X
মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২২, ১১ মাঘ ১৪২৮
সেকশনস

ভুল কার, জাপান গার্ডেন সিটি-গ্রাহক নাকি তিতাসের?

আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০২১, ১১:৪৯

বিল পরিশোধ করার পরও কেটে দেওয়া হয় জাপান গার্ডেন সিটির ১৮ গ্রাহকের গ্যাস সংযোগ। এবার সেই সংযোগ ফিরে পেতে প্রতি গ্রাহককে গড়ে ৮৬ হাজার টাকা তিতাসকেই জমা দিতে হলো। অবশেষে রবিবার (২১ নভেম্বর) সকালে খুলে নেওয়া রাইজার স্থাপন করে দিয়ে গেছে তিতাস। তবে তিতাস বলছে, একজন গ্রাহকের নামেই এই সংযোগগুলো ছিল। বিল বকেয়া থাকার কারণে তার নামে থাকা লাইনগুলো কেটে দেওয়া হয়। এরপর নিয়ম অনুযায়ী বিল পরিশোধ করার পর ওই ১৮টি লাইনের নতুন সংযোগের টাকা জমা নিয়ে লাইন দেওয়া হয়েছে।

গত ১৭ নভেম্বর মোহাম্মদপুরের জাপান গার্ডেন সিটির একটি বহুতল ভবনের ৯০টি ফ্ল্যাটের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ১৮টি রাইজার খুলে নিয়ে যায় তিতাস গ্যাস কোম্পানি। গত ৫ দিন ধরে ওই ভবনে বাস করা সাড়ে চারশ মানুষ গ্যাস ছাড়া ছিলেন।

শনিবার ১১ নম্বর ভবনের ফ্ল্যাট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. কাজল আনোয়ার বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, আজ বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে লাইনগুলো লাগিয়ে দিয়েছে তিতাস। এখন ভবনে সবকিছু স্বাভাবিক। তবে বিল পরিশোধ থাকার পরও তাদের লাইন বিচ্ছিন্ন করায় তিনি ক্ষুব্ধ। তিতাসের ভুলের কারণে ৬০ হাজার টাকা সংযোগ ফি দিতে হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার তিনি অভিযোগের বিষয়ে বলেন, ‘আমাদের ভবনের ৯০টি ফ্ল্যাটের গ্যাস বিল ৮ নভেম্বর পরিশোধ করা হয়েছে। তারপরও তিতাস রাইজার খুলে নিয়ে গেছে। আমরা কিছু বলার আগেই তারা রাইজার নিয়ে চলে যায়।’

এদিকে এ বিষয়ে জানতে তিতাসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (রাজস্ব) মো. তোফাজ্জল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ওয়াহিদুজ্জামান নামে একজনের নামে এই ১৮টি লাইন। আর তিতাসের হিসেব অনুযায়ী ওয়াহিদুজ্জামানের বকেয়া বিলের পরিমাণ ৫৮ থেকে ৬০ হাজার টাকা। এ অবস্থায় তিতাসের টিম বুধবার গিয়ে গ্যাসের লাইন কেটে দেয়। তিনি বলেন, ওই ভবনে অসংখ্য রাইজার। এদিকে বেশিরভাগ মালিক তাদের নামে গ্যাস নম্বর নেয়নি। নামজারিও করেননি। ফলে গ্যাস বিলও তাদের নামে হয় না। নির্দিষ্ট একজনের নামেই বিল হয়। তিতাস তাদের নিয়ম অনুযায়ী লাইন কেটেছে আবার নিয়ম অনুযায়ীই লাইন স্থাপন করে দিয়ে এসেছে। জাপান গার্ডেন সিটির গ্রাহকদের আমরা নিজেদের নামজারি করে গ্যাস নম্বর নেওয়া পরামর্শ দিয়ে এসেছি।

গ্যাস নম্বরের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. কাজল আনোয়ার বলেন, এখানে প্রায় ১২০০ ফ্ল্যাট। এতগুলো ফ্ল্যাটের নামজারি অনেক সময়ের বিষয়।আমরা কোম্পানির সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তারা জানিয়েছে, আমরা কাজ করছি। নামজারি না হওয়ার কারণে কোম্পানির এমডি ওয়াহিদুজ্জামানের নামেই সব বিল আসে। আমরা পরিশোধ করে দেই কোম্পানির কাছে। তারা আমাদের এ বাবদ একটি রশিদ দেয়। যে বিল্ডিংয়ের রাইজার তিতাস খুলে নিয়ে গেছে সে বিল্ডিংয়ের সবারই গ্যাস বিল পরিশোধের রশিদও আছে। কিন্তু তিতাস এসবের কিছুই না দেখে শুধুমাত্র ওয়াদিুজ্জামামানের নামের বকেয়া হিসেবে এইভাবে পরিশোধিত গ্রাহকের লাইন কেটে দিয়ে গেছে। আবার নতুন সংযোগ বাবদ টাকাও দিতে হয়েছে। এই ধরণের গ্রাহক ভোগান্তি থেকে আমরা আসলে কবে বের হয়ে আসতে পারবো।

জানা যায়, জাপান গার্ডেন সিটির ১২৬০টি ফ্ল্যাটে প্রতিমাসে ১২ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা গ্যাস বিল আসে। ডেভেলপার কর্তৃপক্ষ ফ্ল্যাট মালিকদের কাছ থেকে বিল নিয়ে জমা দেয়। ফ্ল্যাট মালিকদের অনেকে দেশের বাইরে থাকেন। কেউ কেউ বিল নিয়মিত পরিশোধ করেন না। তাই মাঝে মাঝে বকেয়া হয় বলে জানিয়েছেন ফ্ল্যাট মালিকরা।

/এমআর/
সম্পর্কিত
অনেক দিন পর বাজারে একটু স্বস্তি 
অনেক দিন পর বাজারে একটু স্বস্তি 
বাণিজ্য মেলায় যাবেন যেভাবে
বাণিজ্য মেলায় যাবেন যেভাবে
হাতিরপুলের বাজার মানে ‘বড়লোকের বাজার’
হাতিরপুলের বাজার মানে ‘বড়লোকের বাজার’
সোমবার রাতে যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না
সোমবার রাতে যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
অনেক দিন পর বাজারে একটু স্বস্তি 
অনেক দিন পর বাজারে একটু স্বস্তি 
বাণিজ্য মেলায় যাবেন যেভাবে
বাণিজ্য মেলায় যাবেন যেভাবে
হাতিরপুলের বাজার মানে ‘বড়লোকের বাজার’
হাতিরপুলের বাজার মানে ‘বড়লোকের বাজার’
সোমবার রাতে যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না
সোমবার রাতে যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না
রাজধানীর যেসব এলাকায় বৃহস্পতিবার গ্যাস থাকবে না
রাজধানীর যেসব এলাকায় বৃহস্পতিবার গ্যাস থাকবে না
© 2022 Bangla Tribune