নারীর শরীর কি এখন চিকিৎসা ব্যবসার ফাঁদে?

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম
২৯ আগস্ট ২০২৫, ১৭:২৭আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২৫, ১৭:২৭

সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও এক নীরব পরিবর্তন চলছে। নারীর শরীর, মন ও জীবনের নানা স্তর এখন চিকিৎসা ও প্রযুক্তির আওতায় আসছে। গর্ভধারণ, সন্তান জন্মদান, ঋতুস্রাব ও বার্ধক্য সবকিছুর ওপর এখন ওষুধ, চিকিৎসক, থেরাপি আর পরীক্ষার আধিপত্য। এমনকি সৌন্দর্যবোধ সবই আজ ‘স্বাভাবিক’ থেকে সরিয়ে এনে চিকিৎসাজনিত সমস্যায় পরিণত করা হয়েছে। নারীর শরীর এখন যেন চিকিৎসা-ব্যবস্থার ফাঁদে আটকা পড়েছে।

বিজ্ঞান ও চিকিৎসা ব্যবস্থা আমাদের জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, এই ব্যবস্থা নারীর স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়াগুলোকে এক ধরনের রোগ বা সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে। একেই বলা হয় মেডিক্যালাইজেশন। এর মূল কথা হলো জীবনের স্বাভাবিক বিষয়গুলোকে ‘রোগ’ হিসেবে চিহ্নিত করা এবং সেগুলোকে চিকিৎসা ব্যবস্থার আওতায় আনা। অর্থাৎ যে বিষয়টি স্বাভাবিক, তাকে চিকিৎসা দিয়ে ঠিক করার চেষ্টা করা। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়া ও বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে এই প্রবণতা বিশেষভাবে দেখা যায়। কিন্তু আমরা যদি এই পুরো প্রক্রিয়াটি নারীর দৃষ্টিকোণ থেকে দেখি, তাহলে বোঝা যায় যে এটি শুধু চিকিৎসাজনিত একটি প্রবণতা নয়। বরং এটি একটি লিঙ্গভিত্তিক নিয়ন্ত্রণের কাঠামো। নারীর শরীর ও জীবনের ওপর এক ধরনের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যম হয়ে উঠেছে এই মেডিক্যালাইজেশন। এর মাধ্যমে শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে জটিল, অস্বস্তিকর বা সমস্যা হিসেবে তুলে ধরা হয়। বলা হয় এর জন্য ডাক্তারের পরামর্শ ও ওষুধ অপরিহার্য।

বাংলাদেশের বর্তমান প্রবণতার দিকে তাকালে আমরা দেখি সিজারিয়ান অপারেশনের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে এটি স্বাভাবিক প্রসবের বিকল্প হিসেবে প্রচলিত হয়ে গেছে। স্বাভাবিক গর্ভধারণকেও ঝুঁকিপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। ফলে বাড়তি পরীক্ষা, ওষুধ প্রয়োগ বা সিজারিয়ান অপারেশনের মতো হস্তক্ষেপ বাড়ছে। বলা হচ্ছে প্রাকৃতিক প্রসবে মা ও শিশুর জন্য ‘বেশি ঝুঁকি’ বিদ্যমান। একজন মা ও শিশুর জীবনের ঝুঁকি কমাতে সিজারিয়ান অপারেশনের ভূমিকা আছে। কিন্তু অপ্রয়োজনে এই অপারেশনকে স্বাভাবিক করে তোলা এক ধরনের চিকিৎসা বাণিজ্য ছাড়া আর কিছুই নয়। এতে নারীর শরীর ও মন দুই-ই প্রভাবিত হয়।

অন্যদিকে নারীর মাসিক নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক কুসংস্কার আছে। একইসাথে একে একটি ‘স্বাস্থ্য সমস্যা’ হিসেবেও দেখানো হয়। প্রায়ই অস্বস্তি বা ব্যথার কারণ (পিএমএস) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। অনেক সময় এর পেছনে বড় কোনও সমস্যা না খুঁজে ওষুধ বা অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেওয়া হয়। বিভিন্ন ধরনের ওষুধ বা হরমোন থেরাপির পরামর্শ দেওয়া হয়।

একইভাবে, মেনোপজকে একটি রোগ হিসেবে উপস্থাপন করে হরমোন থেরাপির মতো চিকিৎসা চাপিয়ে দেওয়া হয়। যা নারীর জীবনের একটি স্বাভাবিক পরিবর্তন মাত্র। স্বাভাবিক এই পরিবর্তনকে ‘হরমোনের ঘাটতি’ বলে চিকিৎসার আওতায় আনা হয়। হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি (এইচআরটি) দেওয়া হয়। যদিও সব মহিলারই এটি প্রয়োজন হয় না।

অন্যদিকে বেশির ভাগ জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি (বড়ি, আইইউডি, ইঞ্জেকশন) নারীদের ওপর চাপানো হয়। এসবের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে। কিন্তু পুরুষদের জন্য সহজলভ্য বিকল্প কম। আর গর্ভধারণে প্রকৃত সমস্যা থাকলে চিকিৎসা দরকার। কিন্তু স্বাভাবিক সন্তান ধারণের সময়ের তারতম্য বা অজানা কারণেও অতিরিক্ত চিকিৎসা (যেমন, আইভিএফ) দেওয়া হতে পারে।

এছাড়া যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়ার মতো স্বাভাবিক বিষয়কে ‘যৌন ইচ্ছার ব্যাধি’ বলা হয়। এর পেছনে মনস্তাত্ত্বিক বা সম্পর্কজনিত সমস্যা না খুঁজে ওষুধ দেওয়া হয়। আর যৌনসঙ্গমে ব্যথা অনুভবের ক্ষেত্রে শারীরিক কারণ ছাড়াও মানসিক আঘাত বা সম্পর্কের জটিলতা থাকতে পারে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেগুলো উপেক্ষা করা হয়।

নারীর দেহের গঠন ও ওজনকেও বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখা হয়। ওজন বাড়াকে ‘রোগ’ ধরা হয়। তাদের ওজন বেশি হলে তাড়াতাড়ি ডায়েট পিল বা বেরিয়াট্রিক সার্জারির পরামর্শ দেওয়া হয়। দারিদ্র্য, মানসিক চাপ বা জিনগত কারণের দিকে মনোযোগ দেওয়া হয় না।

নারীর শরীরে কসমেটিক সার্জারি বেশ আকর্ষণীয়ভাবে হাজির করা হচ্ছে। স্বাভাবিক বয়সের ছাপ, স্তন বা যোনির আকৃতিকে ‘ত্রুটিপূর্ণ’ বিবেচনা করে অস্ত্রোপচার (ল্যাবিওপ্লাস্টি, ব্রেস্ট অগমেন্টেশন) উৎসাহিত করা হয়। মাসিক অনিয়ম হলে কিশোরীদের হরমোনাল ওষুধ দেওয়া হয়। বার্ধক্য এলে চলে হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি। ওজন বাড়লে শুরু হয় ‘ওবেসিটি ট্রিটমেন্ট’। এমনকি গায়ের রঙ নিয়ে উদ্বেগের সুযোগ নিয়ে চিকিৎসা ও কসমেটিক প্রোডাক্টের বাজার বাড়ছে। এসব পরিবর্তন নারীর শরীরকে একটি চিকিৎসা-নির্ভর প্রকল্পে পরিণত করেছে, যেখানে তিনি নিজের শরীর সম্পর্কে ভাবার বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ কম পাচ্ছেন।

নারীদের মধ্যে হতাশা বা উদ্বেগ বেশি ডায়াগনোস হয়। কখনও কখনও সামাজিক অসমতা বা ট্রমার প্রতিক্রিয়াকে ‘মানসিক রোগ’ বানানো হয়। তাদের শরীর ও মনের যেকোনও পরিবর্তনের প্রশ্নে হরমোনকে দোষ দেওয়া হয়। মানসিক পরিবর্তনের পেছনে হরমোনকেই একমাত্র কারণ ভাবা হয় (যেমন: পিএমএস, মেনোপজ)। এছাড়া অন্যান্য স্বাভাবিক শারীরিক বিষয় যেমন যোনিপথের স্বাস্থ্যকে চিকিৎসা প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হয়। স্বাভাবিক স্রাবকেও ইনফেকশন হিবেবে বিবেচনা করে ওষুধ সেবনে বাধ্য করা হয়। ‘ভ্যাজাইনা রিজুভিনেশন’ নামে বয়সজনিত পরিবর্তনকে ‘সমস্যা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। আবার শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে সমস্যা হলে যথাযথ সহায়তা না দিয়ে দ্রুত ফর্মুলা দুধ বা ওষুধের পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া দেহের স্বাভাবিক ভিন্নতা যেমন যোনির ভেতরের ঠোঁটের আকার অস্ত্রোপচার দিয়ে ‘ঠিক’ করার প্রবণতা বাড়ছে।

এখন প্রশ্ন নারী শরীরের এই মেডিক্যালাইজেশন কেন ক্ষতিকর? জবাবে বলা যায়, এটি শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ‘রোগ’ বানায়। শরীর নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার চিকিৎসকদের হাতে চলে যায়। এতে আর্থিক লাভ হয় ওষুধ কোম্পানি বা হাসপাতালের। আর সামাজিক সমস্যাকে (যেমন: লিঙ্গবৈষম্য) ব্যক্তির ‘স্বাস্থ্য সমস্যা’ বলে চালানো হয়। তাছাড়া নারীরা নিজেদের শরীর নিয়ে অস্বস্তি ও ভয় পেতে থাকেন।

এখন প্রশ্ন হলো কেন নারীরা মেডিক্যালাইজেশনের প্রধান শিকার? এর জবাবে বলা যায়, এর পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। আর সেগুলো হলো জৈবিকতা ও মাতৃত্বের প্রশ্নে সামাজিক চাপ, সৌন্দর্য ও যৌবনের চাপ, শরীর ও সিদ্ধান্ত থেকে বিচ্ছিন্নতা এবং পুরুষতান্ত্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও নীতিনির্ধারণ। নারীর স্বাস্থ্যকে প্রায়ই শুধু প্রজনন স্বাস্থ্য হিসেবে দেখা হয়। সন্তান নেওয়া, না নেওয়া, কখন নেবেন সবকিছু যেন চিকিৎসকের সঙ্গে নয়। বরং সমাজ ও পরিবারের চাপের অংশ। অন্যদিকে ফর্সা হওয়া, বয়স না ধরা দেওয়া, শারীরিক আকৃতি বজায় রাখা এসব কিছুকে চিকিৎসার মাধ্যমে অর্জনের চেষ্টা নারীদের এক ধরনের শারীরিক নজরদারির ভেতর ফেলে দেয়। আর শিশুকাল থেকেই নারীরা শেখেন না কীভাবে নিজের শরীর চিনতে হয়। ফলে চিকিৎসক বা পরিবার যা বলে, সেটাই ‘সত্য’ ধরে নেওয়া হয়। এছাড়া বাংলাদেশে স্বাস্থ্য নীতিমালার পরামর্শদাতা, নীতিনির্ধারক, চিকিৎসক সবক্ষেত্রেই পুরুষদের আধিক্য। ফলে নারীর অভিজ্ঞতা, যন্ত্রণাবোধ, দৃষ্টিভঙ্গি অনেকাংশে অনুপস্থিত।

দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে, বিশেষ করে গ্রামীণ ও দরিদ্র নারীদের অবস্থা আরও জটিল। তাদের কাছে স্বাস্থ্যসেবার অভাব আছে। এর ফলস্বরূপ, তারা কখনও কখনও অপ্রয়োজনীয় বা ভুল চিকিৎসার শিকার হন। ডাক্তার বা স্বাস্থ্যকর্মীর অভাবের কারণে স্থানীয় ওষুধের ওপর নির্ভরতা বেড়ে যায়। আবার কখনও কখনও পুষ্টিহীনতা বা স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবের মতো মূল সমস্যাগুলো সমাধান না করে শুধু ওষুধের ওপর জোর দেওয়া হয়।

তবে সমস্যা শুধু বাংলাদেশের নয়। ফরাসি দার্শনিক মিশেল ফুকোর বায়োপাওয়ার ধারণা, বারবারা এহরেনরিখ ও দেইরদ্রে ইংলিশ এর ‘ফর হার ওন গুড’ অথবা এমিলি মার্টিন এর ‘দ্য উইমেন ইন দ্য বডি’ শীর্ষক লেখায় আমরা দেখাতে পাই কীভাবে নারীর শরীর দীর্ঘদিন ধরেই রাষ্ট্র, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান এবং বাজারের দখলে থেকেছে। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর তীব্রতা বেশি। এর পেছনে অনেক কারণ রয়েছে। আর সেগুলো হলো নারীদের মাঝে শিক্ষার সীমাবদ্ধতা, স্বাস্থ্যসেবার বাণিজ্যিকীকরণ, এবং ধর্ম-সংস্কৃতির কারণে নারীর ওপর বাড়তি সামাজিক নিয়ন্ত্রণ।

এর ফলে নারীরা নিজের শরীর সম্পর্কে ভীত ও অনির্ভরশীল হয়ে পড়েন। অপ্রয়োজনীয় টেস্ট, থেরাপি ও অপারেশনে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে। দরিদ্র ও গ্রামীণ নারীরা স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হন বা বিভ্রান্ত হন। শরীর নিয়ে এক ধরনের লজ্জা ও পরনির্ভরশীলতা তৈরি হয়। সবচেয়ে বড় কথা- নারীর স্বাস্থ্য এখন অধিকার নয়, একটি ব্যবসায়িক চুক্তির অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য নারীর শরীর ও নারীর অধিকারের আরও সচেতনতা দরকার। প্রকৃত অর্থে নারীর স্বাস্থ্য উন্নয়ন করতে হলে মেডিক্যালাইজেশনের এই আধিপত্যকে প্রশ্ন করতে হবে। শারীরিক সাক্ষরতা বাড়ানো দরকার, যাতে নারী নিজেই তার পরিবর্তনগুলো বুঝতে শেখেন। স্বাস্থ্যব্যবস্থায় নারী অভিজ্ঞতার অন্তর্ভুক্তি ও নেতৃত্ব প্রয়োজন। মিডিয়া ও ফার্মাসিউটিক্যাল মার্কেটিংয়ের ওপর নীতিগত নিয়ন্ত্রণ জরুরি। নারীকেন্দ্রিক, অংশগ্রহণমূলক স্বাস্থ্যনীতি তৈরি করতে হবে, যেখানে চিকিৎসা হবে সহযোগী- কর্তৃত্ববাদী।

পরিশেষে বলা যায় নারীর শরীর রাষ্ট্র, বাজার ও চিকিৎসার মালিকানা নয়। নারীর শরীর কোনও ‘নিরীক্ষা কেন্দ্র’ নয়। এটি তার একান্তই নিজের। চিকিৎসা ব্যবস্থা তার সহায়ক হতে পারে। কিন্তু শাসক বা নিয়ন্ত্রক নয়। আমাদের এটাও মনে রাখাতে হবে চিকিৎসাকরণ সবসময় খারাপ নয়। গর্ভনিরোধ বা নিরাপদ গর্ভপাত চিকিৎসা বা সত্যিকারের মেনোপজের সমস্যায় চিকিৎসা প্রয়োজন। সমস্যা হলো, অপ্রয়োজনে বা লাভের জন্য স্বাভাবিক বিষয়গুলো চিকিৎসার আওতায় আনা। নারীর শরীরকে রোগের কেন্দ্রবিন্দু না বানিয়ে, বরং এর স্বাভাবিকতাকে সম্মান জানানো দরকার। চিকিৎসা বিজ্ঞান অবশ্যই জরুরি। কিন্তু এর প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নারীর সার্বিক সুস্থতা নিশ্চিত করা। কোনও স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে অস্বাভাবিক হিসেবে তুলে ধরে নয়। নারী যখন তার শরীর সম্পর্কে সচেতন হবে এবং চিকিৎসা বাণিজ্যের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে, তখনই সে নিজের শরীরের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাবে।

বাংলাদেশে নারীর স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতে গেলে মেডিক্যালাইজেশনের এই নীরব সংকটকে আলোয় আনতেই হবে। চিকিৎসার নামে শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করা হলে তা যতই উন্নত প্রযুক্তির মোড়কে হোক সেটি নারী স্বাধীনতার পরিপন্থী। নারীর শরীরকে আবার তার নিজের করে তোলাই হোক আমাদের স্বাস্থ্যচিন্তার নতুন সূচনা।

লেখক: জনস্বাস্থ্য ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ, সিনিয়র লেকচারার, মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগ, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)।

/এসএএস/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ
বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ
সোভিয়েত ভূমিতে জসীম উদ্‌দীন
সোভিয়েত ভূমিতে জসীম উদ্‌দীন
কেন্দ্র ও তৃণমূলের মাঝে দূরত্ব বাড়ছে বিএনপিতে?
কেন্দ্র ও তৃণমূলের মাঝে দূরত্ব বাড়ছে বিএনপিতে?
দিল্লিতে রেস্তোরাঁয় আগুনে এক বাংলাদেশির মৃত্যু
দিল্লিতে রেস্তোরাঁয় আগুনে এক বাংলাদেশির মৃত্যু
সর্বশেষসর্বাধিক