বাঞ্জি জাম্পের সময় দড়ি ছিঁড়ে যাওয়ার পরও বেঁচে গেছেন তিনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৩ মার্চ ২০২৩, ২৩:১৩ আপডেট : ২৩ মার্চ ২০২৩, ২৩:১৩

রোমাঞ্চ প্রিয় কিছু মানুষের কাছে বাঞ্জি জাম্পকে মৃত্যুর কাছাকাছি অভিজ্ঞতার মতো। কিন্তু খুব কম মানুষ-ই এমন অভিজ্ঞতা নিতে গিয়ে প্রকৃত মৃত্যুর কাছাকাছি গিয়েছেন। সম্প্রতি থাইল্যান্ডের একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গেছে, বাঞ্জি জাম্পের সময় এক পর্যটকের দড়ি ছিঁড়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত বেঁচে গেছেন।

ভিডিও ফুটেজে থাকা পর্যটক হংকংয়ের বাসিন্দা। ভাইরাল হওয়া ভিডিও ৩৯ বছর বয়সী পর্যটক তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন।

অনলাইনে হয়রানি এড়াতে শুধু প্রথম নাম মাইক ব্যবহার করে ওই পর্যটক বলেছেন, জানুয়ারিতে ছুটি কাটাতে পাতায়া শহরের একটি ১০ তলা উঁচু পডিয়াম থেকে একটি সোয়ান ডাইভ দিয়েছিলেন।

মাইকের কপাল ভালো। যেখান থেকে তিনি লাফ দিয়েছিলেন তার নিচে ছিল পানি। বাঞ্জি জাম্পের সময় যখন মাঝামাঝি অবস্থানে ছিলেন তখন তার গায়ে বেঁধে দেওয়া দড়িটি ছিঁড়ে যায়। তিনি পড়েন পানিতে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে মাইক বলেন, আমার শরীরের বাম পাশ পানিতে আঘাত করে। তাই শরীরের এই অংশে ব্যথা পেয়েছি বেশি। পরে মনে হয়েছে আমাকে কেউ খুব জোরে মারধর করেছে।

মাইকের সঙ্গে আসা বন্ধুরা চাংথাই থাপপ্রায়া সাফারি ও অ্যাডভেঞ্চার পার্ক থেকে তার দড়ি ছিঁড়ে পড়ে যাওয়া দেখেছেন।

তিনি বলেছেন, তিনি মূলত পার্কে গিয়েছিলেন ফায়ারিং রেঞ্জ পরীক্ষা করার জন্য। কিন্তু তার বন্ধুরা চ্যালেঞ্জ করায় তিনি বাঞ্জি জাম্প দেওয়ার মতো সাহসী সিদ্ধান্ত নেন।

বাঞ্জি জাম্পের সময় দড়ি ছিঁড়ে পানিতে পড়েন মাইক নামের পর্যটক। ছবি: সিএনএন

তার কথায়, ভবনটি সত্যিকার অর্থে অনেক উঁচুতে ছিল তাই আমি চোখ বন্ধ করে ফেলি। যখন দড়িটে টান পড়ার পর আবার উপরে উঠতে শুরু করব তখন আমার চোখ খোলার পরিকল্পনা ছিল। যখন বুঝতে পারি যে আমার দড়ি ছিঁড়ে গেছে, তখন চোখ খুলে দেখলাম আমি পানির মধ্যে। দুই পায়ের নিচের দিকে দড়ি বাঁধা থাকারও পর পানিতে ভেসে উঠতে সক্ষম হই। সাঁতার না জানলে বড় সমস্যায় পড়তে হত।

মাইক বলেছেন, পার্ক কর্তৃপক্ষ তার জাম্পের জন্য পরিশোধিত অর্থ ফেরত দিয়েছে। এছাড়া এক্স-রে ও আলট্রাসাউন্ড স্ক্যানের জন্য টাকা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

পার্কের প্রতিষ্ঠাতা নিথিত ইন্টিম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, বাঞ্জি জাম্পের সময় দড়ি ছিঁড়ে যাওয়ার ঘটনা তার পার্কে এই প্রথম। মাইকের চিকিৎসার ব্যয় করতেও রাজি আছেন তারা।

/এএ/
সম্পর্কিত
ইয়েমেনে হুথিদের হামলায় নিহত ৭৩
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
কানাডার আলবার্টা প্রদেশে নির্বাচনে মার্কিন ডানপন্থিদের শোচনীয় পরাজয়
সর্বশেষ খবর
মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য কনস্টেবল, যেভাবে ধরা পড়লেন
মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য কনস্টেবল, যেভাবে ধরা পড়লেন
টোকিওতে তারেক রহমান-সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ২৭ অক্টোবর
টোকিওতে তারেক রহমান-সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ২৭ অক্টোবর
ঢামেকের বারান্দায় পড়েছিল যুবকের মরদেহ, মেলেনি স্বজনের সন্ধান
ঢামেকের বারান্দায় পড়েছিল যুবকের মরদেহ, মেলেনি স্বজনের সন্ধান
অস্ত্রের লাইসেন্স থাকলেই প্রকাশ্যে প্রদর্শন ও হুমকি দেওয়া যায়?
অস্ত্রের লাইসেন্স থাকলেই প্রকাশ্যে প্রদর্শন ও হুমকি দেওয়া যায়?
সর্বাধিক পঠিত
ইশরাকের পদত্যাগের পরই ‘ক্ষমতা’ নিয়ে স্ত্রীর বার্তা
ইশরাকের পদত্যাগের পরই ‘ক্ষমতা’ নিয়ে স্ত্রীর বার্তা
পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, দুইপক্ষ এক হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, দুইপক্ষ এক হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
ওআইসির কাশ্মির প্রস্তাবের নিন্দা ভারতের
ওআইসির কাশ্মির প্রস্তাবের নিন্দা ভারতের
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেলফি তুলতে গাড়ি থামালেন প্রধানমন্ত্রী, দিলেন উপহার
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেলফি তুলতে গাড়ি থামালেন প্রধানমন্ত্রী, দিলেন উপহার
বাবার চোখ এড়াতে ঢোলা জামা, আড়ালে চলতো শিশুর ওপর নির্যাতন
বাবার চোখ এড়াতে ঢোলা জামা, আড়ালে চলতো শিশুর ওপর নির্যাতন