ডেল্টায় ধূলিসাৎ ‘হার্ড ইমিউনিটি’র স্বপ্ন?

বিদেশ ডেস্ক
২৭ আগস্ট ২০২১, ১৮:৫০আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২১, ১৯:০৮

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসের অতি সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন, কোভিড-১৯-এর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত হার্ড ইমিউনিটি অর্জন কি এখনও সম্ভব?

বৈশ্বিক জনসংখ্যার একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ মানুষ কোনও রোগের টিকা গ্রহণ বা আক্রান্তের পর সুস্থ হয়ে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করলে হার্ড ইমিউনিটি অর্জিত হয়। কিন্তু করোনাভাইরাসের নতুন নতুন সংক্রামক ভ্যারিয়েন্ট দেখা দেওয়ার কারণে এই মহামারিতে এটি অর্জন করা যাবে কিনা তা নিয়ে বির্তক রয়েছে।

এপিডেমিওলজিস্ট মিরসিয়া সোফোনিয়ার মতে, প্রশ্ন যদি হয় শুধু টিকাদানের ফলে আমরা মহামারি নিয়ন্ত্রণ করতে পারব? এর উত্তর হলো: না।

তিনি জানান, হার্ড ইমিউনিটি দুটি মৌলিক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। প্রথমটি হলো, ভাইরাসের অন্তর্নিহিত সংক্রামতা এবং সংক্রমণ ঠেকাতে টিকার কার্যকারিতা। এই মুহূর্তে কার্যকারিতা নেই।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট আলফার চেয়ে মোটামুটি ৬০ শতাংশ বেশি সংক্রামক। মূল ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে আলফা ছিল দ্বিগুণ সংক্রামক। মানুষকে আক্রান্ত করার ক্ষেত্রে ভাইরাসের কার্যকারিতা যত বাড়ে হার্ড ইমিউনিটি অর্জনের নির্দিষ্ট ন্যূনতম জনসংখ্যার মাপকাঠিও বেড়ে যায়।

আরেক এপিডেমিওলজিস্ট অ্যান্টয়নি ফ্লাহল্ট বলেন, ‘তাত্ত্বিকভাবে, এটি একেবারে সাধারণ হিসাব’। তিনি জানান, মূল ভ্যারিয়েন্টের পুনরায় উৎপাদনের (রিপ্রোডাকশন রেট বা আর রেট) ছিল শূন্য ও তিন-এর মধ্যে। এর অর্থ হলো, প্রত্যেক আক্রান্ত ব্যক্তি অপর তিনজনে সংক্রমণ ছড়াতে পারেন। এক্ষেত্রে ৬৬ শতাংশ মানুষের রোগ-প্রতিরোধ গড়ে উঠলে হার্ড ইমিউনিটি অর্জন করা যেত।

তিনি আরও বলেন, কিন্তু যদি আর রেট হয় আট, যেমনটি ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে দেখা যাচ্ছে, তাহলে হার্ড ইমিউনিটি অর্জনের জন্য প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষের রোগটি প্রতিরোধ করতে সমর্থ হতে হবে।

যদি ডেল্টার বিরুদ্ধে টিকার কার্যকারিতা ১০০ শতাংশ হত তাহলে ৯০ শতাংশের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠা সম্ভব ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবতশত, টিকার কার্যকারিতা অনেক কম। সূত্র: এএফপি

/এএ/
সম্পর্কিত
বিক্রির জন্য নিলামে উঠছে এই আধুনিক দুর্গটি
৫৩০০ বছর পরও মমিতে জীবিত অণুজীব
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
সর্বশেষ খবর
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
ভাতের সঙ্গে জমবে মজাদার সরষে সবজি
ভাতের সঙ্গে জমবে মজাদার সরষে সবজি
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্তিতে জোর দেবে নতুন বিএসইসি
ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্তিতে জোর দেবে নতুন বিএসইসি
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী