র‍্যাব থেকে এসআরবি: নাম বদলই নয়, প্রয়োজন জবাবদিহির নতুন সংস্কৃতি 

আবু আহমেদ ফয়জুল কবির
১২ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০

রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কিন্তু সেই দায়িত্ব পালনের ক্ষমতাও আইনের সীমার মধ্যে থাকতে হয়। কারণ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিরাপত্তা ও মানবাধিকার পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং একটি আরেকটির শর্ত। যে রাষ্ট্র নাগরিককে নিরাপদ রাখতে গিয়ে তার জীবন, স্বাধীনতা ও মর্যাদাকেই অনিরাপদ করে তোলে, শেষ পর্যন্ত সেই রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বৈধতাই প্রশ্নের মুখে পড়ে।

এই জায়গা থেকেই র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র‍্যাব থেকে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বা এসআরবি করার উদ্যোগটি দেখা প্রয়োজন। প্রশ্নটি তাই শুধু একটি বাহিনীর নাম বদল হচ্ছে কিনা, তা নয়। আসল প্রশ্ন হলো— রাষ্ট্র কি গত দুই দশকের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ক্ষমতা প্রয়োগ, তদারকি, তদন্ত ও জবাবদিহির কাঠামোয় সত্যিকার পরিবর্তন আনতে চাইছে?

র‍্যাব প্রতিষ্ঠার আইনি ভিত্তি ছিল ‘দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিনেন্স, ১৯৭৯’-এ সংশোধন। সেই আইনে র‍্যাবের দায়িত্ব, ক্ষমতা ও কার্যক্রমের কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু কোথাও বিচারবহির্ভূত হত্যা, ‘ক্রসফায়ার’, নির্যাতন কিংবা জোরপূর্বক গুম করার ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। বরং এসব কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের সংবিধান ও প্রচলিত ফৌজদারি আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। অর্থাৎ র‍্যাবের আইনে এমন অপরাধ করার এখতিয়ার ছিল না।

কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা ভিন্ন প্রশ্ন সামনে এনেছে। গত দুই দশকে র‍্যাবের বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্যাতন ও জোরপূর্বক গুমের গুরুতর অভিযোগ ধারাবাহিকভাবে উঠেছে। এসব অভিযোগ শুধু দেশের মানবাধিকার সংগঠন বা ভুক্তভোগী পরিবারের বক্তব্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি—জাতিসংঘের বিভিন্ন মানবাধিকার প্রক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার নথিতেও এসেছে।

এখানেই সমস্যাটির গভীরতা। আইন কোনও অপরাধের অনুমতি দেয়নি, এ কথা বলা যথেষ্ট নয়। প্রশ্ন হলো, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলে রাষ্ট্র কী করেছে। অভিযোগের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত হয়েছে কিনা, তদন্তের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে কিনা, দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে কিনা এবং একই ধরনের ঘটনা যাতে পুনরায় না ঘটে, তার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা—এসব প্রশ্নের উত্তরই রাষ্ট্রের জবাবদিহির মান নির্ধারণ করে। এসআরবি আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে তাই র‍্যাবের অভিজ্ঞতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হওয়া উচিত।

প্রস্তাবিত স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬-এর খসড়াটি এই দৃষ্টিকোণ থেকেই দেখা দরকার। খসড়ায় এসআরবিকে বাংলাদেশ পুলিশের অধীন একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে গঠনের কথা বলা হয়েছে।

বাহিনীর দায়িত্বের মধ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বেআইনি অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, সন্ত্রাসবাদ দমন, মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনসহ বিভিন্ন দায়িত্ব রাখা হয়েছে। পাশাপাশি শিশু ও নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, পাচার এবং অন্যান্য গুরুতর অপরাধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও রয়েছে।

অর্থাৎ নতুন বাহিনীর দায়িত্ব কমছে না, বরং অনেক ক্ষেত্রে ক্ষমতার পরিধি বিস্তৃত হচ্ছে। আর এখানেই মানবাধিকার প্রশ্নটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ক্ষমতা যত বাড়বে, জবাবদিহির ব্যবস্থাও তত শক্তিশালী হতে হবে।

খসড়ায় নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতারের ক্ষমতার কথা রয়েছে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে পরোয়ানা ছাড়াও ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। এই ধরনের ক্ষমতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় হতে পারে। কিন্তু মানবাধিকার সুরক্ষার প্রশ্নে শুধু ক্ষমতা দেওয়াই যথেষ্ট নয়—সেই ক্ষমতা ব্যবহারের সুস্পষ্ট সীমা, নথিভুক্তি, তদারকি এবং প্রতিকারের ব্যবস্থাও থাকতে হবে।

বিশেষ করে পরোয়ানা ছাড়া তল্লাশি বা গ্রেফতারের মতো ক্ষমতা ব্যবহারের ক্ষেত্রে আইনকে আরও স্পষ্ট হতে হবে—কোন পরিস্থিতিতে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবে, কীভাবে কারণ নথিভুক্ত হবে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারকে কখন জানানো হবে, তাকে কোথায় রাখা হবে, আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ কীভাবে নিশ্চিত হবে এবং বেআইনি গ্রেফতার বা তল্লাশির বিরুদ্ধে প্রতিকার কোথায় পাওয়া যাবে। এসব প্রশ্নের উত্তর অস্পষ্ট থাকলে বিস্তৃত ক্ষমতা নাগরিকের অধিকারের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো—ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা। খসড়ায় এসআরবিকে বিভিন্ন অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। কিন্তু যে বাহিনী অভিযান পরিচালনা করবে, গ্রেফতার করবে এবং একইসঙ্গে তদন্তও করবে, তার বিরুদ্ধে যখন অভিযোগ উঠবে, তখন সেই অভিযোগের তদন্ত কে করবে—এটি নতুন আইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর একটি। র‍্যাবের অভিজ্ঞতা আমাদের দেখিয়েছে—বাহিনীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে স্বাধীন তদন্ত ও জবাবদিহির প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। ফলে এসআরবি সদস্যদের বিরুদ্ধে হত্যা, নির্যাতন, হেফাজতে মৃত্যু, জোরপূর্বক গুম কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠলে তা একই বাহিনীর অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থায় সীমাবদ্ধ না রেখে স্বাধীন তদন্ত ব্যবস্থার অধীনে আনা প্রয়োজন।

খসড়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অভিযোগ প্রতিকার কমিটি। এতে নাগরিকদের অভিযোগ এবং বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক উদ্যোগ। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই কমিটি কতটা স্বাধীন হবে?

অভিযোগের তদন্তে তার কতটা ক্ষমতা থাকবে? তার সুপারিশ কি বাধ্যতামূলক হবে? ভুক্তভোগী কি তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিকার চাইতে পারবেন? এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, বাহিনীর সদস্যের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ উঠলে এই কমিটি কি স্বাধীন ফৌজদারি তদন্তের বিকল্প হয়ে উঠবে?

আমার বিবেচনায়, অভিযোগের প্রতিকার ব্যবস্থা থাকা জরুরি, কিন্তু সেটি স্বাধীন ফৌজদারি তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার বিকল্প হতে পারে না। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের দায়িত্ব শুধু অভিযোগ গ্রহণ করা নয়—সত্য উদ্ঘাটন, দায় নির্ধারণ এবং প্রতিকার নিশ্চিত করাও।

আরেকটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ- র‍্যাবের সদস্য, সম্পদ, মামলা ও অন্যান্য কার্যক্রম নতুন বাহিনীতে স্থানান্তরের প্রস্তাব। প্রশাসনিক ধারাবাহিকতার জন্য এটি প্রয়োজনীয় হতে পারে। কিন্তু মানবাধিকার বিচারে এখানে একটি মৌলিকনীতি অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। কেননা, প্রতিষ্ঠানের নাম বদলালেই অতীতের দায় শেষ হয় না।

কোনও র‍্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে অতীতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ থাকলে এসআরবিতে যোগদানের মাধ্যমে সেই অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়ে যেতে পারে না। বরং অতীতের অভিযোগ, মামলা, তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে হবে। র‍্যাবের সম্পদ ও দায়িত্ব যেমন নতুন প্রতিষ্ঠানে যাবে, তেমনই অতীতের গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের জবাবদিহির প্রশ্নও অমীমাংসিত রাখা যাবে না।

এই জায়গায় এসআরবি আইন একটি ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি করতে পারে। আইনটিতে স্পষ্ট করা যেতে পারে—গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে কোনও সদস্যের বিরুদ্ধে স্বাধীন তদন্ত বাধাগ্রস্ত করা যাবে না, কমান্ড পর্যায়ের দায়ও তদন্তের আওতায় আসবে। বেআইনি আদেশ পালনকে দায়মুক্তির কারণ হিসেবে গ্রহণ করা হবে না, এবং ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

কারণ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যও আইনের অধীন নাগরিক। তিনি রাষ্ট্রের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, কিন্তু সেই ক্ষমতার মালিক নন। তার ক্ষমতা জনগণের কাছ থেকে, সংবিধান ও আইন থেকে আসে। ফলে সেই ক্ষমতার অপব্যবহার হলে জবাবদিহিও হতে হবে জনগণ ও আইনের কাছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ ও জবাবদিহির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার করেছে।

অতীতের গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় জবাবদিহির প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার ঘটনাকেও জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি ন্যায়বিচার, যথাযথ প্রক্রিয়া এবং ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ফলে এসআরবি আইন কেবল একটি নতুন বাহিনী তৈরির আইন নয়—এটি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার ও সাংবিধানিক মানবাধিকার সুরক্ষার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত। এসআরবি আইন তাই কেবল বাহিনীর ক্ষমতা নির্ধারণের আইন হলে চলবে না, এটিকে ক্ষমতার ওপর নিয়ন্ত্রণের আইনও হতে হবে।

নতুন আইনে অন্তত কয়েকটি বিষয় স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করা জরুরি। প্রথমত, বাহিনীর বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে সম্পূর্ণ স্বাধীন ব্যবস্থা থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, জোরপূর্বক গুম, নির্যাতন, বিচারবহির্ভূত হত্যা কিংবা হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগের ক্ষেত্রে কোনও প্রাতিষ্ঠানিক দায়মুক্তি থাকতে পারে না। তৃতীয়ত, গ্রেফতার, তল্লাশি ও হেফাজতের প্রতিটি পর্যায়ে বাধ্যতামূলক নথিভুক্তি ও রেকর্ড সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। চতুর্থত, বলপ্রয়োগের ক্ষেত্রে আইনসম্মততার নীতি বাধ্যতামূলক করতে হবে। পঞ্চমত, অভিযোগকারী, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এর সঙ্গে প্রয়োজন কার্যকর সংসদীয় ও বিচারিক তদারকি এবং নিয়মিত জনসম্মুখে প্রতিবেদন প্রকাশ।

একটি বিশেষায়িত বাহিনী কতজনকে গ্রেফতার করেছে, কতটি অভিযান চালিয়েছে—শুধু তা জানলেই হবে না; কতটি অভিযোগ উঠেছে, কতটি তদন্ত হয়েছে এবং কতজন সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সেই তথ্যও জনগণকে জানতে হবে।

শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি র‍্যাব থাকবে কী থাকবে না, কিংবা নতুন বাহিনীর নাম এসআরবি হবে নাকি অন্য কিছু—এখানে আটকে থাকলে চলবে না। প্রশ্ন হলো, রাষ্ট্র কি এমন একটি নিরাপত্তা বাহিনী তৈরি করতে পারবে, যে বাহিনী অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর হবে, কিন্তু আইনের বাইরে যাবে না—যার হাতে ক্ষমতা থাকবে, কিন্তু সেই ক্ষমতার ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণও থাকবে; যে বাহিনী রাষ্ট্রের নির্দেশ পালন করবে, কিন্তু অসাংবিধানিক নির্দেশকে আইন বলে মেনে নেবে না।

র‍্যাবের দুই দশকের অভিজ্ঞতা আমাদের সবচেয়ে বড় যে শিক্ষা দেয় তা হলো—আইনে কোনও অপরাধের অনুমতি না থাকাই যথেষ্ট নয়। আইন লঙ্ঘন করলে তাকে থামানোর মতো প্রতিষ্ঠান, স্বাধীনভাবে তদন্ত করার মতো ব্যবস্থা এবং ভুক্তভোগীকে ন্যায়বিচার দেওয়ার মতো রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা থাকতে হয়।

নাম বদল সহজ। পোশাক বদলও সহজ। কাঠামো বদলও সম্ভব। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি বদলানোই সবচেয়ে কঠিন। তাই এসআরবি আইন প্রণয়নের সময় সবচেয়ে জরুরি প্রশ্ন হওয়া উচিত—নতুন বাহিনী কতটা শক্তিশালী হবে তা নয়; বরং এই বাহিনীর শক্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ কতটা শক্তিশালী হবে, তার ওপর।

লেখক: মানবাধিকার কর্মী

/এপিএইচ/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে দেশের সেরা জেলা-বিভাগ কোনটি 
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে দেশের সেরা জেলা-বিভাগ কোনটি 
আজ পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা
আজ পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা
চাঁদ দেখা কমিটির সভা বৃহস্পতিবার
চাঁদ দেখা কমিটির সভা বৃহস্পতিবার
সাভারে মাঠে বোমার মতো দেখতে প্রেশার কুকার, ঘিরে রেখেছে পুলিশ
সাভারে মাঠে বোমার মতো দেখতে প্রেশার কুকার, ঘিরে রেখেছে পুলিশ
সর্বশেষসর্বাধিক