চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক: মাহবুব উল আলম হানিফ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৫:৪৯ আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৫:৪৯

সরকারি দলের সংসদ সদস্য মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, যখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ কর্ণধারের অনৈতিকতা নিয়ে গণমাধ্যমে লেখা হয়, তখন চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক।

রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে মাহবুব উল আলম হানিফ এই কথা বলেন।

সুন্নতে খতনা করতে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে হানিফ বলেন, যেসব শিশুর খতনার বিষয় আছে তাদের পরিবার শঙ্কিত। এই যে চিকিৎসকদের কোনও গাফিলতির কারণে এই দুটি শিশুর প্রাণ হারালো, সেটা নিয়ে অনেকে শঙ্কিত আছে। এটা কেন হয়েছে, এটা নিয়ে জাতি অবাক হলেও আমি কিন্তু বিস্মিত হই নাই। চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সবচেয়ে সেবা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়। যে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ কর্ণধারকে নিয়ে যখন বিভিন্ন গণমাধ্যমে লেখালেখি হয়, তার অনৈতিকতা নিয়ে, তার স্বজনপ্রীতি নিয়ে, তার নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ে নানা লেখালেখি হয় তখন চিকিৎসার ওপর মানুষরে আস্থা আস্তে আস্তে কমে যায়। বা চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়ে যাওয়াই স্বাভাবিক।

হানিফ বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নিয়ে গণমাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য আসছে। কেউ স্বজনপ্রীতির সঙ্গে জড়িত। কেউ নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। এমনকি অনেক উপাচার্যের অডিও রেকর্ডও চলে আসছে গণমাধ্যমে, যারা নিয়োগের জন্য সরারসি প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করছেন আর্থিক সুবিধা নেওয়ার জন্য। এটা যদি সর্বোচ্চ পদধারী ব্যক্তিদের কাছ থেকে হয় তাহলে সে জাতির ভবিষ্যত নীতি নৈতিকতা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করা ছাড়া আর কিছুই থাকে না।

হানিফ বলেন, উন্নয়ন যথেষ্ট হয়েছে। এখন প্রয়োজন এই উন্নয়নকে ধরে রাখা। উন্নয়নকে ধরে রাখার জন্য আমাদের সরকারের সামনে দেশের সামনে যেটা সবচেয়ে বড় সমস্যা মানুষের মধ্যে সততা, নীতি–নৈতিকতা, মূল্যবোধের অবক্ষয়ের দিকে জাতি চলে যাচ্ছে। এখান থেকে বের হতে পারলে উন্নয়ন ধরে রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

আরও পড়ুন-

মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ, ডিবি কার্যালয়ে আয়ানের বাবা

খতনা করাতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু: রিমান্ড-জামিন নামঞ্জুর, দুই চিকিৎসককে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

খতনা করতে গিয়ে আয়হামের মৃত্যু: মেডিক্যাল সেন্টার সিলগালা

খতনা করাতে গিয়ে আরেক শিশুর মৃত্যু: দুই চিকিৎসক আটক

খতনা করাতে গিয়ে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ চাইল্ডস রাইটসের

শিশু আয়ানের মৃত্যু: তদন্তে নতুন কমিটি করে দিলেন হাইকোর্ট

শিশু আয়ানের মৃত্যু: তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বেঁধে দিলেন হাইকোর্ট

আয়ানের মৃত্যু: ইউনাইটেড হাসপাতালের পরিচালকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা

শিশু আয়ানের মৃত্যুতে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

 

/ইএইচএস/এফএস/
সম্পর্কিত
সংসদে গালিগালাজ-অসংসদীয় ভাষা ব্যবহার করলে প্রতিকার কী
শরিয়াহর দোহাই দিয়ে বাবা-মায়ের অধিকার রক্ষার আইনের বিরোধিতা কেন, প্রশ্ন চিফ হুইপের
বাকস্বাধীনতা যেন বাকশালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে: প্রধানমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
একনজরে আজকের আলোচিত খবর
একনজরে আজকের আলোচিত খবর
জাকসু নির্বাচনের প্রার্থী সেই ছাত্রদল নেত্রীর পদত্যাগ, বললেন রাজনৈতিক পরিবেশের কথা
জাকসু নির্বাচনের প্রার্থী সেই ছাত্রদল নেত্রীর পদত্যাগ, বললেন রাজনৈতিক পরিবেশের কথা
সংশোধিত আইসিটি সিলেবাস প্রকাশের সময় জানালো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
সংশোধিত আইসিটি সিলেবাস প্রকাশের সময় জানালো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
এনসিপির কার্যালয় পরিদর্শন করলেন সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট
এনসিপির কার্যালয় পরিদর্শন করলেন সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট
সর্বাধিক পঠিত
ম্যারাডোনা-মেসিকে ছাড়িয়ে আর্জেন্টিনা দলে এক তরুণের রেকর্ড
ম্যারাডোনা-মেসিকে ছাড়িয়ে আর্জেন্টিনা দলে এক তরুণের রেকর্ড
‘দলের নারী নেত্রীরা এমন হলে তাদের পুরুষ নেতাদের কী অবস্থা’
‘দলের নারী নেত্রীরা এমন হলে তাদের পুরুষ নেতাদের কী অবস্থা’
মিজু, মৌসুমী-ডিপজল নেননি কোনও পারিশ্রমিক, জানালেন নির্মাতা
মিজু, মৌসুমী-ডিপজল নেননি কোনও পারিশ্রমিক, জানালেন নির্মাতা
যারা বিরিয়ানি খেতে জন্মেছেন তারা পশু: আসামের মুখ্যমন্ত্রী
যারা বিরিয়ানি খেতে জন্মেছেন তারা পশু: আসামের মুখ্যমন্ত্রী
লাল-সবুজের পতাকায় শেষ বিদায় বীরাঙ্গনা ফুলমতির, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন
লাল-সবুজের পতাকায় শেষ বিদায় বীরাঙ্গনা ফুলমতির, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন