গুলশান-২ এ আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডের কারণ তদন্তের পর জানানো হবে। এখনই এ বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন। তারা জানিয়েছেন, আপাতত ভবনের ভেতর আর কেউ আটকে আছে কিনা সেটা বের করাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত এই দুই কর্মকর্তা আরও জানান, ভবনটির অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থায় ত্রুটি ছিল কিনা এরকম অন্যান্য বিষয়ে পরে খোঁজ নেওয়া হবে। ভবনটিতে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলেও জানিয়েছেন তারা।
ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাঈন উদ্দিন জানান, পানির সোর্স না থাকায় ভবনটিতে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজে বেগ পেতে হয়েছে। আমরা যে পানি এনেছি সেগুলো দিয়ে কাজ চালিয়েছি। এরপর বিভিন্ন জায়গা থেকে পানি নিয়েছি। রাস্তার পাশে যে ভবনগুলো আছে এগুলোর কাছাকাছি যেতে পারছিলাম না।
উৎসুক জনতার কারণেও উদ্ধারকাজে সমস্যা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এর আগে, রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে গুলশান-২ নম্বরের ১০৪ নম্বর রোডের ১২ তলা ভবনের সপ্তম তলায় আগুন লাগে। এই আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট। রাত ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনাস্থলে রয়েছে সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর উদ্ধারকর্মীরাও।
ভবন থেকে ২২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ৯, নারী ১২ ও এক নবজাতক। এছাড়া আগুন লাগার পর ভবনের সপ্তম তলা থেকে চার জন লাফিয়ে পড়েন। এর মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি তিন জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।









