X
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ৩১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

পর্যটক টানতে সুন্দরবনে হচ্ছে ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৩২

বিশ্বের অনেক পর্যটকের প্রধান আকর্ষণের জায়গা সুন্দরবন। সবচেয়ে বড় এই ম্যানগ্রোভ বনকে পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে প্রায় ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সুন্দরবন ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র তৈরি হবে। সেই সঙ্গে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে বনজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে কাজ করা হবে। 

‘সুন্দরবনে পরিবেশবান্ধব পর্যটন বা ইকো-ট্যুরিজম সুবিধা সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য সুন্দরবনে পরিবেশবান্ধব পর্যটন সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে প্রতিবেশ সুরক্ষা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করা। এ জন্য সাড়ে ছয় হাজার বর্গমিটারের একটি আরসিসি ফুট ট্রেইল, একটি ইন্টারপ্রিটেশন ও ইনফরমেশন সেন্টার ও সাতটি স্যুভেনির শপ নির্মাণ করা হবে। বন কর্মকর্তা, কর্মচারী, ইকোট্যুর অপারেটর, গাইড কো ম্যানেজমেন্ট কমিটির ৬০০ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং স্থানীয়দের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বিলি করা হবে লিফলেট।

পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে

তিনি বলেন, সুন্দরবনের সম্পদের ওপর চাপ কমানো ও স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যেই প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হচ্ছে। পর্যটনের বিকাশ হলে স্থানীয়রা ঝুঁকিপূর্ণ পেশা ছেড়ে দেবে। ফলে সুন্দরবনের ওপর নেতিবাচক চাপও কমবে। পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে। পর্যবেক্ষণ টাওয়ার করা হবে। প্রতিবেশ ও পরিবেশ ঠিক রেখে ঝুলন্ত সেতুসহ অন্য অবকাঠামোও গড়ে তোলা হবে।

বন বিভাগ সূত্র জানায়, চলতি মাস থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে সুন্দরবনকে ঘিরে বিশাল কর্মযজ্ঞ হাতে নিতে যাচ্ছে বন অধিদফতর। নতুন এই প্রকল্পের আওতায় সাতটি ফাইবার বডি ট্রলার, তিনটি পন্টুন ও গ্যাংওয়ে, তিন কিলোমিটার আরসিসি সড়ক, ছয়টি পাবলিক টয়লেট, সাড়ে আট হাজার ঘনমিটার পুকুর খনন, একটি সেডশহ প্রদর্শনী ম্যাপ ও ৩০টি আরসিসি বেঞ্চ নির্মাণ করা হবে। পাঁচটি গাইড ম্যাপ, ২০টি ডাস্টবিন ও পর্যটকদের জন্য ১০টি পথ নির্দেশনা তৈরি করা হবে। প্রকল্পটি সুন্দরবনের পশ্চিম ও সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ বাস্তবায়ন করবে।

বন বিভাগের সিএফ (বন সংরক্ষক) মিহির কুমার দো বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বর্তমানে সুন্দরবনে ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র হিসেবে করমজল, হাড়বাড়িয়া, কটকা, কচিখালী, দুবলারচর, হিরণপয়েন্ট ও কলাগাছিয়া রয়েছে। ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র সম্প্রসারণের জন্য সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগে আন্দারমানিক ও শরণখোলা এবং সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগে শেখেরটেক মন্দির রয়েছে। 

এ ছাড়া সুতারখালী এলাকার কৈলাশগঞ্জ ও কলাবগী এলাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন চারটিসহ মোট ১১টি ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা কমিটির আওতাভুক্ত। ব্যবস্থাপনা কমিটির আওতায় ৩৪ হাজার গ্রাম সংরক্ষণ দলের সদস্য রয়েছে। কমিটিকে সম্পৃক্ত করে ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের মাধ্যমে বনের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো হবে বলে জানান তিনি।

প্রতিবেশ ও পরিবেশ ঠিক রেখে ঝুলন্ত সেতুসহ অন্য অবকাঠামোও গড়ে তোলা হবে

সুন্দরবন বিভাগের করমজল পর্যটন কেন্ট্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার আজাদ কবির বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত সুন্দরবন। বিশ্বের ৩৫টি দেশে বড় বড় নদীর মোহনায় এমন বন রয়েছে। যার মধ্যে আমাদের সুন্দরবন সবচেয়ে বড়। তাই সুন্দরবনকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়। আর এ কারণে সুন্দরবন বিশ্বের অনেক পর্যটকের প্রধান আকর্ষণের জায়গা।

তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশ আছে তাদের আয়ের একমাত্র আয়ের উৎস পর্যটন খাত। আমাদের পর্যটন খাতে বড় বিনিয়োগ করা যায়, তাহলে যেমন কর্মসংস্থান বৃদ্ধি তেমনি অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী হবো।

সুন্দরবন ট্যুরস অপারেটরের সত্ত্বাধিকারী গোলাম রহমান বিটু বলেন, সুন্দরবনে পর্যটক বাড়াতে নতুন উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছি। এটা করা খুবই প্রয়োজন। তাহলে পর্যটন খাত থেকে সরকার বড় রাজস্ব পাবে।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

পুনরায় হামলা-লুটপাটের আতঙ্কে গ্রাম ছাড়ছেন তারা

পুনরায় হামলা-লুটপাটের আতঙ্কে গ্রাম ছাড়ছেন তারা

আবাসিক হোটেলে গার্মেন্টসকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ, স্বামী আটক

আবাসিক হোটেলে গার্মেন্টসকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ, স্বামী আটক

আজ রুদ্রের জন্মদিন

আজ রুদ্রের জন্মদিন

মুহিবুল্লাহ হত্যা: বান্দরবানে রোহিঙ্গা যুবক আটক

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ২৩:০৫

আলোচিত রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে আবদু নবী (৪০) নামের এক রোহিঙ্গা যুবক‌কে আটক করা হয়েছে। সে কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ এর বাসিন্দা ইমাম হোসেনের ছেলে।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে এনএসআই-এর সদস্যরা উপজেলার বিছামারা এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশে দেয়। আটক আবদু নবী মহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ও সশস্ত্র রোহিঙ্গা মুসলিম গোষ্ঠী আরসার সদস্য বলে সন্দেহ করছে গোয়েন্দারা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে আরসার সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকারও করেছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের পর জড়িতদের আটকে ক্যাম্প এলাকায় বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ধারণা করা হচ্ছে, গ্রেফতার এড়াতে আরসার এই সদস্য বান্দরবা‌নের নাইক্ষ্যংছড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি (তদন্ত) মো. শরীফ ইবনে আলম জানান, আবদু নবী নামে এক আসামিকে নাইক্ষ্যংছড়ি থানা থেকে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে সে আরসার সদস্য কি-না জানেন না তিনি।

/এফআর/

সম্পর্কিত

কুমিল্লার সেই ভিডিও আমাদের কাছে আছে: হাছান মাহমুদ

কুমিল্লার সেই ভিডিও আমাদের কাছে আছে: হাছান মাহমুদ

কুমিল্লায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে প্রাণ গেলো ২ জনের

কুমিল্লায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে প্রাণ গেলো ২ জনের

পেঁয়াজ আমদানি নিয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈঠক

পেঁয়াজ আমদানি নিয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈঠক

‘ঘটনা ঘটান আপনারা আর বলেন বিএনপির হাত আছে’

‘ঘটনা ঘটান আপনারা আর বলেন বিএনপির হাত আছে’

নিখোঁজের ৯ ঘণ্টা পর বুড়িগঙ্গা থেকে মাদ্রাসাছাত্রের লাশ উদ্ধার

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ২৩:৩৯

ফতুল্লার বরফকল এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া আতিফ আফনানের (১২) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় লাশটি উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা।

এর আগে সকাল ৯টায় সে নিখোঁজ হয়। আফনান বাবা-মায়ের সঙ্গে ফতুল্লার হরিহরপাড়া আমতলা এলাকায় থাকতো। সে ধর্মগঞ্জ ইসলামীয়া আরাবিয়া দাখিল মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার সকালে সে মাদ্রাসা থেকে সহপাঠীদের সঙ্গে নদীর তীরে ঘুরতে যায়। এরপর নদীতে নোঙর করা এক বাল্কহেড থেকে আরেক বাল্ডহেডে লাফিয়ে যাওয়ার সময় পড়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল তল্লাশি চালিয়ে সন্ধ্যায় লাশ উদ্ধার করে।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মো. রাকিবুজ্জামান ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করে ওই ছাত্রের পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

/এমএএ/

সম্পর্কিত

টিকিট ছাড়া ট্রেনে ওঠায় ৩২৮ যাত্রীকে জরিমানা

টিকিট ছাড়া ট্রেনে ওঠায় ৩২৮ যাত্রীকে জরিমানা

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২

‘মোস্তফা’ পুরস্কার নিতে ইরান যাচ্ছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী

‘মোস্তফা’ পুরস্কার নিতে ইরান যাচ্ছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী

বাসা থেকে ডেকে নিয়ে এক ব্যক্তিকে হত্যা

বাসা থেকে ডেকে নিয়ে এক ব্যক্তিকে হত্যা

কুমিল্লার সেই ভিডিও আমাদের কাছে আছে: হাছান মাহমুদ

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ২২:৫৮

কুমিল্লার ঘটনার পেছনে বিএনপির ইন্ধন ছিল বলে অভিযোগ করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, মির্জা ফখরুল বলেছেন সরকার নাকি দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় কুমিল্লার ঘটনার পেছনে তাদের ইন্ধন ছিল। এই কথার মধ্য দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব কি বাংলাদেশের সব মানুষকে বোকা ভেবেছেন। তিনি মনে করেছেন এই কথা বলে দেশের মানুষকে বোকা বানাবেন। তার কথায় দেশের মানুষ যেমন হাসছে, হনুমানও হাসে।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) বিকালে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নুরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন তপু। সাধারণ সম্পাদক শিমুল গুপ্তের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রেজাউল করিম।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আজকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে, কুমিল্লার ঘটনায় কারা মিছিল বের করেছে, সেই ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে আছে। তারা কোন দলের সমর্থক, তারা কোন মতাদর্শে বিশ্বাস করে সেগুলো বের করে সবার সামনে প্রকাশ করবো। এদেশের শান্তি-শৃঙ্খলা কোনোভাবেই নষ্ট হতে দেবো না।

তিনি বলেন, যারা বিশৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত ছিল, এখনও যুক্ত আছে, ফেসবুকে যারা অপপ্রচার চালিয়েছে কিংবা চালাচ্ছে, সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারা ঘটনা ঘটিয়েছে তা পরিষ্কার হয়ে যাবে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে সরকার বদ্ধপরিকর।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার প্রশংসা পছন্দ হয়নি বিধায় নানা ধরনের ষড়যন্ত্র হয়। বিএনপি-জামায়াত রাজনৈতিকভাবে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে নানা ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। কুমিল্লায় যে ঘটনা ঘটিয়ে সারাদেশে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেওয়া হয়েছে, এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল। এর পেছনে বিএনপি-জামায়াতসহ ধর্মান্ধ গোষ্ঠী যুক্ত। তারা এই ঘটনা ঘটিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। শেখ হাসিনার সরকার বিশৃঙ্খলা দমন করেছে।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে সতর্ক দৃষ্টি রাখার অনুরোধ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ক্ষমতায় থাকলে বিনয়ী হতে হয়। ছাত্রলীগের তরুণ ভাইবোনদের বিনয়ী হতে হবে। কারণ উদ্যত আচরণ কেউ পছন্দ করে না। পাশাপাশি লেখাপড়ায় মনোযোগ দিতে হবে। লেখাপড়া বাদ দিয়ে শুধু ছাত্রলীগের কাজ করার প্রয়োজন নেই।

বর্তমানে বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে পাকিস্তান দীর্ঘশ্বাস ফেলে জানিয়ে হাছান মাহমুদ  বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়নের প্রশংসায় বিশ্বময় পঞ্চমুখ। এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা আগেই অর্জন করার জন্য জাতিসংঘ আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনাকে পুরস্কৃত করে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করে বলেছেন মানব উন্নয়ন, সামাজিক ও অর্থনৈতিকসহ সব সূচকে আজকে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে। মানব উন্নয়ন, সামাজিক সূচকসহ মাথাপিছু আয়ের ক্ষেত্রে আমরা ভারতকেও পেছনে ফেলেছি।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা স্বজন কুমার তালুকদার, আবুল কাশেম চিশতী, শাহজাহান সিকদার, নজরুল ইসলাম তালুকদার, মুহাম্মদ আলী শাহ, ডা. মোহাম্মদ সেলিম, আকতার হোসেন খাঁন, শফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার, গিয়াস উদ্দিন খাঁন স্বপন ও যুবলীগের সভাপতি আরজু সিকদার প্রমুখ।

/এএম/

সম্পর্কিত

মুহিবুল্লাহ হত্যা: বান্দরবানে রোহিঙ্গা যুবক আটক

মুহিবুল্লাহ হত্যা: বান্দরবানে রোহিঙ্গা যুবক আটক

কুমিল্লায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে প্রাণ গেলো ২ জনের

কুমিল্লায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে প্রাণ গেলো ২ জনের

পেঁয়াজ আমদানি নিয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈঠক

পেঁয়াজ আমদানি নিয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈঠক

‘ঘটনা ঘটান আপনারা আর বলেন বিএনপির হাত আছে’

‘ঘটনা ঘটান আপনারা আর বলেন বিএনপির হাত আছে’

কুমিল্লায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে প্রাণ গেলো ২ জনের

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ২২:৪৮

কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে নারীসহ দুই জন নিহত ও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (১৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বুড়িচং উপজেলার দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘রাত সাড়ে ৮টার দিকে মহাসড়কের কুমিল্লার ময়নামতি এলাকায় সিলেটগামী তিশা গোল্ডেন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের (ঢাকা মেট্রো-ব ১৫-৩৬৯১) সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। বাসটি সিএনজিটিকে চাপা দিয়ে সড়কের পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলে এক নারী নিহত হব। এছাড়াও ময়নামতি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর আরেকজন মারা যান।’

ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। যারা মারা গেছে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানাবো।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

মুহিবুল্লাহ হত্যা: বান্দরবানে রোহিঙ্গা যুবক আটক

মুহিবুল্লাহ হত্যা: বান্দরবানে রোহিঙ্গা যুবক আটক

কুমিল্লার সেই ভিডিও আমাদের কাছে আছে: হাছান মাহমুদ

কুমিল্লার সেই ভিডিও আমাদের কাছে আছে: হাছান মাহমুদ

পেঁয়াজ আমদানি নিয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈঠক

পেঁয়াজ আমদানি নিয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈঠক

‘ঘটনা ঘটান আপনারা আর বলেন বিএনপির হাত আছে’

‘ঘটনা ঘটান আপনারা আর বলেন বিএনপির হাত আছে’

পেঁয়াজ আমদানি নিয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈঠক

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ২২:৪৮

মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থলবন্দর ব্যবসায়ী এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনসহ সব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় টেকনাফ স্থলবন্দর ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্টের কার্যালয়ে এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী। বৈঠকের আগে প্রধান অতিথি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব স্থলবন্দরের পেঁয়াজ খালাসসহ সব কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

বৈঠকে ব্যবসায়ীরা, টেকনাফ স্থলবন্দর, কাস্টম ও রোহিঙ্গা শ্রমিকসহ ট্রান্সপোর্ট সিন্ডিকেটের বিভিন্ন অনিয়মের কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের বাজারে দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে অতিরিক্ত ট্রাকভাড়া ও স্থলবন্দর শ্রমিকদের সিন্ডিকেটকে দায়ী করেন তারা।

বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন– টেকনাফ-২ বিজিবি উপপরিচালক লে. এম মুহতাসিম বিল্লাহ (সাকিল), টেকনাফ স্থলবন্দর ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্টের ব্যবস্থাপক মো. জসিম উদ্দীন চৌধুরী, টেকনাফ স্থলবন্দর কাস্টমস কর্মকর্তা আব্দুন নুর, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল আমিন, ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির খলিলুর রহমান, আমদানিকারক ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকরা।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বাণিজ্যসচিব ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে আমদানি বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। বাজারে দাম স্থিতিশীল ও জনগণের চাহিদা মেটাতে এখানে আসা। তবে অতিরিক্ত ট্রাকভাড়া ও শ্রমিকদের সিন্ডিকেটকে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এখান থেকে ঢাকা গিয়ে এসব সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া পচনশীল এই পণ্য বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের পর নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধ করা হবে।’ পাশাপাশি তিনি এখানকার সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেন ইউএনওকে।

এদিকে গত দুই (শুক্রবার-শনিবার) দিনে মিয়ানমার থেকে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে আসছে ১৩শ’ টন পেঁয়াজ আমদানি করেছেন ব্যবসায়ীরা। এর আগে চলতি মাসে ১৪ দিনে ৭ হাজার মেট্রিন টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে মিয়ানমার থেকে।

 

 

 

/এমএএ/

সম্পর্কিত

মুহিবুল্লাহ হত্যা: বান্দরবানে রোহিঙ্গা যুবক আটক

মুহিবুল্লাহ হত্যা: বান্দরবানে রোহিঙ্গা যুবক আটক

কুমিল্লার সেই ভিডিও আমাদের কাছে আছে: হাছান মাহমুদ

কুমিল্লার সেই ভিডিও আমাদের কাছে আছে: হাছান মাহমুদ

কুমিল্লায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে প্রাণ গেলো ২ জনের

কুমিল্লায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে প্রাণ গেলো ২ জনের

‘ঘটনা ঘটান আপনারা আর বলেন বিএনপির হাত আছে’

‘ঘটনা ঘটান আপনারা আর বলেন বিএনপির হাত আছে’

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

পুনরায় হামলা-লুটপাটের আতঙ্কে গ্রাম ছাড়ছেন তারা

মাগুরায় চার খুনপুনরায় হামলা-লুটপাটের আতঙ্কে গ্রাম ছাড়ছেন তারা

আবাসিক হোটেলে গার্মেন্টসকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ, স্বামী আটক

আবাসিক হোটেলে গার্মেন্টসকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ, স্বামী আটক

আজ রুদ্রের জন্মদিন

আজ রুদ্রের জন্মদিন

বাগেরহাটে ১৮টি হরিণের চামড়াসহ আটক ২

বাগেরহাটে ১৮টি হরিণের চামড়াসহ আটক ২

মাগুরায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ৪

মাগুরায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ৪

ঐতিহ্যের ডাকে নীলসাগর ও তিস্তার পাড়ে কিছুক্ষণ

ঐতিহ্যের ডাকে নীলসাগর ও তিস্তার পাড়ে কিছুক্ষণ

মাটিতে পড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে কৃষকের মৃত্যু

মাটিতে পড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে কৃষকের মৃত্যু

সর্বশেষ

ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত ৩০

ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত ৩০

ফরিদা মজিদের কথা

ফরিদা মজিদের কথা

রাজধানীর নিকুঞ্জ থেকে চিকিৎসকের লাশ উদ্ধার

রাজধানীর নিকুঞ্জ থেকে চিকিৎসকের লাশ উদ্ধার

দিনে মনোনয়নপত্র জমা, রাতে গুলিতে আ.লীগ প্রার্থীর মৃত্যু

দিনে মনোনয়নপত্র জমা, রাতে গুলিতে আ.লীগ প্রার্থীর মৃত্যু

বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও জলবায়ু ইস্যু গুরুত্ব পাবে

প্যারিসে হাসিনা-ম্যাখোঁর বৈঠকবাণিজ্য, নিরাপত্তা ও জলবায়ু ইস্যু গুরুত্ব পাবে

© 2021 Bangla Tribune