হিলারি ক্লিনটনকে ভয় পেতেন পুতিন: ন্যান্সি পেলোসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৪ এপ্রিল ২০২৩, ২০:৩০আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২৩, ২০:৩০

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সাবেক স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি বলেছেন, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনকে ভয় পেতেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই কারণে ২০১৬ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। মঙ্গলবার নিউজউইক এ খবর জানিয়েছে।

কলম্বিয়া স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্স (এসআইপিএ)-তে দেওয়া ভাষণে সোমবার পেলোসি বলেছেন, হিলারি ক্লিনটনের স্বচ্ছতা ও অবস্থানের কারণে পুতিনকে ভিন্ন পথ ধরতে হয়েছিল। তার নির্বাচনি প্রচারের বিরুদ্ধে বেআইনি পন্থার দ্বারস্থ হতে হয়েছিল। আমাদের গণতন্ত্রের ওপর পুতিনের হস্তক্ষেপের কারণ ছিল রাশিয়ার গণতন্ত্রহীনতার নিরিখে তিনি সবচেয়ে ভয় পেতেন হিলারি ক্লিনটনকে।

২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর দেশটির গোয়েন্দা সংস্থাগুলো রুশ হস্তক্ষেপের প্রমাণ পায়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি অনুসারে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী হিলারি ক্লিনটনের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাতে পুতিন নির্দেশ দিয়েছিলেন। ডেমোক্র্যাটিক জাতীয় কমিটির সার্ভারে রুশ সাইবার হামলা চালানো হয়। এর মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ইমেইল ও নথি ব্যবহার করা হয় ক্লিনটন ও ডেমোক্র্যাটিক নেতাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

ওই সময় অনেক বিশেষজ্ঞ বলে আসছিলেন, হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে দীর্ঘ বিরোধিতার জের ধরে রাশিয়া এই হস্তক্ষেপ চালায়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকার সময় ক্লিনটন রাশিয়ার ২০১১ সালের নির্বাচন নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছিলেন। ওই নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন পুতিন।

২০১৬ সালে পলিটিকো’র এক প্রতিবেদনে অনুসারে, নির্বাচন নিয়ে সৃষ্ট বিক্ষোভের জন্য হিলারির মন্তব্যকে দায়ী করেছিলেন পুতিন। তিনি বলেছিলেন, তার প্রেসিডেন্ট হওয়াকে খাটো করে দেখানোর জন্য মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমর্থন ছিল বিক্ষোভকারীদের প্রতি।

২০১৬ সালে হিলারিকে পরাজিত করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনে পুতিনের হস্তক্ষেপ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে আসছিলেন।

/এএ/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী