শাসক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

Send
আনিস আলমগীর
প্রকাশিত : ১৫:২৫, আগস্ট ১১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:২৯, আগস্ট ১১, ২০২০

আনিস আলমগীরজাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত মুজিববর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। মুজিববর্ষ উদযাপন স্মরণীয় করে রাখার জন্য সরকার নানা কর্মসূচিও গ্রহণ করেছে, কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে ঘটা করে কিছুই পালন সম্ভব হচ্ছে না। আমার নিজের ইচ্ছা ছিল মুজিববর্ষের পুরোটা জুড়ে প্রতি সপ্তাহে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কলাম লিখবো। বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কাজ এত বিস্তৃত যে ৫২ সপ্তাহ একটানা তাকে নিয়ে লিখেও শেষ করা যাবে না।
১৭ মার্চ ২০২০ তার জন্মদিনে ‘লেখক শেখ মুজিব এবং তার তিন বই’ দিয়ে শুরুও করেছিলাম। কিন্তু করোনার কারণে সবকিছু লন্ডভন্ড। মুজিববর্ষ এখনও শেষ হয়নি, তাই ভাবছি বিশেষ কিছু ইস্যুতে, বিশেষ করে তাকে নিয়ে যেসব ইস্যুতে বাজে বিতর্ক চালু ছিল এবং এখনও আছে সেসব কয়টি বিষয়ে কলাম লিখবো। সে ধারাবাহিকতায় আজ লিখতে চাই শাসক শেখ মুজিবকে নিয়ে।

অনেকে বলে থাকেন বঙ্গবন্ধু নেতা হিসেবে সফল,কিন্তু তিনি নাকি ভালো প্রশাসক নন। বিশেষ করে ’৭৫ পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নানা রটনার মধ্যে এটি জোরেশোরে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা হয়েছে যে বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করার মতো মহান নেতা ছিলেন,কিন্তু শাসক হিসেবে তিনি ব্যর্থ ছিলেন। এখনও সেই প্রচারণা অব্যাহত আছে। এই গত জুলাই মাসেও বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের জন্মবার্ষিকীতে এমন একটি আলোচনার জন্ম হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় হয়েছে। তাজউদ্দীনের ছেলে সোহেল তাজ পর্যন্ত তাদের পরিবারের পক্ষে এই বিতর্কে মুখ খুলেছেন।

অনেকে তাজউদ্দীনকে দক্ষ প্রশাসক হিসেবে প্রোজেক্ট করতে চেয়েছেন। তাজউদ্দীন একজন সৎ,সহজ,সরল মানুষ ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতা যুদ্ধের ৯ মাসে তিনি তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছেন। কিন্তু এটাও সত্য, ওই নয় মাসে তাজউদ্দীনের পাশে ইন্দিরা গান্ধীর মতো একজন দক্ষ, মহীয়সী নারী না থাকলে বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার নিজেরা গন্ডগোল করে স্বাধীনতাকে অনিশ্চিত করে দিতো। তাজউদ্দীনের আশেপাশে থাকা, তার ওপর চাপ সৃষ্টিকারী বাংলাদেশি অদূরদর্শী, হঠকারী নেতারা তাজউদ্দীনকে সফল হতে দিতেন না। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে এবং কলকাতা কেন্দ্রিক বাংলাদেশের প্রবাসী সরকারের আশেপাশের লোকদের আচরণ বিশ্লেষণ করলে এটাই প্রমাণিত হবে। কারা সেইসব লোক, নতুন বিতর্ক এড়াতে তাদের নাম নেওয়া এখন যুক্তিসংগত মনে করছি না। বঙ্গবন্ধুর শাসনকালেও তাদের ঔদ্ধত্য জাতি দেখেছে।

বঙ্গবন্ধু ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তিনি ঘাতকের গুলিতে সপরিবারে প্রাণ হারান। তখন তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর। ৫৫ বছরের মাঝে বঙ্গবন্ধু জীবনের প্রায় ১৪টি বছর কারাগারে ছিলেন। পাকিস্তানের ২৩ বছরের শাসনকালে বঙ্গবন্ধু ১৮ বার জেলে গেছেন। অবশিষ্ট জীবনের মাঝে বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের জানুয়ারির ১০ তারিখ থেকে ১৯৭৫ সালের ১৪ আগস্ট পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতি হিসেবে ক্ষমতায় ছিলেন ৩ বছর ৭ মাস। প্রকৃতপক্ষে তিনি ক্ষমতার এই ৪৩ মাস পাঁচ দিনের মধ্যে যা যা করেছেন তা দিয়েই প্রশাসক হিসেবে তার সফলতা-ব্যর্থতা নিরূপণ করতে হবে। তিনি দেশে এসে সর্বপ্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতি করেন। তিনি তার মন্ত্রিসভা গঠন করেন, নিজে দায়িত্ব নেন জনপ্রশাসন এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের।

২৩ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম (শিল্প), তাজউদ্দীন আহমদ (অর্থ ও পরিকল্পনা), খন্দকার মোশতাক আহমেদ (বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি সম্পদ), মনসুর আলী (যোগাযোগ), আব্দুস সামাদ আজাদ (পররাষ্ট্র), এইচএম কামরুজ্জামান (ত্রাণ ও পুনর্বাসন), শেখ আব্দুল আজিজ (কৃষি), অধ্যাপক ইউসুফ আলী (শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া), জহুর আহমেদ চৌধুরী (শ্রম ও সমাজ কল্যাণ), ফণীভূষণ মজুমদার (খাদ্য ও বেসামরিক সরবরাহ), ড. কামাল হোসেন (আইন ও সংসদ), এম আর সিদ্দিকী (বাণিজ্য), শামসুল হক (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়), মতিউর রহমান (পূর্ত ও পৌর উন্নয়ন), আব্দুল মালেক উকিল (স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা), মোল্লা জালাল উদ্দিন আহমদ (ডাক ও তার), সোহরাব হোসেন (বন, মৎস্য ও গবাদিপশু), মিজানুর রহমান চৌধুরী (তথ্য ও বেতার), আব্দুল মান্নান (স্বরাষ্ট্র), আব্দুর রব সেরনিয়াবাত (ভূমি ও রাজস্ব), এম এ জি ওসমানী (জাহাজ, নৌপরিবহন ও বিমান), ড. মফিজ চৌধুরী (বিদ্যুৎ, কারিগরি সম্পদ ও গবেষণা)। মন্ত্রিপরিষদে তিনজন প্রতিমন্ত্রীও ছিলেন।

পাকিস্তানের তিক্ত অভিজ্ঞতা ছিল বঙ্গবন্ধুর। তাই তিনি সর্বপ্রথম শাসনতন্ত্র প্রণয়নের কাজ শুরু করেছিলেন। ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধান অনুমোদন যা ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সাল থেকে কার্যকর হয়। এক বছরের মধ্যে শাসনতন্ত্র প্রণয়নের কাজ শেষ করেন এবং ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম সাধারণ নির্বাচন হয় নতুন সংবিধানের ভিত্তিতে। আর দেখেন, পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার পর ৯ বছর সময় লেগেছিল সংবিধান রচনা করতে। ভারতের সংবিধান রচনা করতেও প্রায় তিন বছর সময় লেগেছিল অথচ আম্বেদকরের নেতৃত্বে প্রায় ৬০০ প্রখ্যাত উকিল ভারতের শাসনতন্ত্র প্রণয়নে ব্যস্ত ছিলেন। ভারতের শাসনতন্ত্রকে ল’য়ার্স কনস্টিটিউশন বলা হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে যে শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করেছিল তা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছিল, অথচ বাংলাদেশ সংবিধান প্রণয়নে ভারত কিংবা পাকিস্তানের মতো দীর্ঘ সময় ক্ষেপণ করেনি।

শাসনতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রতি অনুরাগই বঙ্গবন্ধুকে সর্বপ্রথম শাসনতন্ত্র প্রণয়নে উদ্বুদ্ধ করেছিল। আরেকটি কথা এখানে উল্লেখ করতেই হয়। আওয়ামী লীগ মন্ত্রিপরিষদ শাসিত শাসন ব্যবস্থার প্রতি কমিটেড ছিল। যে কারণে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে এসে রাষ্ট্রপতির পদ ত্যাগ করে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। কারণ তিনি রাষ্ট্রপতি থাকলে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত ব্যবস্থা হতাশাগ্রস্ত হয়ে যেতো। এই উদাহরণ পাকিস্তানের জন্মকালে দেখা গেছে। পাকিস্তান মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ছিল, কিন্তু ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলীর ছিল না। যতদিন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বেঁচে ছিলেন এবং গভর্নর জেনারেল অথবা প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনিই ছিলেন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু। বাংলাদেশেও যতদিন বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রপতি হিসেবে থাকতেন মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার হলেও ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে বঙ্গবন্ধুই থাকতেন। সে কারণে তিনি রাষ্ট্রপতির পদ ত্যাগ করে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।

অবশ্য বঙ্গবন্ধু চতুর্থ সংশোধনীর পর রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা কায়েম করেছিলেন এবং রাষ্ট্রপতি পদ গ্রহণ করেছিলেন (কেন তিনি বাকশাল করেছিলেন সেটা নিয়ে আরেকদিন বিস্তারিত বলবো আশা করছি। অবশ্য এর আগেও একবার লিখেছিলাম।) কারণ তখন দেশের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছিল। কমরেড তোয়াহা, কমরেড আব্দুল হক, কমরেড মতিন, কমরেড আলাউদ্দিন প্রমুখ কমিউনিস্ট নেতা ভাসানী ন্যাপ ছেড়ে দিয়ে গুপ্ত সংগঠন করে কমিউনিস্ট বিপ্লব করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। সিরাজ শিকদারের সর্বহারাদের অনাচারে দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়ার অবস্থা হয়েছিল। পাটের গুদাম লুট করে আগুন দেওয়া সিরাজ সিকদারের সর্বহারাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। অথচ তখন পাটই ছিল একমাত্র অর্থকরী ফসল, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সম্বল। 

সিরাজুল আলম খান, মেজর আব্দুল জলিল, আ স ম আব্দুর রব, শাহজাহান সিরাজ—এরাতো বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য পাগল হয়ে গিয়েছিলেন। মুজিব সরকারের পতনের জন্য তারা উঠেপড়ে লেগেছিল। রেডিমেড পেয়েছেন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের একঝাঁক মেধাবী তরুণকে, যাদের অনেকে মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। সুযোগ বুঝে তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল স্বাধীনতাবিরোধীদের সন্তানেরা। গা বাঁচানোর জন্য তাদের আর কোনও বড় প্ল্যাটফর্ম ছিল না এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার পর পরই তারা জাসদ ছেড়ে চলে গিয়েছিল।

বঙ্গবন্ধুকে শেষ পর্যন্ত রক্ষীবাহিনী গঠন করে দেশ রক্ষার উদ্যোগ নিতে হয়েছিল। সেদিন রক্ষীবাহিনী গঠন করে দেশ রক্ষার শক্তিশালী উদ্যোগ না নিলে বিশৃঙ্খলার মাঝে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হতো। চীনা কমিউনিস্টদের অবস্থান বাংলাদেশে শক্তিশালী হলে ভারতীয় সৈন্য বাংলাদেশ থেকে কখনও যেতো না। একদিকে পশ্চিমবঙ্গের নকশালীদের প্রভাব, অন্যদিকে চীনপন্থী রাজনীতিবিদদের গুপ্ত সংগঠনের শক্ত ঘাঁটি—এ রকম অবস্থায় ভারতীয় সৈন্য বাংলাদেশ থেকে সরে যাওয়ার কোনও কারণ ছিল না। রক্ষীবাহিনী গঠন করে শক্ত অবস্থান নিলে শেখ মুজিব স্বৈরাচার আর শক্ত অবস্থান না নিলে শেখ মুজিব ভালো শাসক নন—এটাই হচ্ছে শেখ মুজিবের ললাট!

জনশ্রুতি ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গঠন করুক বাংলাদেশে সেনাবাহিনী থাকুক ভারত সেটা নাকি চায়নি। ভারত চেয়েছিল রক্ষীবাহিনীর মতো প্যারা-মিলিটারি থাকুক। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সৈন্য বিদায় করেন এবং নতুন প্রজন্ম ও পাকিস্তানে আটকেপড়া বাঙালি সেনা কর্মকর্তাদের দিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে গড়ে তোলেন। ১৯৭৩ সালে কুমিল্লায় মিলিটারি একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছেন, যা এখন রয়েছে চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে। গড়ে তুলেছেন নৌ, বিমানবাহিনীও। বিডিআর প্রতিষ্ঠা পেয়েছে ১৯৭৫ সালের জুনে। আর স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ যারা গড়ে তুলেছে সেই পুলিশ বাহিনী তো সৃষ্টি হয়েছে ১৮৪০ সালে।

একটা নতুন দেশকে গঠন করা কত শক্ত কাজ তা বোঝা কঠিন কাজ। আদমজী পাটকল আর কর্ণফুলী পেপার মিলসকে সিকিউরিটি রেখে বাংলাদেশ প্রথম তার কারেন্সি ছাপিয়েছে ১৯৭২ সালে এবং পাকিস্তানের এক রুপির জায়গায় এক টাকা প্রতিস্থাপিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্ত পথঘাট সব মেরামত করে সবকিছুই স্বাভাবিক করে এনেছিলেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র এবং দেশীয় ষড়যন্ত্র মিলে বঙ্গবন্ধুকে জানে মেরে সবকিছুই স্তব্ধ করে দিয়েছিল, না হয় এতদিনে বাংলাদেশের আরও অগ্রগতি হতো।

প্রশাসক হিসেবে যারা বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করে কথা বলেন তারা মিথ্যার আশ্রয় নেন। যুদ্ধ করে একটি জাতিকে স্বাধীন করেন যে নেতা তিনি খারাপ প্রশাসক হন কী করে! পাকিস্তান আন্দোলনের একজন অগ্রগামী সৈনিক হয়ে বঙ্গবন্ধু সেই পাকিস্তানে একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করে সেই দলের নেতৃত্বে স্বাধীনতা ছিনিয়ে নিয়েছিলেন পাকিস্তানিদের কাছ থেকে। সেই লোক অদক্ষ প্রশাসক হলে, একটি রাজনৈতিক দলকে ক্ষমতায় নিয়ে যাওয়া এবং সেই দলের নেতৃত্বে স্বাধীনতা অর্জন কী করে সম্ভব! যারা বঙ্গবন্ধুকে দক্ষ শাসক নয় বলে প্রচারণা চালান, তারা বিষয়টা এভাবে চিন্তা করলেই বুঝবেন। আপনারা যাকে অদক্ষ বলছেন, আন্তর্জাতিক বইপত্রে তাকে আমেরিকার প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন আর আয়ারল্যান্ডে প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট দে ভ্যালেরার সঙ্গে তুলনা করা হয়।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট, ইরাক ও আফগান যুদ্ধ-সংবাদ সংগ্রহের জন্য খ্যাত।

[email protected]

 

 

/এসএএস/এমএমজে/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

লাইভ

টপ