খালেদা জিয়ার জামিন খারিজ, বিএনপি এখন কী করবে?

Send
এরশাদুল আলম প্রিন্স
প্রকাশিত : ১৬:২৪, মার্চ ০১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৫০, মার্চ ০১, ২০২০

এরশাদুল আলম প্রিন্সজিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, এর আগেও তার (খালেদা জিয়া) জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। এবারের আবেদনে নতুন কিছু পেলাম না। এ কারণে জামিন আবেদনটি খারিজ করা হলো।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য বিএনপির আইনজীবীরা কয়েক দফা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। সম্প্রতি প্যারোল না জামিন, এ নিয়ে রাজনীতিতে কথা হয়েছে।
বিএনপি নেতারা বরাবরই বলে এসেছেন আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তারা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবেন। এদিকে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরাও বলেছেন, আইনের পথে তাকে মুক্ত করার আর পথ নেই। সরকার আগেও বলেছে, এখনও বলছে, খালেদা জিয়ার মুক্তির একটাই পথ খোলা আছে। তিনি যদি রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করেন, তবে ক্ষমা পেতে পারেন। রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করলে আসামিকে আগে নিজের দোষ স্বীকার করে নিতে হয়। খালেদা জিয়া কি নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেবেন?

আইন সবার জন্য সমান। এটি আইনের কথা। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন হতে পারে। কারণ, রাজনীতি ও ক্ষমতার চেয়ে বড় বাস্তবতা আর নাই। রাজনীতির মাঠে নাজমুল হুদার জামিন পাওয়া যত সহজ, খালেদা জিয়ার জামিন পাওয়া ততই কঠিন।

আইনে দুই প্রকার মামলার কথা আছে—দেওয়ানি মামলা ও ফৌজদারি মামলা। কিন্তু আমাদের দেশে এই দুই পদের মামলার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ এক ধরনের ‘মামলা’ আছে—‘রাজনৈতিক মামলা’। কোনও অপরাধ রাজনীতিবিদরা করলে তাকে রাজনৈতিক মামলা বলা হয়। কিন্তু এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, এসব মামলার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকে। আমাদের দেশে সব সরকারের আমলেই রাজনৈতিক মামলার নজির আছে। খালেদা জিয়ার মামলাটিও করেছিল ১/১১ এর সরকার।

আমাদের দেশের রাজনৈতিক মামলাগুলো একটা পর্যায় পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে। সাধারণত, মামলায় হাজিরা, জামিন, শুনানি, আপিল, রিভিউ, রিভিশন, মামলা স্থগিত ও পুনরুজ্জীবন—এসবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে রাজনৈতিক মামলাগুলোর কার্যধারা। বিরোধী দলের নেতা নেত্রীদের এসব কার্যধারার মধ্যেই ব্যস্ত থাকতে হয়। অপরাধ আসল হোক বা নকল, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যই এসব মামলার মূল কারণ।

সময় এখন কঠিন। আগে রাজনৈতিক মামলার রাজনৈতিক ফায়সালা হতো। সরকারকে চাপে রেখে রাজনৈতিক মামলাকে চেপে রাখা হতো। সরকার মামলা প্রত্যাহার না করলেও বিরোধী দলের চাপে ওইসব মামলা নিয়ে খুব একটা নাড়াচাড়া করতো না। কিন্তু বিএনপি এখন কঠিন সময় পার করছে। তারা সরকারের ওপর কোনও চাপই সৃষ্টি করতে পারছে না। চাপ সৃষ্টিতো পরের কথা, রাজনীতির মাঠে দাঁড়াতেই পারছে না। বিএনপি বলছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে খালেদা জিয়া কারাগারে। কিন্তু তারপরও এই রাজনৈতিক প্রতিহংসার রাজনৈতিক প্রতিষেধক বিএনপির হাতে নেই। ফলে, খালেদা জিয়াকে আইনি প্রক্রিয়ায়ই মুক্ত করতে হবে। রাজনৈতিক কায়দায় তাকে মুক্ত করার রাজনৈতিক শক্তি বিএনপির আজ নেই।

কিন্তু তাকে আইনগতভাবে মুক্তিরই বা উপায় কী? আদালত আইনানুযায়ী চলেন। আদালত দণ্ড দিলে খুব কম ক্ষেত্রেই সে একই আদালত আসামিকে মুক্তি দেন। স্বপ্রণোদিত হয়ে দণ্ডদানকারী আদালত আসামিকে মুক্তি দেন না। এছাড়া আদালত রায় বাতিলও করতে পারেন না। আদালত রিভিউ, রিভিশন করতে পারেন।

আদালতের ক্ষমতা সীমিত থাকলেও নির্বাহী বিভাগের কাছে কিছু ক্ষমতা থাকে। কিন্তু রাষ্ট্রের এ নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা প্রয়োগও আইনানুযায়ী হওয়া চাই। বাংলাদেশের বিদ্যমান আইনি ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় নির্বাহী বিভাগের সে ক্ষমতা শুধু রাজনৈতিক কারণে ও রাজনৈতিকভাবেই ব্যবহার হয়ে থাকে। ফলে, নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগে খালেদা জিয়ার মুক্তি হতে হলে সরকারের কাছে সুবিধাজনক হতে হবে। না হলে সরকার তার নির্বাহী ক্ষমতার প্রয়োগ কেন করবে?

আইন বলছে, রাষ্ট্রপক্ষ চাইলে যেকোনও কার্যধারা থেকেই নিজেকে প্রত্যাহার করে নিতে পারে। মামলার যেকোনও পর্যায়েই এটা হতে পারে। রায়ের আগে হতে পারে, পরেও হতে পারে। রায়ের পরে হলে আসামির দণ্ড হ্রাস বা মওকুফ করা হয়। এখন খালেদা জিয়ার দণ্ড হ্রাস বা মওকুফ করা হলেও তার অপরাধ মুছে যাবে না, কারণ, বিদ্যমান বিচার প্রক্রিয়ায় তার বিচার হয়ে দণ্ড হয়েছে। আইনের কাছে তিনি অপরাধী হয়েই থাকবেন। রাষ্ট্রপতির ক্ষমার ক্ষেত্রেও বিষয়টি সে রকমই। রাষ্ট্রপতির ক্ষমা যেমন তার বিশেষাধিকার, মামলার ক্ষেত্রে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া রাষ্ট্রের বিশেষাধিকার। এখন এই বিশেষাধিকার রাষ্ট্র প্রয়োগ করবে কী করবে না, সেটি রাষ্ট্রের এখতিয়ার। রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। কাজেই রাষ্ট্রের রাজনীতি আছে, এটা রাষ্ট্রবিজ্ঞানেরই ভাষ্য। আর রাষ্ট্র সব সময়ই সরকারি দল করে, সব আমলেই। সুতরাং যেভাবেই বলি না কেন, খালেদা জিয়ার আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্তি মিললেও তা রাজনৈতিক পথেই হতে হবে। কারণ, নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতার রাজনৈতিক প্রয়োগের মাধ্যমেই রাজনৈতিক মামলার ফায়সালা হয়। নির্বাহী ক্ষমতার রাজনীতি নিরপেক্ষ প্রয়োগের নজির আমাদের নেই।

কথা হচ্ছিল খালেদা জিয়ার প্যারোল বা জামিন নিয়ে। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেছিলেন, খালেদা জিয়ার জামিনের নতুন গ্রাউন্ড (কারণ) সৃষ্টি হয়েছে। তাই এবার তারা আদালতের কাছে জামিন পাবেন বলে আশা করেছিলেন। আদালত আজ বলেছেন, খালেদা জিয়ার জামিনের কোনও নতুন কারণ আসামিপক্ষ দেখাতে পারেনি। যদি তাই হয়, তাহলে বিএনপি কেন এ হৈচৈ করলো? এ থেকে তো তাদের কোনও রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল হয়নি। বরং মুক্তির পথকে আরও কঠিন করে ফেলছেন। খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে বিএনপির রাজনৈতিক ফাঁকা বুলি কোনও কাজেই আসেনি। তবে এবারে সরকারের রেসপন্স দেখে মনে হয়েছিল সরকার নিজেও একটা এক্সিট খুঁজছে। খালেদা জিয়া জামিন পেলে তাদের কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু বিএনপি তাহলে আদালতে কেন গেলো, ও কী পেল?

খালেদা জিয়ার অবস্থা খুব একটা ভালো না। সরকার চেয়েছে খালেদা জিয়াকে দণ্ড দিতে, তার অপরাধ প্রমাণ করতে। সরকারের ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে খালেদা জিয়া দণ্ডও ভোগ করেছেন এক বছর। কাজেই আইনি প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক অর্জন যা পাওয়ার তা সরকার পেয়েছে। এখন যদি খালেদা জিয়া বের হয়ে আসেন তাতে সরকারের হারানোর কিছু নেই। সরকার এ কথা বলতেই পারবে যে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া এক দণ্ডিত আসামি।

এছাড়া খালেদা জিয়া বের হয়ে এলে রাজনীতির মাঠ গরম হয়ে যাবে, এ ভয় আওয়ামী লীগের থাকার কথা নয়। খালেদা জিয়াকে গুলশানে বন্দি করে, গ্রেফতার করে এবং শেষ পর্যন্ত কারাগারে পাঠিয়ে সরকার বিএনপি কর্মীদের পালস্ চেক করে ফেলেছে। ফলে খালেদা জিয়া এখন কারাগারের বাইরে না ভেতরে তা সরকারকে খুব একটা ভাবাবে না বলেই মনে হয়। তবে তারপরও খালেদার মুক্তিতে রাজনীতিতে কিছুটা সজীবতা, উষ্ণতা, উত্তেজনা বিরাজ করবে, সরকার হয়তো সে উষ্ণতাটাও আর প্রত্যাশা করে না। গর্জন তো নয়ই, সরকার এখন হৈচৈমুক্ত রাজনৈতিক ময়দানে অভ্যস্ত হয়ে গেছে।

খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে সরকারের অনীহা না থাকার আরেকটি কারণ সরকারবিরোধী চক্র যাতে কখনও বলতে না পারে, সরকার খালেদা জিয়াকে বিনা চিকিৎসায় রেখেছে। সরকার খালেদা জিয়ার সরকারি চিকিৎসা করে যাচ্ছে। অকারণে সরকার এ অভিযোগ কেন নেবে? কিন্তু তারপরও বিরোধীরা যাতে বলতে না পারে যে সরকার খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা দেয়নি। হয়তো সরকার সে কারণে খালেদার মুক্তি নিয়ে কিছুটা নমনীয়। এছাড়া আরেকটি বিষয় হচ্ছে, কারাগারই খালেদা জিয়ার শেষ ঠিকানা হলে সেটি অকারণেই আওয়ামী লীগ তথা সরকারকে বিব্রত করতে পারে। রাজনৈতিক মামলার রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে গিয়ে অকারণে বেশি দায় নেওয়া কোনও কাজের কথা নয়।

যেহেতু আইনি প্রক্রিয়ায় খালেদা জিয়ার বিচার ও দণ্ড নিশ্চিত হয়েছে, কাজেই এ মামলার রাজনৈতিক সুবিধা সরকার নেবে ও ভবিষ্যতেও নিতে পারবে। কাজেই অকারণে খালেদা জিয়ার মুক্তি সংশ্লিষ্ট অভিযোগের বোঝা সরকার কেন বহন করবে? ফলে খালেদা জিয়ার প্যারোল বা জামিন যা-ই বলি না কেন, দুটিই সরকার ও বিএনপির জন্য একটি উইন-উইন অবস্থা। এখান থেকে নতুন করে কারও হারানোর কিছু নেই। সরকার যা পাওয়ার পেয়েছে, বিএনপির যা হারাবার হারিয়েছে। কিন্তু সমস্যাটি হলো মুক্তির এই প্রক্রিয়াটি কী? খালেদা জিয়ার জামিন খারিজ আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্তির পথকে নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। এজন্য বিএনপিই দায়ী। আদালতের কাছে সন্তোষজনক কারণ উপস্থাপন না করতে পেরে বাইরে বাগাড়ম্বর কোনও কাজে দেবে না।

সরকার হয়তো এখন খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে চায়। জামিন আবেদন খারিজ হওয়ায় এখন বাকি রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা। এছাড়া সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির বিশেষাধিকার। কিন্তু কী প্রক্রিয়ায় সেই মুক্তি, সেটি নিয়েই তলে তলে সরকার ও বিএনপির এখন কাজ করতে হবে। পর্দার অন্তরালের এ প্রক্রিয়ায় এখন সরকারের চিন্তা থাকবে বিএনপি কিছুতেই যাতে বলতে না পারে যে তারা আন্দোলন করে বা সরকারকে বেকায়দায় ফেলে খালেদা জিয়াকে জেলের তালা ভেঙে বের করে এনেছে। যদিও একথা বললেও কেউ বিশ্বাস করবে না। আর বিএনপির চিন্তা, সরকার যাতে কিছুতেই বলতে না পারে তারা নাকে খত দিয়ে, রাজনৈতিক দেন-দরবার করে ম্যাডামকে বের করে এনেছে। আর সরকার বললেও পাবলিক যাতে কিছুতেই বিএনপির এ নাকে খত দেওয়া বুঝতে না পারে।

যাই হোক, বিদ্যমান আইন বলছে, নারী, বিশেষ করে তিনি যদি প্রবীণ নাগরিক হন এবং তার স্বাস্থ্য সমস্যা থাকে, তাহলে তিনি জামিন পেতে বিশেষ বিবেচনার হকদার। কিন্তু বিএনপি এখনও খালেদা জিয়ার জামিন বা প্যারোলের জন্য নির্বাহী বিভাগ বা সরকারের কাছে আবেদন করেনি। আদালতকেও আজ সন্তুষ্ট করতে পারেনি। কাজেই এখন বিএনপিকে সরকারকে সন্তুষ্ট করেই খালেদা জিয়ার মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।

এখন বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে, এটা নিয়ে সংশয়। সরকারের কাছে প্যারোলোর আবেদন করলেই সরকার বলবে বিএনপি আবেদন করেছে। কাজেই বিএনপি ছোট হয়ে গেছে। সে কারণে বিএনপিও এখন পর্যন্ত কোনও আবেদন করেনি। বিষয়টি প্রকাশ্য হয় যখন মির্জা ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়ার প্যারোলের বিষয়টি তার পরিবারের সিদ্ধান্ত। অর্থাৎ প্যারোলের আবেদন যদি করে তাহলে খালেদা জিয়ার পরিবার করবে। সরকারের কাছে ছোট হলে তার পরিবার হবে, দল হিসেবে বিএনপি আওয়ামী লীগের কাছে ছোট হবে না! আসলে বিএনপির এ ভাবনা অন্তসারশূন্য। এর কোনও মেরিট নেই। আইনি প্রক্রিয়াকে সন্তুষ্ট না করতে পারলে, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে সন্তুষ্ট করেই ম্যাডামকে মুক্ত করতে হবে। এটা সবাই বোঝে।

আসলে আমাদের রাজনীতি আটকে গেছে এক ইগোর খেলায়। রাজনৈতিক ইগোর কারণে একজন বিরোধী নেত্রী দেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য নিজের গেটের তালা পর্যন্ত খোলেননি। প্রধানমন্ত্রীকে ফিরে যেতে হয়েছে দেখা না করেই। বিরোধী নেত্রী খালেদা জিয়ার জেলের তালাও আজ বন্ধ আছে সেই একই কারণে। ইগোর তালা ভেঙে আমাদের রাজনীতি আলোর মুখ কবে দেখবে, সেটাই বড় প্রশ্ন। খালেদা জিয়া হয়তো প্যারোলে মুক্তি পেলেও পেতে পারেন, নয়তো রাষ্ট্রপতির ক্ষমায়। কিন্তু আমাদের রাজনীতি কি কোনোদিন অন্তত প্যারোলে মুক্তি পাবে? ইতিহাস সাক্ষী, আজকের জয়-পরাজয় কোনোটাই চূড়ান্ত জয়-পরাজয়ের নির্ধারক নয়। দূরদর্শিতাই আগামীর জয়-পরাজয়ের নির্ধারক। খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য এটা আগে বুঝতে হবে বিএনপিকে, আর ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য আওয়ামী লীগকে।

লেখক: আইনজীবী ও কলামিস্ট

 

/এসএএস/এমএমজে/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

লাইভ

টপ