X
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৯ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন ডা. জাহাঙ্গীর কবির

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ১৬:৪৯

চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং করোনার টিকা নিয়ে ‘অসাবধানতাবশত’ ভুল ব্যাখ্যা করেছেন বলে দাবি করেছেন আলোচিত-সমালোচিত লাইফস্টাইল মডিফায়ার ডা. জাহাঙ্গীর কবির।

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এই ক্ষমা প্রার্থনা করেন তিনি। এর আগের দিন ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের চিকিৎসাকে অপচিকিৎসা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে চিকিৎসকদের একটি সংগঠন ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি রাইটস অ্যান্ড রেসপন্সিবিটিলিস (এফডিএসআর)।   

কিটো ডায়েটের পরামর্শ দিয়ে পরিচিতি পাওয়া ডা. জাহাঙ্গীর কবির পোস্টে বলেন, সুস্থ থাকার লক্ষ্যে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা নিয়ে আমি কাজ করছি। সেই লক্ষ্যে দীর্ঘ দিন ধরে আমার রোগীদের লাইফস্টাইল মডিফিকেশনের পরামর্শ দিয়ে আসছি। ইদানীংকালে আমার একটি ভিডিও এবং দুইটি পোস্ট নিয়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রথমত সুস্থ থাকার জন্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে আমি একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলাম। সেখানে করোনার ভ্যাক্সিন বিষয়ে কিছু তথ্য সহজভাবে বোঝাতে গিয়ে আমার অসাবধানতাবশত ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছিলাম। এ নিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হলে আমি অত্যন্ত দ্রুততার সাথে ভিডিওতে যে তথ্যগুলো ভুল ছিল এবং যে কথাগুলো জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে সেসব বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য দিয়ে পূর্বের ভিডিওটি অনলাইন থেকে সরিয়ে নিয়েছি। একইসাথে সকলকে ভ্যাক্সিন দেওয়ার জন্য পরামর্শ এবং উৎসাহ দিয়েছি।

এরপরেও কয়েকজন সম্মানিত ডাক্তার আমাকে ভুল বুঝে সরাসরি আমার নাম উল্লেখ করে নানান রকম পোস্ট করেন। তম্মধ্যে একটি পোস্টের স্ক্রিনশট আমি আমার ফেসবুক পেজে শেয়ার করেছিলাম। এছাড়া অন্য একটি জনসচেতনতামূলক পোস্টে উদাহরণ স্বরূপ একটি প্রেসক্রিপশন শেয়ার করেছিলাম। ওই প্রেসক্রিপশনটি যিনি লিখেছিলেন তার প্রতি সম্মান প্রদর্শনপূর্বক আমি তার নাম ও রেজিস্ট্রেশন নাম্বারটি প্রকাশ করিনি। তথাপি ওই পোস্টটি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হলে তৎক্ষণাৎ দুটি পোস্টই ডিলিট করে দেই।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আমি বিশ্বাস করি আমাদের ডাক্তার সমাজের প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনসেবা করে যাচ্ছেন, মানবিক কাজ করে যাচ্ছেন, এজন্য প্রত্যেক ডাক্তারই আমার কাছে অত্যন্ত সম্মানিত ও শ্রদ্ধাভাজন। একজন ডাক্তার হিসেবে আমি কখনোই কাউকে অসম্মান করতে পারি না এবং আমি তা করতে চাইও না। তবু আমার অনিচ্ছায় তা হয়ে থাকলে তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।

উপরোক্ত বিষয়গুলোর বাইরে আরও যে বিষয়ে সমালোচনা এসেছে তার মধ্যে অন্যতম হলো  আমার পরামর্শকে কিটো ডায়েট হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এই বিষয়ে আমি বহুবার নানান ভিডিওর মাধ্যমে বলেছি যে  আমি শুধু ডায়েট বা খাদ্যাভ্যাস নিয়ে কথা বলি না। আমি মূলত পাঁচটি বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকি। এর মধ্যে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি অটোফেজি, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম ও মানসিক প্রশান্তির চর্চা করাকে সমানভাবে গুরুত্ব দেই। আমি কখনোই ঔষধ বিরোধী না, আমি সব সময় বলে এসেছি জরুরি চিকিৎসায় ওষুধ অপরিহার্য। তবে লাইফস্টাইলজনিত রোগগুলো লাইফস্টাইল মডিফাই করে প্রতিরোধ করা যেতে পারে এবং সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। আমিও আমার রোগীদের প্রয়োজনে ওষুধ লিখছি। সুতরাং ওষুধের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।

তিনি বলেন, আমি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছি যেন স্বাস্থ্যকর জীবন-যাপনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ওষুধ ছাড়া সুস্থ থাকতে পারেন। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, যেসব রোগী সরাসরি আমার পরামর্শ নেন আমি তাদেরকে নিয়মিত অবজারভেশনে রাখার চেষ্টা করি এবং কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে আমার পরামর্শের নানান প্রভাব ও প্রতিকারের বিষয়ে আলোকপাত করে থাকি। সর্বোপরি আমি মনে করি চিকিৎসক সমাজে আমরা সবাই সহকর্মী, একে অপরের সহযোগী। এখানে রয়েছেন আমার সম্মানিত শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ, শ্রদ্ধাভাজন বড় ভাই-বোন, বন্ধুরা ও আগামীর সম্ভাবনাময় জুনিয়র ডাক্তারগণ, জনস্বার্থে সকল চিকিৎসকই একেকজন যোদ্ধা। করোনা মহামারির এই চরম দুর্দিনে ডাক্তারদের মতো যোদ্ধারাই  নিজেদের জীবন ঝুঁকির কথা ভুলে জরাগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকেছে, এখনো আছে।

আজকের পুরো বিশ্ব চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নয়ন ও বাস্তবায়নের সাথে জড়িত সকলের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি সকলের প্রতি সম্মান রেখে বলছি, মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে। তাই আপনারা আমার কোন ভুল ধরিয়ে দিলে আমি তা শুধরে নিব। নিজের ভুলকে আমি ভুল হিসেবে গ্রহণ করে তা শুধরে নিব আর আপনাদের কাছেও আমার অনুরোধ আপনারা আমার পূর্বের ভুলগুলো ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কেননা আমরা তো সকলে মিলে মানব সেবার ব্রতেই চিকিৎসা পেশাকে বেছে নিয়েছি। আর সেজন্য আমরা একে অপরের প্রতি সম্মান রেখে একযোগে কাজ করতে পারি।

আমি নিজেও একজন চিকিৎসক, সবসময়ই প্রত্যেক চিকিৎসকের সম্মান রক্ষা ও অবদান স্বীকার আমার কাছে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। বহু আগে থেকেই আমি নিজেও চিকিৎসকদের নিরাপত্তা, অধিকার ও দায়িত্ব নিয়ে সোচ্চার আছি। সেই লক্ষ্যে আমি ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি, রাইটস এন্ড রেসপন্সিবিলিটিস (FDSR) এর সাথে প্রোগ্রাম করেছিলাম, তা আমার পেজ থেকে শেয়ার করেছিলাম সকলের উদ্দেশে। তবু মানুষ হিসেবে আমি ভুলের ঊর্ধ্বে নই। তাই আমার কথায় হয়তো অনেক সহকর্মী-সিনিয়র চিকিৎসক কষ্ট পেয়েছেন কিংবা মনক্ষুণ্ন হয়েছেন। আমি তাদের সবার প্রতি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।

/এসও/এমএস/

সম্পর্কিত

দ্বিতীয় ডোজের আওতায় ১ কোটি ৫৭ লাখ মানুষ 

দ্বিতীয় ডোজের আওতায় ১ কোটি ৫৭ লাখ মানুষ 

৫ দিনের মধ্যে বড় পরিসরে টিকাদান কর্মসূচি

৫ দিনের মধ্যে বড় পরিসরে টিকাদান কর্মসূচি

অনূর্ধ ১০ বছর বয়সী ডেঙ্গু রোগীই প্রায় ২৫ শতাংশ

অনূর্ধ ১০ বছর বয়সী ডেঙ্গু রোগীই প্রায় ২৫ শতাংশ

করোনায় মৃত ২৪ জনের ১৪ জন নারী

করোনায় মৃত ২৪ জনের ১৪ জন নারী

নদীর দখল রোধে আবার পিলার

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:০০

বারবার উদ্যোগ গ্রহণের পরও পুরোপুরি বাঁচানো যাচ্ছে না বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীকে। এক দিকে দখলমুক্ত করলেও অন্যদিকে ফের দখল করে নিচ্ছে নদীখেকোরা। সরকার এই চার নদীর অবৈধ দখল রোধ করতে চায়। একইসঙ্গে নদীর তীরের পরিবেশ উন্নয়নের পরিকল্পনাও রয়েছে। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, অবকাঠামো নির্মাণ করে রাজধানীর চার নদীর দখলমুক্ত তীর রক্ষা, নাব্যতা, গভীরতা ও প্রশস্ততা বাড়ানো এবং নদীর দূষণ কমিয়ে আনার প্রকল্প নিয়েছে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটি ২০১৮ সালে নেওয়া হলেও নানা কারণে বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি এতে সংশোধনী আনা হয়েছে এবং জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে তা অনুমোদন পেয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীর তীরে পিলার স্থাপন, তীর রক্ষা, ওয়াকওয়ে ও জেটিসহ আনুষাঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ (২য় পর্যায়) (১ম সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৪৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের চার নদীর সীমানা পিলার ও ওয়াকওয়ে নির্মাণকাজের গতি হতাশাজনক। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা আগামী বছরের জুনে। অগ্রগতি মাত্র ৪০-৪৫ শতাংশ। তাই সময় বাড়িয়ে সংশোধনের প্রস্তাব করতে উদ্যোগী হয়েছে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়। 

পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, ওয়াকওয়ে সংলগ্ন ৩৫ দশমিক ৩৫৮ কিলোমিটার ড্রেন, ২ দশমিক ৬৫ কিলোমিটার নদী সংরক্ষণ বাঁধ, জেটির জন্য ২১ কিলোমিটার পার্কিং ইয়ার্ড ও ৪টি ঘাট নির্মাণ ডিপিপিতে নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অপরদিকে রেট সিডিউল পরিবর্তনের কারণে প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট অংশের ব্যয় ও পরিমাণ বাড়ানো এবং বাস্তবায়নের মেয়াদ ১ বছর বাড়ানোর জন্যই সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। 

বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বলেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকাকে ঘিরে রাখা বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীর তীরভূমিতে অবৈধ দখল রোধ, পরিবেশগত উন্নয়ন সাধন, সৌন্দর্য বর্ধন ও জনসাধারণের চলাচলের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া প্রকল্পটি বাস্তবায়নে এ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ১৭৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এ অর্থ ব্যয়ের পর বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীর তীরে প্রকল্পের কাজ অনেকটাই দৃশ্যমান। তবে বালু ও শীতলক্ষ্যার তীরে কাজের তেমন অগ্রগতি হয়নি।

পিলার স্থাপনে যেটুকু কাজ হয়েছে তাতেও অনিয়ম হয়েছে। পাইলিং না করে পিলার বসানোয় বেশ কয়েকটি পিলার উল্টে পড়েছে। এ অবস্থায় প্রকল্প ব্যয় ৩৩৩ কোটি টাকা বাড়িয়ে মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হলে তা একনেকে অনুমোদন পায়।

পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, প্রকল্পের আওতায় ঢাকার সদরঘাট, উত্তরখান, তুরাগ, মোহাম্মদপুর, কামরাঙ্গীরচর, কোতায়ালী, মিরপুর, কেরাণীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, সদর বন্দর, সোনারগাঁও ও গাজীপুর সদর এলাকায় ১৮ দশমিক ২১ লাখ ঘনমিটার মাটি খনন ও অপসারণ করা হবে।

নদীর তীরভূমিতে ৩৩ দশমিক ৮৫ কিলোমিটার, তীরভূমির কলামের ওপর ১৭ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে এবং ওয়াকওয়ে সংলগ্ন ৩৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার ড্রেন তৈরি হবে। ৮০টি আরসিসি সিঁড়ি বানানো হবে। ১০ দশমিক শূন্য ৪ কিলোমিটার কি-ওয়াল, ২৯১টি বসার বেঞ্চ ৮৫০ মিটার সীমানা প্রাচীর ও ৩৮৫০টি সীমানা পিলার, ৪টি ঘাট, ১৪টি জেটি ও ২৮টি স্পাড, ২ দশমিক ৬৫ কিলোমিটার নদী রক্ষা বাঁধ, ২১ হাজার বর্গমিটার পার্কিং ইয়ার্ড, ৩ দশমিক ৫ কিলোমিটার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও ৩টি ইকোপার্ক নির্মাণ করা হবে।

প্রকল্প প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, প্রকল্পটি ২০২২ সালের ৩০ জুনে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারিত থাকলেও একবছর বাড়িয়ে ২০২৩ সালের ৩০ জুন শেষ করা হবে বলে জানিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।

কমিশন জানিয়েছে, সরকারের ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় দখলদারিত্ব রোধ ও আবর্জনা পরিষ্কারের মাধ্যমে নদীর প্রবাহ বজায় রাখাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম জানিয়েছেন, ‘এটি একটি বড় প্রকল্প। পুরোপুরি বাস্তবায়ন নির্ধারিত সময়ে সম্ভব নয়। প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। প্রকল্পটি শতভাগ বাস্তবায়ন হলে ঢাকার চার নদীর তীর বিনোদন কেন্দ্রও হবে।

/এফএ/

সম্পর্কিত

বাউবি’র স্থগিত বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা  শুক্রবার শুরু

বাউবি’র স্থগিত বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা  শুক্রবার শুরু

গুলশানে তিন ফার্মেসিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

গুলশানে তিন ফার্মেসিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

সরকারি কর্মচারীদের প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য হচ্ছে দিবাযত্ন কেন্দ্র

সরকারি কর্মচারীদের প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য হচ্ছে দিবাযত্ন কেন্দ্র

ক্যাম্পাস দেখে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পরামর্শ ইউজিসির

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:৫৪

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির বিষয়ে সতর্ক করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এ গণবিজ্ঞপ্তি জারি হয়। অপরদিকে ‘ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান অবস্থা’ সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে ইউজিসির ওয়েবসাইটে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশে ১০৮টি অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও ইউজিসির অনুমতিক্রমে ৯৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বাকি ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় এখনও শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেনি।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের www.ugc.gov.bd ভিজিট করে অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত ক্যাম্পাস ও কমিশন নির্ধারিত আসন সংখ্যার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে ভর্তি হতে পরামর্শ দিয়েছে ইউজিসি।

গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০, কমিশনের নিয়ম-নীতি ও নির্দেশনা উপেক্ষা করে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় অননুমোদিত ক্যাম্পাস, প্রোগ্রাম ও নির্ধারিত আসন সংখ্যার অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করছে।

এ সকল বিশ্ববিদ্যালয়কে অবৈধভাবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা থেকে বিরত থাকতে কমিশন থেকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় অর্জিত ডিগ্রির মূল সার্টিফিকেটে স্বাক্ষরকারী হবেন সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ করা ডিসি ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক। শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকারী ৯৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার সকলেই নিয়োজিত রয়েছেন। এ ছাড়া, রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা ভিসি রয়েছে ৬৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে, প্রো-ভিসি ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ট্রেজারার আছে ৫৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার পদে কেউ নেই। কমিশনের ওয়েবসাইটে ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যাবলী’ শিরোনামের সেবা-বক্সে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সন্নিবেশিত রয়েছে।

এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুরোধ করেছে ইউজিসি। এরপর অননুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেউ কোনোভাবে প্রতারিত হলে তার দায় ইউজিসির ওপর বর্তাবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।  

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, কমিশন থেকে এ অবধি কোনও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে পিএইচডি প্রোগ্রাম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়নি। বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাডি সেন্টার পরিচালনারও অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভুয়া নামে বা স্বনামধন্য বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে অবৈধভাবে ওয়েবসাইট বা অফিস খুলে তথাকথিত পিএইচডিসহ বিভিন্ন ডিগ্রি দেওয়া হচ্ছে যা কমিশনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এখন পর্যন্ত কোনও বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা/ক্যাম্পাস/স্টাডি সেন্টারের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন কমিশন দেয়নি।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

বাউবি’র স্থগিত বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা  শুক্রবার শুরু

বাউবি’র স্থগিত বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা  শুক্রবার শুরু

১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

অনলাইনে কারিগরির অ্যাডভান্সড কোর্সে নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

অনলাইনে কারিগরির অ্যাডভান্সড কোর্সে নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন নিয়ে শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশনা

ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন নিয়ে শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশনা

বাউবি’র স্থগিত বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা  শুক্রবার শুরু

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৪৩

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) স্থগিত বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা-২০১৯ শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে। এই পরীক্ষায় ১২ থেকে ১৯ ব্যাচের নিয়মিত ও পুনঃপরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবেন।  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাউবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বাউবি'র বিএ এবং বিএসএস পরীক্ষা-২০১৯ এর প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ সেমিস্টারের স্থগিত পরীক্ষা আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে।

এছাড়াও ডি-নোভো (DeNovo) রেজিস্ট্রেশন করা ১১ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিএ এবং বিএসএস পরীক্ষা-২০১৯ এ অংশ নিতে প্রথম সুযোগ এবং ১০ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সর্বশেষ সুযোগ এটি। 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উল্লিখিত ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ছাড়া অন্য কোনও ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না।

 

/এসএমএ/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

নদীর দখল রোধে আবার পিলার

নদীর দখল রোধে আবার পিলার

ক্যাম্পাস দেখে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পরামর্শ ইউজিসির

ক্যাম্পাস দেখে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পরামর্শ ইউজিসির

গুলশানে তিন ফার্মেসিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

গুলশানে তিন ফার্মেসিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

ভাষাসৈনিক আহমদ রফিকের পাশে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৩৭

বিশিষ্ট ভাষাসৈনিক, বুদ্ধিজীবী, গবেষক, প্রাবন্ধিক আহমদ রফিকের পাশে দাঁড়িয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি’র নির্দেশনায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে অসুস্থ আহমদ রফিকের হাতে তিন লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়েছে। সহযোগিতার জন্য আহমদ রফিক এ সময় মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘আহমদ রফিক একাধারে বরেণ্য ভাষাসংগ্রামী, বুদ্ধিজীবী, লেখক, প্রাবন্ধিক ও গবেষক। তিনি আমাদের মহান মনীষী। ভাষা আন্দোলনে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ করেছেন। বাঙালির প্রতিটি আন্দোলনে তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সৃষ্টিশীল লেখা ও গবেষণা ছাড়াও তিনি জাতীয় ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তার অসামান্য অবদান রয়েছে।’

কে এম খালিদ বলেন, ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় আহমদ রফিকের পাশে আছে। ভবিষ্যতেও তার সুচিকিৎসাসহ যেকোনও সহায়তার প্রয়োজনে মন্ত্রণালয় পাশে থাকবে।’

 

 

 

 

/ইউআই/আইএ/

সম্পর্কিত

নেদারল্যান্ডস ভ্রমণের শর্ত শিথিল

নেদারল্যান্ডস ভ্রমণের শর্ত শিথিল

অনলাইনে কারিগরির অ্যাডভান্সড কোর্সে নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

অনলাইনে কারিগরির অ্যাডভান্সড কোর্সে নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে টিউশন-ফি মওকুফের দাবি

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে টিউশন-ফি মওকুফের দাবি

অর্থমন্ত্রীর মন্তব্যের জবাব দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রীর মন্তব্যের জবাব দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

ফকিরাপুলে ভিওআইপি সরঞ্জামসহ গ্রেফতার ৪

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৫১

অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ফকিরাপুল এলাকা থেকে চার জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ফকিরাপুল গরম পানির গলি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. আলমগীর হোসেন (৪৫), মো. সাগর মিয়া (২৭), মোহাম্মদ শামীম মিয়া (২৯) ও মোহাম্মদ আমির হামজা (৩৩)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ভিআইপি ব্যবসায় পরিচালনায় ব্যবহৃত দুটি সিপিইউ, একটি মাউস, একটি কিবোর্ড, দুটি প্রিন্টার, দুইটি স্ক্যানার, একটি পেপার কাটার মেশিন, একটি ডিজিটাল ওজন মেশিন এবং চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে কাওরান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব ১০ এর অধিনায়ক এডিশনাল ডিআইজি মাহফুজুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘শামসুজ্জামান নামে একজনকে শেরেবাংলা থেকে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। মূলত তাকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতেই অভিযান পরিচালিত হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন হতে লাইসেন্স ছাড়াই এ ধরনের অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।’

