরনের মাদক। নিয়মিত সেবনের তালিকায় ১৮ ধরনের মাদকই বেশি। সবচেয়ে বেশি সেবন হচ্ছে ইয়াবা ও গাঁজা। নতুন আইন করেও কমানো যায়নি মাদকের ব্যাপকতা। অভিযান চালিয়ে সরবরাহ চ্যানেল কিছু সময়ের জন্য আটকানো গেলেও আসক্তরা মাদক পাচ্ছে নিয়মিতই। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে মাদকের প্রসার না কমলে বাংলাদেশেও এর ভয়াবহতা নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে না। এ নিয়ে নীতিনির্ধারকদের একযোগে পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

২৭ রকম মাদক

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গবেষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নতুন চার ধরনের মাদকসহ বাংলাদেশে ২৭ ধরনের মাদক উদ্ধার হয়েছে। এগুলো হলো- ম্যাজিক মাশরুম, ডায়মিথাইলট্রিপ্টামাইন (ডিএমটি), লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইইথ্যালামাইড (এলএসডি), ক্রিস্টাল মেথ বা আইস বা মেথামফিটামিন, এস্কাফ সিরাপ, ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা, হেরোইন, প্যাথিডিন, চোলাই মদ, দেশি মদ, বিদেশি মদ, বিয়ার, রেক্টিফায়েড স্পিরিট, ডিনেচার্ড স্পিরিট, তাড়ি, বুপ্রেনরফিন (টি.ডি. জেসিক ইঞ্জেকশন), ভাং, কোডিন ট্যাবলেট, ফার্মেন্টেড ওয়াশ (জাওয়া), বুপ্রেনরফিন (বনোজেসিক ইনজেকশন), মরফিন, ভায়াগ্রা, সানাগ্রা, টলুইন, পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট ও মিথাইল-ইথাইল কিটোন।

এ ছাড়াও বিভিন্ন বৈধ ড্রাগ একসঙ্গে মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে মাদক। এসবও সেবন হচ্ছে দেদার।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক (চট্টগ্রাম অঞ্চল) মজিবুর রহমান পাটোয়ারী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের দেশের মাদকসেবীদের একাধিক মাদক গ্রহণের ঝোঁক রয়েছে। যে মাদকটা সে নিয়মিত গ্রহণ করে, সেটি না পেলে হাতের কাছে যা পায় তা-ই নিয়ে নেয়। মাদকসেবীরা নিজেরাও বৈধ ড্রাগের অপব্যবহার করছে। আমারা দেখেছি দেশে ৮ থেকে ১০ ধরনের মাদক নেওয়ার প্রবণতা বেশি। বাকিগুলো খুব একটা দেখা যায় না।’

আন্তর্জাতিক চক্রের নজর কেন বাংলাদেশে?

মাদকাসক্তি বিষয়ক গবেষক ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. এমদাদুল হক বলেন, ‘ভৌগোলিকভাবেই বাংলাদেশ বিশ্বের তিনটি বৃহত্তম মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চলের মাঝে পড়েছে। এটি একটি ‘স্যান্ডউইচ’ অবস্থা। গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গলে আছে মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড, গোল্ডেন ওয়েজ অঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় দেশ ভারত এবং গোল্ডেন ক্রিসেন্ট অঞ্চলে আছে পাকিস্তান, ইরান ও আফগানিস্তান।’

তিনি আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালানে তাই বাংলাদেশের ভূকৌশলগত গুরুত্ব অনেক। এ চক্রের সঙ্গে বাংলাদেশের মাদক কারবারিদের যোগাযোগটাও এ কারণে শক্তিশালী। শ্রীলঙ্কায় এর আগে মাদক নিয়ে বাংলাদেশি নারী-পুরুষ গ্রেফতার হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে ইয়াবা মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রেও পাঠানোর চেষ্টা হয়েছে। বিমানবন্দরে অনেকেই গ্রেফতার হয়েছে ও হচ্ছে।’

অধ্যাপক এমদাদুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশকে মাদকের হাত থেকে বাঁচাতে এই অঞ্চলের প্রতিবেশী দেশগুলো নিয়েও কাজ করতে হবে। কারণ তাদের দেশে মাদকের ভয়াবহতা থাকলে প্রভাব বাংলাদেশে পড়বেই।’

 

/এফএ/আপ-এনএইচ/
টাইমলাইন: ভয়ংকর মাদক
২৯ জুলাই ২০২১, ১৫:০০
কত প্রকার মাদক আছে দেশে?
২৮ জুলাই ২০২১, ১৩:০০
২৬ জুলাই ২০২১, ১৬:০৯

সম্পর্কিত

মাস্ক সঙ্গে থাকলেই হবে?

মাস্ক সঙ্গে থাকলেই হবে?

ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনে ‘ট্যাপ’র উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান

ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনে ‘ট্যাপ’র উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে প্রাথমিকের নির্দেশনা

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে প্রাথমিকের নির্দেশনা

লকডাউনে ঢাকায় ফেরার গল্প (ভিডিও স্টোরি)

লকডাউনে ঢাকায় ফেরার গল্প (ভিডিও স্টোরি)

আজ আন্তর্জাতিক বাঘ দিবস

'বাঘের জীবন রক্ষায় সুন্দরবন রক্ষা জরুরি'

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪:৫৮

বাঘের প্রাকৃতিক আবাসস্থল রক্ষা এবং বাঘ সংরক্ষণের জন্য মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিতে প্রতি বছরের মতো এবারও আজ ২৯ জুলাই পালন করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাঘ দিবস। এবারে দিবসটির প্রতিপাদ্য‑ ‘বাঘ বাঁচাবে সুন্দরবন, সুন্দরবন বাঁচাবে লক্ষ প্রাণ’।

২০১০ সালে সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত বাঘ অভিবর্তনে এই দিবসটির সূচনা হয়। সারা বিশ্বে দিবসটি পালন করা হলেও বাঘ টিকে আছে বিশ্বের এমন ১৩টি দেশে বাঘের ঘনত্ব বেশি থাকায় এসব দেশে গুরুত্ব সহকারে দিবসটি পালন করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে সেন্ট পিটার্সবার্গে প্রথম বাঘ সম্মেলনে বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশ নিজ নিজ দেশে বাঘের সংখ্যা ১২ বছরের মধ্যে দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নিয়েছিল। এর মধ্যে নেপাল বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করেছে। ভারত এবং ভুটানও দ্বিগুণের কাছাকাছি নিয়ে গেছে। কিন্তু বাংলাদেশে বাঘের সংখ্যা খুব একটা বাড়েনি।

বাপার সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল বলেন, সুন্দরবন সংরক্ষণের যে গুরুত্ব তা সরকার মানসিকভাবে এখনও অনুধাবন করতে পারেনি। তাই সুন্দরবন এখনও অরক্ষিত। বরং সুন্দরবন ধ্বংসের সব ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে বেশ উদ্যোগী সরকার। তিনি বলেন, শুধু বাঘ নয়, কোনও প্রাণীর জীবনই সেখানে নিরাপদ নয়। যেহেতু সরকারি উদ্যোগ নেই তাই নিজেদের সচেতন হবার পাশাপাশি শক্তিশালী মনিটরিং টিম তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি সুন্দরবন ধ্বংসকারী সব ধরনের প্রকল্পের বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলন করে যেতে হবে।

বন অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের সুন্দরবন অংশে গত চার বছরে বাঘের সংখ্যা ১০৬ থেকে বেড়ে বর্তমানে ১১৪টি হয়েছে। অর্থাৎ চার বছরে বাঘ বেড়েছে ৮টি।

পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) সভাপতি আবু নাসির খান বলেন, বাঘের সুস্বাস্থ্যের জন্য খাদ্য ও  নিরবচ্ছিন্ন যাতায়াতের জন্য বিশাল বনের প্রয়োজন। সুতরাং বাঘের জন্য দরকার সুন্দরবনের মতো বিশাল বনের। তাই বাঘ বাঁচাতে হলে সুন্দরবন বাঁচাতে হবে। হরিণসহ অন্য প্রাণীও বাঁচাতে হবে। এক কথায়, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা না গেলে বাঘ বাঁচতে পারবে না। সুন্দরবনের চেক এন্ড ব্যালেন্সের জন্য বাঘ একটি ইন্ডিকেটর। বাঘ কেমন আছে‑ সেটা দেখেই আমরা বুঝতে পারব সুন্দরবন কেমন আছে। তাই সুন্দরবন রক্ষায় সবাইকে এক যোগে কাজ করতে হবে।

এদিকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে দিবসটি উপলক্ষে খুব বেশি অনুষ্ঠান এবার হচ্ছে না।

দিবসটি উপলক্ষে ওয়েবিনারের আয়োজন করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক বাঘ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ওয়েবিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মন্ত্রণালয়ের উপ-মন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার, বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন সচিব মো. মোস্তফা কামাল। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করবেন প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী।

এদিকে দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় "বাঘ দিবসে বাঘের গল্প" শীর্ষক এক বিশেষ ওয়েবিনারের আয়োজন করা হয়েছে।

ওয়েবিনারে সভাপতিত্ব করবেন বাপা’র সভাপতি সুলতানা কামাল। অনুষ্ঠানে বাঘ ও সুন্দরবনের গল্প বলবেন বাপা’র বন জীববৈচিত্র্য, প্রাকৃতিক সম্পদ ও জ্বালানি বিষয়ক কমিটির সহ-আহবায়ক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনিরুল হাসান খান ও অধ্যাপক ড. এম এ আজিজ, সিনিয়র সাংবাদিক মোহসীন-উল হাকিম, মোংলার স্থানীয় বনজীবী বেলায়েত সরদার, পশুর রিভার ওয়াটারকিপার নূর আলম শেখ, করমজল বন্যপ্রাণি প্রজনন কেন্দ্রর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ কবির এবং মোংলার জয়মনির ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিমের নান্টু গাজী।

/এসএনএস/এমএস/

সম্পর্কিত

সুন্দরবন বিপজ্জনক অবস্থানে দাঁড়িয়েছে: সুলতানা কামাল  

সুন্দরবন বিপজ্জনক অবস্থানে দাঁড়িয়েছে: সুলতানা কামাল  

সুন্দরবন রক্ষায় অবিলম্বে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিলের দাবি

সুন্দরবন রক্ষায় অবিলম্বে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিলের দাবি

চুক্তিতে কিলিং মিশনে কাজ করতো তারা

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪:৫১

চুক্তিতে চাঁদাবাজি কিংবা কিলিং মিশনে জড়িত থাকার অপরাধে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর ডিএমপি গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগ। ক্যান্টনমেন্ট থানার আরব আলী হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িত ৩ জনকে গ্রেফতারের পর এসব তথ্য পায় গোয়েন্দা পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার বলেন, ক্যান্টনমেন্ট থানার এক মামলায় মো. আরব আলী যিনি পেশায় একজন ঠিকাদার, তার মামলায় জানা যায় তার কাছে থেকে চাঁদা দাবি করে হুমকি দেওয়া হয় এবং চাঁদা না দেওয়ায় গত ৩০ মার্চ দুপুরে ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন ৩৩/এ বাসার সামনে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে। আরব আলী গুলিবিদ্ধ হয়। ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত মো. শাহজাহান ওরফে সাবুকে চাঁদপুরের হাইমচরে এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। 

পরবর্তীতে তার দেয়া তথ্যমতে পল্লবী থানার কালশী এলাকার বাউনিয়াবাঁধ’র একটি বাসা থেকে একটি রিভলভার এবং ১ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এ ছাড়া কালশী এলাকা থেকে মোহাম্মদ দুলাল প্যাদা ও জিএমপি দুলাল ও মোহাম্মদ সাইফুল ওরফে সুজনকে গ্রেফতার করা হয়। 

ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে।

হাফিজ আক্তার আরও বলেন, গ্রেফতারকৃতরা পালিয়ে থাকা সন্ত্রাসী ইব্রাহিম ও যুবরাজের পৃষ্ঠপোষকতায় এ ধরনের অপতৎপরতা সঙ্গে জড়িত রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ চক্রে আরও ৮ থেকে ১০ জনের তালিকা আমরা পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পেরেছি, তারা কন্ট্রাকে বিভিন্ন সময় কিলিং মিশনে অংশ নিতো। এ ছাড়া পারস্পরিক যোগসাজশে মাদক ব্যবসা বিশেষ করে ভাষানটেক কালশী ক্যান্টনমেন্ট মাটিকাটা এলাকায় চাঁদাবাজি ও প্রভাব বিস্তারের জন্য অস্ত্র রাখত।

হাফিজ আক্তার এই ধরনের অপরাধীদের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ঢাকা শহরে অবৈধ জমি দখল কিংবা চাঁদাবাজের বিষয়ে ডিবির নজরদারি আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। কেউ এ ধরনের অপরাধ করে ছাড় পাবে না। চাঁদাবাজি কিংবা জমি দখলের ঘটনা ঘটলে থানাকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি। অপরাধ করে কেউ পালিয়ে গিয়েও রক্ষা পাবে না।

 

/আরটি/এনএইচ/

সম্পর্কিত

ফকিরাপুলে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

ফকিরাপুলে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

নগরবাসীর কাছে ১০ মিনিট সময় চান আতিকুল ইসলাম

নগরবাসীর কাছে ১০ মিনিট সময় চান আতিকুল ইসলাম

ঢাকায় গ্রেফতার বেড়েছে

ঢাকায় গ্রেফতার বেড়েছে

ফকিরাপুলে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪:৩৬

রাজধানীর ফকিরাপুলে একটি আবাসিক হোটেল থেকে রাকিব (১৯) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৯ জলাই) সকাল দশটায় নিউ মিতালী আবাসিকের একটি কক্ষে সিলিং ফ্যানের সাথে গামছা প্যাঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মৃতদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জহুরুল হক বলেন, সকাল সাড়ে সাতটায় হোটেল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বরতরা  তার কোন সাড়া-শব্দ না পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুপুর বারোটায় ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ পাঠানো হয়েছে।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে।

মৃত রাকিব পিরোজপুর জেলার মাঠবাড়িয়া উপজেলার বড় হারজি গ্রামের হিমু হাওলাদারের ছেলে।

/এআইবি/আরটি/এমএস/

সম্পর্কিত

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

নগরবাসীর কাছে ১০ মিনিট সময় চান আতিকুল ইসলাম

নগরবাসীর কাছে ১০ মিনিট সময় চান আতিকুল ইসলাম

ঢাকায় গ্রেফতার বেড়েছে

ঢাকায় গ্রেফতার বেড়েছে

ডেঙ্গুর লার্ভার তথ্য দেওয়ার আহ্বান তাপসের

ডেঙ্গুর লার্ভার তথ্য দেওয়ার আহ্বান তাপসের

সাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, ভারী বৃষ্টিতে ভূমিধসের শঙ্কা

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১৩:৩৩

সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে। আগামীকাল (শুক্রবার) বিকাল পর্যন্ত এই আবহাওয়া থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এ কারণে দেশের চার সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত এবং নদী বন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দেশের অনেক এলাকায় বিশেষ করে দক্ষিণ পশ্চিম দিকে ভারী বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এজন্য সমুদ্র বন্দরে ও নদী বন্দরগুলোতে সতর্ক সংকেত রাখা হয়েছে। ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তায় রয়েছে। আগামীকাল বিকাল পর্যন্ত এই আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। 

আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও দক্ষিণ পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, সুস্পষ্ট লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশ হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় বিরাজ করছে।

লঘুচাপের প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, সিলেট, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।   

ভারী বর্ষণের সতর্কবার্তায় বলা হয়, আগামী ২৪ ঘণ্টা রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতিভারী (৮৯ মিলিমিটারের বেশি) বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টির কারণে ভূমিধসের শঙ্কাও রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে মোংলায় ২৪৫ মিলিমিটার। এ ছাড়া বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে ঢাকায় ২, চট্টগ্রামে ১৪৯, সিলেটে ৪, রাজশাহীতে ২, রংপুরে ১, খুলনায় ২১ এবং বরিশালে ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। 

নদী বন্দরগুলোর জন্য এক সতর্কবার্তায় বলা হয়- রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও কক্সবাজার অঞ্চলগুলোর ওপর দিকে দক্ষিণ- দক্ষিণ পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এজন্য এসব এলাকার বন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আর এক সতর্কবার্তায় বলা হয়, সুস্পষ্ট লঘুচাপটি বর্তমানে বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও এর আশপাশের এলাকায় বায়ুচাপের আধিক্য বিরাজ করছে এবং গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালার সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং সমুদ্র বন্দরগুলোতে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। 

 

/এসএনএস/এনএইচ/

সম্পর্কিত

ফকিরাপুলে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

ফকিরাপুলে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

‘সবাইকে নিয়ে সেই বিপদেই পড়তে হলো’

‘সবাইকে নিয়ে সেই বিপদেই পড়তে হলো’

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫৯ জন বিচারক চিকিৎসাধীন

করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫৯ জন বিচারক চিকিৎসাধীন

সর্বশেষ

প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে টানা ১০ বছর সম্প্রচার!

প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে টানা ১০ বছর সম্প্রচার!

বীর মুক্তিযোদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যা, তিন ছেলেকে কুপিয়ে জখম

বীর মুক্তিযোদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যা, তিন ছেলেকে কুপিয়ে জখম

কত প্রকার মাদক আছে দেশে?

মাদক ভয়ংকর-৪কত প্রকার মাদক আছে দেশে?

কিশোরীকে বিভিন্নস্থানে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ 

কিশোরীকে বিভিন্নস্থানে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ 

'বাঘের জীবন রক্ষায় সুন্দরবন রক্ষা জরুরি'

আজ আন্তর্জাতিক বাঘ দিবস'বাঘের জীবন রক্ষায় সুন্দরবন রক্ষা জরুরি'

চুক্তিতে কিলিং মিশনে কাজ করতো তারা

চুক্তিতে কিলিং মিশনে কাজ করতো তারা

ঘরের আড়ায় ঝুলছিল অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর লাশ 

ঘরের আড়ায় ঝুলছিল অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর লাশ 

ফকিরাপুলে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

ফকিরাপুলে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

সম্পদের হিসাব দিতে কারও আপত্তি থাকার কথা নয়, আমিও প্রস্তুত: ওবায়দুল কাদের

সম্পদের হিসাব দিতে কারও আপত্তি থাকার কথা নয়, আমিও প্রস্তুত: ওবায়দুল কাদের

অলিম্পিকে হারলেও প্রশংসা পাচ্ছেন দিয়া

অলিম্পিকে হারলেও প্রশংসা পাচ্ছেন দিয়া

চাঁদপুর হাসপাতালে ৮ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু

চাঁদপুর হাসপাতালে ৮ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু

তলিয়ে গেছে মোংলা শহর, পানিবন্দি ৭ হাজার মানুষ

তলিয়ে গেছে মোংলা শহর, পানিবন্দি ৭ হাজার মানুষ

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫৯ জন বিচারক চিকিৎসাধীন

করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫৯ জন বিচারক চিকিৎসাধীন

ঢাকায় গ্রেফতার বেড়েছে

ঢাকায় গ্রেফতার বেড়েছে

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে অভিযান: ২৪ মামলায় ৩ লাখ ৩১ হাজার টাকা জরিমানা

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে অভিযান: ২৪ মামলায় ৩ লাখ ৩১ হাজার টাকা জরিমানা

দক্ষিণখানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার নারী কারাগারে

দক্ষিণখানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার নারী কারাগারে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা তরিকুলের জামিন হয়নি

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা তরিকুলের জামিন হয়নি

সৌদিতে ইয়াবা নেওয়ার চেষ্টা, ৮৯৫০ পিস ট্যাবলেটসহ যাত্রী ধরা

সৌদিতে ইয়াবা নেওয়ার চেষ্টা, ৮৯৫০ পিস ট্যাবলেটসহ যাত্রী ধরা

করোনায় মৃত চিকিৎসক–স্বাস্থ্যকর্মীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে আইনি নোটিশ 

করোনায় মৃত চিকিৎসক–স্বাস্থ্যকর্মীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে আইনি নোটিশ 

চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রলীগ নেতা রিমান্ডে

চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রলীগ নেতা রিমান্ডে

২০৯ জনকে জরিমানা করেছে র‌্যাব

২০৯ জনকে জরিমানা করেছে র‌্যাব

কক্সবাজারের এক হেফাজত নেতার জামিন

কক্সবাজারের এক হেফাজত নেতার জামিন

© 2021 Bangla Tribune