পুলিশের অসহায়ত্বে রাষ্ট্র অসহায় হয়ে ওঠে 

কাজী মাসুদুর রহমান
১৬ জুলাই ২০২৬, ১৪:০০আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২৬, ১৪:২৩

‘পাবলিক দেখেছে, সাংবাদিক দেখেছে—একটা যদি মিথ্যা প্রমাণিত হয়, একটা যদি ভুল তথ্য পায়—এই পোশাক খুলে ফেলবো। এই পোশাক রাখবো না। এই দেখেন কীভাবে একটা থানায় ঢুকে, এভাবে কেউ নির্যাতন করে? আমরা কার কাছে বলবো?’’

‘‘এভাবে যদি আমারা প্রতি কাজে বাধা পাই তাহলে আমরা তো সামাল দিতে পারবো না। সঠিক কাজটা করতে পারবো না। আজকে মাদক কারবারি, চোর, তাদের জন্য আমাদের দেশের এই অবস্থা।’’

‘‘কোথায় যাবো আমরা? থানার মধ্যে ঢুকে নির্মমভাবে এতগুলা মানুষরে মারলো। যে পুলিশ সেবা দেবে, আজকে তারাই বিচারের জন্য দাঁড়িয়ে।’’—পড়ন্ত চোখের জলের সঙ্গে এভাবেই গড়িয়ে পড়ছিল বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খানের সকরুণ আকুতি। এভাবে, চরম অসহায় হয়ে সাংবাদিকের মাধ্যমে বিচার প্রার্থনা করেন ওসি।

উল্লেখ্য, ৯ জুলাই রিয়াজ ফকির নামে মাদক মামলার এক আসামির পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে ওই এলাকার একদল লোক চরম উত্তেজিত হয়ে থানায় অতর্কিতে হামলা চালায়। এতে অন্তত ১০ পুলিশ সদস্য আহত হন। প্রকাশিত চিত্রে দেখা যায়, দায়িত্বরত একজন এএসআই খুবই অসহায় অবস্থায় বেদম মার খাচ্ছেন। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। থানার জানমাল রক্ষার্থে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠি চার্জ করে। এতে বিক্ষুব্ধদেরও ৫-৬ জন আহত হন।

বলাবাহুল্য, বাংলাদেশের স্মরণকালের ইতিহাসে পুলিশের এহেন অসহায় অবস্থা নজিরবিহীন। জুলাই আন্দোলনে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশের বিরুদ্ধে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ উঠলে আন্দোলনরত বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে। শান্তিপূর্ণ নয়, এমন বিক্ষুব্ধ আন্দোলন সংগ্রামে পুলিশের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের সোচ্চার হয়ে ওঠাই  স্বাভাবিক। তবে জুলাই আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরস্ত্র, নিরীহ পুলিশের ওপর যে বর্বরতা চালানো হয়েছিল, তা সেই সোচ্চারের বহিঃপ্রকাশ ছিল না। বরং, আন্দোলনের ঘোলা পানিতে একটি বিশেষ গোষ্ঠী তাদের সুদূরপ্রসারী দুরভিসন্ধি চরিতার্থ করার লক্ষ্যে পুলিশের ওপর তখন রোমহর্ষক নির্মমতা চালিয়েছিল। বিশেষ করে ৪ আগস্ট সিরাজগঞ্জ জেলার এনায়েতপুর থানায় ১৫ জন পুলিশকে মধ্যযুগীয় কায়দায় যেভাবে পিটিয়ে, জখম করে ও পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিল এবং বিভিন্ন স্থানে পুলিশ পিটিয়ে যেভাবে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল—তা আন্দোলনরত সাধারণ ছাত্রজনতার পক্ষে সম্ভব নয়। এটা বিশেষ প্রশিক্ষিত কোনও গোষ্ঠীর দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল বলে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করেন। কার্যত পুলিশের পেশাদারি মনোবল ভেঙে দিয়ে দেশকে ধ্বংসের অগ্নিকূপে ছুড়ে ফেলার উদ্দেশ্যেই ওই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটানো হয়েছিল। অর্থাৎ, আন্দোলনরত ছাত্রজনতার মূল উদ্দেশ্য সরকারের পতন হলেও (যা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় স্বাভাবিক) ওই বিশেষ গোষ্ঠীর উদ্দেশ্য ছিল তাবৎ রাষ্ট্রকে ধ্বংসকূপে পরিণত করা। সে লক্ষ্যে তারা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে (কেপিআই) একযোগে ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে থাকে।

আক্রমণের ধরন দেখে খুব সহজেই বোঝা যাচ্ছিল যে এটা কোনও সাধারণ ছাত্র-জনতার দ্বারা সম্ভব নয়। তখন সংঘটিত তাণ্ডবের দায় সরকার থেকেও ছাত্রজনতার ওপর দেওয়া হয়নি। বরং একশ্রেণির প্রশিক্ষিত উগ্রবাদী গোষ্ঠী ছাত্রজনতার গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ভেতরে অনুপ্রবেশ করে সুযোগ নিচ্ছে বলে সরকার থেকে তখন বারবার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি ছাত্ররাও সেই তাণ্ডবকে সমর্থন করেনি এবং তারা দায় না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এমতাবস্থায়, পুলিশের আত্মরক্ষার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জনসাধারণের জানমাল রক্ষার পেশাগত ও নৈতিক দায় খুব স্বাভাবিকভাবেই পুলিশ বাহিনীর ওপর বর্তায়। সেই দায়দায়িত্ব পালন করতে গিয়েই পুলিশের দ্বারা অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গিয়েছিল বলে দৃশ্যমান বাস্তবতায় অনুমিত হয়। তবে এরকম চরম অরাজক পরিস্থিতিতে পৃথিবীর কোনও উচ্চ প্রশিক্ষিত পুলিশের দ্বারাও নিখুঁত সুচারু রূপে দায়দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়—এটাও এক পরম বাস্তবতা।

পরবর্তীকালে পুলিশের বিরুদ্ধে শত শত আন্দোলনকারী হত্যার অভিযোগ ওঠে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে পুলিশ সদর দফতর থেকে প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদন ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট অবধি মোট ৪৪ জন পুলিশ নিহত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্টেও পুলিশ প্রতিবেদনের সূত্র ধরে একই সংখ্যা বলা হয়েছে। যদিও এ সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক আছে। ইতোমধ্যে পুলিশ সংস্কার কমিশন (পিআরসি) জুলাই অভ্যুত্থানে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের সুষ্ঠু বিচারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের সাবেক আইজিপিসহ ৫০ জনেরও বেশি পুলিশ সদস্যকে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে। এছাড়া, ইতোমধ্যে অভ্যুত্থান পরবর্তী ৫৭ জন পলাতক পুলিশ কর্মকর্তাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এদের মধ্যে তিন জনের বরখাস্তের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এখানে বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে সংঘটিত হত্যার অভিযোগে পুলিশের বিচার কার্যক্রম চললেও ৪৪ জন পুলিশ হত্যার বিষয়ে কোনও তদন্ত নেই; নেই কোনও বিচারের ইঙ্গিত। জুলাই সমর্থিত গোষ্ঠীরা পুলিশ হত্যার বিষয়টি জোরালোভাবে এড়িয়ে যেতে চান—যা শুধু দুঃখজনকই নয়, রহস্যজনকও বটে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় পুলিশ হত্যার বিচার রোধে বর্তমান সরকারকেও তারা চাপে রেখেছে। উল্লেখ্য, পুলিশ হত্যার বিষয়ে জাতিসংঘ হুবহু অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিবেদনের সূত্রেই বিবৃতি দিয়েছে। কিন্তু কোন পরিস্থিতিতে পুলিশ অস্ত্র ব্যবহার করেছে, তার কতটুকু প্রচলিত আইনে আত্মরক্ষামূলক এবং জনগণের জানমাল রক্ষার ক্ষেত্রে, কতটুকু দায়বদ্ধ ছিল—তা জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসেনি। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকারের তদন্তেও সেগুলো নিরপেক্ষভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়নি।

এমনকি, উভয় তদন্তে অভ্যুত্থানে ব্যবহৃত ৭.৬২ বোরের স্নাইপারের মতো ভয়ানক মারণাস্ত্রের রহস্য উদঘাটন করা হয়নি। ফলে জুলাই অভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যা ও পুলিশ কর্তৃক ছাত্রজনতা হত্যার বিষয়ে বিচিত্র সন্দেহের ধোঁয়াশা জনমনে আজও বেশ বিরাজমান আছে। এদিকে পুলিশ হত্যার বিচার না হওয়ায় পুলিশ বাহিনীর মধ্যেও এক ধরনের চাপা হতাশা ও কষ্ট বিরাজমান আছে। এই হতাশা ও কষ্ট খুব স্বাভাবিকভাবেই তাদের মনস্তত্ত্বে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, যার প্রতিফলন ঘটছে তাদের পেশাদারত্বে, যা কখনোই রাষ্ট্রের জন্য শুভকর হতে পারে না। জুলাই অভ্যুত্থানের গর্ভ থেকে জন্ম নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের অঙ্গীকার দিয়ে জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল বটে; কিন্তু জুলাইয়ের আবেগকে পুঁজি করে সম্পাদিত দেশবিরোধী মার্কিন চুক্তি, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় উন্মত্ত মবের সংস্কৃতি সৃষ্টি, পুলিশ হত্যার বিচার উপেক্ষা ও স্নাইপারের মতো ভয়ংকর মারণাস্ত্রের রহস্য উন্মোচনে অনীহা—সেই জনদৃষ্টিকে এখন বিষময় করে তুলেছে। এটা অনস্বীকার্য যে পুলিশ হত্যার বিচার না হওয়াতে সাধারণ মানুষের মনস্তত্ত্বে পুলিশ সম্পর্কিত ভাবগাম্ভীর্য অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। বিশেষ করে জুলাইয়ের একশ্রেণির মধুখেকো গোষ্ঠী পুলিশকে প্রায় শতভাগ ‘খেলো’ বাহিনীতে পরিণত করেছে। সেটারই প্রতিফলন ইতোপূর্বে আমরা দেখতে পেয়েছিলাম মাহদী হাসান নামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক নেতার দম্ভোক্তিতে! আটক কর্মীকে সদলবলে ছাড়িয়ে নিতে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানায় এসে সংশ্লিষ্ট ওসিকে ভয়ানক দম্ভের সাথে তাকে বলতে শোনা গিয়েছিল, অভ্যুত্থানকালে তারা বানিয়াচং থানা পুড়িয়ে দিয়েছিল ও এস আই সন্তোষকে জ্বালিয়ে হত্যা করেছিল! তার ওই ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের মধ্য দিয়ে তাবৎ পুলিশ বাহিনীকে একটি হুমকির বার্তা দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিলেও অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং নীরবতার মধ্য দিয়ে এ ধরনের হুমকিকে উৎসাহিত করা হয়েছিল।

এভাবেই ইউনূস সরকার সংস্কারের ধোঁয়া তুলে পুলিশ বাহিনীর মানমর্যাদা ফিরিয়ে আনার পরিবর্তে আরও ভূলুণ্ঠিত করেছিল। উল্লেখ্য, জুলাই তো সংস্কারের স্বপ্ন দেখিয়েছিল—দেখিয়েছিল বৈষম্যহীন, সাম্য ও মানবিক মর্যাদার একটি সমাজ গঠনের স্বপ্ন। কিন্তু জুলাই সংশ্লিষ্ট একশ্রেণির স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে তা রীতিমতো দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়ে গেছে! তবে কি এদের দ্বারা ‘জুলাই’ প্রতারিত হয়েছে? নাকি ‘জুলাই’ দ্বারা জনগণ প্রতারিত হয়েছে? এ প্রশ্ন এখন জনমনে বেশ জ্বলন্ত!

বলাবাহুল্য, সুষ্ঠু রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনায় পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে ক্ষেত্র বিশেষ পুলিশের সমালোচনা থাকলেও দেশ ও জনগণের প্রাকৃতিক ও রাজনৈতিক দুর্যোগ দুর্বিপাকে এর রয়েছে সেবাদানের ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যিক মর্যাদা। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে এই বাহিনীর রয়েছে অকুতোভয় গৌরবগাথা। এই বাহিনীকে অবহেলায় রেখে বা অমর্যাদা করে কখনোই সামাজিক, রাজনৈতিক সর্বোপরি জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয়—এই সংবেদনশীল বাস্তবতা গুরুত্ব দিয়েই রাষ্ট্র ও সরকারকে পুলিশের পাশে দাঁড়াতে হবে। তা না হলে আইনের শাসন ভূলুণ্ঠিত হবে। ফলে ভূলুণ্ঠিত হতে পারে রাষ্ট্রের শৃঙ্খলাকাঠামো।

প্রসঙ্গত, এই সরকারকে ভুলে গেলে চলবে না যে ইউনূস সরকারের নজিরবিহীন চরম রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতি থেকে জনগণ মুক্তি পেতেই মানুষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বত্বঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছিল এবং এই সরকারকে নিরঙ্কুশ ভোটে নির্বাচিত করেছিল। তাই এই সরকারের কাছে দেশের মানুষের প্রত্যাশা অন্য যেকোনও সময়ের চেয়ে বেশি ও তাৎপর্যপূর্ণ। সুতরাং, ইউনূস আমলের জনবিরোধী ও জনবিদ্বেষী কর্মকাণ্ড যাতে পুনরায় সংঘটিত না হয়, সে বিষয়ে সরকারকে যথেষ্ট সতর্ক থাকতে হবে বলে সচেতন মহল মনে করে। সেক্ষেত্রে পুলিশকে তার অসহায়ত্ব থেকে উদ্ধার করে মর্যাদাশীল শক্ত মেরুদণ্ডের ওপরে দাঁড় করাতে হবে। অন্যথায়, অসহায় হয়ে পড়বে আইনের শাসন। অসহায় হয়ে পড়বে রাষ্ট্র।

লেখক: কলামিস্ট

/এপিএইচ/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক আসামি আটক
৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক আসামি আটক
জুলাই আন্দোলনের ৫৯ মামলার তদন্তে ডিবি
জুলাই আন্দোলনের ৫৯ মামলার তদন্তে ডিবি
গ্রাহকদের উদ্বেগ: নিজের টাকা তুলতে কেন গুনতে হবে বাড়তি মাশুল
গ্রাহকদের উদ্বেগ: নিজের টাকা তুলতে কেন গুনতে হবে বাড়তি মাশুল
সন্তানের ভরণপোষণ কী: হাইকোর্টের রায়ের আলোকে আইন, দায়িত্ব ও বাস্তবতা
সন্তানের ভরণপোষণ কী: হাইকোর্টের রায়ের আলোকে আইন, দায়িত্ব ও বাস্তবতা
সর্বশেষসর্বাধিক