মাস্কে উন্মোচিত মুখোশ

Send
প্রভাষ আমিন
প্রকাশিত : ১৫:১০, এপ্রিল ১৬, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:১২, এপ্রিল ১৬, ২০২০

প্রভাষ আমিনআমির খান আমার খুব প্রিয় অভিনেতা। আশির দশকে ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তাক’ দিয়ে চকলেট বয় হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করা আমির খান নিজেকে বারবার ভেঙেচুরে এমন এক জায়গায় নিয়ে গেছেন, যেখানে খুব বেশি লোক নেই। বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির খান বছরে একটা ছবি করেন। মজার ব্যাপার হলো সেই ছবি ব্যবসায়ও সবার আগে, পুরস্কারেও। আমির খানের থ্রি ইডিয়টস, তারে জামিন পার, লাগান, রাং দে বাসন্তী, দাঙ্গাল—সব ছবিই মানুষ আগ্রহ নিয়ে দেখে এবং সব ছবিতেই ভাবনার খোরাক আছে। ঠিক আর্ট ফিল্মের মতো কঠিন নয়, আবার কমার্শিয়াল ফিল্মের মতো বাজারেও নয়। আমির খানের অধিকাংশ ছবিই আমার দেখা। তবে আমার সবচেয়ে প্রিয় ছবির একটি হলো ‘পিকে’। এই ছবিতে প্রচলিত ধর্ম ব্যবস্থা নিয়ে এমন সব সিরিয়াস প্রশ্ন এমন সহজে করা হয়েছে, যা আমাদের চমকে দেয়। পিকে-তে আমির খান ভিনগ্রহ থেকে পৃথিবীতে আসেন। আমির খান যে গ্রহ থেকে আসেন, সে গ্রহে মানুষ পোশাক পরে না, মিথ্যা বলে না। মানে হলো, তাদের ভেতরে আর বাইরে একরকমই। কিন্তু ফিরে যাওয়ার আগে আমির খান মিথ্যা বলা শিখে গিয়েছিলেন।
পৃথিবীটা এমনই এক অদ্ভুত জায়গা। এখানে প্রত্যেকটি মানুষের দুটি সত্তা বাস করে। কোনও মানুষকে দেখে বোঝার উপায় নেই, তিনি কী ভাবছেন। ভেতরে একজন মানুষ আর বাইরে আরেকজন। কখনও কখনও আমাদের চেহারা নিছক দুটি নয়, অনেক।

মানুষ সত্যিই বহুরূপী। বাসায় যিনি বউ পেটান, বাইরে তিনিই বিশাল নারীবাদী। বাসার সহকর্মী বা ড্রাইভারের ন্যায্য পাওনা দেন না, কিন্তু বাইরে বিশাল শ্রমিক নেতা। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে পড়তে কপালে বিশাল দাগ, কিন্তু ঘুষ ছাড়া কথাই বলেন না। ব্যাংকের টাকা মেরে দিয়ে প্রতিবছর হজ করেন। পত্রিকায় কলামে বড় বড় নীতি কথা লেখেন, টক শো’তে বড় বড় কথা বলেন, অথচ বাসার কাজের মেয়েও তার কাছে নিরাপদ নয়, সুযোগ পেলে রিকশাওয়ালাকে চড় মারেন, গালি দেন। দেখে বোঝার উপায় নেই, কে সম্ভাব্য খুনি বা ধর্ষক। সবচেয়ে সফেদ পোশাক পরা মানুষটিও হয়তো সুযোগ পেলে নারীর বুকে হাত দিয়ে দেবে। এমন বহুরূপী মানুষে ভরপুর আমাদের সমাজ।

সম্প্রতি #মিটু আন্দোলন এমন কিছু মানুষের মুখোশ খুলে দিয়েছে বটে; তাও আমি জানি না, পাশের মানুষটিই আমার সম্পর্কে কী ভাবছেন। যিনি আমার সঙ্গে হেসে হেসে কথা বলছেন, তিনি মনে মনে আমাকে গালি দিচ্ছেন না তো।

সবচেয়ে বহুরূপী মানুষ দেখা যায় ফেসবুকে। সত্যিই এটি ফেসবুক, মাইন্ডবুক নয়। যদিও ফেসবুক খুললেই একটি প্রশ্ন আসে সামনে, what’s on your mind?

কিন্তু কেউই তার মনের কথাটা বলেন না। মনে যত নোংরামিই থাক, ফেসবুকের প্রশ্নের জবাবে সবাই সাধু। ফেসবুকে যত সাধুর দেখা পাই, বাস্তবে যদি তা হতো, তাহলে দেশটা বদলে যেতো। মা দিবসে মাকে নিয়ে আবেগঘন স্ট্যাটাস দেওয়া ছেলের মা হয়তো পাশের ঘরে অসুখে কাতরাচ্ছে। হয়তো রাস্তায় কোনও মেয়েকে হেনস্তা হতে দেখেও চুপ করে চলে এসেছে। কিন্তু বাসায় ফিরে সেই ঘটনায় স্ট্যাটাস দেবে, যারা মুখ বুজে অন্যায় সয়েছে, তারা অপরাধী। আমাদের সবাইকে প্রতিবাদ করতে হবে, রুখে দাঁড়াতে হবে। চারপাশে এই বহুরূপী মানুষ দেখতে দেখতে আমরা ক্লান্ত। একজন মানুষ কতটা সুশীল তা টের পাওয়া যায়, তার ইনবক্সে গেলে। তবে স্ক্রিনশটে কয়েকজন সেলিব্রেটি ধরা খাওয়ার পর ইনবক্সের ব্যাপারে অনেকেই সাবধান হয়ে গেছেন। এখন অনেকেরই একাধিক আইডি থাকে। ফেক আইডিতে যিনি জানোয়ারেরও অধম, মূল আইডিতে তিনিই ফেরেশতা।

আমরা সবাই আসলে মুখোশ পরে ঘুরে বেড়াই। এই অদৃশ্য মুখোশগুলো খুলে দিলে দেখা যেতো আমাদের কদর্য চেহারা। আমরা প্রায়ই বলি, অমুকের মুখোশ উন্মোচন করে দিতে হবে। কিন্তু আমাদের এই অদৃশ্য মুখোশটা এতই শক্ত, এটা উন্মোচন করা কঠিনই বটে। তবে পরিস্থিতি আমাদের বদলে দেয়, দুর্যোগ এলেই উন্মোচিত হয়ে যায় অনেকের মুখোশ। এই যেমন করোনা দুর্যোগে আমরা সবাই মুখে মাস্ক লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি। মানে আমাদের এখন দুটো মাস্ক—একটা অদৃশ্য, তার ওপর একটা দৃশ্যমান। করোনা একটি সাম্যবাদী ভাইরাস। কিন্তু মাস্কেও আছে বৈষম্য।

কারোটা কাপড় কেটে বানানো ১০ টাকার, কারোটা হাজার টাকার এন-৯৫; কেউ একবার ব্যবহার করেই ছুড়ে ফেলেন, কেউ আগলে রাখেন যক্ষের ধনের মতো। এই দৃশ্যমান মাস্ক আমাদের কারও কারও অদৃশ্য মাস্ক খুলে দিয়েছে। উন্মোচিত হয়ে গেছে আমাদের কারও কারও আসল চেহারা।

এই যে ভালো ভালো কথা লিখছি, আমি কি অতটা ভালো। আমার কি মুখোশ নেই। অবশ্যই আছে। কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ, মাৎসর্য—ষড়রিপুর সঙ্গে আমাকেও লড়তে হয় প্রতিদিন। স্বাভাবিক সময়ে আমিও মনে মনে কত কূটচাল করি, মানুষকে ঘৃণা করি, ল্যাং মারার চেষ্টা করি, গালি দেই। কিন্তু সত্যি বলছি, গত এক মাসে আমার মাথায় করোনা ছাড়া আর কোনও ভাবনা নেই। এই সময়ে আমি সম্পূর্ণ বদলে যাওয়া মানুষ। আমার মাথায় আমার পরিবার, স্বজন, বন্ধু, অফিসের সহকর্মী, চারপাশের মানুষের নিরাপত্তার ভাবনা ছাড়া আর কিচ্ছু নেই। করোনার পর কী হবে—বেঁচে থাকবো কিনা, খেতে পাবো কিনা; জানি না। কিন্তু এই সময়েও যখন দেখি কিছু মানুষ মারামারি করছে, খুন করছে, ধর্ষণ করছে, চুরি করছে, ডাকাতি করছে, ত্রাণের চাল চুরি করছে, বিয়ে করছে; আমি চমকে যাই, এই কাজগুলো যারা করছে, তারাও তো দেখতে মানুষেরই মতো। এমনিতে আমি কারও ক্ষতি চাই না। কিন্তু নারায়ণগঞ্জের এক সরকারি কর্মকর্তার বরখাস্তের খবরে আমি খুব খুশি হয়েছি।

এই করোনা আতঙ্কের সময়েও সেই কর্মকর্তা ঘটা করে ৭০ জন বরযাত্রী নিয়ে বিয়ে করতে গিয়েছিল। আমাদের অনেকে ডাক্তারদের গালি দিতে দিতে মুখে ফেনা তুলে ফেলি, ফেসবুকে ঝড় তুলি—এরা কসাই, এরা পালিয়েছে। কিন্তু সেই ডাক্তার যখন টানা ৪৮ ঘণ্টা ডিউটি শেষে ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফেরেন, সেই গালি দেওয়া বাড়িওয়ালাটাই তাকে ঢুকতে দিতে চান না। বাসায় থাকতে হলে চাকরি ছেড়ে দিতে হবে। নইলে হাসপাতালেই থাকতে হবে। হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরা যাবে না। কী অদ্ভুত কথা।

বাসা রক্ষায় সেই ডাক্তার যদি সত্যি সত্যি চাকরি ছেড়ে দেন, তাহলে সেই বাড়িওয়ালাই হয়তো স্ট্যাটাস দেবে—ডাক্তাররা কসাই, এরা করোনার ভয়ে পালিয়ে গেছে।

করোনায় ঘরে আটকে পড়া মানুষের জন্য সরকারি-বেসরকারি নানা উদ্যোগে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে। এটাই বাংলাদেশের আসল শক্তি। বিপদে আমরা একজন আরেকজনের পাশে দাঁড়াই। কিন্তু এই ত্রাণ নিয়েও নানান রকমের তেলেসমাতির খবর আসছে গণমাধ্যম আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সরকারি দলের নেতাকর্মীদের ত্রাণের চাল চুরির ঘটনা এখন নিত্যদিনের শিরোনাম। সরকার ব্যবস্থাও নিচ্ছে। কিন্তু এই সময়েও যারা চাল চুরির কথা ভাবতে পারে, তাদের ডিএনএ’টা একটু টেস্ট করার খুব ইচ্ছা আমার। করোনার বিস্তার ঠেকানোর একমাত্র চেষ্টা হলো ঘরে থাকা, বিচ্ছিন্ন থাকা, দূরে থাকা। কিন্তু ত্রাণ নিতে গিয়ে হুড়োহুড়ি বা ত্রাণের দাবিতে বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটেছে। এক সরকারি কর্মকর্তা তার গাড়ি থেকে একশ’ টাকার বান্ডিল ছুড়ে মেরেছিলেন রাস্তায়। আর টাকা কুড়াতে হুড়োহুড়ি করে অনেকেই করোনার ঝুঁকিতে পড়েছেন। গরিব মানুষের ঝুঁকি আসলে দুইরকম—করোনা থেকে বাঁচতে চাইলে না খেয়ে মরবেন। আর ত্রাণ জোগাড় করতে চাইলে পড়বেন করোনার ঝুঁকিতে। ত্রাণ নিয়ে আরও অনেক অবিশ্বাস্য খবর পড়েছি গণমাধ্যম আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। একজন মানুষের হাতে দুই কেজি চাল তুলে দিচ্ছেন ২০ জন মিলে। সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই। সবার দৃষ্টি ক্যামেরার দিকে। কে যে নিচ্ছে, কে যে দিচ্ছে; বোঝা মুশকিল। অবশ্য এখানে সবাই দুস্থ; কারও দরকার চাল, কারও কাভারেজ। ত্রাণ নেওয়ার সময় ঠিকমতো ক্যামেরার দিকে তাকায়নি বলে মারধরের ঘটনাও ঘটেছে। ত্রাণ দিয়ে ছবি তুলে আবার ফিরিয়ে নেওয়ার মতো অবিশ্বাস্য ঘটনাও নাকি ঘটেছে। মানুষের ওপর আমার প্রবল আস্থা। কিন্তু সেই আস্থা মাঝে মাঝে টলে যায়। ফেসবুকে একটা ভিডিওতে দেখলাম একটা মসজিদের সামনে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে। ইমামসহ গণমান্যরা আছেন। একে একে অনেকেই ত্রাণ নিলেন। একপর্যায়ে এলেন একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী। বলে দেওয়া হলো হিন্দুরা ত্রাণ পাবে না। আমি অবিশ্বাস থেকে কয়েকবার দেখেছি।

কিন্তু সেখানে হিন্দুদের ত্রাণ দেওয়া হয়নি। ধর্ম সম্পর্কে আমার অত জানাশোনা নেই। এটুকু বুঝি, যারা ধর্মীয় বিবেচনায় একজন দুস্থ মানুষের সামনে থেকে ত্রাণ সরিয়ে নিয়েছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের সামনে থেকে তার রহমত ফিরিয়ে নেবেন। ধর্ম নিয়ে আমাদের এই বাড়াবাড়িটা আগে থেকেই প্রবল। সৌদি আরবসহ বিশ্বের অনেক দেশেই যখন মসজিদ বন্ধ, তখনও বাংলাদেশে মসজিদে জামাতের সঙ্গে নামাজ হয়েছে। স্পর্শকাতর বলে মসজিদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে সরকার অনেক সময় নিয়েছে। অথচ মসজিদ থেকে করোনা দ্রুত বিস্তারের আশঙ্কা বেশি। শেষ পর্যন্ত সরকার যখন বাধ্য হয়ে বন্ধ করলো, তখনও অনেকের আপত্তি। সরকারকে ফাঁকি দিতে অনেকে বাসার ছাদে জুমার নামাজের জামাতের আয়োজন করেছে। হায়, তারা কাকে ফাঁকি দিচ্ছে। আল্লাহ তো দেখেছেন।

ছাদে জামাতে নামাজ আদায় করে করোনার বিস্তার ঘটিয়ে মানবজাতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলার দায়ে কি আল্লাহ তাদের শাস্তি দেবেন না? বিশ্বের অধিকাংশ দেশ মসজিদসহ সব ধরনের উপাসনালয় বন্ধ ঘোষণা করলেও বাংলাদেশ একদম বন্ধ করেনি।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, মসজিদে অন্য সময় ৫ জন এবং জুমার নামাজে সর্বোচ্চ ১০ জনের জামাত হবে। তবে সেই নামাজিদের হতে হবে মসজিদের স্টাফ মানে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব। মানে বাইরের কেউ মসজিদে ঢুকতে পারবেন না।

কিন্তু মানুষ বুঝে নিয়েছে শুক্রবারে বাইরে থেকে বাড়তি ৫ জন জুমার নামাজে অংশ নিতে পারবে। কোন ৫ জন অংশ নেবেন, তা নিয়ে সংঘর্ষে ঢাকার দোহারে ৬ জন আহত হয়েছেন। হে আল্লাহ, ইসলাম শান্তির ধর্ম। কিন্তু এত তুচ্ছ ঘটনায় যারা একজন আরেকজনের মাথায় লাঠি দিতে পারে, তারা কি সত্যিই মুসলমান? তুমি কি তাদের এই সহিংস ভালোবাসা চাও? তুমি কি তাদের ভালোবাসো?

করোনা আমাদের সবচেয়ে বড় যে মুখোশটি উন্মোচিত করে দিয়েছে, তা হলো মানবতা। কারও করোনা হয়েছে শুনলেই সবাই মিলে তাকে একঘরে করে ফেলা হচ্ছে। অনেক সময় করোনার টেস্ট শুনলেই আর রেজাল্টের জন্যও কেউ অপেক্ষা করছেন না। মারা গেলে তো কথাই নেই। দাফন করার লোক পাওয়া যাচ্ছে না, স্বজনরাও জানাজা-দাফনে আসেন না। এমনকি জানাজায় ইমামতি করার মতো কেউও নেই। আলেমদের যারা একদিন বড় বড় কথা বলেছেন, ‘মুসলমানদের করোনা হবে না, করোনা বলে কিছু নেই, করোনা বলেছে বাংলাদেশ নিয়ে তাদের কোনও পরিকল্পনা নেই’—তারা এখন লাপাত্তা। এক জায়গায় ইউএনও নিজে ইমামতি করেছেন। আরেক জায়গায় দাফনের জন্য মসজিদের খাটিয়াও দিতে রাজি হয়নি গ্রামবাসী। এই হলো আমাদের মানবতা।

অসুস্থ মাকে জঙ্গলে ফেলে রাখার মতো অবিশ্বাস্য অমানবিক ঘটনাও ঘটেছে। সন্তানরা যে মাকে ফেলে দিয়েছে, আমরা সারাক্ষণ যাদের গালি দেই, সেই পুলিশ আর প্রশাসন তাকে উদ্ধার করে ঢাকায় পাঠিয়েছেন। পরীক্ষা করে দেখা গেছে তার করোনা নয়, স্বাভাবিক অসুস্থতা। ভাবা যায় সন্তানরা স্রেফ সন্দেহের বশে মাকে জঙ্গলে ফেলে দিতে পারে।

করোনা তো একদিন যাবেই। এই যে আমাদের মুখোশগুলো একে একে খুলে দিয়ে যাচ্ছে, সুযোগ হলো এদের চিনে রাখার। পরে আবার যেন তারা মুখোশটা পরে নিতে না পারেন। আমাদের সবার অদৃশ্য মুখোশ উড়িয়ে নিয়ে যাক করোনা। আমরা যেন মনে আর মুখে এক ও অভিন্ন মানুষ হতে পারি, আরও ভালো মানুষ হতে পারি, আরও মানবিক হতে পারি।

লেখক: হেড অব নিউজ, এটিএন নিউজ

/এসএএস/এমএমজে/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

লাইভ

টপ