মির্জা ফখরুলের মেয়াদের শেষ ছয় মাস হবে নিরপেক্ষতার পরীক্ষা

সাবির মুস্তাফা
২৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০

বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৯১ সালে সংশোধন করে যখন সংসদীয় পদ্ধতি পুনর্বহাল করা হয়, তখন তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি একটা কথা বলেছিলেন বলে প্রচলিত আছে। সংশোধনীর পর রাষ্ট্রপতির সব ক্ষমতা সরিয়ে নেওয়া দেখে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ নাকি বলেছিলেন, “প্রেসিডেন্টের এখন মাজার জিয়ারত করা ছাড়া আর কোনও কাজ থাকবে না।”

তবে সব রাষ্ট্রপতি যে মাজার জিয়ারতও শান্তিতে করতে পেরেছেন, সেটাও বলা যাবে না। বাংলাদেশের ভয়ানক বিভাজনের রাজনীতিতে জীবিত নেতার চেয়ে প্রয়াত নেতাকেই বেশি ভয় করা হয়। বেশি দিন আগে নয়, ২০০২ সালে বিএনপি তাদের নিজেদের মনোনীত রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে মাত্র সাত মাস পদে থাকার পর রীতিমতো হেনস্তা করে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে।

তাঁর অপরাধ? তিনি নাকি বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। আবার কেউ কেউ বলেন, প্রেসিডেন্ট চৌধুরী বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করতে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন! যেটাই সত্য হোক, কবর জিয়ারত করা বা না করার বিতর্কের মাঝে বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে অপমান কাঁধে নিয়ে বঙ্গভবন থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল।

বর্তমান সময়টাও বিতর্কের ঊর্ধ্বে নেই। অনেকেরই ধারণা ছিল, নতুন সংসদ অধিবেশনে বসে দুটি কাজ শুরুতে করে ফেলবে। প্রথমে, ১০৫ সদস্যবিশিষ্ট উচ্চকক্ষ স্থাপন, এবং তারপর দুই কক্ষের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। উচ্চকক্ষের সদস্যদের কী পদ্ধতিতে নির্বাচিত করা হবে—সাধারণ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোট অনুপাতে, নাকি নিম্নকক্ষে প্রাপ্ত আসন অনুপাতে—এই বিতর্কের অবসান বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের মধ্যে দিয়েই হয়ে গেছে। এরই মধ্যে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসারও কথা, যদি বিএনপির কাছে ‘জুলাই সনদ’ কোনও অর্থবহ দলিল হয়ে থাকে। 

তত্ত্বাবধায়ক আসছে

তবে এসবের আগেই, আগস্টের ২০ তারিখে নতুন একজন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন। নির্বাচিত ব্যক্তিকে নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শুধু বিএনপির নয়, বাংলাদেশের সবচেয়ে অভিজ্ঞ এবং সম্মানিত রাজনীতিকদের মধ্যে অন্যতম বললে ভুল বলা হবে না। তিনি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করার কোনও ইচ্ছা প্রকাশ করেননি। টিকে থাকার প্রাথমিক পরীক্ষায় তিনি উত্তীর্ণ হয়েছেন।

কিন্তু এই নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা শেষ হয়নি— হয়তো সবে শুরু হলো। কী কারণে বিএনপি নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পরও আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. সাহাবুদ্দিনকে ছয় মাস প্রেসিডেন্ট পদে বহাল রাখলো, সেটাও একটা কৌতূহলের বিষয় এবং বিশ্লেষণের দাবি রাখে।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে মির্জা ফখরুলের কাজ কিছু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই যে সীমাবদ্ধ থাকবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এই আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে কতটুকু সম্মান প্রদর্শন করেন, সেটার ওপরও মিডিয়ার নজর থাকবে, তা নিয়েও কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু আগামী সাড়ে চার বছর রাষ্ট্রপতির “শুধু মাজার জিয়ারত করা” ছাড়া কোনও কাজ না থাকলেও, শেষ ছয় মাস হবে ঘটনাবহুল এবং বিএনপির প্রতি মির্জা ফখরুলের আনুগত্যের শেষ পরীক্ষা।

বর্তমান ব্যবস্থায় সংসদের মেয়াদ শেষ হবার আগের ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে হয়। অর্থাৎ, নির্বাচনের সময় সংসদ বহাল থাকে। কিন্তু উচ্চ আদালত ইতোমধ্যে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন পরিচালনার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করেছে। বাকি আছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্যান্য সদস্যদের কীভাবে বাছাই করা হবে, সে প্রক্রিয়া ঠিক করা এবং সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী যুক্ত করা। নীতিগতভাবে বলা যায়, বাংলাদেশে ২০৩১ সালের সাধারণ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে।

বিশ্বাস থেকে ইয়াজউদ্দিন

তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, বিদ্যমান সংসদের পুরো পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবার পরই প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভেঙে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে অনুরোধ জানাবেন। সরকারও পদত্যাগ করবে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা শপথ নিয়ে কাজ শুরু করে দেবেন। এখানে রাষ্ট্রপতির বড় ভূমিকা সৃষ্টি হয়ে যাবে, যেহেতু তিনিই থাকবেন একমাত্র নির্বাচিত ব্যক্তি, সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং তাঁর আদেশক্রমেই আমলাতন্ত্রের চাকা ঘুরবে।

এখানে মনে করা যেতে পারে ২০০১ সালের কথা। বিচারপতি লতিফুর রহমান ১৫ জুলাই প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে ১৩ জন সচিবকে ওএসডি করে দেন। তাঁর এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করে। ক্ষমতা থেকে সদ্য বিদায়ী দল আওয়ামী লীগের মধ্যে প্রবল সন্দেহ সৃষ্টি হয় যে বিচারপতি রহমান তাদের বিরুদ্ধে কাজ করবেন। কিন্তু ঘটনা হচ্ছে, নতুন প্রধান উপদেষ্টা নিরপেক্ষভাবে কাজ করার জন্যই আওয়ামী লীগের নিয়োগ করা সচিবদের সাইডলাইন করে দেন। এই কাজ তিনি একা করেননি। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি, বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের সঙ্গে পরামর্শ করেই তিনি এই কাজ করেছিলেন। 

আরও দুটি সময়ের কথা স্মরণ করা যেতে পারে। প্রথমত, ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা চালু হবার পর বিচারপতি হাবিবুর রহমান প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেন। কিন্তু যখন সেনাপ্রধান জেনারেল মোহাম্মাদ নাসিম ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করেন, তখন কিছু সিনিয়র অফিসার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আব্দুর রহমান বিশ্বাসকে সহায়তা করে সেনা অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টা নস্যাৎ করেন।

দ্বিতীয়ত, ২০০৬ সালে ক্ষমতাসীন বিএনপি বিচারপতিদের অবসরের বয়স বাড়িয়ে তাদের পছন্দ মতো প্রধান উপদেষ্টা পাওয়ার চেষ্টা করেছিল। তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ম্যানিপুলেট করার এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর বিএনপি-মনোনীত রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ নিজেকেই প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা করেন। অনেকেই তখন সন্দেহ প্রকাশ করে যে প্রেসিডেন্ট আহমেদ সদ্য-বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাথে পরামর্শ করেই কাজ করতেন। কিন্তু নির্বাচনকে প্রভাবিত করার সেই প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হয়— যখন সেনাবাহিনীর চাপে ইয়াজউদ্দিন আহমেদ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে নির্বাচন স্থগিত করেন।

মো. সাহাবুদ্দিনের অসম্মান

এই বৈচিত্র্যময়, অশান্ত পটভূমিতে নিরপেক্ষতা এবং সততার এক পরীক্ষার মুখে পড়বেন মির্জা ফখরুল। দেশের পরবর্তী নির্বাচন হবে ত্রয়োদশ সংসদের মেয়াদ শেষ হবার পর তিন মাসের মধ্যে। অর্থাৎ ২০৩১ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি সংসদ ভেঙে দিয়ে জুনের ১৭ তারিখের মধ্যে নির্বাচন হতে হবে। এই তিন মাস হবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকরী সময়।

এ মাসের ২০ তারিখ যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়, তার তারিখ ভেবেচিন্তে নির্ধারণ করা হয়েছিল বলেই মনে হয়। প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনকে তারেক রহমান যে সম্মান দেখিয়েছিলেন, তা নিছক সৌজন্যবোধ থেকে করা হয়েছিল বলে মনে হয় না। সাহাবুদ্দিন একসময় অভিযোগ করেছিলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা তাঁকে বিন্দুমাত্র সম্মান না দেখিয়ে বরং অপমানিত করেছিলেন। তিনি তখন পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তারেক রহমানের সম্মান প্রদর্শনে অভিভূত হয়ে তিনি নিজ পদে রয়ে গেলেন।

ছয় মাস পর বিএনপি সরকার ঠিকই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করলো। এখানে খুব একটা সম্মান দেখানো হয়েছিল বলে মনে হয় না। এমনকি নতুন রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানেও তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

সংসদ গঠনের ছয় মাস পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়ার ফলে—মির্জা ফখরুলের মেয়াদ শেষ হবে ২০৩১ সালের আগস্ট মাসে। অর্থাৎ তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের পুরো সময়টা গুরুত্বপূর্ণ এই ভূমিকায় বহাল থাকবেন। তিনি কী ধরনের ভূমিকা পালন করতে পারেন? তিনি কি দল এবং জিয়া পরিবারের প্রতি তাঁর আনুগত্য থেকে বের হয়ে দেশের স্বার্থে নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখতে পারবেন?

মির্জা ফখরুলের উত্তর হচ্ছে ‘হ্যাঁ।’ তিনি বিএনপির সব পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি এখন নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন।

রাজনৈতিক অপসংস্কৃতি

মির্জা ফখরুলের কথাগুলো শুনতে অবশ্যই ভাল লাগে এবং সাধারণ মানুষ আশাও করবে—তিনি যাতে তাঁর কথা অনুযায়ী কাজ করতে পারেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ এটাও জানে, বাংলাদেশের বিদ্বেষপূর্ণ, প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সত্যিকার অর্থে ‘নিরপেক্ষ’ ভূমিকা পালন করা কতটা দুরূহ ব্যাপার। যেমন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা রাজনৈতিক ইতিহাসে শেখ মুজিবের ওপর অন্য কারও স্থান দেওয়া বস্তুত অসম্ভব। কিন্তু মির্জা ফখরুল কি পারবেন তাঁর কোনও ভাষণে এই সত্য স্বীকার করতে?

যদি তিনি পারেন, তাহলে সেটা হবে তাঁর এবং বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং পরিপক্বতার পরিচয়। তবে কেউ এখনই এই সম্ভাবনার ওপর বাজি ধরবে বলে মনে হয় না। গত দুই বছরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে অসহিষ্ণুতা, অধৈর্যতা, ব্যক্তিগত আক্রমণের প্রবণতা, অকথ্য ভাষার ব্যবহার, হুমকি, সহিংসতা—এসবই বৃদ্ধি পেয়েছে। বিএনপি সরকার তাদের প্রথম ছয় মাসে এই রাজনৈতিক অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে কোনও পদক্ষেপ নিয়েছে বলে বলা যাবে না।

মানুষ রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে অসাধ্য কিছু প্রত্যাশা করবে না। সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার বাইরে গিয়ে তিনি অলৌকিক কিছু করে বসবেন, সে কথাও কেউ বলবে না। শুধু তারা চাইবে, রাষ্ট্রপতি যেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার যে মূল আদর্শ— একটি নিরপেক্ষ, অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করা, সে কাজ যেন তাঁর প্রধান উপদেষ্টার জন্য সহজ করে দেন।  

তবে এ কথাও সত্য যে এ পর্যন্ত কোনও প্রেসিডেন্ট নির্বাচন উল্টে দিতে পারেননি। তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা সংবিধানে যুক্ত করার পর তিনটি নির্বাচন এই আইনের অধীনে হয়েছে। তার দুটি হয়েছে বিএনপি-মনোনীত রাষ্ট্রপতির অধীনে এবং দুটোতেই খালেদা জিয়ার দল পরাজিত হয়। যে একটি আওয়ামী লীগ-মনোনীত প্রেসিডেন্টের অধীনে হয়, সেটায় শেখ হাসিনার বিপর্যয় ঘটে। তবে ২০৩১ সালে কী পরিস্থিতি থাকবে, তা বলা মুশকিল।

লেখক:  সাংবাদিক এবং পডকাস্টার

ইমেইল: [email protected]

/এপিএইচ/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
মারা যাওয়া শিক্ষকের নামে ১৩ মাস এসেছে বেতন, যেভাবে কেটে নিলো
মারা যাওয়া শিক্ষকের নামে ১৩ মাস এসেছে বেতন, যেভাবে কেটে নিলো
সারা দেশে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর 
সারা দেশে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর 
লাল পাথরের পাহাড় ঘেরা নীল জলে সাঁতারের রোমাঞ্চ
লাল পাথরের পাহাড় ঘেরা নীল জলে সাঁতারের রোমাঞ্চ
সাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সংকেত
সাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সংকেত
সর্বশেষসর্বাধিক