ছয় সপ্তাহের যুদ্ধের পরও অটুট ইরানি নৌবহরের ৬০ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১২ এপ্রিল ২০২৬, ২২:৩৪আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২২:৪৫

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে টানা ছয় সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পরও হরমুজ প্রণালিতে টহলরত ইরানি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবহরের ৬০ শতাংশেরও বেশি এখনও অক্ষত রয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত যুদ্ধবিরতি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন, ঠিক তখনই ইরানের এই সামরিক সক্ষমতার খবর সামনে এলো।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি মূলত ছোট ছোট দ্রুতগতিসম্পন্ন স্পিডবোট এবং আক্রমণকারী নৌযানের মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি নিয়ন্ত্রণ করে। এসব নৌযান ক্ষেপণাস্ত্র ও মাইনে সজ্জিত। ছোট আকারের হওয়ায় এগুলো রাডার বা স্যাটেলাইট শনাক্তকরণ এড়িয়ে চলতে পারে, যা প্রথাগত বড় যুদ্ধজাহাজের তুলনায় লক্ষ্যবস্তু করা অনেক বেশি কঠিন। এ ছাড়া আইআরজিসি এসব নৌযান মাটির নিচে বিশেষ গোপন স্থানে সংরক্ষণ করে। ফলে এগুলোর অবস্থান শনাক্ত করার প্রচেষ্টা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলছে, এর ফলে দেখা গেছে গত কয়েক সপ্তাহের মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের প্রথাগত নৌবাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও আইআরজিসির সক্ষমতায় তেমন প্রভাব পড়েনি। তবে হামলায় আইআরজিসির কিছু বড় নৌযান ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জাহাজ-বিধ্বংসী ও ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রবাহী আইআরআইএস শহীদ সায়াদ সিরাজি এবং পারস্য উপসাগরে আইআরজিসির সবচেয়ে বড় ড্রোনবাহী জাহাজ শহীদ বাঘেরি।

খবরে বলা হয়েছে, আইআরজিসির ছোট ও আক্রমণকারী নৌযান এখনও বেশির ভাগ অক্ষত থাকায় তারা সহজেই হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারবে। বিশেষ করে এই সরু জলপথে মাইন পুঁতে রাখার মাধ্যমে তারা যেকোনও সময় বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে সক্ষম। ইরানের প্রথাগত নৌবাহিনী ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এই ক্ষেত্রে তা ‘খুব সামান্যই পার্থক্য’ তৈরি করবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

/এএ/এমওএফ/
টাইমলাইন: ইরানে ইসরায়েলের হামলা
সম্পর্কিত
কট্টরপন্থি ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ নেতানিয়াহুর
মৌমাছির রানি হয়ে ওঠার রহস্য কী
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
সর্বশেষ খবর
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ, পুলিশের তদন্ত কমিটি
থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ, পুলিশের তদন্ত কমিটি
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম