‘সংঘাতের পর ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা বেড়েছে ইরানের’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৪ জুন ২০২৬, ১৩:৫২আপডেট : ১৪ জুন ২০২৬, ১৩:৫২

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান ঘোষিত কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। উল্টো এই যুদ্ধের ফলে ইরান আরও বেশি দৃঢ় ও কট্টর অবস্থানের রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই যুদ্ধ শুরুর পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল ইরানের সরকারকে দুর্বল করা বা দেশটির অভ্যন্তরে রাজনৈতিক পরিবর্তন আনা। একই সাথে তেহরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও কার্যক্রমকে নমনীয় বা নিয়ন্ত্রণে রাখাও ছিল এই অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য।

তবে ফলাফল হয়েছে সম্পূর্ণ উল্টো। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, যুদ্ধ সত্ত্বেও ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ণ রয়েছে। শুধু তাই নয়, যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে দেশটির অভ্যন্তরে এমন একটি পুনর্গঠন প্রক্রিয়া চলেছে, যা সেখানকার সামরিক ব্যবস্থার প্রভাব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে দেশটির প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) ক্ষমতা ও প্রভাব আগের চেয়ে বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এই সংঘাতের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে এমন এক নতুন রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিবেশের তৈরি হয়েছে, যেখানে তেহরান এখন যেকোনও ধরনের ঝুঁকি নিতে আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রস্তুত। একই সাথে যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় যেকোনও ধরনের বাহ্যিক চাপ বা নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে ইরান এখন অনেক বেশি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত।

/এএস/
টাইমলাইন: ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা
১৪ জুন ২০২৬, ১৩:৫২
‘সংঘাতের পর ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা বেড়েছে ইরানের’
সম্পর্কিত
শুক্রবারই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক, নিশ্চিত করলো সুইজারল্যান্ড
আমরাই ইনস্টাগ্রামের সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি: মোদিকে মেলোনির রসিকতা
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান প্রসঙ্গ বাদ দিলেন শাহবাজ
সর্বশেষ খবর
স্ত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনায় মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন অভিনেতা আলভী
স্ত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনায় মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন অভিনেতা আলভী
বিশেষ ই-নিলামে বিমানবন্দরে আটকে থাকা পণ্য বিক্রি করবে কাস্টমস 
বিশেষ ই-নিলামে বিমানবন্দরে আটকে থাকা পণ্য বিক্রি করবে কাস্টমস 
হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৮৬৩৯ হাজি 
হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৮৬৩৯ হাজি 
অবশেষে বাঁচলো প্রাণ, আশ্রয় পেলো শিশুসন্তানসহ সেই দম্পতি
অবশেষে বাঁচলো প্রাণ, আশ্রয় পেলো শিশুসন্তানসহ সেই দম্পতি
সর্বাধিক পঠিত
সেই খালেদা রাব্বানীকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী, কথা শুনে আবেগাপ্লুত
সেই খালেদা রাব্বানীকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী, কথা শুনে আবেগাপ্লুত
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের ৭ দাবির সঙ্গে একমত গভর্নর
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের ৭ দাবির সঙ্গে একমত গভর্নর
সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি, বিকালে সংসদে এমপি
সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি, বিকালে সংসদে এমপি
অবশেষে মাকে নিয়ে সুখবর পেলেন ভোজিনহা
অবশেষে মাকে নিয়ে সুখবর পেলেন ভোজিনহা
ঈদের দিন মৃত্যু, দাফনের ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খুঁড়ে কী দেখলেন স্বজনরা
ঈদের দিন মৃত্যু, দাফনের ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খুঁড়ে কী দেখলেন স্বজনরা