X
বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ৪ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

সুদমুক্ত জীবনের আশায় এহসানে ২০ লাখ টাকা রেখেছিলেন ব্যাংক কর্মকর্তা

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:০৯

শরিয়াহভিত্তিতে লভ্যাংশ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১১০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার মামলায় কারাগারে আছেন মাল্টিপারপাস কোম্পানি এহসান গ্রুপের এমডি রাগীব আহসান ও তার তিন ভাই। এহসান গ্রুপের প্রতারণার শিকার হয়ে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা, সহকারী শিক্ষক, চাকরিজীবী, প্রবাসী এবং শ্রমজীবীদের অনেকেই আজ নিঃস্ব। এমনকি বিধবা ও গৃহিণীর জমানো টাকাও আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে গ্রুপটির বিরুদ্ধে। পরকালে মুক্তির দোহাই ও সুদবিহীন উচ্চ মুনাফার কথায় ভুলে এহসানের প্রতারণার শিকার হয়েছেন সাধারণ মানুষ।    

পরকালে মুক্তির দোহাই দিয়ে গ্রাহক সংগ্রহ করতো এহসান গ্রুপ

এদেরই একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা গোলাম আহাদ। পিরোজপুর শহরের সিআই পাড়া এলাকায় তার বাড়ি। কৃষি ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার হিসেবে চাকরি থেকে অবসরে যান। সারাজীবন ব্যাংকে চাকরি করেও শেষ জীবনে সুদমুক্ত জীবনের আশায় এহসান গ্রুপে ২০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। ২০১৮ সালের দিকে টাকা রাখার পর এক লাখ টাকায় মাসিক দুই হাজার টাকা করে মুনাফা পেতেন তিনি। 

সারাজীবন ব্যাংকে চাকরির পর এহসানে টাকা রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবসর বয়সে ব্যবসা করতে পারবো না, আবার সুদও খাবো না, তাই টাকা রেখেছিলাম এহসানে। 

মুনাফা পেয়েছিলেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কয়েকমাস পেয়েছি’। 

এহসানে জড়ানোর বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আমি শেরেবাংলা পাবলিক লাইব্রেরির সঙ্গে জড়িত। এহসানের কার্যক্রম ওই লাইব্রেরির মার্কেটে চলছিল। এহসান গ্রুপের কয়েকটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানও রয়েছে সেখানে। অনেক ধর্মপ্রাণ মুসুল্লি ও মাওলানাদের যাতায়াত ছিল এহসানে। তখন শুনেছিলাম শরিয়াহ অনুযায়ী চলছে এহসানের কার্যক্রম। এ কথা শুনে সেখানে টাকা রেখেছিলাম। 

রাগীবের কথার যাদুতে এহসানে জড়িয়ে নিঃস্ব শিক্ষক

গোলাম আহাদ বলেন, এহসান গ্রুপ যখন আমাদের লাভ দিতে পারছিল না, তখন আমরা চাপ দিলে আমাকে, সাদেক আহমেদ শাহাদাৎ, নজরুল ইসলাম নান্নার স্ত্রী হেনা পারভীন, পিরোজপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের বড় ইমাম মোজাম্মেল হোসেন ও শাহিন আহমেদকে শেরেবাংলা পাবলিক লাইব্রেরি মার্কেটে থাকা (মার্কেটের ভাড়াটিয়া) আল্লাহর দান বস্ত্রালয়টি লিখে দেয়। কিন্তুু আমরা এর দখল বুঝে পাইনি।

ব্যাংক কর্মকর্তা গোলাম আহাদের মতো প্রতারণার শিকার হয়েছেন সাদেক আহমেদ শাহাদাৎ। শাহদাতের বাড়ি পিরোজপুর শহরের পৌরসভা সড়কে। পারিবারিক ঐতিহ্য আছে তাদের। বাবা আজাহার মিয়া ছিলেন একজন সফল আইনজীবী (তৎকালীন সময়ে মোক্তার)। শাহাদাৎ নিজেও একজন ক্রীড়াবিদ। পিরোজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতা, শেরেবাংলা পাবলিক লাইব্রেরির যুগ্ম সম্পাদকসহ পিরোজপুর টাউন ক্লাবেরও সদস্য তিনি। 

জেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতা সাদেক আহমেদ শাহাদাৎ এহসানে জড়িয়ে প্রতারণার শিকার হওয়ার কথা জানান সাদেক আহমেদ শাহাদাৎ। তিনি বলেন, আমার সংসার চলতো ঠিকাদারির আয়ের টাকায়। মাঝখানে তেমন কোনও কাজ না পাওয়ায় জমানো টাকা খরচ করতে হচ্ছিল। এক সময় তাতে টান পড়ে। ২০১৮ সালের দিকে শহরের মুসলিম পাড়া (ম্যালেরিয়া পুলের কাছে) এলাকায় ছয় শতক জমি ৩০ লাখ টাকায় বিক্রি করি। পরে ২৫ লাখ টাকা জমা রাখি এহসান মাল্টিপারপাসে। 

তিনি বলেন, জমি বিক্রি করে আমি এক ঘণ্টাও টাকাটা হাতে রাখিনি। যেদিন জমি বিক্রি করেছি, সেদিনই এহসানে ২৫ লাখ টাকা জমা করি। এ থেকে প্রতি মাসে ৪৭ হাজার টাকার কিছু বেশি পেয়েছি। আট থেকে নয় মাস ধরে লাভ পেয়েছি। পরে মুনাফা পাওয়া বন্ধ হলে আসল টাকা হারানোর শঙ্কা দেখা দেয়।  

শাহাদাৎ আক্ষেপ নিয়ে বলেন, এহসানের এমডি রাগীব আহসানের শ্বশুর মাওলানা শাহ আলম পিরোজপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম (বর্তমানে মসজিদ থেকে চাকরিচ্যুত)। তার পেছনে আমি নামাজ পড়েছি। তার কথা বিশ্বাস করে আমি এহসানে বিনিযোগ করে প্রতারণার শিকার হয়েছি। 

ছাত্র ধর্ষণে ইমামতি থেকে বহিষ্কার হয়ে এমএলএম শুরু রাগীবের

প্রতারণার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আমি টাকা রাখার সময় এহসানের এমডি রাগীব আহসানকে জিজ্ঞেস করেছিলাম আমি যে লাভ পাবো তার গ্যারান্টি কী? তখন সে আমাকে বলে আমি আপনাদের এখানে (শেরেবাংলা পাবলিক লাইব্রেরি মার্কেটে) ব্যবসা করি। আমাদের বিভিন্ন ব্যবসা আছে। জমি কেনা-বেচার ব্যবসা আছে আমাদের। আমি পালিয়ে যাবো কোথায়? কিন্তু পরে রাগীব যখন মুনাফা দেওয়া বন্ধ করে দেয়। তখন আমরা চাপ প্রয়োগ করতে থাকি। গেল তিন চার মাস আগে পিরোজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও পিরোজপুর শেরেবাংলা পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা নকীবের বাসায় বৈঠক বসে এ বিষয়ে। পরে রাগীব আহসান শেরেবাংলা পাবলিক লাইব্রেরি মার্কেটের এহসান গ্রুপের আল্লাহর দান বস্ত্রালয়টি আমিসহ কয়েকজন গ্রাহককে লিখে দেয়। 

প্রতারণার শিকার নজরুল ইসলাম নান্না গোলাম আহাদ ও শাহাদাতের মতো প্রতারণার শিকার হয়েছেন নজরুল ইসলাম নান্না। পিরোজপুরে এপেক্স ক্লাব পরিচালিত মোরশেদ স্মৃতি শিশু নিকেতনের ভাইস প্রিন্সিপাল তিনি। লাভের আশায় স্ত্রী হেনা পারভীনের নামে পাঁচ লাখ টাকা রেখেছিলেন এহসানে।

এহসান গ্রুপে ৪০ লাখ টাকা রেখেছেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা

নজরুল ইসলাম বলেন, আমার ছোট ভাই ও অনেক পরিচিত জন এহসানে টাকা রেখেছিলেন। এতে আমার একটা বিশ্বাস জন্মেছিল। আমি এহসানে ৪৫ মাস মেয়াদি হিসেবে পাঁচ লাখ টাকা রেখেছিলাম। আমাকে লাখে দুই হাজার টাকা দেওয়া হতো, যা দিয়ে মোটামুটি চলতো। 

এহসানের প্রতারণায় অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নজরুল আক্ষেপ নিয়ে বলেন, আমার তেমন কিছু নাই, এখন আসল টাকাটা ফেরত না পেলে পথে বসে যাওয়ার মতো অবস্থা।  নিজের কষ্টের টাকা ফেরত পেতে সরকার ও প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেন তিনি। 

/টিটি/

সম্পর্কিত

প্রণোদনা পেতে শের-ই-বাংলা মেডিক্যালের নার্সদের বিক্ষোভ

প্রণোদনা পেতে শের-ই-বাংলা মেডিক্যালের নার্সদের বিক্ষোভ

টানা বৃষ্টিতে ডুবেছে বরিশাল নগরী

টানা বৃষ্টিতে ডুবেছে বরিশাল নগরী

মেঘনায় নিখোঁজ কোস্টগার্ড সদস্যের সন্ধান মেলেনি

মেঘনায় নিখোঁজ কোস্টগার্ড সদস্যের সন্ধান মেলেনি

ড্রেনে কাগজের বক্সে মিললো নবজাতকের লাশ

ড্রেনে কাগজের বক্সে মিললো নবজাতকের লাশ

রংপুর ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল

চার মাস ধরে ৮ হাজার মামলার বিচারকাজ বন্ধ

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২১, ০২:০০

রংপুরের ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক না থাকায় চার মাস ধরে আট হাজারের বেশি মামলার বিচারকাজ বন্ধ রয়েছে। এতে জেলার আট উপজেলা ও মহানগরীর সাত থানার মানুষ বিচারবঞ্চিত হচ্ছেন। কবে বিচারক আসবেন, আদালতের কার্যক্রম শুরু হবে; তা জানা নেই কারও।

ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের পেশকার কামরুজ্জামান বলেন, চার মাস ধরে বিচারক নেই। তবে কবে নাগাদ আসবে তা আমাদের জানা নেই।

এদিকে, মামলা জটের কারণে একেক মামলার তারিখ এক বছর পর দেওয়া হচ্ছে বলে বিচারপ্রার্থীরা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে মামলায় হাজিরা দেওয়া, তারিখ কমিয়ে আনতে ৫০০-১০০০ টাকা পর্যন্ত পেশকার ঘুষ নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিচারপ্রার্থীরা।

বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০১২ সালে রংপুরের ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হয়। মূলত জমিজমার রেকর্ড সংশোধন ও বিভিন্ন অভিযোগের বিচারকাজ হয়। জেলার আট উপজেলা ও মহানগরীর সাত থানা এলাকার জমি সংক্রান্ত মামলার বিচারকাজ পরিচালনা করেন সহকারী জজ পদমর্যাদার একজন বিচারক।

বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে আট হাজারের বেশি মামলা বিচারাধীন। গড়ে প্রতিদিন ৭০-৮০টি করে মামলার দিন ধার্য থাকে। সেই সঙ্গে নতুন মামলা দায়ের হয়। মামলা হওয়ার তুলনায় নিষ্পত্তি কম বিধায় জট দেখা দিয়েছে।

পীরগঞ্জ উপজেলার মিঠিপুর গ্রামের কমর উদ্দিনের ছেলে আব্দুল হাই অভিযোগ করেন, মামলা করার পর কাজের কাজ কিছুই হয় না। প্রতি তারিখে আইনজীবী, মুহুরি পেশকারকে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা দিতে হয়। গত পাঁচ বছর মামলা চলছে। কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বছরে একবার করে মামলার তারিখ দেওয়া হয়। প্রতি তারিখে আদালতের পেশকার ৫০০ টাকার নিচে নেন না। তাকে ৫০০ টাকার নিচে দিলে মামলার তারিখ এক বছর পরে দেন। টাকা দিলে ৪-৫ মাস পরে দেন। প্রকাশ্যেই চলছে পেশকার-কর্মচারীদের এই ঘুষ বাণিজ্য।

একই অভিযোগ করেছেন মিঠাপুকুর উপজেলার মিলনপুরের আব্দুল্লাহ। তিনি সাত বছর ধরে আদালতে আসছেন। মামলা নিষ্পত্তির কোনও লক্ষণ দেখছেন না। আদালতের পেশকারের বিরুদ্ধে প্রতি তারিখে ৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে পেশকার কামরুজ্জামান বলেন, সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক ছিলেন জুলফিকার আলী। তিনি পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ হয়ে রংপুর আদালতে কর্মরত। গত চার মাসে নতুন বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বর্তমানে একজন সহকারী জজ অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তার নিজের আদালতের মামলার বিচার করতে গিয়ে এখানের বিচারকাজ করা সম্ভব হয় না।

তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালে আট হাজারের বেশি মামলা বিচারাধীন। এক বছর পর পর মামলার তারিখ দেওয়া হয় এই কথা সঠিক নয়। প্রতিদিন ৭০-৮০টি মামলার তারিখ থাকে। ৪-৫ মাস পরপর তারিখ দেওয়া হয়। বিচারপ্রার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকার নিচে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি মিথ্যা। এসব আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

জেলা আইনজীবী সমিতির জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রেজাউল করিম রাজু বলেন, ট্রাইব্যুনালের বিচারক না থাকায় বিচারপ্রার্থীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। মামলার বিচারকাজে দীর্ঘ সময় লাগায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে। তবে বাদী-বিবাদী ও দুই পক্ষের আইনজীবীরা মামলা নিষ্পত্তিতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে পারেন। সেই সঙ্গে নতুন বিচারক নিয়োগ দেওয়ার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা নিতে পারেন।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুল মালেক বলেন, বিষয়টি আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের মাধ্যমে আইন বিভাগের সচিবকে জানানো হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচারক নিয়োগ দেওয়া হবে।

/এএম/

সম্পর্কিত

বিএনপি-জামায়াত জঙ্গি পোষে, তারাই এ কাজ করেছে: তথ্যমন্ত্রী

বিএনপি-জামায়াত জঙ্গি পোষে, তারাই এ কাজ করেছে: তথ্যমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সারাদেশে সমাবেশ-শোভাযাত্রা

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সারাদেশে সমাবেশ-শোভাযাত্রা

পীরগঞ্জের ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত: স্পিকার

পীরগঞ্জের ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত: স্পিকার

দলীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করে হিলিতে প্রার্থী হচ্ছেন বিএনপি নেতারা

দলীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করে হিলিতে প্রার্থী হচ্ছেন বিএনপি নেতারা

‘অচিরেই বিশ্ববাসী জানতে পারবে মন্দিরে হামলার মদতদাতা কারা’

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ২৩:১২

দেশ যখনই এগিয়ে যায় তখন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করার জন্য বিশেষ একটি শ্রেণি নানা ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেছেন, ‘যারা আমাদের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেনি এবং প্রত্যক্ষভাবে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, সেই অপশক্তি দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশকে পাকিস্তানের মতো অকার্যকর ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। কুমিল্লায় মন্দিরে হামলার ঘটনায় তদন্ত হচ্ছে। হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় যারা জড়িত তাদের কিছু লোক ধরা পড়েছে। আশা করছি, অচিরেই হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে। তাদের কাছ থেকেই জাতি ও বিশ্ববাসী জানতে পারবে, বিভিন্ন মন্দিরে হামলার ঘটনায় তাদের মদতদাতা ও আশ্রয়দাতা কারা। প্রকৃত দোষীরা অচিরেই চিহ্নিত হবে।’

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) বিকালে গাজীপুর শহরের সার্কিট হাউজ ও শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পাশে গাজীপুর কালেক্টরেট হাই স্কুলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুরের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী জামিল আহমেদ, মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার জাকির হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মামুন সরদার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) অঞ্জন কুমার সরকার প্রমুখ।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘যেখানে যত বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে সেখানকার মানুষ তত বেশি উপকৃত হবে। গাজীপুরে মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আসন সীমিত থাকায় অনেকেই ঢাকার বিভিন্ন স্কুলে ভর্তি হচ্ছে। আশা করছি, গাজীপুর কালেক্টরেট হাই স্কুলটি জেলা প্রশাসকের তদারকিতে মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল সম্পর্কে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ হাসপাতালে অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। চিকিৎসক-নার্স-টেকনেশিয়ানসহ জনবল ও অবকাঠামোর সংকট আছে। যে পরিমাণ জনবল দরকার তার তিন ভাগের একভাগ জনবলও এখানে নেই। এ সংকট কাটিয়ে উঠতে পারলে অচিরেই জনগণ একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সেবা পাবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে সংকট দূর করতে সহযোগিতা করবো।’ পরে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী গাজীপুর সার্কিট হাউজের তৃতীয় তলার ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধন করেন।

/এফআর/

সম্পর্কিত

‘ধর্মের নামে হানাহানি যেকোনও মূল্যে প্রতিহত করবো’ 

‘ধর্মের নামে হানাহানি যেকোনও মূল্যে প্রতিহত করবো’ 

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সারাদেশে সমাবেশ-শোভাযাত্রা

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সারাদেশে সমাবেশ-শোভাযাত্রা

টান দিলেই উঠে যাচ্ছে নতুন সড়কের কার্পেটিং

টান দিলেই উঠে যাচ্ছে নতুন সড়কের কার্পেটিং

কুমিল্লার ঘটনায় গ্রেফতার আরও ৩

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ২২:৫৮

কুমিল্লার নগরীর কাপড়িয়াপট্টি এলাকায় চান্দমনি রক্ষাকালী মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন নগরীর কাপড়িয়াপট্টি এলাকার মাঈনউদ্দিন, রাশেদ ও এম্বু।

গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালি মডেল থানার তদন্ত পরিদর্শক অমল কৃষ্ণ ধর বলেন, গত ১৩ অক্টোবর নানুয়ার দিঘিরপাড় বিশৃঙ্খলার ঘটনার পর একই দিন দুপুরে নগরীর কাপড়িয়াপট্টি এলাকায় চাঁন্দমনি রক্ষাকালী মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা করে। ওই মামলায় ৫০ জনকে এজাহারনামীয় এবং ৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। মামলার আসামি মাঈনউদ্দিন, রাশেদ ও এম্বু। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। বাকিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

/এএম/

সম্পর্কিত

‘প্রেমের বিরোধে নারীকে কুপিয়ে হত্যা’

‘প্রেমের বিরোধে নারীকে কুপিয়ে হত্যা’

কুমিল্লার ঘটনা ফেসবুকে প্রচারকারী রিমান্ডে, মামলা সিআইডিতে

কুমিল্লার ঘটনা ফেসবুকে প্রচারকারী রিমান্ডে, মামলা সিআইডিতে

‘প্রেমের বিরোধে নারীকে কুপিয়ে হত্যা’

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ২২:৪৫

কুমিল্লায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এক নারীকে হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) মামলার একমাত্র আসামি কানু মিয়াকে গ্রেফতার করেছে। কানু মিয়া কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনপুর গ্রামের মৃত সেকান্দার আলীর ছেলে।

র‍্যাব জানায়, ওই নারী কানুর দোকানে গেলে ফার্নিচার তৈরির ‘বাটাল’ দিয়ে কুপিয়ে প্রথমে ভুক্তভোগীর পেটে আঘাত করে ক্ষত-বিক্ষত করেন। পরবর্তী সময়ে গলায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে।

এর আগে, ১৭ অক্টোবর (রবিবার) সকালে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার মালিখিল গ্রামের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশের পুকুরে বস্তাবন্দি অবস্থায় আনোয়ারা বেগম (৪১) নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আনোয়ারা কুমিল্লা নগরীর শাকতোলা এলাকার আনার মিয়ার স্ত্রী।

লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তার ছেলে বাদী হয়ে দাউদকান্দি থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি মামলা করেন। র‌্যাব তদন্তের কাজ শুরু করে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ অক্টোবর ১টার সময় কাজে যাওয়ার কথা বলে আনোয়ারা বেগম ঘর থেকে বের হন এবং তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান না পেয়ে পরবর্তী সময়ে দাউদকান্দি থানার মাধ্যমে হত্যার বিষয়টি জানতে পারে। পরে র‌্যাব মাঠ পর্যায়ে গোয়েন্দা কার্যক্রমের মাধ্যমে জানতে পারে, ভুক্তভোগীর সঙ্গে কানু মিয়ার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। পরবর্তী সময়ে কানু মিয়ার অবস্থান শনাক্ত করে ১৮ তাকে গ্রেফতার করে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে র‌্যাব-১১ কুমিল্লার কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন জানান, ওই নারীর সঙ্গে কানু মিয়ার দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে সম্পর্ক ছিল। সে ভুক্তভোগীকে আর্থিক সহায়তা ও ভরণপোষণ দিয়ে আসছিল। ইতোমধ্যে কানু মিয়া জানতে পারে যে, তার সঙ্গে ছাড়াও ঐ নারীর একাধিক লোকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। এছাড়া বিগত কিছুদিন ধরে ওই নারী বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাবুর্চিদের সঙ্গে রান্নার সহযোগী হিসেবে কাজ করছিলেন। তবে কানু মিয়ার পছন্দ না হওয়ায় তিনি এই কাজ না করার জন্য বলেন।

জিজ্ঞাসাবাদে কানু মিয়া র‍্যাবকে জানিয়েছেন, এসব ঘটনার কারণে আনোয়ারার প্রতি তার মনে ক্ষোভ ও প্রতিহিংসার সৃষ্টি হয়। শনিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে কানুর দোকানে আনোয়ারা গিয়ে বিভিন্ন আর্থিক চাহিদার কথা বললে তিনি দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ব্যাপক কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে কানু মিয়া তার দোকানের ফার্নিচার তৈরির কাজে ব্যবহৃত ‘বাটাল’ দিয়ে প্রথমে ভুক্তভোগীর পেটে আঘাত করে ক্ষত-বিক্ষত করেন। পরবর্তী সময়ে গলায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। এরপর কৌশলে লাশ বস্তায় ভরে দাউদকান্দির ওই পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।

/এফআর/

সম্পর্কিত

কুমিল্লার ঘটনায় গ্রেফতার আরও ৩

কুমিল্লার ঘটনায় গ্রেফতার আরও ৩

কুমিল্লার ঘটনা ফেসবুকে প্রচারকারী রিমান্ডে, মামলা সিআইডিতে

কুমিল্লার ঘটনা ফেসবুকে প্রচারকারী রিমান্ডে, মামলা সিআইডিতে

মোংলায় পণ্য ওঠানামা বন্ধ, তলিয়ে গেছে ৮ শতাধিক মাছের ঘের 

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ২২:৩৯

টানা বৃষ্টির কারণে দুই দিন ধরে মোংলা বন্দরে ২০টি বিদেশি জাহাজের পণ্য ওঠানামা ও পরিবহনের কাজ বন্ধ রয়েছে। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে মোংলা ও রামপালের আট শতাধিক মাছের ঘের। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও জেলা মৎস্য বিভাগ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দীন বলেন, দুই দিন ধরে টানা বৃষ্টি। বন্দরে অবস্থানরত চাল-সারসহ বিভিন্ন পণ্যভর্তি ২০টি জাহাজের পণ্য ওঠানামার কাজ বন্ধ রয়েছে। বন্দর জেটিতে অবস্থানরত রূপপুর পারমাণবিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মেশিনারি নিয়ে আসা একটি জাহাজে পণ্য খালাস চলছে। আবহাওয়া ভালো হলে এসব জাহাজের পণ্য নামানোর কাজ শুরু হবে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এএসএম রাসেল বলেন, টানা বৃষ্টিতে জেলার আট শতাধিক মাছের ঘের তলিয়ে গেছে। তবে এতে কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মোংলা বন্দরে ২০টি বিদেশি জাহাজের পণ্য ওঠানামা ও পরিবহনের কাজ বন্ধ রয়েছে

মোংলা উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, শুধুমাত্র মোংলা উপজেলায় বৃষ্টির পানিতে চাঁদপাই, চিলা ও বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের ছোট-বড় ৪৯৫টি চিংড়ি ঘের তলিয়ে গেছে। দুই দিন ধরে বৃষ্টিপাতের কারণে বাগেরহাট, মোরেলগঞ্জ ও মোংলা পোর্ট পৌর শহরসহ জেলার নয় উপজেলায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট, বাড়িঘর ও পুকুরসহ সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও। জোয়ারে নদী-খাল ভরা থাকায় বৃষ্টির পানি নামতে না পারায় দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা।

বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করায় সোমবার থেকে উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। এ জন্য মোংলা বন্দরসহ উপকূলীয় এলাকায় তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত এমন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় অব্যাহত থাকবে।

 

/এএম/

সম্পর্কিত

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সারাদেশে সমাবেশ-শোভাযাত্রা

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সারাদেশে সমাবেশ-শোভাযাত্রা

কোটি টাকা আত্মসাৎ, হাসপাতালের সাবেক হিসাবরক্ষকের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

কোটি টাকা আত্মসাৎ, হাসপাতালের সাবেক হিসাবরক্ষকের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেফতার

প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেফতার

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

প্রণোদনা পেতে শের-ই-বাংলা মেডিক্যালের নার্সদের বিক্ষোভ

প্রণোদনা পেতে শের-ই-বাংলা মেডিক্যালের নার্সদের বিক্ষোভ

টানা বৃষ্টিতে ডুবেছে বরিশাল নগরী

টানা বৃষ্টিতে ডুবেছে বরিশাল নগরী

মেঘনায় নিখোঁজ কোস্টগার্ড সদস্যের সন্ধান মেলেনি

মেঘনায় নিখোঁজ কোস্টগার্ড সদস্যের সন্ধান মেলেনি

ড্রেনে কাগজের বক্সে মিললো নবজাতকের লাশ

ড্রেনে কাগজের বক্সে মিললো নবজাতকের লাশ

চট্টগ্রামে দল গোছাচ্ছে আ.লীগ ও বিএনপি, চাঙা তৃণমূল

চট্টগ্রামে দল গোছাচ্ছে আ.লীগ ও বিএনপি, চাঙা তৃণমূল

চায়ের দোকান থেকে মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়লো আগুন

চায়ের দোকান থেকে মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়লো আগুন

বেড়েছে অন্তঃসত্ত্বা রোগীর চাপ, চিকিৎসক সংকটে ভোগান্তি 

বেড়েছে অন্তঃসত্ত্বা রোগীর চাপ, চিকিৎসক সংকটে ভোগান্তি 

যশোর বোর্ডের আড়াই কোটি টাকার সর্বশেষ গন্তব্য খুঁজছে দুদক

যশোর বোর্ডের আড়াই কোটি টাকার সর্বশেষ গন্তব্য খুঁজছে দুদক

আশুলিয়ায় ছেলের হাতে বাবা খুন

আশুলিয়ায় ছেলের হাতে বাবা খুন

সর্বশেষ

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর কথা স্বীকার উত্তর কোরিয়ার

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর কথা স্বীকার উত্তর কোরিয়ার

যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলো ২১ আরোহী

যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলো ২১ আরোহী

৫ গোলে জিতলো রিয়াল মাদ্রিদ, আতলেতিকোকে হারালো লিভারপুল

৫ গোলে জিতলো রিয়াল মাদ্রিদ, আতলেতিকোকে হারালো লিভারপুল

যুক্তরাজ্যে আবারও বাড়ছে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু

যুক্তরাজ্যে আবারও বাড়ছে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু

মেসির জোড়ায় পিএসজির রোমাঞ্চকর জয়

মেসির জোড়ায় পিএসজির রোমাঞ্চকর জয়

© 2021 Bangla Tribune