মাহফুজুর রহমান আরও বলেন, ‘তারা অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ও রিচার্জ সেবা প্রদানের পাশাপাশি হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করতো বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। তারা দীর্ঘ সাত থেকে আট বছর অবৈধ ভিওআইপি ও আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ও রিচার্জের ব্যবসা করে আসছিল।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার সঙ্গে ৭-৮টি সিন্ডিকেট জড়িত রয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য অনেক ধাপে অনেক গ্রুপে কাজ করতে হয়। দেশীয় কেউ এর পেছনে জড়িত কিনা এ বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া এর পেছনে কারা জড়িত এ বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

বিটিআরসির উপ-পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) গোলাম সারোয়ার বলেন, ‘অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা ঠেকাতে আমরা প্রতি ১২ ঘণ্টা পরপর মনিটরিং করি। যেসব সিমে সন্দেহভাজন কোনও কিছু পাই সেগুলো ব্লক করে দেই। চক্রগুলো পরবর্তীতে অন্যভাবে সিম একটিভ করে আবার এ ধরনের কাজ করে। আমরা প্রতিনিয়ত এসব বিষয়ে নজর রাখছি।’

 

 

/আরটি/আইএ/

সম্পর্কিত

ধর্ষণ মামলায় ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত নেতা সবুজের বিরুদ্ধে চার্জশিট

ধর্ষণ মামলায় ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত নেতা সবুজের বিরুদ্ধে চার্জশিট

আইনজীবী তালিকাভুক্তির চূড়ান্ত ফল ২৫ সেপ্টেম্বর

আইনজীবী তালিকাভুক্তির চূড়ান্ত ফল ২৫ সেপ্টেম্বর

ইভানার পাশে কেউ ছিল না

ইভানার পাশে কেউ ছিল না

ইভ্যালির রাসেলের রিমান্ড ও জামিন শুনানিতে যা বললেন আইনজীবীরা

ইভ্যালির রাসেলের রিমান্ড ও জামিন শুনানিতে যা বললেন আইনজীবীরা

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

দ্বিতীয় ডোজের আওতায় ১ কোটি ৫৭ লাখ মানুষ 

দ্বিতীয় ডোজের আওতায় ১ কোটি ৫৭ লাখ মানুষ 

৫ দিনের মধ্যে বড় পরিসরে টিকাদান কর্মসূচি

৫ দিনের মধ্যে বড় পরিসরে টিকাদান কর্মসূচি

অনূর্ধ ১০ বছর বয়সী ডেঙ্গু রোগীই প্রায় ২৫ শতাংশ

অনূর্ধ ১০ বছর বয়সী ডেঙ্গু রোগীই প্রায় ২৫ শতাংশ

করোনায় মৃত ২৪ জনের ১৪ জন নারী

করোনায় মৃত ২৪ জনের ১৪ জন নারী

দেশে এলো সিনোফার্মের আরও ৫০ লাখ টিকা

দেশে এলো সিনোফার্মের আরও ৫০ লাখ টিকা

গোপালগঞ্জে করোনা আক্রান্ত ২ শিক্ষার্থী কোয়ারেন্টিনে

গোপালগঞ্জে করোনা আক্রান্ত ২ শিক্ষার্থী কোয়ারেন্টিনে

টিকা পরিচালনায় সরকারকে সহযোগিতা করছে ইউএসএআইডি

টিকা পরিচালনায় সরকারকে সহযোগিতা করছে ইউএসএআইডি

জুলাইয়ের তিনগুণ রোগী সেপ্টেম্বরের ২১ দিনে

জুলাইয়ের তিনগুণ রোগী সেপ্টেম্বরের ২১ দিনে

চিকিৎসকসহ ৯৪২৩ স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত

চিকিৎসকসহ ৯৪২৩ স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত

দ্বিতীয় দিনের মতো শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে

দ্বিতীয় দিনের মতো শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে

সর্বশেষ

আসিয়ানের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলো যুক্তরাষ্ট্র

আসিয়ানের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলো যুক্তরাষ্ট্র

সুম্বা দ্বীপের নাচুনে গাছ! (ফটোফিচার)

সুম্বা দ্বীপের নাচুনে গাছ! (ফটোফিচার)

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

© 2021 Bangla Tribune