ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনা কোনও আনুষ্ঠানিক চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। তবে এই আলোচনাকে ব্যর্থ বলতে নারাজ পাকিস্তান। দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, দীর্ঘ অবিশ্বাসের পর এই সংলাপের মাধ্যমে অন্তত ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ‘কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ’ পুনরায় খুলেছে, যা একটি ইতিবাচক প্রথম পদক্ষেপ।
মার্কিন বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুজন পাকিস্তানি কর্মকর্তা জানান, কূটনীতি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এই আলোচনার ফলাফলকে একবারে ব্যর্থতা হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। তাদের মতে, দীর্ঘ ছয় সপ্তাহের আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে এই সংলাপ কার্যকর ভূমিকা রেখেছে।
আলোচনাটি সফল করতে এবং সঠিক পথে বজায় রাখতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল আসিম মালিক এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন। কর্মকর্তারা জানান, সেনাপ্রধান আসিম মুনির মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন।
পাকিস্তানের এক কর্মকর্তা বলেন, পাকিস্তান দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে নিজের দায়িত্ব পালন করেছে।
তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, চূড়ান্ত কোনও চুক্তিতে পৌঁছানোর দায়িত্ব এখন সম্পূর্ণভাবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের ওপর নির্ভর করছে।









