X
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৩ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

ভ্যাকসিন রফতানির কথা বিবেচনা করছে ভারত, লক্ষ্য আফ্রিকা

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৫০

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন রফতানি পুনরায় শুরু করার বিষয়টি বিবেচনা করছে ভারত। প্রধানত আফ্রিকা মহাদেশে এই রফতানির বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে। সূত্রের বরাত দিয়ে বুধবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এখবর জানিয়েছে।

বিশ্বের বৃহত্তম ভ্যাকসিন উৎপাদক ভারত এপ্রিল মাসে রফতানি বন্ধ করে। দেশে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় নিজেদের জনগণকে টিকা দেওয়ার জন্য এমন সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি।

ভ্যাকসিন রফতানি পুনরায় চালু করার বিষয়টি এমন সময় সামনে এলো যখন আগামী সপ্তাহে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ওয়াশিংটন সফর যাচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সমন্বয়ে কোয়াড সম্মেলনে তিনি যোগ দেবেন। ধারণা করা হচ্ছে, সম্মেলনে করোনা ভ্যাকসিন এজেন্ডায় থাকবে।

ভারতীয় সূত্র জানায়, ভ্যাকসিন রফতানির বিষয়টি চূড়ান্ত। ভারত ভ্যাকসিন ও কোভিড মোকাবিলার মডেল দিয়ে আফ্রিকাকে সহযোগিতা করতে চায়।

এই বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্তব্য জানা যায়নি। ভ্যাকসিন রফতানির বিষয়টির তদারকি করছে এই মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, কোভ্যাক্স উদ্যোগে ভ্যাকসিন সরবরাহ চালু করার বিষয়ে ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের নিয়মিত আলোচনা চলছে।

/এএ/

সম্পর্কিত

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

জাতিসংঘ মহাসচিবকে পাঠানো চিঠিতে যা বললো তালেবান

জাতিসংঘ মহাসচিবকে পাঠানো চিঠিতে যা বললো তালেবান

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:০৩

আফগানিস্তানে মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে মেয়েদের অধ্যয়ন নিষিদ্ধ করেছে তালেবান। শুক্রবার অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে শুধু ছেলে ও পুরুষদের শ্রেণিকক্ষে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কট্টরপন্থী তালেবানের এমন ঘোষণায় বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছেন দেশটির কিশোরিরা। স্কুলে ফিরতে না পারা এক কিশোরী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসকে জানায়, তার কাছে এখন সবকিছু অন্ধকার লাগছে।

অবশ্য এক তালেবান মুখপাত্র বলেছেন, শিগগিরই মেয়েদের স্কুল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে আফগানরা তালেবানের ১৯৯০ দশকের কঠোর শাসন ফিরে আসার আশঙ্কা করছেন। ওই সময় মেয়েদের স্কুলে পড়া নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

কেবল ছেলেদের স্কুলে ফিরতে বলার নির্দেশের পরে তালেবান মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদকে উদ্ধৃত স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বাখতার বার্তা সংস্থা জানায়, মেয়েদের স্কুল শিগগিরই চালু হবে। এজন্য শিক্ষকদের বিভক্ত করাসহ বিভিন্ন ‘প্রক্রিয়া’ নিয়ে কাজ করছেন কর্মকর্তারা।

কিন্তু স্কুলগামী মেয়ে ও তাদের অভিভাবকরা বলছেন, এমনটি ঘটার সম্ভাবনা খুব কম।

আইনজীবী হতে চাওয়া এক আফগান মেয়ের কথায়, আমি নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব উদ্বিগ্ন। সবকিছুই মনে হচ্ছে অন্ধকার। প্রতিদিন ঘুম থেকে জেগে উঠি এবং নিজেকে প্রশ্ন করি আমি কেন বেঁচে আছি? আমার কী বাড়িতে বসে কারও অপেক্ষায় থাকা উচিত যে দরজার নক করে বলবে আমাকে বিয়ে করতে চায়? নারী হওয়ার এটাই কি উদ্দেশ্য?

এই কিশোরীরা বাবা বলেন, আমার মা ছিলেন অশিক্ষিত। আমার বাবা তাকে নিয়মিত নির্যাতন করতেন এবং গর্দভ বলতেন। আমি চাই না মায়ের মতো হোক আমার মেয়ে।

কাবুলের ১৬ বছর বয়সী আরেক স্কুলছাত্রী ভাষায়, এটি ছিল তার দুঃখজনক দিন। আমি চিকিৎসক হতে চাই! আমার স্বপ্ন ধূলিস্যাৎ হয়ে গেছে। আমার মনে হয় না আমি আর স্কুলে ফিরতে পারব। এমনকি যদি তারা আবার হাই স্কুল চালু করেও, তারা চায় না নারীরা শিক্ষিত হোক।

গত সপ্তাহে তালেবান ঘোষণা দেয়, নারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করতে পারবেন। কিন্তু পুরুষ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বসতে পারবে না এবং নতুন পোশাকবিধি মেনে চলতে হবে। অনেকেই মনে করছেন, এর মধ্য দিয়ে নারীদের শিক্ষা থেকে বাদ দেওয়া হবে। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পৃথক ক্লাস নেওয়ার মতো সক্ষমতা ও সামর্থ্য নেই। মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েদের শিক্ষা নিষিদ্ধ করার অর্থ হলো তারা উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারবে না।

২০০১ সালে তালেবান ক্ষমতা থেকে উৎখাত হওয়ার পর আফগানিস্তানের শিক্ষা ও সাক্ষরতা হারের প্রভূত উন্নতি হয়। বিশেষ করে মেয়ে ও নারীদের। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেয়েদের সংখ্যা শূন্য থেকে ২৫ লাখে পৌঁছায়। এক দশকে নারীদের সাক্ষরতার হার প্রায় দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়ায় ৩০ শতাংশে। যদিও এই অগ্রগতির বেশিরভাগ শহুরে অঞ্চলে হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক এক মুখপাত্র নোরোরিয়া নিজহাত বলেন, এটি আফগানিস্তানে নারী ও মেয়েদের শিক্ষার জন্য অবনতি। এটি তালেবানের ৯০ দশকের কথা সবাইকে মনে করিয়ে দিচ্ছে। যার ফলে তখন আমরা নিরক্ষর ও অশিক্ষিত নারীদের একটি প্রজন্ম পেয়েছিলাম।

 

/এএ/

সম্পর্কিত

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৩২

আফগানিস্তানে কৈশোর পার করায় নিজেকে ভাগ্যবান মনে করে রাবিয়া বালখি। সমকামী সম্প্রদায়ের প্রতি বৈষম্যের দীর্ঘ ইতিহাস থাকা দেশটিতে জন্ম নেওয়ার পরও তার পরিবার লেসবিয়ান হিসেবে তাকে মেনে নিয়েছে। কিন্তু এখন বালখি বলছেন, এই বিরল মেনে নেওয়ার ঘটনাই তার জীবন হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। কারণ আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া তালেবান গোষ্ঠী দেশটির গে, লেসবিয়ান ও রূপান্তরকামীদের বিরুদ্ধে শারীরিক সহিংসতা ও আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।

তালেবান ক্ষমতা দখলের পরই বালখি ও তার পরিবার আত্মগোপনে চলে যান। দেশটি ছাড়তে বাইরের সহযোগিতা চাওয়া কয়েকশ’ সমকামী মানুষদের একজন তিনি।

অজ্ঞাত স্থান থেকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে তিনি বলেন, পরিস্থিতি প্রতিদিন খারাপ হচ্ছে। গ্রেফতার হওয়ার আতঙ্ক এখন জীবনের অংশ হয়ে গেছে। এতই উদ্বিগ্ন যে এখন আমি রাতে ঘুমাতে পারি না।

বালখি জানান, তালেবান আমার পরিবার সম্পর্কে সব জানে। তিনি আশঙ্কা করছেন, তার পরিবার হামলার শিকার হতে পারে কিংবা সমকামী হওয়ায় তাকে হত্যা করা হতে পারে। তিনি আতঙ্কে রয়েছে, তালেবান তাকে খুঁজে পেলে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করবে।

যদিও আফগানিস্তানের এলজিবিটিকিউ নাগরিকদের বিরুদ্ধে তালেবান কঠোর ধর্মীয় আইন জারি করবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে জুলাই মাসে একটি জার্মান সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক তালেবান বিচারক বলেছিলেন, সমকামিতার মাত্র দুই ধরনের শাস্তি রয়েছে। একটি হলো পাথর নিক্ষেপ, অপরটি হলো দেয়ালে পিষে হত্যা করা।

এই বিষয়ে এক তালেবান মুখপাত্রের মন্তব্য চাইলে তিনি জানান, এই সম্প্রদায় নিয়ে সরকারিভাবে কোনও পরিকল্পনা এখনও নাই। কিছু অগ্রগতি ঘটলে জানানো হবে।

তালেবানের মতে, শরিয়াহ আইন অনুসারে সমকামিতার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের কয়েকজন সিএনএনকে জানান, তারা জানতে পেরেছেন তাদের বন্ধু, পার্টনার ও এই সম্প্রদায়ের মানুষ হামলা ও ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন। তালেবান শাসকরাও তাদের সঙ্গে এমন আচরণ করতে পারে বলে তারা আতঙ্কিত।

কয়েকজন জানান, তারা কয়েক সপ্তাহ ধরে একটি বেজমেন্টের একটি রুমে দেয়াল বা ফোনের স্ক্রিনের দিকে অনির্দিষ্টকাল তাকিয়ে থাকছেন। যদি বাইরে বের হওয়ার কোনও ইঙ্গিত পাওয়া যায়। অনেকে বন্ধুদের সহযোগিতায় লুকিয়ে আছেন। অনেকেই আছেন একা, ফুরিয়ে গেছে খাবার।

তবে সবাই বলছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাদের পরিত্যাগ করেছে বলে অনুভব করছেন তারা। সূত্র: সিএনএন

/এএ/

সম্পর্কিত

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

অস্ট্রেলিয়া বড় ধরনের ভুল করেছে: ফ্রান্স

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:১৬

যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সমঝোতার পর ফ্রান্সের সঙ্গে কয়েকশ’ কোটি ডলারের সাবমেরিন নির্মাণ চুক্তি বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া। এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে দেশটি বড় ধরনের কূটনৈতিক ভুল করেছে। শনিবার নিজ দেশের এমন মনোভাবের কথা জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত ফরাসি রাষ্ট্রদূত জঁ-পিয়েরো থেবোল্ট। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

ফ্রান্সের সঙ্গে সাবমেরিন নির্মাণ চুক্তি বাতিলের পরপরই ক্যানবেরা থেকে রাষ্ট্রদূত থিবোল্টকে ডেকে পাঠায় প্যারিস। দেশে ফিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ নিয়ে কথা বলেন।

জঁ-পিয়েরো থেবোল্ট বলেন, এটি সেভাবে কোনও চুক্তি ছিল না, ছিল অংশীদারিত্ব। আস্থা, পারস্পরিক সমঝোতা ও আন্তরিকতার ওপরই এ ধরনের সম্পর্কের স্থায়িত্ব নির্ভর করে।

তিনি বলেন, আমি মনে করি, এটি বড় ধরনের একটি ভুল। অংশীদারের সঙ্গে বাজে আচরণ করা হয়েছে।

এদিকে এ ঘটনায় অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র থেকেও নিজ দেশের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে ফ্রান্স।

মিত্র দেশ থেকে রাষ্ট্রদূত ডেকে পাঠানোর ঘটনা ফ্রান্সের ক্ষেত্রে বিরল। তবে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ ইভে ল দ্রিঁয়া জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর নির্দেশেই রাষ্ট্রদূতদের ডাকা হয়েছে।

গত বুধবার অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ভাগাভাগি করে চীনকে মোকাবিলায় বিশেষ নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু ত্রিদেশীয় চুক্তির ফলে ফ্রান্সের কাছ থেকে আর সাবমেরিন নেবে না ক্যানবেরা। আর এতেই ক্ষুব্ধ ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর প্রশাসন।

মিত্র দেশের কাছ থেকে এমন চুক্তিকে অপ্রত্যাশিত আচরণ উল্লেখ করেছেন ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ত্রিদেশীয় পারমাণবিক সাবমেনি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্যারিসের পিঠে ছুরিকাঘাত করেছেন।

/এমপি/

সম্পর্কিত

অস্ট্রেলিয়ায় লকডাউনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, আটক ২৬৭

অস্ট্রেলিয়ায় লকডাউনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, আটক ২৬৭

অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠালো ফ্রান্স

অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠালো ফ্রান্স

ফ্রান্সের ২৪টি পুরাতন বিমান কিনতে যাচ্ছে ভারত

ফ্রান্সের ২৪টি পুরাতন বিমান কিনতে যাচ্ছে ভারত

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:১২

তালেবানের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চার দশক আগে সন্ধান পাওয়া ব্যাকট্রিয়ান সোনার অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সাংস্কৃতিক কমিশনের উপ-প্রধান জানান, ব্যাকট্রিয়ান সম্পদের খোঁজ করতে সংশ্লিষ্ট দফতরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের তথ্য অনুসারে, ব্যাকট্রিয়ান সম্পদের মধ্যে রয়েছে প্রাচীন বিশ্বের কয়েক হাজার সোনার টুকরো। ছয়টি সমাধির ভেতরে এগুলো পাওয়া গেছে। এর মধ্যে খ্রিস্টপূর্ব শতাব্দী থেকে শুরু করে প্রথম খ্রিস্টাব্দের সোনা রয়েছে।

সাময়িকীটির এক প্রতিবেদন অনুসারে, এই সম্পদে ২০ হাজারের বেশি বস্তু রয়েছে। আছে সোনার আংটি, মুদ্রা, অস্ত্র, কানের দুল, ব্রেসলেট ইত্যাদি।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই সমাধিগুলো ছয় বিত্তশালী এশীয় যাযাবরের, এদের মধ্যে পাঁচ নারী ও এক পুরুষ রয়েছে। এসব সম্পদ ২ হাজার বছর পুরনো।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে আফগান প্রেসিডেন্ট প্যালেসে এগুলো আনা হয়। পরে জনগণের জন্য এগুলো প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু আশরাফ গণির সরকারের পতনের পর এগুলো নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম টোলো নিউজ জানিয়েছে, ওয়াসিক বলেছেন প্রাচীন ও ঐতিহাসিক ভাস্কর্যের সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি বহাল থাকবে।

২০২০ সালের ডিসেম্বর একই সংবাদমাধ্যম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, ব্যাকট্রিয়ান সম্পদ গত ১৩ বছরে ১৩ বার প্রদর্শন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে সাড়ে চার মিলিয়ন ডলার যুক্ত হয়েছে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

 

/এএ/

সম্পর্কিত

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

জাতিসংঘ মহাসচিবকে পাঠানো চিঠিতে যা বললো তালেবান

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:০৮

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠিয়েছে তালেবান সরকার। চিঠিতে আফগানিস্তানে জাতিসংঘ কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিতের অঙ্গীকার করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তালেবানের কাছ থেকে চিঠিটি পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন গুতেরেস।

এতে সংস্থাটির কর্মীদের সুরক্ষার পাশাপাশি নারী অধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলোও সুরাহার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি আফগানিস্তানে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সহায়তা নিয়ে তালেবানের সঙ্গে জাতিসংঘের আলোচনা হয়েছে বলেও জানান গুতেরেস।

তিনি জানান, আফগানিস্তানে বৈষম্যহীন মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়ানো, দেশটিতে কর্মরত জাতিসংঘ প্রতিনিধিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নারী অধিকারের মতো বিষয়গুলো নিয়ে দলটির সঙ্গে কথা হয়েছে।

এ মাসের গোড়ার দিকে কাবুল সফরে যান জাতিসংঘের দূত মার্টিন গ্রিফিতস। এ সময় তিনি তালেবানের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই সফরের বিষয়ে গুতেরেস বলেন, গঠনমূলক ও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তালেবানের পক্ষ থেকে নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আফগানিস্তানে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠায় তালেবানের সঙ্গে সংলাপের উদ্যোগ নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। আফগানিস্তানের প্রতিবেশী তাজিকিস্তানে দুই দিনের সফরে দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর ইমরান খান নিজেই তার এমন প্রচেষ্টার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৪০ বছরের সংঘাতের পর এই অন্তর্ভুক্তি একটি স্থিতিশীল আফগানিস্তান নিশ্চিত করবে। আফগানিস্তানের স্থিতিশীলতা শুধু তার নিজের জন্যই নয়, বরং পুরো অঞ্চলের জন্যই জরুরি। সূত্র: এনডিটিভি।

/এমপি/

সম্পর্কিত

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

২ হাজার বছর পুরনো ব্যাকট্রিয়ান সোনার খোঁজে তালেবান

জাতিসংঘ মহাসচিবকে পাঠানো চিঠিতে যা বললো তালেবান

জাতিসংঘ মহাসচিবকে পাঠানো চিঠিতে যা বললো তালেবান

তালেবানের সঙ্গে সংলাপের উদ্যোগ ইমরান খানের

তালেবানের সঙ্গে সংলাপের উদ্যোগ ইমরান খানের

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা সম্প্রসারণ করছে উত্তর কোরিয়া

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা সম্প্রসারণ করছে উত্তর কোরিয়া

মন্ত্রিসভা নিয়ে পদত্যাগ করলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর

মন্ত্রিসভা নিয়ে পদত্যাগ করলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর

অবশেষে তৃণমূলে বিজেপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়

অবশেষে তৃণমূলে বিজেপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়

সর্বশেষ

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

চবিতে দুই শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগ

চবিতে দুই শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগ

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

‘সবকিছু অন্ধকার লাগছে’, স্কুলে যেতে না পারা আফগান মেয়ে

যাত্রীবাহী গাড়িটিতে সন্ত্রাসীদের ৪০-৫০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ

যাত্রীবাহী গাড়িটিতে সন্ত্রাসীদের ৪০-৫০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

তালেবান খুঁজে পেলে হত্যা করবে, আতঙ্কে সমকামীরা

© 2021 Bangla Tribune