বাংলাদেশে বৈদেশিক সাহায্য

মোস্তফা মোরশেদ
১৯ মার্চ ২০২৬, ১৪:০০আপডেট : ১৯ মার্চ ২০২৬, ১৪:০০

পৃথিবীর অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের জন্য বৈদেশিক ঋণ অপরিহার্য। এসব দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকে দুটি সুনির্দিষ্ট পার্থক্য থাকে সেভিংস-ইনভেস্টমেন্ট গ্যাপ এবং এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট গ্যাপ। উন্নয়ন অর্থনীতির জনপ্রিয় হ্যারড ডোমার গ্রোথ মডেল একে টু-গ্যাপ মডেল হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। মূলত পুঁজি না থাকার কারণে এসব দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয় এবং বৈদেশিক সম্পদ বা সাহায্য বা সহায়তা দ্বারা এ পার্থক্য পূরণ করা হয়। বৈদেশিক সহায়তাকে সমর্থন করার নেপথ্যে এ মডেল কাজ করে। যদিও অনেক দেশেই পুঁজিবাদী অর্থনীতির এ মডেল প্রাসঙ্গিক নয়। কারণ রাজনৈতিক অর্থনীতির আলোচনায় একটি দেশের উন্নয়নের জন্য সে দেশের দর্শনই যথার্থ ও সঠিক। এছাড়া, অভ্যন্তরীণ উৎস হতে ঋণ নিলে যে সম্ভাব্য ক্রাউডিং আউট প্রভাব হয়, তা থেকে বেসরকারি খাতকে রক্ষা করে দেশিয় বিনিয়োগ উৎসাহিত করতেও বৈদেশিক ঋণ নেওয়া হয়ে থাকে। রাজনৈতিক অর্থনীতির আলোচনায় বৈদেশিক ঋণ পুঁজিবাদ বিকাশের নতুন ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বৈদেশিক সহায়তার দুটি উপাদান রয়েছে— ঋণ ও অনুদান। এখানে একটি বিষয় প্রাসঙ্গিকভাবে জানতে হবে, প্রায় সব সাহায্যের অনুদান অংশ থাকতে পারে, আবার না-ও থাকতে পারে। বৈদেশিক অর্থায়নের ‘অনুদান অংশ’ এবং ‘অনুদান’ দুটি ভিন্ন বিষয়। অনুদানের অংশের পরিমাণ দিয়ে মূলত ঋণটি কনসেশনাল কিনা সে হিসাব করা হয়। অপরদিকে, অনুদান হলো বৈদেশিক সাহায্যের ওই অংশ, যা পরিশোধ করতে হয় না। তাই একে সরাসরি সরকারের রাজস্ব প্রাপ্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে অনুদানের পরিমাণ ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অনুদান অংশের ওপর ভিত্তি করেই বৈদেশিক সাহায্যের প্রকৃতি নির্ধারণ করা হয়, এটি কি কনসেশনাল নাকি নন-কনসেশনাল হবে। মূলত সুদের হার, ম্যাচুরিটি সময়, গ্রেস সময় এবং ডিসকাউন্ট রেট-এর ওপর ভিত্তি করে কনসেশনালিটি ঠিক করা হয়। ৩৩টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিটি কয়েকটি ধাপে একটি দেশ ও প্রতিষ্ঠানের আয়ের স্তর এবং প্রাতিষ্ঠানিক বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে ডিসকাউন্ট রেট নির্ধারণ করে। স্বল্পোন্নত ও নিম্ন-আয়ের দেশগুলোর জন্য তা ৯ শতাংশ, নিম্ন মধ্য-আয়ের দেশগুলোর ক্ষেত্রে এ হার ৭ শতাংশ এবং উচ্চ মধ্য-আয়ের দেশগুলোর জন্য এই ডিসকাউন্ট রেট ৬ শতাংশ। অপরদিকে, বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে তা ৫ শতাংশ এবং উপ-আঞ্চলিক সংস্থাসহ অন্যান্য বহুপাক্ষিক সংস্থার জন্য তা ৬ শতাংশে নির্ধারণ করা হয়েছে। ওইডিসি- এর হিসাব বলছে, ঋণের মোট পরিমাণের মধ্যে যদি ২৫ শতাংশ অনুদান অংশ হয় তাহলে সেটি কনসেশনাল। আইএমএফ-এর মতে এটি ৩৫ শতাংশ তবে ডিসকাউন্ট রেট হলো ৫ শতাংশ।

বাংলাদেশে বৈদেশিক সাহায্য সংক্রান্ত আলোচনায় চারটি বিষয় প্রণিধানযোগ্য। এক. সময়ের সাথে সাথে কনসেশনাল ঋণের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। বিশেষকরে, বিশ্বব্যাংক কর্তৃক ২০১৫ সালে নিম্ন আয়ের দেশ হতে নিম্ন মধ্য আয়ের দেশে রুপান্তরের পর থেকে গড় সুদের হার ০.৭৫ শতাংশ থেকে ১.২৫ শতাংশে উন্নিত হয়েছে। দুই. ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে গড় সময় ৪০ বছর হতে নেমে ৩০ বছর এবং গ্রেস পিরিয়ড ৫ বছর হয়েছে। তিন. সময়ের সাথে সাথে দ্বিপাক্ষিক ঋণের (৪০ শতাংশ) পরিমাণ বহুপাক্ষিকের (৬০ শতাংশ) চেয়ে কমে যাচ্ছে। কারণ বহুপাক্ষিক দাতাদের চেয়ে দ্বিপাক্ষিক দাতাদের সাথে নেগোসিয়েশন করা সহজ। চার. নির্দিষ্ট সুদের হারের বিপরীতে সময়ের সাথে সাথে ফ্লেক্সিবল সুদের হারের মাধ্যমে ঋণ গ্রহণ করা হচ্ছে। ফ্লেক্সিবল সুদের হারের জন্য সিকিউরড ওভারনাইট ফিন্যান্সিং রেট (এসওএফআর) এর সাথে স্প্রেড যোগ করে তা ঠিক করা হয়।

প্রশ্ন আসতে পারে যে, কোনও দেশের জন্য বৈদেশিক সাহায্য কতটুকু জরুরি? কিংবা একটি দেশ কেন বৈদেশিক সাহায্য প্রত্যাশা করে? এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর নাই। তবে দুটি দিক থেকে আলোকপাত করা যায়। ক. যখন দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ দিয়ে উন্নয়ন ব্যয় পরিচালনা করা সম্ভব হয় না, এবং খ. দাতা সংস্থাগুলো নিজেদের বিভিন্ন স্বার্থের কারণে সাহায্য দিয়ে থাকে। বেসরকারি খাত ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে যে যুক্তি বিবেচনা করে হয় তা হলো যদি ৫ শতাংশ সুদের হারে ঋণ নিয়ে ৬ শতাংশ লভ্যাংশ পাওয়া যায় তবে অবশ্যই ঋণ নেওয়া যেতে পারে। একই প্রেক্ষাপটে সরকারি খাতে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে অর্থনীতি যদি নির্দিষ্ট সুদের হারের চেয়ে বেশি হারে বাড়ে তাহলে ঋণ নেওয়া খারাপ কিছু নয়। তবে যেহেতু ঋণ পরিশোধ রাজস্ব ব্যয়ের একটি আবশ্যক অংশ তাই অতিরিক্ত ঋণের বোঝা অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। যেহেতু বৈদেশিক সম্পদ হতে প্রাপ্ত সাহায্যের ক্ষেত্রে সুদের হার ২ শতাংশের নিচে তাই ঋণ গ্রহণে বেসরকারি খাতের জন্য সরকার মধ্যস্থতা করতে পারে। এক্ষেত্রে দুটি লাভ; কম খরচে ঋণ পাওয়া যাবে এবং অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং চ্যানেলের সাথে প্রতিযোগিতার কারণে দেশের ঋণের সুদের হার কমে যেতে পারে। তবে মধ্যস্থতা করার ক্ষেত্রে সরকার সভেরিন গ্যারান্টি দিবে কিনা এটা একটি নীতিনির্ধারণী বিষয়।

পৃথিবীর সকল উন্নয়নশীল দেশ উন্নয়ন পরিক্রমায় দেশকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করে। এছাড়া, রাজস্ব ব্যয়ের মাধ্যমে খুবই অল্প সংখ্যক মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়া সম্ভব। তাই কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উন্নয়ন ব্যয় ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। উদাহরণস্বরূপ, রাস্তাঘাট, ব্রিজ, স্কুল, হাসপাতাল তৈরির মাধ্যমে অর্থনীতিতে যে সরকারি বিনিয়োগ হয় তা বেসরকারি খাতকে বিনিয়োগে উৎসাহিত করে। তবে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করার সমীকরণ এতো সহজ নয়। বিশেষকরে, বেসরকারি খাতের সাথে উদ্দেশ্যগত পার্থক্যের কারণে সরকারি খাতের প্রকল্পসমূহ নেতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে আমরা শ্রীলঙ্কায় এরকম হতে দেখেছি। উন্নয়ন বা মূলধন ব্যয় যে সরকার যত দক্ষতার সাথে ব্যবস্থাপনা করতে পারবে সে সরকারই তত দক্ষ। কারণ রাজস্ব বা পরিচালন ব্যয় অনেকাংশেই অপরিবর্তনীয় এবং অস্থিতিস্থাপক।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর যে বিষয় তা হলো প্রকল্প বাস্তবায়নের হার। গত দুই দশকের চিত্র পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, অর্থ বছরের প্রথম পাঁচ মাসে প্রকল্প বাস্তবায়নের হার ৩০ শতাংশের মতো। ফলে বছর শেষে তা ৭০-৭৫ শতাংশ হতে পারে। যদিও এর পিছনে যথাযথ সম্ভাব্যতা যাচাই ছাড়া প্রকল্প গ্রহণ, বিলম্বে অর্থ ছাড়, জটিল জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া, দুর্বল প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব ইত্যাদি নানাবিধ কারণ রয়েছে। তবে আমার দৃষ্টিতে সবচেয়ে বড় কারণ অর্থনীতির সক্ষমতা। একটি ২৫০ মিলিলিটারের পানির বোতলে ২৫০ মিলি এর চেয়ে বেশি পানি জায়গা হবে না। আমাদের অর্থনীতি বিবেচনায় এমন অনেক প্রকল্প রয়েছে যা বোতলের বাইরে উপচে পড়বে।

প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর ভিত্তি করে একটা সহজ গাণিতিক হিসাব করা যায়। ধরা যাক, বাংলাদেশের অর্থনীতির বাজেটে মোট ব্যয় ১০০ টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব ব্যয় ৬৫ টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয় ৩৫ টাকা। পক্ষান্তরে আয়ের হিসাবে রাজস্ব ও বৈদেশিক অনুদান থেকে প্রাপ্তি ৭০ টাকা। এখানে রাজস্ব আয়-ব্যয়ের উদ্বৃত্ত হলো ৫ টাকা; যাকে প্রাইমারি বাজেট সারপ্লাস বলে। এখানে বাজেট ঘাটতি ৩০ টাকা যা সরকারকে মুন্সিয়ানার সাথে জোগাড় করতে হয়। ঘাটতি বাজেট মোকাবিলার মূল উপায় চারটি; বৈদেশিক ঋণ (৪০ শতাংশ), ব্যাংক ঋণ (৪৭ শতাংশ), ব্যাংক বহির্ভূত ঋণ (৮ শতাংশ) ও সঞ্চয়পত্র (৫ শতাংশ) হতে প্রাপ্তি। আমাদের এ প্রাক্কলিত আলোচনায় ঘাটতি মোকাবিলায় বৈদেশিক সাহায্য থেকে ১২ টাকা এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ থেকে ১৮ টাকা আসবে। প্রাসঙ্গিকভাবে, আমরা এ আলোচনায় জিডিপি বা জিডিপির কত শতাংশ সেরকম কোনোকিছু নিয়ে আলোচনা করিনি। বাজেটের এ ঘাটতি জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যে রাখাকে একটা মৌলিক মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সরকারি অর্থ ও বাজেট ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৯ এ বলা হয়েছে বাজেট ঘাটতি ক্রমান্বয়ে কমিয়ে নিয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশের অর্থনীতি বিবেচনায় প্রকৃত হিসাবে যদি প্রকল্প বাস্তবায়নের হার ৭৫ শতাংশ ধরে নেই তাহলে কার্যত ৩৫ টাকার ৭৫ শতাংশ অর্থাৎ, ২৬.২৫ টাকা উন্নয়ন ব্যয়ই অর্থনীতির জন্য যুতসই। উন্নয়ন ব্যয়ের হিসাব কাগজে কলমে না করে বাস্তবায়নের প্রকৃত হিসাবে করলে এখানে ৮.৭৫ টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব। এ ৮.৭৫ টাকা সরাসরি বৈদেশিক সাহায্য না নিয়ে বাঁচানো যেতে পারে। তাহলে বাজেটে মোট ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে ৯১.২৫ টাকা (৬৫ + ২৬.২৫ টাকা)। এর মধ্যে রাজস্ব আয় ৭০ টাকা, অভ্যন্তরীণ খাত হতে প্রাপ্তি ১৮ টাকা। বাকি ৩.২৫ টাকার জন্য বৈদেশিক সম্পদের ওপর নির্ভর করতে হবে। ফলে বৈদেশিক সাহায্যের জন্য প্রাক্কলিত ১২ টাকা হতে ৮.৭৫ টাকা কম লাগবে; যা মোট বৈদেশিক সাহায্যে ৭২.৯১ শতাংশ।

ঋণ প্রদানে দাতা দেশগুলোর মূল লক্ষ্য হলো অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, ইত্যাদি। উন্নয়নের এ পর্যায়ে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ অবকাঠামোগত উন্নয়ন। পক্ষান্তরে, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশের কার্যত কোনো করণীয় নাই, তাই এ খাতে বিনিয়োগের আপাতত কোনো উপকার নাই। কারণ পৃথিবীজুড়ে যে কার্বন নির্গত হয় তার মাত্র ০.০১ শতাংশ আমরা করে থাকি। যদিও আমরাই এ ঝুঁকির সবচেয়ে বড় লোকসান বহন করে চলছি। ফলে এ খাতে বিনিয়োগ অনেকটাই শ্বেত হাতি পালনের মতো হয়ে যাবে। তবে প্রকল্প তৈরির সময় যদি জাতিসংঘ প্রদত্ত ফর্মুলাতে কার্বন ট্রেডিং করার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারি তবে তা লাভজনক হয়ে উঠতে পারে।

আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার বিষয় বিবেচনা করলে অনুদানই ভালো। কিন্তু অনেকক্ষেত্রে তা দাতাদের পছন্দমতো ব্যবহার করতে হয়। অনুদানের পরিমাণ সময়ের পরিক্রমায় কমে যাচ্ছে। তাই এখন ঋণ নেওয়ার বিষয়ে অধিকতর সতর্ক হতে হবে। বাংলাদেশের অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি ও প্রবৃদ্ধি অর্জন বিবেচনায় ঋণ নেওয়া যেতে পারে। তবে ঋণের খরচ ও লাভ হিসাব করে যদি তা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য লাভজনক হয় তবেই সেটি প্রত্যাশিত। নতুন সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক। বৈদেশিক সহায়তা গ্রহণের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির সুফল বিবেচনা করে আমাদের দেশের জন্য যথার্থ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই হোক আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য।

লেখক: উন্নয়ন অর্থনীতি গবেষক

/এপিএইচ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
জুলাই কুস্তিগিরদের আগাম অভিনন্দন, মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না: মাহফুজ আলম
জুলাই কুস্তিগিরদের আগাম অভিনন্দন, মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না: মাহফুজ আলম
টিভিতে আজকের খেলা (৩ আগস্ট, ২০২৬)
টিভিতে আজকের খেলা (৩ আগস্ট, ২০২৬)
সম্পত্তির বিরোধের জেরে বিচারকের বিরুদ্ধে হয়রানি করার অভিযোগ
সম্পত্তির বিরোধের জেরে বিচারকের বিরুদ্ধে হয়রানি করার অভিযোগ
মতপ্রকাশের জন্য শিক্ষককে শাস্তি দেওয়া যায় না: বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক
মতপ্রকাশের জন্য শিক্ষককে শাস্তি দেওয়া যায় না: বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক
সর্বশেষসর্বাধিক