আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস

সচেতন সেবায় পর্যটনের ক্ষতি পুষিয়ে ওঠার চেষ্টা 

কক্সবাজার প্রতিনিধি
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৪৮আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৫৬

করোনায় বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি খাত পর্যটন। করোনা সংক্রমণরোধে দীর্ঘদিন দর্শনীয় স্থানগুলোতে সাধারণ মানুষের চলাচল নিষিদ্ধ ছিল। এতে পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েন। তবে সংক্রমণ কমে আসায় পুনরায় পর্যটনস্পটগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। ভিড় জমাচ্ছেন দেশ-বিদেশের পর্যটকরা। এ অবস্থায় বিভিন্ন নির্দেশনা মেনে সচেতনভাবে সেবা দিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির জন্য পর্যটন’ স্লোগানকে ধারণ করে প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডসহ বিভিন্ন সংস্থা পালন করছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। এ উপলক্ষে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এদিকে লকডাউনের পর কক্সবাজার সৈকতে প্রতিদিন বাড়ছে পর্যটকদের সংখ্যা। লাখো পর্যটকে মুখরিত এখন সমুদ্র সৈকত।

 দিবসটি উপলক্ষে কক্সবাজারে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। এছাড়া করোনার ক্ষতি কাটিয়ে ভালো সেবা দিয়ে পর্যটক আকর্ষণের চেষ্টা করছে এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। পর্যটন দিবসে তাই সৈকতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, হোটেল-মোটেলগুলোতে ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে। সেবার মান বাড়ানোর জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি, সৈকতে লাইফগার্ড সদস্য বৃদ্ধি, করোনায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ নানা কাজ চলছে। 

ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহিউদ্দিন আহমদ বলেন, পর্যটনের সুফল এবং সচেতনভাবে ঘুরে বেড়ানোর বিষয়ে লাখো পর্যটকের মধ্যে বার্তা পৌঁছে দিতে কাজ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদ বলেন, কক্সবাজারকে আধুনিক পর্যটন নগরী হিসাবে গড়ে তোলার জন্য কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। এ জন্য মহা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।

 করোনা সংক্রমণরোধে লকডাউনের কারণে দীর্ঘদিন অনেকটা অবরুদ্ধ ছিল মানুষ। করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসায় জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে এবং পর্যটন শিল্পকে অগ্রসর করতে বিনোদন কেন্দ্র খুলে দেয় সরকার। পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িত সবাইকে ৫০ শতাংশ ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মানার শর্তে ১৯ আগস্ট থেকে খুলে দেওয়া হয় সমুদ্র সৈকতসহ পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্র। সমুদ্র সৈকত ছাড়াও মেরিনড্রাইভ, ইনানি, হিমছড়ি, মহেশখালী আদীনাথ মন্দির, বৌদ্ধ মন্দিরসহ বিনোদনকেন্দ্রগুলো এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত।

প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বজুড়ে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটলে ১৯৭০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন সংস্থা গঠনের প্রস্তাবে অনুমোদন দেয় জাতিসংঘ। তবে সংস্থাটি পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু করে ১৯৭৪ সালে। সংস্থার বার্ষিক সম্মেলনে ১৯৮০ সালে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালনের প্রস্তাবে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়।

 

/টিটি/
সম্পর্কিত
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
৫০ শতাংশ ছাড়েও পর্যটক কম, চায়ের দেশ কী আকর্ষণ হারাচ্ছে
চট্টগ্রামে ঈদের তৃতীয় দিনে দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর পর্যটনকেন্দ্রগুলো
সর্বশেষ খবর
কর্মসংস্থান রক্ষায় ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল আনলো বাংলাদেশ ব্যাংক
কর্মসংস্থান রক্ষায় ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল আনলো বাংলাদেশ ব্যাংক
মহাকাশ কম্পিউটিংয়ের প্রথম উদ্ভাবন কেন্দ্রের অনুমোদন চীনের
মহাকাশ কম্পিউটিংয়ের প্রথম উদ্ভাবন কেন্দ্রের অনুমোদন চীনের
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রাঘাতে ৬ জনের মৃত্যু, ৪ জনই গিয়েছিলেন আম কুড়াতে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রাঘাতে ৬ জনের মৃত্যু, ৪ জনই গিয়েছিলেন আম কুড়াতে
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের সংশোধন খসড়া অনুমোদন
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের সংশোধন খসড়া অনুমোদন
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী