সেকশনস

চুরি-জালিয়াতিচক্র এবং অংশীজনেরা

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০১৮, ১৬:৩০

গোলাম মোর্তোজা বিষয় এক হলেও, তথ্যের ভিন্নতা আছে। একটু খোঁজ-খবর রাখার কারণে মাথা থেকে কোনোভাবেই এই বিষয় বাদ দিতে পারছি না। পাঠকের কাছে ক্ষমা চেয়ে, আবারও আর্থিক খাত নিয়ে লিখছি।
১. শিবরাম চক্রবর্তী বা নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় তথা টেনি’দার লেখা ছোটবেলায় পড়েছেন অনেকেই। যারা পড়েননি, তাদের বয়স এখন যতই হোক- পড়ে দেখতে পারেন। কিছুটা সময় অন্তত প্রাণ খুলে হাসতে পারবেন। দুর্ভাগ্য যে বাংলা সাহিত্যে এখন হাসির গল্প লেখার এই মানের লেখক নেই। অথচ কত উপাদান! সবচেয়ে সিরিয়াস বিষয় ‘অর্থনীতি’তে এখন হাসির গল্পের সবচেয়ে বেশি উপাদান!
হাসির গল্প যেহেতু লিখতে পারি না, কয়েকটি উপাদান তুলে ধরছি-
ক. ‘চুরি বিদ্যা মহাবিদ্যা যদি না পড়ো ধরা’–বহুল প্রচলিত প্রবাদ। ‘মহাবিদ্যা’য় পারদর্শীরাও ধরা পড়েন।

একটি গ্রামীণ সত্য ঘটনা বলি।

কয়েকজন কিশোরের দলনেতা একজন যুবক। পাখি শিকারের গুলতি দিয়ে দলনেতা মুরগি শিকার করলেন। শিকার যখন হয়েছে, রান্না করতে হবে। দলনেতার নির্দেশে কিশোরদের কেউ বাড়ি থেকে গোপনে পাতিল, তেল-মরিচ-লবণ... নিয়ে এলেন। ততক্ষণে মুরগি রান্নার জন্যে প্রস্তুত। পাটক্ষেতের মাঝে মাটি গর্ত করে চুলা তৈরি হলো। শুরু হলো রান্না। পাটক্ষেতের মাঝে ধোঁয়া উঠতে দেখে এগিয়ে এলেন কৃষকেরা। রান্নায় যে ধোঁয়া উঠবে,তা দূর থেকেও দেখা যাবে, এই বিদ্যা রপ্ত ছিল না যুবক- কিশোরদের।

দৌড়ে পালালেন যুবক-কিশোরেরা। পড়ে থাকল অর্ধরান্না মুরগির মাংসের পাতিল। ঘটে গেলো মহা কেলেঙ্কারি।

ব্যাংকের পরিচালক-মালিক-কর্মকর্তারা মিলে চুরি-জালিয়াতির কর্মটা বেশ গোপনেই সম্পন্ন করেছিলেন। ধোঁয়া ছাড়া রান্না করার উপায় ছিল না। চুরি গোপনে করলেও, প্রমাণ না রেখে উপায় ছিল না। ‘টাকার গরম’ বলে একটি কথা আছে। টাকা চুরির গোপনীয় ফাইলগুলো থেকে একপর্যায়ে ‘ধোঁয়া’ বের হতে শুরু করলো। সাধারণ জনমানুষের চোখে সেই ‘ধোঁয়া’ ধরা না পড়লেও, ধরা পড়ল সাংবাদিকদের চোখে। একের পর এক বেরিয়ে এলো সোনালী, বেসিক ব্যাংকসহ আর্থিক খাতের মহা চুরি-দুর্নীতির তথ্য। তারপর থেকে ধারাবাহিকভাবে তা বের হচ্ছেই।

সাহসিকতার সঙ্গে যারা এত বড় বড় চুরি-জালিয়াতিগুলো সম্পন্ন করেছেন, তারা তো আর যুবক-কিশোরদের মতো মাংসের পাতিল রেখে দৌড়ে পালাতে পারেন না। ‘বড় কিছু না’ ‘কিছু হয়নি’ ‘চিন্তার কারণ নেই’–ইত্যাদি বলে বোঝানোর চেষ্টা করলেন। পাশাপাশি চুরি-জালিয়াতিও করতে থাকলেন। তারা অনেক কষ্ট করে, অনেক ঝুঁকি নিয়ে চুরির মতো ‘মহাবিদ্যা’ আয়ত্ত করেছেন। হুট করে তো আর তা বাদ দেওয়া যায় না। ফলে তারা বিচ্ছিন্নভাবে না থেকে সংগঠিত হয়েছেন। সবচেয়ে দক্ষ ব্যক্তিদের দলনেতা নির্বাচন করেছেন। দলনেতার নেতৃত্বে চুরি-জালিয়াতির সংবাদ যাতে মানুষ জানতে না পারে, সেদিকে নজর দিয়েছেন। সাংবাদিকরা যাতে চুরি-জালিয়াতির সংবাদ প্রকাশ করে মানুষকে জানাতে না পারেন, তার জন্যে একটি আইন খুব জরুরি হয়ে পড়েছে। সেক্ষেত্রে গোপনে চুরি-জালিয়াতি করলে আর কোনও সমস্যা হবে না। তাছাড়া সমস্যা তো চুরি বা জালিয়াতি করা নয়। সমস্যা হলো, তা মানুষকে জানালে। কারণ, এতে মানুষ আতঙ্কিত হয়। আতঙ্ক থেকে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। আর এক্ষেত্রে শুধু দুই চার হাজার মানুষ নয়, পুরো দেশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ফলে দেশটার না হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যায়। সুতরাং চুরি-জালিয়াতির রিপোর্ট করে আতঙ্ক ছড়ানো বন্ধ না করার আর কোনও বিকল্প নেই। এরকম একটি আইন করা এখন অতি জরুরি হয়ে পড়েছে।

খ. আজ ৪ এপ্রিল ২০১৮। দৈনিক জনকণ্ঠ’র প্রথম পাতার এক-তৃতীয়াংশ জায়গাজুড়ে ‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন’ শিরোনামে একটি রঙিন বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে। যিনি এই বিজ্ঞাপনটি দিয়েছেন তার নাম বাবুল চিশতী। তিনি ফারমার্স ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি বিজ্ঞাপন দিয়ে সকল অপকর্মের দায় বর্তমান চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফতের ওপর চাপিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আনুকূল্য প্রত্যাশা করেছেন।

আজকের ‘দৈনিক যুগান্তর’ বাবুল চিশতীর বিরুদ্ধে ১৪০ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ বিষয়ক একটি সংবাদ প্রকাশ করেছে। কোন ব্যাংকের কোন শাখায়, কোন অ্যাকাউন্ট নম্বরে এই টাকা জমা হয়েছে, তাও উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে।

একাধিক পত্রিকায় আরেকটি সংবাদ আছে, বাবুল চিশতীসহ ১৭ জনের বিদেশ যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

আজকের পত্রিকায় সংবাদ এবং ছবি ছাপা হয়েছে, ব্যাংকের মালিক-এমডিরা প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে গণভবনে গিয়ে গত রাতে ডিনার করেছেন।

গ. ফারমার্স ব্যাংকের মূলধন জোগান দেবে রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংক সোনালী, রূপালী, জনতা এবং অগ্রণী ব্যাংক। একেকটি ব্যাংক ১৬৫ কোটি টাকা করে ৬৬০ কোটি টাকা দেবে ফারমার্স ব্যাংককে। যারা ফারমার্স ব্যাংকের মূলধনের জোগান দেবে, তাদের মূলধন ঘাটতির পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা।

‘অর্থনীতি’ অনেক কঠিন বিষয়। সাধারণ জনমানুষের বোঝার বিষয় নয়। যেহেতু বুঝি না, সুতরাং অবাক না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আরও কয়েকটি তথ্য জানিয়ে রাখি ভবিষ্যতের শিবরাম চক্রবর্তীদের লেখার উপাদানের জন্যে।

রাষ্ট্রায়ত্ত যে ব্যাংকগুলো ফারমার্স ব্যাংকের মূলধন জোগান দেবেন, তাদের খেলাপি ঋণ ২০১০ সালে ছিল ১১ হাজার কোটি টাকা। ২০১৭ সালে তা হয়েছে সাড়ে ৩৭ হাজার কোটি টাকা।

খেলাপি ঋণ মানে হচ্ছে, জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে যে ঋণ দেওয়া হয়েছে, এবং দেওয়ার সময়ই জানা ছিল, এই ঋণ ফেরত আসবে না।

এই ব্যাংকগুলো ইতিমধ্যে ২০ হাজার কোটি টাকা আর ফেরত পাওয়া যাবে না ‘অবলোপন’ নাম দিয়ে মাফও করে দিয়েছেন। অর্থাৎ এই ২০ হাজার কোটি টাকা যারা নিয়েছিলেন তাদের আর ফেরত দিতে হবে না। দয়া করে অবাক হবেন না।

সরকার গত ১০ বছরে এই ব্যাংকগুলোকে ১৫ হাজার কোটি টাকা জোগান দিয়েছে ‘ভর্তুকি’ নাম দিয়ে। আরও ২ হাজার কোটি টাকা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ব্যাংকগুলো সরকারের কাছে আরও ২০ হাজার কোটি টাকা চেয়েছে।

ঘ. রাষ্ট্রীয় অর্থের পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ কোটি টাকা। যার ৭৫ শতাংশ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে থাকে। ২৫ শতাংশ থাকে বেসরকারি ব্যাংকে।এই ২৫ শতাংশ টাকা চুরি-জালিয়াতি হয়ে গেছে। সরকার আইন করে দিয়েছে রাষ্ট্রীয় আমানতের ৫০ শতাংশ বেসরকারি ব্যাংকে রাখা যাবে। নিয়ম ছিল বেসরকারি ব্যাংকগুলোকে ৬ শতাংশ টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হবে। বেসরকারি ব্যাংক মালিকরা তা ১ শতাংশ কমিয়ে নিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংককে কিছুই করতে হয়নি। সবই অর্থমন্ত্রীর মাধ্যমে বেসরকারি ব্যাংক মালিকরা করিয়ে নিয়েছেন। ‘এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাংলাদেশ ব্যাংকের’—এই বাক্যেরও এখন আর কোনও কার্যকারিতা দৃশ্যমানভাবে নেই।

সরকারি আমানতের ২৫ শতাংশের ভাগ্যে যা ঘটেছিল, ৫০ শতাংশের ক্ষেত্রেও তা-ই ঘটবে। অর্থনীতি না বুঝলেও, এটা বুঝতে কষ্ট হয় না।

২. আর্থিক খাতের আরও চুরি-জালিয়াতির পরিসংখ্যান দিয়ে লেখাটি ভারাক্রান্ত করতে চাইছি না। যেহেতু অর্থনীতি ‘সাধারণের বিষয় নয়’ বলে দেয়া হয়েছে, ফলে তথ্য দিয়ে বোঝার চেষ্টা না করাই ভালো। তবে কিছু বিষয় বোঝার জন্যে, কিছু বোদ্ধার কথা শুনতে পারেন। মাঝরাতে টেলিভিশনে তারা কথা বলেন।

প্রতিবছর ৭৬ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যাওয়ার যে সংবাদ জেনে আপনি চিন্তিত হয়ে পড়ছেন, তাদের কথায় আপনার চিন্তা দূর হয়ে যাবে।

‘টাকা পাচার ভারত থেকে হয়, চীন থেকে হয়। এটা গ্লোবাল সমস্যা। শুধু বাংলাদেশ থেকেই টাকা পাচার হয় না। এটা নিয়ে এত হইচইয়ের কিছু নেই।’

আপনার চিন্তার কারণ খেলাপি ঋণের টাকার অঙ্ক। এক্ষেত্রেও তাদের কাছে সমাধান আছে।

‘ভারতসহ উন্নয়নশীল সব দেশে ঋণখেলাপি আছে। এটা শুধু বাংলাদেশের একার সমস্যা না। সরকার সমস্যাগুলো মোকাবিলা করছে।’

আর্থিক খাতের চুরি-জালিয়াতিরও সমাধান পাবেন তাদের বক্তব্যে।

‘হ্যাঁ, ব্যাংকিং সেক্টরে কিছু অনিয়ম হয়েছে। কিন্তু সরকার রাইট ট্রাকে আছে। যেখানে যা ঘটছে, প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি বেসিক ব্যাংকের শেখ আবদুল হাই বাচ্চুকে দুদক এমনভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করছে যে তিনি অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছেন।’

আপনি সংবাদ দেখেছেন শেখ আবদুল হাই বাচ্চু ও তার ভাইয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ঋণের অর্থ ঢোকার প্রমাণ দুদকের কাছে আরও ৪ বছর আগেই ছিল। জবাব আছে এরও।

‘এখন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তো। এটা তো একটা অগ্রগতি। আগে তো কিছুই করা হতো না। একদিনে তো আর সব সমস্যার সমাধান করা যাবে না।’

দুর্নীতি-চুরি-জালিয়াতি যাই ঘটুক না কেন, আশাবাদের তথ্য তাদের কাছে আছে।

৩. কিছু মানুষ ব্যাংক-আর্থিক খাত পরিচালনা করার নামে চুরি-জালিয়াতি, দুর্নীতি করছেন। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ লাখ লাখ কোটি। চুরি-জালিয়াতির তথ্য গোপন রাখার চেষ্টা করছেন। বেয়ারা সাংবাদিকরা তার কিছু কিছু প্রকাশ করে দিচ্ছেন, পুরোটা পারছেন না। চুরি- জালিয়াতি, দুর্নীতির ঘটনাগুলোকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করছেন আরেক দল মানুষ। এরা লেখাপড়া জানা শিক্ষিত মানুষ হিসেবে পরিচিত। চুরি- জালিয়াতি, দুর্নীতি যে ঘটতেই পারে, এটা নতুন কিছু নয় বা চিন্তার বিষয় নয়, ভাত খাওয়ার মতো সাধারণ বিষয়, গলার জোরে শরীরের শক্তি দিয়ে তা প্রমাণের চেষ্টা করছেন। এই শ্রেণিটি কোনও না কোনোভাবে চুরি- জালিয়াতি, দুর্নীতির সুবিধাভোগী বা অংশীজন না হলে, এমন দায়িত্ব নেওয়ার কথা নয়। যিনি বা যারা চুরি- জালিয়াতি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলেন, এই শ্রেণিটি তাদের বলেন ‘নিন্দুক- উন্নয়নবিরোধী-ষড়যন্ত্রকারী’।

‘চুরি-জালিয়াতিচক্র এবং চুরি-জালিয়াতি যৌক্তিকীকরণ চক্র’র - একটা মহাসম্মিলন ঘটে গেছে বাংলাদেশে। চোর- জালিয়াত ও তাদের অংশীজনদের মহামিলন, ঘটনা হিসেবে অবশ্যই অভিনব।

যা নিঃসন্দেহে ইতিহাসে এক বিরল নজির।

৪. গত দুই দিনের পর্যবেক্ষণ, সরকারি আমানত নিয়ে তদবির বাণিজ্য দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। বেসরকারি ব্যাংকের মালিক-কর্মকর্তারা তদবির শুরু করেছেন। সরকারি প্রতিষ্ঠান তার টাকার ৫০ শতাংশ বেসরকারি ব্যাংকে রাখতে পারবেন, নিয়ম করা হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তা করতে আগ্রহী হচ্ছেন না। দেনদরবারের একটা বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে। সরকারি আমানত বেসরকারি ব্যাংকে আনার পরে কী ঘটবে বা ঘটতে পারে, সেটা একটা আশঙ্কার বিষয়। সরকারি আমানত বেসরকারি ব্যাংকে আনার নেপথ্যে ‘কী কী ঘটবে বা ঘটতে পারে’ সেটাও কম আশঙ্কার বিষয় নয়।

৫. আজকের পত্রিকায় সংবাদ ছাপা হয়েছে মাথাপিছু আয় বেড়ে ১৭৫২ ডলার হয়েছে। সর্বনিম্ন বেতন পাওয়া একজন পোশাককর্মীর মাসিক আয় ৫ হাজার ৩০০ টাকা বা ৭১ ডলারের মতো। মাথাপিছু আয় ১৭৫২ ডলার হলেও পোশাক কর্মীদের আয় ৮০০ থেকে ১০০০ ডলার। আরও একটু বেশি বেতন পাওয়া পোশাককর্মী থাকলেও কম বেতন পাওয়া কর্মীর সংখ্যাই বেশি। কাগজে-কলমের গড় হিসাবে তার আয় ৭০০ ডলার বেড়ে গেছে। বাস্তবে ৭০০ ডলার অস্তিত্ব তার জীবনে নেই। মাথাপিছু আয় বা প্রবৃদ্ধিতে লাখ লাখ চুরি-জালিয়াতির টাকাও হিসাব হয়েছে।

গড় হিসাব অনুযায়ী সাড়ে ৪ কোটি কর্মক্ষম বেকার জনমানুষের প্রতিজনের আয়ও ১৭৫২ ডলার, অথচ তার কোনও আয় নেই/ কাজ নেই।

অল্প কিছু মানুষের হাতে চলে যাওয়া জনগণের টাকা, গড় হিসাবে পোশাককর্মী বা অর্ধখাওয়া রিকশাচালক বা দিনমজুর এবং শিক্ষিত- নিরক্ষর কর্মক্ষম সাড়ে ৪ কোটি বেকারদের হিসাব যোগ হয়েছে। অর্থনীতি না বুঝলেও, হিসাবের ফাঁকিটা অনুধাবন করা যায়।

মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি মানে, কতজনের আয় বৃদ্ধি– প্রশ্নটা অযৌক্তিক বা অসত্য নয়।

লেখক: সম্পাদক, সাপ্তাহিক

/এসএএস/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

সর্বশেষ

মায়ের গায়ে হাত তোলায় ছেলের জেল

মায়ের গায়ে হাত তোলায় ছেলের জেল

প্রথম থেকে ৮ম শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে একদিন, বাকিদের দুদিন

প্রথম থেকে ৮ম শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে একদিন, বাকিদের দুদিন

কাওরান বাজারে হাসিনা মার্কেটে আগুন

কাওরান বাজারে হাসিনা মার্কেটে আগুন

ঢাকা জয় করলো ফ্রান্সের ‘দ্যা লস্ট পেন’

মোবাইল চলচ্চিত্র উৎসব-২০২১ঢাকা জয় করলো ফ্রান্সের ‘দ্যা লস্ট পেন’

কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে নির্বাচনি সরঞ্জাম

কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে নির্বাচনি সরঞ্জাম

চার ব্রাজিলিয়ানের লড়াই, তৈরি তো?

চার ব্রাজিলিয়ানের লড়াই, তৈরি তো?

কেন্দ্রে কেন্দ্রে থাকবে আ.লীগের স্বেচ্ছাসেবক দল, কমিশন বলছে আইনের লঙ্ঘন

কেন্দ্রে কেন্দ্রে থাকবে আ.লীগের স্বেচ্ছাসেবক দল, কমিশন বলছে আইনের লঙ্ঘন

মিয়ানমারে পুলিশের বড় ধরনের ধরপাকড় অভিযান, এক নারী গুলিবিদ্ধ

মিয়ানমারে পুলিশের বড় ধরনের ধরপাকড় অভিযান, এক নারী গুলিবিদ্ধ

বন্ধ থাকবে প্রাক-প্রাথমিক

বন্ধ থাকবে প্রাক-প্রাথমিক

২০ বছরে ৩০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা

২০ বছরে ৩০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা

রবিবার জামালপুর জেলায় তিন পৌরসভায় ভোট

রবিবার জামালপুর জেলায় তিন পৌরসভায় ভোট

রমজানে খোলা থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

রমজানে খোলা থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ


[email protected]
© 2021 Bangla Tribune
Bangla Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis.