ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ‘শেষ হয়ে আসছে’ এবং এ অভিযানের ‘লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে’ বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন। বুধবার এক বক্তব্যে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা মোতায়েন বৃদ্ধিকে তেহরানের প্রতি একটি কঠোর সতর্কবার্তা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
জনসন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে সেনা বাড়ানো আর সরাসরি স্থল অভিযানে অংশ নেওয়া এক বিষয় নয়। আমাদের কোনও সেনা সরাসরি যুদ্ধে নেই এবং আমাদের তেমন কোনও উদ্দেশ্যও নেই। তবে আমি মনে করি ইরানের এই সেনা মোতায়েন মাথায় রাখা উচিত এবং একে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া প্রয়োজন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি সামরিক চাপের মুখেও নতি স্বীকার না করার ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। একদিকে ইসরায়েল যখন তেহরানে বিমান হামলা চালাচ্ছে এবং ওয়াশিংটন ওই অঞ্চলে আরও প্যারাট্রুপার ও মেরিন সেনা পাঠাচ্ছে, তখন পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান।
ইরানের রাষ্ট্রীয় ইংরেজি সম্প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভি’র বরাতে একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরান তখনই যুদ্ধ শেষ করবে যখন তারা নিজে সিদ্ধান্ত নেবে এবং তাদের নিজস্ব শর্ত পূরণ হবে।
ওই কর্মকর্তা আরও সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তেহরানের ‘কঠোর আঘাত’ অব্যাহত থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে প্রেস টিভি ইরানের পক্ষ থেকে নিজস্ব ৫ দফা পরিকল্পনা তুলে ধরেছে। এই শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে, ইরানি কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ড বন্ধ করা, ভবিষ্যতে আর কোনও যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হবে না এমন নিশ্চয়তা, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দেওয়া, শত্রুতার অবসান এবং হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করা।
সূত্র: এপি









