ট্রেজারার পদে আমলা: বিশ্ববিদ্যালয় কি সচিবালয়ের আরেকটি দফতর?

ড. খালিদুর রহমান
১৪ আগস্ট ২০২৬, ১৪:০০আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ১৪:৪৫

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কি ধীরে ধীরে জ্ঞানচর্চার স্বাধীন প্রতিষ্ঠান থেকে আমলাতান্ত্রিক প্রশাসনের সম্প্রসারিত কার্যালয়ে পরিণত হচ্ছে? সম্প্রতি বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার পদে একজন অতিরিক্ত সচিবকে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনায় এই প্রশ্নটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

এটি কোনও ব্যক্তির যোগ্যতা, সততা বা প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়ে বিতর্ক নয়; বরং বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার মৌলিক দর্শন নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বিশ্ববিদ্যালয় কি রাষ্ট্রের একটি স্বায়ত্তশাসিত জ্ঞানপ্রতিষ্ঠান, নাকি সচিবালয়ের আরেকটি প্রশাসনিক ইউনিট? এই প্রশ্নের গুরুত্ব বোঝার জন্য বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান বাস্তবতার দিকে তাকাতে হয়।

দেশে বর্তমানে ৫৫টিরও বেশি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েক লাখ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। হাজার হাজার শিক্ষক শিক্ষা ও গবেষণায় নিয়োজিত, আর প্রতিবছর সরকার উন্নয়ন, অবকাঠামো ও গবেষণায় হাজার হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ করছে। ফলে এই বিশাল ব্যবস্থার সাফল্য অনেকাংশেই নির্ভর করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামো কতটা অ্যাকাডেমিক দর্শন দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে তার ওপর। মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মই হয়েছে স্বাধীন চিন্তা, মুক্ত বিতর্ক, গবেষণা ও জ্ঞান সৃষ্টির পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য। রাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে, অর্থায়ন করে এবং আইনগত কাঠামো নির্ধারণ করে— কিন্তু গবেষণার অগ্রাধিকার, অ্যাকাডেমিক নীতি, জ্ঞানচর্চার দিকনির্দেশনা ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি নির্ধারণের অধিকার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজের। এই দর্শন থেকেই বিশ্বের উন্নত উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনকে অপরিহার্য বলে বিবেচনা করা হয়। কারণ জ্ঞানকে প্রশাসনিক আদেশে পরিচালিত করা যায় না।

বাংলাদেশেও এই ধারণা নতুন নয়। ১৯৭৩ সালে চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষ আইনের মাধ্যমে স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের বিভিন্ন নীতিপত্রেও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসনই বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত মান, জবাবদিহি ও গবেষণার পরিবেশ উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত। একইসঙ্গে আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা রক্ষা করা সম্ভব— এমন অবস্থানও কমিশন বহুবার তুলে ধরেছে।

এই প্রেক্ষাপটেই বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক নিয়োগটি কেবল একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং একটি বৃহত্তর নীতিগত বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কারণ ট্রেজারার কোনও সাধারণ প্রশাসনিক কর্মকর্তা নন। বিশ্ববিদ্যালয় আইনে তিনি বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন, আর্থিক পরিকল্পনা, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগ তদারকি এবং সিন্ডিকেটে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। অর্থাৎ তিনি কেবল হিসাবরক্ষক নন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম কৌশলগত নীতিনির্ধারক।

ফলে এই পদে কাকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, সেটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ পরিচালনার দর্শনেরও প্রতিফলন। এখানে একটি বিষয় শুরুতেই স্পষ্ট করা জরুরি। প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।

তাদের দক্ষতা বা নিষ্ঠা নিয়ে প্রশ্ন তোলা এই আলোচনার উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু একজন দক্ষ আমলা হওয়া এবং একজন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসক হওয়া একই বিষয় নয়। একজন জেলা প্রশাসক যেমন অপারেশন থিয়েটারে গিয়ে সার্জনের ভূমিকা পালন করতে পারেন না, তেমনি একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক নেতৃত্বের বিকল্প হয়ে ওঠেন না। কারণ প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জ্ঞানভিত্তিক সংস্কৃতি, জবাবদিহির কাঠামো এবং পেশাগত বাস্তবতা রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা মানে শুধু নথি অনুমোদন বা বাজেট বাস্তবায়ন নয়। এখানে গবেষণার অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হয়, আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে হয়, নতুন অনুষদ ও গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিতে হয়, মেধাবী শিক্ষক ধরে রাখার কৌশল নির্ধারণ করতে হয় এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সৃজনশীল পরিবেশ নিশ্চিত করতে হয়। এসব সিদ্ধান্ত এমন একজন মানুষের কাছ থেকেই বেশি প্রত্যাশিত, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরের বাস্তবতা, গবেষণার প্রকৃতি এবং একাডেমিক স্বাধীনতার মূল্য গভীরভাবে উপলব্ধি করেন।

এই ধরনের নিয়োগের প্রভাব কেবল প্রশাসনিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকে না— এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ মনস্তত্ত্বেও গভীর ছাপ ফেলে। একজন শিক্ষক দীর্ঘদিন গবেষণা করেন, আন্তর্জাতিক সাময়িকীতে প্রবন্ধ প্রকাশ করেন, গবেষণা প্রকল্প পরিচালনা করেন এবং বিভাগীয় প্রধান, ডিন, সিন্ডিকেট সদস্য কিংবা একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। অনেকেই বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং প্রফেসর বা গবেষক হিসেবেও কাজ করেন। এরপরও যখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে তাদের পরিবর্তে বাইরের একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—বিশ্ববিদ্যালয় কি তার নিজের শিক্ষক সমাজের নেতৃত্বের সক্ষমতার ওপর আস্থা হারিয়েছে?

এই প্রশ্নের তাৎপর্য ব্যক্তিগত হতাশার চেয়ে অনেক বড়। এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক বার্তা বহন করে। সেই বার্তা হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে প্রশাসনিক নেতৃত্ব তৈরির প্রক্রিয়াকে যথেষ্ট বলে মনে করা হচ্ছে না।

দীর্ঘমেয়াদে এই ধারণা মেধাবী শিক্ষকদের প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণের আগ্রহ কমিয়ে দিতে পারে। ফলস্বরূপ বিশ্ববিদ্যালয় এমন এক চক্রে আবদ্ধ হতে পারে, যেখানে অভ্যন্তরীণ নেতৃত্ব বিকাশের পরিবর্তে বাইরের নেতৃত্বের ওপর নির্ভরশীলতা ক্রমেই বাড়তে থাকবে।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। দেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্রশিল্প মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশেরও বেশি অবদান রাখে। এই শিল্পের জন্য দক্ষ প্রকৌশলী, গবেষক ও উদ্ভাবক তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভূমিকা অপরিসীম। নতুন প্রযুক্তি, টেকসই উৎপাদন, পরিবেশবান্ধব বস্ত্র, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক উৎপাদন ব্যবস্থা এবং উচ্চমূল্যের টেক্সটাইল পণ্যের গবেষণায় ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্বও অনেকাংশে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের। তাই এমন একটি প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক নেতৃত্বে একাডেমিক অভিজ্ঞতার গুরুত্ব অন্য অনেক প্রতিষ্ঠানের তুলনায় আরও বেশি।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাও একই শিক্ষা দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা বা সমমানের পদে সাধারণত এমন ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হয়, যাদের বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা, উচ্চশিক্ষার অর্থনীতি বা একাডেমিক প্রশাসনে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। যুক্তরাজ্যেও ট্রেজারার বা ফাইন্যান্স কমিটির নেতৃত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়, যেখানে আর্থিক দক্ষতার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা পরিচালনার অভিজ্ঞতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক সিদ্ধান্ত কখনোই শুধু হিসাবরক্ষণ নয়— এটি গবেষণা, শিক্ষার মান, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক কৌশলের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।

এর পরও বাংলাদেশে প্রায়ই একটি যুক্তি শোনা যায়— প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা দক্ষ প্রশাসক, তাই তারা যেকোনও প্রতিষ্ঠান দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে পারবেন। যুক্তিটি শুনতে আকর্ষণীয় হলেও বাস্তবতা ভিন্ন। বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য কেবল প্রশাসনিক দক্ষতা যথেষ্ট নয়। একজন অভিজ্ঞ ব্যাংকারকে যদি একটি মেডিক্যাল কলেজের একাডেমিক নেতৃত্ব দেওয়া হয়, অথবা একজন প্রকৌশলীকে জাতীয় জাদুঘরের কিউরেটর বানানো হয়, তাহলে যেমন প্রশ্ন উঠবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও একই প্রশ্ন স্বাভাবিক।

অবশ্যই রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা থাকা উচিত। সরকার অর্থায়ন করবে, উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তা দেবে এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করবে। কিন্তু সহযোগিতা আর নিয়ন্ত্রণ এক বিষয় নয়। উন্নত উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা বলছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আস্থা যত বাড়ে, জবাবদিহিও তত শক্তিশালী হয়। বিপরীতে অতিরিক্ত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ অনেক সময় দক্ষতা বাড়ানোর বদলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতাকে সংকুচিত করে।

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান এখনও প্রত্যাশিত নয়। গবেষণা প্রকাশনা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, পেটেন্ট, উদ্ভাবন এবং বিদেশি শিক্ষার্থী আকর্ষণের ক্ষেত্রেও আমাদের অনেক পথ অতিক্রম করতে হবে। এই বাস্তবতায় প্রয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, গবেষণায় বিনিয়োগ, মেধাবী শিক্ষক ধরে রাখা এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি রাষ্ট্রের আস্থা আরও সুদৃঢ় করা। নেতৃত্বের ক্ষেত্রে যদি অ্যাকাডেমিক অভিজ্ঞতার পরিবর্তে অন্য পরিচয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, তবে সেই লক্ষ্য অর্জন আরও কঠিন হয়ে পড়বে।

তাই বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক নিয়োগকে বিচ্ছিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ খুব কম। আজ প্রশ্ন উঠেছে ট্রেজারার পদ নিয়ে; আগামীকাল একই প্রশ্ন উপাচার্য, উপ- উপাচার্য কিংবা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদ নিয়েও উঠতে পারে। সেই কারণেই এখনই একটি সুস্পষ্ট, স্বচ্ছ ও যোগ্যতাভিত্তিক নীতিমালা প্রয়োজন, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অ্যাকাডেমিক অভিজ্ঞতা, উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা, গবেষণায় অবদান এবং বিশ্ববিদ্যালয় সমাজের আস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

কারণ বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হলে তাকে সচিবালয়ের আরেকটি দফতরে পরিণত করা যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয়কে শক্তিশালী করার অর্থ শুধু নতুন ভবন নির্মাণ বা বাজেট বৃদ্ধি নয়— তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো তার প্রাতিষ্ঠানিক আত্মাকে অক্ষুণ্ন রাখা। সেই আত্মা গড়ে ওঠে স্বাধীন চিন্তা, মুক্ত গবেষণা, অ্যাকাডেমিক নেতৃত্ব এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসনের ওপর। এই চারটি স্তম্ভ দুর্বল হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে শুধু একটি বিশ্ববিদ্যালয় নয়; ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি, উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সম্ভাবনাও।

লেখক: অধ্যাপক, পরিসংখ্যান বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

/এপিএইচ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আজ শেষ দিন নাছিরের
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আজ শেষ দিন নাছিরের
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের যে সেঞ্চুরি আগে কেউ দেখেনি
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের যে সেঞ্চুরি আগে কেউ দেখেনি
ইন্টারনেটকে দিয়েই ইন্টারনেটের স্বাধীনতার প্রতিবাদ!
ইন্টারনেটকে দিয়েই ইন্টারনেটের স্বাধীনতার প্রতিবাদ!
ওয়াশিংটনের মাটির নিচে রহস্যময় গুহা
ওয়াশিংটনের মাটির নিচে রহস্যময় গুহা
সর্বশেষসর্বাধিক