জিন্নাহ নিয়ে মাতামাতিতে জিন্নাহ মুখ্য বিষয় নয়

সাবির মুস্তাফা  
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৪৯আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৪৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সমাজের রাজনৈতিক গুরুত্ব অনস্বীকার্য। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংগ্রামে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তবে এক বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা ডাকসুতে যারা নির্বাচিত হলেন, তাদের কর্মকাণ্ড ছাত্রদের অধিকার, আশা-আকাঙ্ক্ষা বা দেশের চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মূল স্রোতের সঙ্গে কতটুকু সম্পৃক্ত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। 

ইসলামি ছাত্র শিবির মনোনীত প্যানেল ডাকসুর নির্বাচনে জয়লাভ করার পর এক বছর পার হয়েছে, তাদের মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যেহেতু নতুন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেনি, তাই বর্তমান ডাকসুর মেয়াদ আরও ৯০ দিন বেড়ে গেলো। কিন্তু এর মধেই তারা দেশের ইতিহাস নিয়ে বড় রকমের নাড়াচাড়া শুরু করে দিয়ে বিতর্কের আরেকটি অধ্যায় রচনা করে গেলেন। 

এবারের বিষয়টি ডাকসু নিয়ে না। ছাত্র সংসদ এখানে একটি মাধ্যমের ভূমিকা পালন করেছে। সম্প্রতি ডাকসুর আর্কাইভের দেয়ালে যেসব ছবি প্রদর্শন করা হয়, সেগুলোতে সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের ইতিহাসের প্রতিফলন থাকার কথা। কিন্তু এবার আর্কাইভের দেয়ালে যে শুধু পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মাদ আলি জিন্নাহর ছবি টাঙানো হয়েছে তাই না; বাংলাদেশের স্বাধিকার এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের মূল নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের গুরুত্ব কমিয়ে দেখানো হয়েছে। 

হয়তো বিষয়টি পূর্ব-পরিকল্পিত ছিল। অর্থাৎ, ডাকসু দিয়ে একটি কাজ করিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তাদের মিত্ররা তাদের একটি নির্দিষ্ট এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে। উদ্দেশ্য ছিল, জিন্নাহকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনালগ্নে প্রতিষ্ঠা করা, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের ‌‌‘জাতীয় পরিচিতির’ সাথে ১৯৪৭-এর দ্বিজাতিতত্ত্বর একটা যোগসূত্র স্থাপন করা যায়। 

অভ্যুত্থান এবং বিকৃতি 

ডাকসুর এই কাজের ফলে যেমন অনেকে প্রতিবাদ মুখর হয়েছেন; তেমনি অনেকে বাংলাদেশের ইতিহাসে জিন্নাহর অবস্থান পুনর্মূল্যায়ন করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ন্যারেটিভ তৈরি করেছেন। তারা বোঝাতে চাচ্ছেন যে, ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর শুধু আওয়ামী লীগের শাসনামল নয়, দেশের ইতিহাস নিয়েও পর্যালোচনা করার সময় এসেছে। 

যেমন, ভারতের স্ক্রল ওয়েবসাইটে লিখেছেন ইউনূস সরকারের আমলে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে প্রেস মিনিস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ফয়সাল মাহমুদ, যিনি বর্তমানে ঢাকার ডেইলি ওয়াদা পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিক। তিনি লিখেছেন, দেশের জন্ম ইতিহাসের যে ধারাবাহিকতা গত ৫৫ বছরে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, আওয়ামী লীগের পতনের পর সেটা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।  

“অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রজন্মের একটি অংশ এখন ধারাবাহিকতাকে চ্যালেঞ্জ করছে। এটা পাকিস্তানকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার জন্যই যে করা হচ্ছে, তা নয়। এটা বাংলাদেশের বংশবৃত্তান্ত ১৯৭১ থেকে পিছিয়ে ১৯৪৭-এ নিয়ে যাওয়ার জন্য, যাতে জাতীর ইতিহাসে মুসলিম রাজনৈতিক পরিচয় আরও বড় ভূমিকা দেওয়া যায়,” মাহমুদ লিখেছেন।  

মাহমুদের মতে, ১৯৪৭ যখন জাতীয় বয়ানের কেন্দ্রে চলে আসবে, তার সঙ্গে জিন্নাহও অপরিহার্যভাবে ফিরে আসবে। কিন্তু আসল ঘটনাটা উল্টো। যদিও এখানে বাংলাদেশের ইতিহাসে জিন্নাহর স্থান নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে জিন্নাহর ছায়াতল দিয়ে শুধু ১৯৪৭ সালকে “স্বাধীনতার গোড়াপত্তন” হিসেবে স্বীকৃত আদায় করে ১৯৭১-এর ভিত্তিমূলক ভূমিকাকে মুছে ফেলা। 

জিন্নাহ পাকিস্তান সৃষ্টিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী কার্যত ১৯৪৮ সালে জিন্নাহর মৃত্যুর পর থেকেই দেশের রাজনৈতিক দিক-নির্দেশনা দিয়ে আসছে। সেটা কোনও সময় পর্দার আড়ালে থেকে, কোনও সময় প্রকাশ্যে এসে। সামরিক বাহিনী জিন্নাহর প্রতিকৃতি সামনে রেখেই তাদের শাসন চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের জাতির পিতা হিসেবে জিন্নাহর স্বীকৃতি নিয়ে কোনও বিতর্ক বা আলোচনা নেই। 

জিন্নাহর নতুন প্রজাকূল   

কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে জিন্নাহর স্থান কোথায়? কেনই বা থাকবে? জিন্নাহ তার রাজনীতি করেছেন দিল্লি, বোম্বে আর করাচিতে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা আর রাজশাহীতে তার পদচারনা ছিল না। ১৯৪৭ এর আগেও ছিল না, পরের এক বছর দুই-একবার পূর্ব বঙ্গে আসলেও, করাচিই ছিল তার রাজনৈতিক ঘাঁটি। 

এমনকি ঢাকায় ১৯০৬ সালে যখন মুসলিম লীগের জন্ম হয়, তখন জিন্নাহ ছিলেন মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বতে কংগ্রেস দলের একজন নেতা। আরও সাত বছর পর ১৯১৩ সালে জিন্নাহ মুসলিম লীগে যোগ দেন, যদিও তিনি ১৯২০ সাল পর্যন্ত কংগ্রেস দলের সদস্য রয়ে গিয়েছিলেন। 

বাঙালি জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা, চাহিদা-প্রত্যাশা ইত্যাদি সম্পর্কে তিনি যে কত অজ্ঞ ছিলেন তা বাঙালি মধ্যবিত্ত বুঝতে পেরেছিল ১৯৪৮ সালেই, যখন পাকিস্তানের গভর্নর জিন্নাহ ঢাকায় এসে ঘোষণা দেন, “উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা।” পূর্ব বঙ্গের আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক বাস্তবতা, বিশেষ করে ভাষা-সংস্কৃতি নিয়ে বাঙালিদের মন-মানসিকতা সম্পর্কে তার অজ্ঞতা এই এক বাক্য পরিষ্কার করে দেয়।  

এই বাক্য শুনে অনেকের হয়তো মনে হয়েছিল, ভিন দেশের কোনও রাজা এসে গরিব প্রজাদের জানিয়ে দিচ্ছে, কোন ভাষায় দরবারের কাজ চলবে। ব্রিটিশ আমলে যেমন ইংরেজিতে কাজ হতো; তার আগে নবাবশাহীর আমলে দরবারের ভাষা ছিল ফার্সি। এখন হবে উর্দুতে। অর্থাৎ, বাঙালির ভাগ্যে নতুন এক দাসত্বের সম্ভাবনা চলে আসল। 

জিন্নাহ পাকিস্তানে জাতির পিতার আসনে বহুকাল অধিষ্ঠ থাকবেন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাসে কি তার মর্যাদার কোনও স্থান থাকা উচিত? বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসের সঙ্গে জিন্নাহর মূল যোগসূত্র হচ্ছে ১৯৪৮-এর কুখ্যাত উক্তি। এই উক্তি বাঙালির সুপ্ত জাতীয় চেতনা জাগ্রত করে, যেটা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ বাঙালি জাতীয়তাবাদে রূপ দেয়। সে জন্য জিন্নাহকে ধন্যবাদ দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসে জিন্নাহকে কোনও স্থান দেওয়া মুশকিল।

ইতিহাস পরিবর্তনের ক্ষেত্র   

ডাকসু তাদের সংগ্রহশালায় কার ছবি রাখলো কী রাখলো না, তা নিয়ে খুব বেশি মাথা কখনও ঘামানো হয় না। এ রকম একটা “দেয়াল” আছে, সে কথাই বা কয়জন জানে? পরবর্তী নির্বাচনে শিবির পরাজিত হলে দেয়ালের চরিত্র পাল্টেও যেতে পারে। কিন্তু তাদের ছবি নির্বাচনের মাধ্যমে যে বিতর্ক সৃষ্টি হলো, তাতে পাকিস্তান ফিরে আসার সম্ভাবনা শূন্য; কিন্তু জিন্নাহ থেকে শুরু করে ১৯৪৭, বাংলাদেশের ইতিহাসের শুরু, বাঙালি জাতীয়তাবাদের নতুন ব্যাখ্যা, সব কিছু নিয়ে নতুন বিতর্কের মাধ্যমে এসব বিষয় “গ্রহণযোগ্য” পর্যায়ে নিয়ে আসা হলো। 

অর্থাৎ, আগে আলোচনার খাতিরে আলোচনা করতে কোনও বাধা ছিল না, কিন্তু এখন এসব কিছু আনুষ্ঠানিকভাবে স্কুল-কলেজের পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা, রেডিও-টেলিভিশন অনুষ্ঠানে মূল ন্যারেটিভ হিসেবে প্রচার করা, এমনকি সংবিধানের কোনও এক তফসিলে এই ন্যারেটিভ সংযোজন করার দাবি উঠলেও আশ্চর্য হওয়ার মতো কিছু হবে না। ক্ষেত্র ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে।  

ফাইসাল মাহমুদ আরেকটি বিষয়ের অবতারণা করেছেন, যেটা মাঝে-মধ্যে কেউ কেউ বলে থাকেন, কিন্তু কোনও প্রতিষ্ঠিত পত্রিকা বা সাময়িকী সেগুলো গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করার প্রয়োজন বোধ করে না বলে সেই আলোচনা চায়ের টেবিলেই সীমাবদ্ধ থাকে। তিনি ২০২৪ সালে ঢাকার কেন্দ্রীয় প্রেস ক্লাবে জিন্নাহ স্মরণে একটি ক্ষুদ্র সভার অংশগ্রহণকারীদের বক্তব্যর সারমর্ম তার প্রতিবেদনে তুলে ধরেন এভাবে, “পাকিস্তান ছাড়া কোনও বাংলাদেশ হতো না; অর্থাৎ, জিন্নাহ ছাড়া কোনও বাংলাদেশ হতো না।”  

প্রেস ক্লাবে সে দিন যে কয়জন লোক জড়ো হয়েছিলেন, তাদের মধ্যে কয়জন এ কথা বলেছেন তা বলা মুশকিল। কিন্তু কথাটা শুধু ভুল নয়; এ কথা ইতিহাস সম্পর্কে মূর্খতার পরিচয় দেয়। 

পাকিস্তান ছাড়া অখণ্ড ভারত

পাকিস্তান না হলে কি হতো সেটা হয়তো কিছুটা অনুমান করা যায়। ব্রিটিশরা ১৯৪৭ সালে ভারত ছেড়ে চলে যেতো, সেটা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর পর ব্রিটেন যখন আর্থিক এবং সামরিক সাহায্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দারস্ত হলো, তখন থেকেই তাদের সাম্রাজ্যের সূর্য অস্ত যেতে শুরু করেছিল। পাকিস্তান না হলে কী হতো? ভারত অখণ্ড থাকতো। পশ্চিমে হিন্দুকুশ পর্বতমালা থেকে পূর্বে আরাকান সীমান্ত, উত্তরে হিমালয়ের পাদদেশ থেকে দক্ষিণে কেরালার উপকূলে লাক্ষাদ্বীপ সাগর পর্যন্ত হতো ভারতের বিস্তৃতি।   

পাকিস্তান ছিল একটি কাল্পনিক রাষ্ট্র। পাকিস্তান বলে মানব ইতিহাসে কোনও ভূখণ্ড ছিল না, পাকিস্তানি বলে কোনও ভাষা, কোনও সংস্কৃতি কোনোদিন জন্ম নেয়নি। পৃথিবীর বুকে পাকিস্তানি বলে কোনও জাতির পদচারণা মানব সভ্যতার ইতিহাসে হয়নি। ভারত অখণ্ড থাকলে, পাকিস্তানের স্বপ্ন একটি দোষে পরিণত হতো। 

কিন্তু বাংলাদেশের বিষয়টা সম্পূর্ণ ভিন্ন। ভারতবর্ষের পূর্বাঞ্চলে বহু শতাব্দী ধরে বাংলা ভাষা লিখিত, পঠিত এবং উচ্চারিত হয়ে আসছে। বঙ্গ বলে পরিচিত ভূখণ্ডে শত শত বছরে সনাতনী, বৌদ্ধ এবং ইসলাম ধর্মের প্রভাবে, স্থানীয় আচার-আচরণ আর বাংলা ভাষার শিল্প-সাহিত্যে সমৃদ্ধ হয়ে বাংলা সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। সেই ভাষা এবং সংস্কৃতি বঙ্গদেশের মানুষকে বাঙালি পরিচয় দিয়েছে। বাঙালি জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিল, একটা নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা ছিল। স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে জন্ম নেওয়ার জন্য সব উপাদান সেখানে ছিল, শুধু প্রয়োজন ছিল অনুকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নেতৃত্বের। 

ধর্মের ভিত্তিতে বঙ্গদেশে দু’ভাগ হওয়া রাজনৈতিক কাঠামো একত্রিত করার প্রয়াস হিন্দু এবং মুসলমান দুপক্ষেরই ছিল। কিন্তু একদিকে ভারত ভেঙে পাকিস্তান প্রস্তাব যেমন ব্রিটিশদের জন্য আকর্ষণীয় ছিল, তেমনি ভারতীয় কংগ্রেস দল খণ্ডিত ভারতে অখণ্ড বঙ্গের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল না। অন্যদিকে, পাকিস্তান না হলে, অর্থাৎ ভারত অখণ্ড থাকলে যেকোনও এক সময় বঙ্গদেশ সেটা অখণ্ডই হোক, বা শুধু পূর্ব বঙ্গই হোক, স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে যেত, তা বলা অবাস্তব কিছুই হবে না। 

লেখক একজন সাংবাদিক এবং পডকাস্টার। 

ইমেইলঃ [email protected]

/আইএএম/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
যশোরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, ৮ জন আটক 
যশোরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, ৮ জন আটক 
পারমাণবিক শক্তির মজুতে উত্তর কোরিয়ার অবস্থান ‘অপরিবর্তনীয়’
পারমাণবিক শক্তির মজুতে উত্তর কোরিয়ার অবস্থান ‘অপরিবর্তনীয়’
বিএমইউতে দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ কিডনি প্রতিস্থাপন 
বিএমইউতে দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ কিডনি প্রতিস্থাপন 
পুরুষদেরও পিরিয়ড চান শ্রুতি হাসান
পুরুষদেরও পিরিয়ড চান শ্রুতি হাসান
সর্বশেষসর্বাধিক