ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ৩৬ বছরেরও বেশি সময় দেশটির নেতৃত্ব দেওয়া এই নেতার শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলো। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই এ খবর জানিয়েছে।
ইরানি কর্তৃপক্ষের আশা, খামেনির শেষ বিদায়ে প্রায় ২ কোটি মানুষ অংশ নেবেন। তা হলে এটি হবে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান।
শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা তার নিজ শহর মাশহাদে অবস্থিত ইমাম রেজা মাজারে দাফনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের শুরুতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় পরিবারের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ওই হামলায় ইরানের অনেক শীর্ষ কর্মকর্তাও নিহত হন।

খামেনির কফিন হত্যাস্থলে নেওয়ার কারণ কী







