ওমান কি মধ্যপ্রাচ্যের ‘সুইজারল্যান্ড’ থাকতে পারবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৮ জুন ২০২৬, ১২:০২আপডেট : ০৮ জুন ২০২৬, ১২:০২

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ঐতিহাসিক বন্ধের মুখে পড়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত যেমন উপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ভূগোলকে নতুন করে সাজাচ্ছে, ঠিক তেমনি মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে ওমানের অবস্থানকে এক ধাক্কায় অনেক উঁচুতে তুলে ধরেছে। সমুদ্রপথের এই অচলাবস্থার কারণে এখন নতুন আঞ্চলিক বাণিজ্য করিডোর তৈরির বিষয়ে বিশ্বজুড়ে আগ্রহ তৈরি হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সংবাদমাধ্যম আল মনিটর এ খবর জানিয়েছে।

তুরস্কের পরিবহন ও অবকাঠামো মন্ত্রী আবদুলকাদির উরালোলু জানান, আঙ্কারা ঐতিহাসিক হেজাজ রেলওয়েকে আধুনিকায়ন করতে চায় এবং শেষ পর্যন্ত তা ওমান পর্যন্ত সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা করছে, যা হরমুজ প্রণালির একটি কৌশলগত বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। যুদ্ধকালীন সামুদ্রিক প্রতিবন্ধকতার মাঝে এ ধরনের রুটের সম্ভাব্যতা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, তবে কেবল এই আলোচনাটুকুই প্রমাণ করে যে উপসাগরীয় অঞ্চলের বাণিজ্য কাঠামোতে সুলতানি এই দেশটির গুরুত্ব কতটা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অবশ্য তুরস্কের এই প্রস্তাব এমন এক সময়ে এসেছে, যখন মাস্কট এই যুদ্ধ থেকে বড় ধরণের কূটনৈতিক ধাক্কাও খাচ্ছে। এর ঠিক এক সপ্তাহ আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক অবিশ্বাস্য হুঁশিয়ারি দিয়ে ওমানকে ‘উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি দেন। ওয়াশিংটনের অন্যতম পুরোনো উপসাগরীয় অংশীদার এবং দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারী একটি দেশের প্রতি এই হুমকি বিশ্বমঞ্চে বেশ আলোড়ন তৈরি করেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথভাবে শুরু করা এই যুদ্ধ ইতোমধ্যেই ১০০ দিন পার করেছে। বর্তমানে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা চললেও এই দুটি ঘটনা ওমানের এক চরম বৈপরীত্যপূর্ণ অবস্থানকে স্পষ্ট করে তুলেছে। একদিকে এই সংঘাতের কারণে ওমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে এবং ওমান কূটনৈতিকভাবে একঘরে, এমনকি মার্কিন-ইরান আলোচনার মধ্যস্থতাকারীর ঐতিহ্যবাহী আসনটি ওমানের হাতছাড়া হয়ে পাকিস্তানের কাছে চলে গেছে। কিন্তু অন্যদিকে, এই যুদ্ধই ওমানকে একটি অন্যতম প্রধান জ্বালানি রফতানিকারক, লজিস্টিকস হাব এবং ভারত মহাসাগরের সঙ্গে উপসাগরীয় অর্থনীতিকে যুক্ত করার প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

ফলাফলটি ওমানের জন্য এক চরম বৈপরীত্য: যুদ্ধটি একদিকে ওমানের পররাষ্ট্রনীতির মূল স্তম্ভকে দুর্বল করে দিয়েছে, অথচ অন্যদিকে দেশটির সেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন কৌশলকে শক্তিশালী করেছে, যা অর্জনের জন্য তারা বছরের পর বছর ধরে চেষ্টা করে আসছিল।

হরমুজ এড়ানোর সুবিধা

উপসাগরীয় অঞ্চলের অধিকাংশ দেশের মতো ওমানের বন্দর এবং জ্বালানি অবকাঠামো হরমুজ প্রণালির ভেতরে অবস্থিত নয়, বরং এর বাইরে। ফলে ইরানের চলমান সংঘাতের কারণে ওই সামুদ্রিক সংকীর্ণ পথটি অবরুদ্ধ হয়ে পড়লেও ওমান নির্বিঘ্নে নিজের রফতানি কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারছে।

এর অর্থনৈতিক সুফলও এসেছে হাতেনাতে। গত বছর ওমান প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করেছিল, যা ছিল উপসাগরীয় অঞ্চলের তালিকায় তলানির দিকে। কিন্তু যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ওই অঞ্চলের বড় বড় তেল রফতানিকারকেরা যেখানে তেল ও গ্যাস বিক্রি করতে পারছে না, সেখানে ওমান বিশ্ববাজারে চড়া দামে অপরিশোধিত তেল বিক্রি করে যাচ্ছে।

চলতি বছরের এপ্রিলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) পূর্বাভাস দিয়েছে, ২০৬ সালে ওমানের অর্থনীতি ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে, যা উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি। অথচ গত বছর এই জিসিসি ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ওমানের প্রবৃদ্ধির হার ছিল সবচেয়ে ধীর। আরও বড় বিষয় হলো, এই যুদ্ধ সুলতানি দেশটিকে একটি শক্তিশালী লজিস্টিকস এবং যোগাযোগ হাব হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করেছে।

হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিবেশী দেশগুলো এখন সড়কপথে ওমানের বন্দরগুলোর দিকে তাদের বাণিজ্য ঘুরিয়ে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এর ফলে অ্যালুমিনিয়াম এবং পেট্রোকেমিক্যাল কাঁচামাল থেকে শুরু করে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এখন ওমানের রুট ব্যবহার করে পরিবহন করা হচ্ছে।

খালিজ ইকোনমিক্স-এর পরিচালক জাস্টিন আলেকজান্ডার বলেন, যুদ্ধটি সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবের সঙ্গে ওমানের লজিস্টিকস যোগাযোগকে অবিশ্বাস্য মাত্রায় শক্তিশালী করছে।

আলেকজান্ডার উল্লেখ করেন, ২০২১ সালে চালু হওয়া সৌদি-ওমান হাইওয়ে এবং নির্মাণাধীন ওমান-আমিরাত রেলওয়ের মতো উদ্যোগের কারণে এই আঞ্চলিক একীভূতকরণ বর্তমান সংঘাতের আগেই অগ্রসর হচ্ছিল। তবে এই যুদ্ধ হরমুজকে এড়িয়ে যাওয়ার বিকল্প রুট হিসেবে ওমানের মূল্যকে ব্যাপকভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। এটি কাস্টমস প্রক্রিয়াকে দ্রুত করতে এবং আরও বেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সাহায্য করেছে।

এই অর্জন কি দীর্ঘস্থায়ী হবে?

ওমানের এই অর্থনৈতিক লাভ কতটা টেকসই হবে তা এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়, তবে বিশেষজ্ঞরা একে কেবল একটি সাময়িক সুবিধা হিসেবে দেখছেন না।

মিডল ইস্ট কাউন্সিল অন গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স-এর নন-রেসিডেন্ট সিনিয়র ফেলো ফ্রেডেরিক স্নাইডার মনে করেন, আকাশ ও সমুদ্রপথ পুনরায় খুলে গেলে কিছু সাময়িক সুবিধা হয়তো কমে যাবে, তবে সামগ্রিক পরিবর্তনগুলো টেকসই হবে। বিশেষ করে যুদ্ধের কারণে ওমানে যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে, তা সহজে ফিরে যাবে না।

স্নাইডার বলেন, অনেক বিনিয়োগকারী ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সংঘাতের কথা মাথায় রেখে তাদের ঝুঁকির ধারণা বদলে ফেলেছেন। এর ফলে তারা ওমানকেই বেশি পছন্দ করবেন, কারণ আরব সাগরে সরাসরি প্রবেশাধিকার থাকা জিসিসির একটি নিরপেক্ষ দেশ হিসেবে ওমানের সুনাম রয়েছে।

তবে ওমান যে তার ধনী প্রতিবেশী দেশগুলোর মতো হুট করে কোনও আকাশচুম্বী বিলাসবহুল অবকাঠামো কিংবা উন্নয়নের জোয়ারে ভাসবে, তা ভাবার কারণ নেই। স্নাইডার মনে করেন, ওমানের অর্থনৈতিক কৌশল সৌদি বা আমিরাতের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাপিত ও সংযত। দ্রুতগতির নতুন নতুন গণ-পর্যটনের মাধ্যমে মাস্কটকে পুরোপুরি ‘দুবাইকরণ’ করার কোনও ইচ্ছা ওমানের নেই।

তা সত্ত্বেও এই যুদ্ধ ওমানের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কৌশলের যৌক্তিকতাকে প্রমাণ করেছে। তেল-নির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশটি বহু বছর ধরে বন্দর, শিল্পাঞ্চল এবং পরিবহন অবকাঠামোতে প্রচুর বিনিয়োগ করেছে। ওমানের নেতারা দীর্ঘ সময় ধরে দুকম, সালালাহ এবং সোহার বন্দরগুলোর উন্নয়ন করে এবং উপসাগরীয় বাজারের সঙ্গে লজিস্টিকস নেটওয়ার্ক যুক্ত করার মাধ্যমে দেশের ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন।

দুবাইয়ের মতো বড় বড় উপসাগরীয় হাবগুলোর ডামাডোলে ওমানের এই বিশাল বিনিয়োগ এতদিন বৈশ্বিক মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারছিল না। কিন্তু ইরানের এই সংঘাত রাতারাতি পুরো সমীকরণ বদলে দিয়েছে। ওমান হয়তো উপসাগরীয় অঞ্চলের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোকে পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করতে পারবে না কিংবা হরমুজের সম্পূর্ণ বিকল্প হতে পারবে না; তবে এর বাস্তব ফলাফল হলো, বিভিন্ন দেশের সরকার ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল্প বাণিজ্য করিডোর বজায় রাখার কারণে ওমানের এই অবকাঠামোগুলোর কৌশলগত মূল্য স্থায়ীভাবে বৃদ্ধি পাবে।

কূটনৈতিক পিছুটান

অর্থনৈতিক গল্পটি ওমানের পক্ষে গেলেও, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক চিত্রটি বেশ জটিল। নিরপেক্ষতা ও সংলাপের ওপর ভিত্তি করে তৈরি পররাষ্ট্রনীতির কারণে ওমান দীর্ঘদিন ধরে তার আঞ্চলিক প্রতিবেশীদের চেয়ে আলাদা একটি অবস্থান বজায় রেখেছিল। ওয়াশিংটনের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখার পাশাপাশি তেহরানের সঙ্গেও কার্যকরী সম্পর্ক বজায় রেখে চলতো তারা। ২০২৬ সালের শুরুর দিকেও জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে আলোচনার মধ্যস্থতা করেছিল ওমান।

তবে এই ভারসাম্য বজায় রাখা এখন ওমানের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। এর সবচেয়ে স্পষ্ট প্রমাণ মেলে গত ২৭ মে, যখন ট্রাম্প প্রশাসন ওমানকে বোমা মারার এবং নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার হুমকি দেয়। ট্রাম্পের এই বিবৃতির পর দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানায়, মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যে আভাস পাওয়া গেছে যে, ওমান হয়তো হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজের ওপর শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে ইরানের সঙ্গে যোগ দিতে পারে। ওমান অবশ্য এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে।

পর্যবেক্ষকেরা ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে তার স্বভাবসুলভ ফাঁকা বুলি হিসেবে দেখলেও, এটি স্পষ্ট করে দেয় যে ইরান ইস্যুতে কোনও দেশের ‘মধ্যপন্থা’ অবস্থানকে মেনে নেওয়ার ধৈর্য ওয়াশিংটনের দিন দিন কমে আসছে। একই সময়ে উপসাগরীয় দেশগুলোও লক্ষ্য করেছে যে, আঞ্চলিক অবকাঠামোতে ইরানের আক্রমণ সত্ত্বেও ওমান তার নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে বিচ্যুত হতে রাজি হয়নি।

এর ফলে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ওমানের যে ঐতিহ্যবাহী ঐতিহাসিক ভূমিকা ছিল, তার লক্ষণীয় অবক্ষয় ঘটেছে। মাস্কট সাইডলাইনে চলে যাওয়ার পর বর্তমানে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনার আয়োজন করছে পাকিস্তান। এই পরিবর্তন স্থায়ী হবে কি না তা এখনও নিশ্চিত নয়।

আরব সেন্টার ওয়াশিংটন ডিসি-র নন-রেসিডেন্ট ফেলো গ্রেগরি আফট্যান্ডিলিয়ানের মতে, কূটনৈতিক আঘাত সত্ত্বেও ওমান এই যুদ্ধ থেকে অর্থনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়েই বের হবে। তিনি বলেন, রাজনৈতিকভাবে এই সংঘাতে নিরপেক্ষ থাকার কারণে যুক্তরাষ্ট্র এবং কিছু উপসাগরীয় আরব দেশের সঙ্গে ওমানের সম্পর্কে কিছুটা ক্ষতি হতে পারে, তবে আমার ধারণা এই মর্যাদার পতন হবে খুবই ক্ষণস্থায়ী।

স্নাইডার আরেকটি বিষয়ের দিকে ইঙ্গিত করেছেন, তা হলো যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে অক্ষ তৈরির প্রশ্নে উপসাগরীয় অঞ্চলের ভেতরের মেরুকরণ। একদিকে রয়েছে বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সম্ভাব্য কুয়েত; অন্যদিকে ওমান, কাতার এবং সৌদি আরব। তবে এই মেরুকরণ ওমানের অর্থনীতিতে আঘাত হানার সম্ভাবনা কম, যদিও মাস্কটের আঞ্চলিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।

ইরানের সঙ্গে ওমানের চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে স্নাইডার বলেন, আমার মনে হয় না একে উপসাগরীয় অঞ্চলের ‘সুইজারল্যান্ড’ হিসেবে ওমানের অবসানের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আসলে যুদ্ধ শেষ করার ক্ষেত্রে পাকিস্তান এখন যে দায়িত্ব পেয়েছে, মাস্কট সম্ভবত সেটি দেখে স্বস্তির নিঃশ্বাসই ফেলছে।

/এএ/
টাইমলাইন: ইরানে ইসরায়েলের হামলা
০৮ জুন ২০২৬, ১২:০২
ওমান কি মধ্যপ্রাচ্যের ‘সুইজারল্যান্ড’ থাকতে পারবে
সম্পর্কিত
ইরানে পাল্টা হামলা না করতে নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের নির্দেশ
ট্রাম্পকে ‘অমান্য করে’ ইরানে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল?
এআইয়ের রূপ ধরে আসছে নতুন উপনিবেশবাদ
সর্বশেষ খবর
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৪১২৩২ হাজি
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৪১২৩২ হাজি
ইরানে পাল্টা হামলা না করতে নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের নির্দেশ
ইরানে পাল্টা হামলা না করতে নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের নির্দেশ
আদ্-দ্বীন ক্ষতিপূরণ দিলেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবে না সরকার
আদ্-দ্বীন ক্ষতিপূরণ দিলেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবে না সরকার
আদ্-দ্বীনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত মঙ্গলবার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ্-দ্বীনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত মঙ্গলবার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সর্বাধিক পঠিত
স্পা সেন্টারে ‘ব্ল্যাকমেইল’ ফাঁদ
স্পা সেন্টারে ‘ব্ল্যাকমেইল’ ফাঁদ
আগেই তাকে ত্যাজ্য করেছি, ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবো না
আগেই তাকে ত্যাজ্য করেছি, ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবো না
ভুটানের ভূমিকম্পে কাঁপলো ঢাকাসহ সারা দেশ
ভুটানের ভূমিকম্পে কাঁপলো ঢাকাসহ সারা দেশ
পেনাল্টি, লাল কার্ড ও মারামারির ম্যাচে মালদ্বীপকে হারাতে পারেনি বাংলাদেশ 
পেনাল্টি, লাল কার্ড ও মারামারির ম্যাচে মালদ্বীপকে হারাতে পারেনি বাংলাদেশ 
যেকোনও মূল্যে মাজারের সেই কুমির ফেরত চান খাদেম
যেকোনও মূল্যে মাজারের সেই কুমির ফেরত চান খাদেম