দুর্নীতি মামলায় ইমরান খান ও বুশরা বিবির কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৭ জানুয়ারি ২০২৫, ১৬:২৫আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০২৫, ১৭:১৭

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং তার স্ত্রী বুশরা বিবি আল-কাদির ট্রাস্ট মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। ১৯ কোটি পাউন্ডের দুর্নীতির এ মামলার রায় শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) ঘোষণা করা হয়েছে। রায়ে ইমরানকে ১৪ বছরের এবং বুশরাকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন এ খবর জানিয়েছে।

আদিয়ালা কারাগারের অস্থায়ী আদালতে বিচারক নাসির জাভেদ রানা এ রায় ঘোষণা করেন। আদালত ইমরান ও বুশরার যথাক্রমে ১০ লাখ এবং ৫ লাখ রুপি জরিমানা করেন। জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাদের কারাদণ্ড ছয় মাস এবং তিন মাস বাড়বে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

রায়ে বলা হয়েছে, ভুয়া ট্রাস্ট আল-কাদির ইউনিভার্সিটি প্রজেক্ট ট্রাস্ট-এর সম্পত্তি জাতীয় জবাবদিহি অধ্যাদেশ, ১৯৯৯-এর ধারা ১০(ক) অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে বাজেয়াপ্ত করা হলো।

রায় ঘোষণার পর আদালত থেকে বুশরা বিবিকে গ্রেফতার করা হয়। এই মামলায় ইমরান ও বুশরা প্রথম দোষী সাব্যস্ত হন ২০২৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছিল, ইমরান ও বুশরা বেআইনিভাবে বেসরকারি কোম্পানি বেহরিয়া টাউন লিমিটেড থেকে বিপুল অর্থ ও জমি নিয়েছিলেন। এই সম্পদ যুক্তরাজ্যের জাতীয় অপরাধ সংস্থা কর্তৃক পাকিস্তানের জন্য ফেরত আনা ৫০ বিলিয়ন রুপির আইনি বৈধতা প্রদানের বিনিময়ে গ্রহণ করা হয়।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে এই মামলার রায় ঘোষণা করার কথা থাকলেও শীতকালীন ছুটির কারণে তা পেছানো হয়। পরবর্তী শুনানিতে বিচারক উপস্থিত না থাকায় রায় জানানো সম্ভব হয়নি।

রায় ঘোষণার পর আদালতে ইমরান খান বলেন, আমি কোনও সমঝোতা করবো না এবং মুক্তির জন্য কারও কাছে আবেদন করবো না। একনায়কত্বের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো ব্যক্তিদের এভাবেই শাস্তি দেওয়া হয়।

পিটিআই নেতারা রায়কে ‘অন্যায়’ ও ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলে অভিহিত করেছেন। ব্যারিস্টার গওহর বলেন, ইমরান এই প্রকল্পের মালিক নন, তিনি শুধু একজন ট্রাস্টি। এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ। ইনশাআল্লাহ, এই অবিচার দূর হবে।

আইনমন্ত্রী আজম নাজির তারার বলেন, বিচার বিভাগ স্বাধীন। সরকার আদালতের রায়ে হস্তক্ষেপ করে না। আল-কাদির মামলায় প্রমাণের অভাব ছিল। তারা সঠিকভাবে নিজেদের পক্ষে যুক্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

 

/এএ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নে মার্কিন চাপ মানছে না ওমান
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
সর্বশেষ খবর
এই অর্জন বাংলাদেশের শক্তিশালী কূটনৈতিক অবস্থানকে তুলে ধরে: খলিলুর রহমান  
এই অর্জন বাংলাদেশের শক্তিশালী কূটনৈতিক অবস্থানকে তুলে ধরে: খলিলুর রহমান  
‘মুখ খোলো মমতা, জানতে চায় জনতা’ স্লোগানে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল
‘মুখ খোলো মমতা, জানতে চায় জনতা’ স্লোগানে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল
আর্জেন্টিনা আরও চার ফুটবলারকে প্রস্তুত রাখছে
আর্জেন্টিনা আরও চার ফুটবলারকে প্রস্তুত রাখছে
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী