অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের একটি বড় অংশ কেন বেপরোয়া হয়ে উঠলো?

আমীন আল রশীদ
৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:০০আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:০০

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ-রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের কথাবার্তা, আচরণ এবং মারমুখী ভঙ্গি দেখে অনেকেই তার ভেতরে অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের ছায়া দেখছেন।

সম্প্রতি ক্যাম্পাসে বেলচা হাতে কিছু শিক্ষার্থীর দিকে তার তেড়ে যাওয়ার যে ভঙ্গি, সেটি কোনোভাবেই শিক্ষার্থীসুলভ নয়। বিশেষ করে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত শিক্ষার্থী প্রতিনিধির এমন মারমুখী আচরণ, কথা বলার ভঙ্গি ও ভাষার মধ্য দিয়ে ছাত্র রাজনীতির যে কদর্য রূপ ফুটে ওঠে, জুলাই অভ্যুত্থানের পরে সেই দৃশ্যের অবসান হওয়ার কথা ছিল।

এ বিষয়ে দ্বিমতের সুযোগ কম যে জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছিল যেসব কারণে এবং যেসব কারণে ওই অভ্যুত্থানে দলমত নির্বিশেষে বিপুল সংখ্যক মানুষ রাস্তায় নেমেছিল, তার পেছনে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নানাবিধ বেপরোয়া আচরণের দায় অনেকখানি। সুতরাং, অভ্যুত্থানের পরে যখন ছাত্রলীগের সেই ঔদ্ধত্য আচরণ, বেপরোয়া ভঙ্গি এবং ক্যাম্পাসে ত্রাসের রাজত্ব বহাল থাকে, তখন জনমনে এই প্রশ্ন উঠতে বাধ্য যে ছাত্রলীগ বিদায় করে যারা ক্যাম্পাস দখলে নিলো, যারা ক্ষমতার কেন্দ্রে উঠে এলো, তারা কি ছাত্রলীগের লিগ্যাসিই বহন করছে?

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘ওয়ানম্যান আর্মি’ তকমা পাওয়া সালাহউদ্দিন আম্মার চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে বারবার সংবাদ শিরোনাম হয়েছেন—তার নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের কারণে। তার উত্থান ও কর্মকাণ্ড নিয়ে ২৮ জুলাই একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে ‘আগামীর সময়’। যেখানে বলা হয়, খুলনার প্রত্যন্ত জনপদ কয়রা থেকে আসা এই ছাত্রনেতা ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে কোটায় ভর্তি হন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে। সেই আম্মারই চব্বিশের কোটাবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়ে হয়ে যান নেতা। সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবেগকে পুঁজি করে পান পরিচিতি। নির্বাচিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস)।

একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে রাকসু তথা বিশ্ববিদ্যালয়কেই ভাবমূর্তির সংকটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। কখনও শিক্ষকের শার্টের কলার ধরছেন, কখনও উপাচার্যের কার্যালয়ে ঝুলিয়ে দিচ্ছেন তালা, আবার কখনও ছাত্রদল নেতাকে ছাত্রলীগ তকমা দিয়ে পিটিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি এবং নিয়োগবাণিজ্যের অভিযোগও উঠেছে। কিন্তু ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ্য ফৌজদারি অপরাধে জড়ানোর পরও আম্মারের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বা নিতে পারছে না—সেই প্রশ্নও উঠছে। বেশ কিছু দিন আগে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে আম্মারের তোলা একটি ছবি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে। তারপরও তাকে আইনের আওতায় আনতে আগ্রহী হয়নি পুলিশ।

সবশেষ গত সোমবার ক্যাম্পাসে তিন শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় পিটিয়ে নতুন করে আলোচনায় আসেন আম্মার। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, তার নেতৃত্বে রাকসু ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা প্রথম দফায় প্রক্টরের দফতরে তিন শিক্ষার্থীকে (আনাস, হাসিব ও মাহমুদুল) ছাত্রলীগ অভিযোগে মারধর করেন। প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগের আমলেও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এরকম শিবির তকমা দিয়ে, অথবা শিবিরের কর্মী অভিযোগে ক্যাম্পাসে অনেক শিক্ষার্থীকে মারধর করেছে। অর্থাৎ অভ্যুত্থানের পরেও সেই অপসংস্কৃতিতে কোনও পরিবর্তন আসেনি। শুধু আক্রমণকারী এবং আক্রান্তের পরিচয় বদলেছে।

শুধু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদও নানা ঘটনায় বিতর্কিত হয়েছেন। তারও বেপরোয়া আচরণ ও কথাবার্তা শুনলে ঠিক বোঝা যায় না যে তিনি দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের একজন শিক্ষার্থী এবং নির্বাচিত শিক্ষার্থী প্রতিনিধি।

জুলাই অভ্যুত্থানের পরে এরকম আরও অনেক ছাত্রনেতা এবং তরুণ নেতার বেপরোয়া কর্মকাণ্ড এবং তাদের লাগামহীন বিশ্রী ভাষার কারণে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে যে উদ্ধত আচরণ, বিষোদ্গার আর অশ্লীল ভাষাই কি তাদের অস্ত্র? ভদ্র ও মার্জিত আচরণ এবং গালাগাল না করে কি নেতা হওয়া যায় না? নাকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার জন্য এরকম একটি বিতর্কিত পথ বেছে নিয়েছেন? বিশেষ করে তারা যখন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটারের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মতো নেতাকে নিয়েও গালাগাল করতে দ্বিধা করেন না—তখন অনেকের মনে এই সন্দেহ তৈরি হচ্ছে যে তারা কি সচেতনভাবেই এসব করছেন—যাতে সরকার বা সরকারি দলের লোকেরা তাদের আক্রমণ করে? আর আক্রান্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে তারা কি জনগণের সহানুভূতি অর্জন করতে চান বা আরও বড় নেতা হতে চান?

জুলাই অভ্যুত্থানের সামনের সারিতে থাকা তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ তার দলের আরও কিছু নেতা যে ভাষায় সরকারের সমালোচনার নামে সরকার প্রধানসহ দলের সিনিয়র নেতাদের বিষোদ্গার করেন, তাতে এটা মনে হওয়াই স্বাভাবিক যে তারা হয়তো পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া করতে চান। অর্থাৎ তারা এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করতে চান—যাতে সরকারি দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা তাদের ওপর ক্ষুব্ধ হয় এবং আক্রমণ করেন। যেহেতু সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে মার খেলেই ভাইরাল হওয়া যায় এবং নেতা হওয়ার জন্য এখন ভাইরাল হওয়া অন্যতম শর্তে পরিণত হয়েছে, ফলে তারা সচেতনভাবেই এমন পরিস্থিতি তৈরি করছেন কিনা, যাতে তাদের প্রতিপক্ষ তাদের ওপর আক্রমণ করে এবং সেই আক্রমণকে তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।

প্রশ্ন হলো, কেন তারা এতটা বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারছেন? কাদের প্রশ্রয়ে তারা এমন মারমুখী? কেন ফৌজদারি অপরাধ করার পরেও তারা কোনও ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হচ্ছেন না? কারণ হয়তো এই যে একটি কর্তৃত্ববাদী সরকারের পতন ঘটানোর আন্দোলনে যারা জীবন বাজি রেখে রাস্তায় নামলেন, তাদের প্রতি রাজনৈতিক দলগুলোর, বিশেষ করে অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পরে যারা প্রাথমিকভাবে ক্ষমতায় বসেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টারা এবং এরপরে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়ী হয়ে যারা সরকার গঠন করেছেন; যারা বিরোধী দলের এমপি হিসেবে সংসদে বসার সুযোগ পাচ্ছেন—তাদের প্রত্যেকেরই এই তরুণদের প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ রয়েছে। বিশেষ করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আওয়ামী লীগের আমলে যে ধরনের রাষ্ট্রীয় নিগ্রহের ভেতর দিয়ে দিনযাপন করছিলেন, আওয়ামী লীগের পতনের মধ্য দিয়ে শুধু সেটির অবসান হয়েছে তা নয়, বরং ক্ষমতার দ্বারা নিগৃহীত এই প্রবীণ নিজেই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার শীর্ষে আরোহণ করেন এবং তার ও তার প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংকের ট্যাক্স মওকুফ থেকে শুরু করে যাবতীয় আইনি জটিলতার সুরাহা করেন—যা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে কোনোদিনই সম্ভব হতো না। সুতরাং যে অভ্যুত্থান তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিলো, সেই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া তরুণদের প্রতি তার যে বিশেষ পক্ষপাত থাকবে, সেটিই স্বাভাবিক। একইভাবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাসহ আরও যেসব ব্যক্তি এই সরকারের অংশ হয়েছেন, যাদের অনেকে জীবনে কোনোদিন কোনও রাষ্ট্রীয় চেয়ারে বসার হয়তো স্বপ্নও দেখেননি, তারাও ক্ষমতার পাদপ্রদীপে চলে আসেন— এই তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলনের ফলে। সুতরাং, এই তরুণদের ব্যাপারে তাদেরও বিশেষ পক্ষপাত ছিল এবং অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো দেড় বছর সরকারের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল এই তরুণদের ক্ষমতায়িত করা।

অভ্যুত্থানে সরকার পতনের পরে ড. ইউনূস এই তরুণদের ক্লাস রুমে ফিরে যাওয়ার আহ্বান না জানিয়ে তিনি তাদের দল গঠন করতে বললেন। সেই দল গঠনে যাবতীয় সমর্থন ও সহযোগিতা দিলেন। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অনেক সিদ্ধান্ত গৃহীত হলো এই তরুণদের কথায়। ফলে এই তরুণদের একটি অংশই যখন মব সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, প্রতিহিংসা এবং ভয়ানক সব কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লো, সরকার তাতে চুপ থাকলো, আবার কখনও তাতে সায় দিলো। এভাবে একটি বিরাট জনগোষ্ঠী রাতারাতি অর্থবিত্তের মালিক হয়ে গেলো; বেপরোয়া হয়ে গেলো এবং রাষ্ট্রে সর্বেসর্বায় পরিণত হলো। সরকার এদের অপরাধ দেখেও না দেখার ভান করলো। কারণ এই তরুণদের প্রতি সরকার কৃতজ্ঞ।

কিন্তু ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পরেও এর রেশ কাটলো না। মব সন্ত্রাস বন্ধ হলো না। কেননা, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যারা ক্ষমতায় এলো, তারাও দীর্ঘদিন আন্দোলন করে আওয়ামী লীগকে হঠাতে পারেনি। কিন্তু এই তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলনের ৩৬ দিনের মাথায় সরকারের পতন হলো। বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এলেন। তারেক রহমান ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী হলেন। সুতরাং, জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের ব্যাপারে বিএনপিরও কৃতজ্ঞতা ও পক্ষপাত আছে এবং এটিই স্বাভাবিক। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই কৃতজ্ঞতাবোধের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে এবং ক্যাম্পাসের বাইরে তরুণদের যে অংশটি ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের মতোই বেপরোয়া আচরণ করছে—যারা প্রতিনিয়ত স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভয় দেখাচ্ছেন, বিষোদ্গার করছেন, যারা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মতো একজন সজ্জন রাজনীতিবিদ সম্পর্কে অসম্মানজনক কথা বলছেন—তারা বয়সে মির্জা ফখরুলের মেয়ের চেয়েও ছোট এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় তারা তারেক রহমান ও মির্জা ফখরুলের কাছে শিশু। কিন্তু ন্যূনতম ভদ্রতা, সৌজন্য ও বিনয় তারা প্রদর্শন করছেন না। তারা ধরাকে শরা জ্ঞান করছেন। তারা হয়তো বিশ্বাস করেন যে তাদের আন্দোলনের ফলে যেখানে শেখ হাসিনার মতো পরাক্রমশালী শাসকের পতন হয়েছে, সেখানে তারেক রহমান ও বিএনপি নস্যি। কিন্তু বিএনপির সমর্থন ও অংশগ্রহণ এবং বিদেশি শক্তির সমর্থন ছাড়া যে মাত্র ৩৬ দিনে শেখ হাসিনার পতন ঘটানো সম্ভব ছিল না, সেই বাস্তবতাটি হয়তো এই উদ্ধত তরুণরা উপলব্ধি করতে পারছেন না। অথবা তারা এখনও এক ধরনের ফ্যান্টাসির মধ্যে রয়েছেন।

প্রশ্ন হলো, দুই-তৃতীয়াংশ ভোটারের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় আসা বিএনপি এবং তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো হার্ডলাইনে গেলে এবং জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের একটি বড় অংশের মুখোমুখি দাঁড়ালে—সেটি কি দেশের জন্য কল্যাণকর হবে? নাকি রাজনীতি আবারও সংঘাতময় হয়ে উঠবে এবং দেশ আবারও একটি বিপদের মুখে পড়বে?

সুতরাং, চব্বিশের অভ্যুত্থানের পরে রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন তথা একটি গণতান্ত্রিক ও সহনশীল দেশ গঠনের যে প্রতীতী জনমনে তৈরি হয়েছিল—সেটি এগিয়ে নিতে হলে বেপরোয়া আচরণ, অসহিষ্ণুতা এবং উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর হতে হবে। অভ্যুত্থানে ভূমিকা ছিল বলেই কিছু লোক যা খুশি করবে বা বলবে—সেটি কোনও যুক্তির কথা হতে পারে না। প্রতিবাদের ভাষা মানেই গালাগাল ও বিষোদ্গার হতে পারে না। বরং অতীতের মতো ক্যাম্পাস দখলে রাখার জন্য ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে রাখা এবং বিরুদ্ধ মত ও আদর্শ নির্মূলের নামে অতীতের মতোই সন্ত্রাসী আক্রমণ অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ এবং তাদের ছাত্র সংগঠনের কথাই মনে করিয়ে দেবে। 

আমীন আল রশীদ: সাংবাদিক ও লেখক

/এপিএইচ/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
বিশ্বের দ্বিতীয় ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের কোম্পানি অ্যাপল, যেভাবে এলো ‘ম্যাজিক ফিগার’
বিশ্বের দ্বিতীয় ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের কোম্পানি অ্যাপল, যেভাবে এলো ‘ম্যাজিক ফিগার’
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি জোরদারে ব্লাস্ট ও ব্র্যাকের সঙ্গে সরকারের সমঝোতা
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি জোরদারে ব্লাস্ট ও ব্র্যাকের সঙ্গে সরকারের সমঝোতা
প্লাস্টিকের চাল ও ডিম: গুজব, বাস্তবতা নাকি খাদ্য নিরাপত্তার নতুন শঙ্কা
প্লাস্টিকের চাল ও ডিম: গুজব, বাস্তবতা নাকি খাদ্য নিরাপত্তার নতুন শঙ্কা
রফতানি খাত বাড়াতে ইসিফরজে প্রকল্প: ১ লাখ ৮০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান 
রফতানি খাত বাড়াতে ইসিফরজে প্রকল্প: ১ লাখ ৮০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান 
সর্বশেষসর্বাধিক