X
সকল বিভাগ
সেকশনস
সকল বিভাগ

রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ১৭:১৫

আবদুল মান্নান বুধবার এই লেখাটি যখন লিখতে বসেছি তখন বাংলাদেশে তিনটি প্রধান ধর্মের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের দিন। মুসলমানের ঈদে মিলাদুন্নবী (ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন), সনাতন ধর্মাবলম্বীদের লক্ষ্মীপূজা আর বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রবারণা পূর্ণিমা। সাধারণত, এমনটি সব সময় হয় না। দুই-একদিন আগে পিছে হয়। এবার এমন একসময় এই তিন ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠান একই দিনে হলো, যখন গত কয়েক দিনে শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে সারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বেশ কিছু সহিংস ঘটনা ঘটে গেছে। এই সহিংস ঘটনায় কয়েকটি স্থানে সাধারণ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সম্পদ নষ্ট হয়েছে, দিনে আনে দিনে খায় এমন কিছু মানুষ সর্বস্বান্ত হয়েছে, আর দেশের অনেক স্থানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মনে ভয় ঢুকে গেছে। মাঝে মধ্যে ছোটখাটো বিচ্ছিন্ন দু’একটা ঘটনা ঘটলেও তা সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্কতার কারণে তেমন একটা বেশিদূর গড়ায়নি। এবার তার কিছু ব্যতিক্রম দেখা গেলো। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষদের সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন  যদি আরও একটু সচেতন হতো তাহলে এমন ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা ছিল না। তারা হয়তো বুঝতে পারেনি এমন একটি ঘটনা ঘটানোর জন্য একটি মহল দীর্ঘদিন পরিকল্পনা করেছে এবং শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হলে তাদের এই ধরনের অমানবিক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করেছে। টার্গেট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর তাঁর সরকারকে বিতর্কিত করা এবং আরও সুস্পষ্টভাবে বলতে গেলে বাংলাদেশ আর ভারতের মধ্যে যে সুসম্পর্ক বর্তমানে আছে তা প্রশ্নবিদ্ধ করা। তারা ভুলে গেছে ভারতে প্রায় ২১ কোটি মুসলমান বাস করে এবং এই দুর্বৃত্তদের অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের কারণে ভারতে বসবাসরত মুসলমানরা বিপদে পড়তে পারে।  ইতোমধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন এসব সহিংস ঘটনার পেছনে যারাই আছে বা যারা ঘটিয়েছে তাদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচারের মাধ্যমে শাস্তির বিধান করার জন্য।

সরকারি হিসাব মতে, বাংলাদেশে এই বছর ৩২ হাজার ১১৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছিল, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দুই হাজারটি বেশি। কোনও কোনও সূত্রমতে এবার মোট দুর্গাপূজার সংখ্যা প্রায় ৩৮ হাজার। বিভিন্ন স্থানে মন্দিরে এই পূজার ব্যবস্থা তো হয়েছিলই, তবে তার চেয়ে বেশি হয়েছে অস্থায়ী মণ্ডপে। প্রধানমন্ত্রী নিজ তহবিল হতে তিন কোটি টাকা দিয়ে এসব পূজায় অর্থ সহায়তা দিয়েছেন। বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে শত শত বছর ধরে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করেছে, একে অপরের অনুষ্ঠানের আনন্দ উপভোগ করেছে। একসঙ্গে দেশকে মুক্ত করার জন্য একাত্তরে যুদ্ধ করে রক্ত ঝরিয়েছে।  কে হিন্দু আর কে মুসলমান তা কখনও বিচার্য ছিল না।

১৯৬৪ সালে যখন ভারতের কাশ্মিরের হজরত বাল মসজিদ হতে হজরত মুহাম্মদ(সা.)-এর কেশগুচ্ছ চুরি হয়ে গিয়েছিল বলে খবর রটে, তখন এই দেশে কিছু সুযোগসন্ধানী মানুষ তাকে কেন্দ্র করে অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তারা সফল হয়নি। ‘পূর্ব পাকিস্তান রুখিয়া দাঁড়াও’ এই ব্যানার নিয়ে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল এবং তার নেতৃত্ব দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। বাবরি মসজিদ ভাঙার পরও এই মহলটি আবার অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছিল, তবে জনগণের প্রতিরোধের মুখে তারা তেমন সফল হয়নি।

বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে। দেশটির ১৯৭২ সালের সংবিধানে রাষ্ট্রের যে চারটি মৌলিক স্তম্ভ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল তার অন্যতম ছিল ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’। দেশটির প্রবাদ পুরুষ ও যার নেতৃত্বে দেশটি স্বাধীন হয়েছিল সেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর সাড়ে তিন বছরের শাসনকালে বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশ করে মানুষকে বুঝিয়েছিলেন ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’র অর্থ ‘ধর্মহীনতা’ নয়। এর অর্থ যার যার ধর্ম সে সে শান্তিতে পালন করবে, রাষ্ট্র সেখানে কোনও হস্তক্ষেপ করবে না আর রাষ্ট্র কোনও ধর্মকে পৃষ্ঠপোষকতাও করবে না। শেখ মুজিবকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করার পর কয়েক সপ্তাহের মাথায় সেনাবাহিনীর উপ-প্রধান জেনারেল জিয়া ক্ষমতায় আসেন। তিনি প্রথমে যে কাজটি করেন তা হচ্ছে সংবিধান থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’র ধারাটি তুলে দেন। বলেন, একটি মুসলমান প্রধান দেশে এটি বেমানান। ১৯৭২ সালের সংবিধানে ধর্মাশ্রিত দলগুলো, যেমন- মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, পিডিপি প্রভৃতি দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল। কারণ, এই দলগুলো মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে, তাদের বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছে। জিয়া বহুদলীয় গণতন্ত্র চর্চার দোহায় দিয়ে এসব দলকে আবার রাজনীতি করার সুযোগ করে দেন। নিজে গঠন করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। সেখানে এসব একসময়ের নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীদের আশ্রয় দেন। বিএনপি’র রাজনীতির প্রধান মূলধন ছিল ভারত বিরোধিতা আর সাম্প্রদায়িকতা।

১৯৮১ সালে জেনারেল জিয়া এক সামরিক অভ্যুত্থানে নিহত হলে দলটির হাল ধরেন তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি তাঁর স্বামীর চেয়েও বেশি উগ্র সাম্প্রদায়িকতা ও ভারত বিরোধিতার আশ্রয় নেন। নির্বাচন এলেই বলতেন আওয়ামী লীগকে ভোট দিলে মসজিদে আজানের পরিবর্তে উলুধ্বনি পড়বে।

২০০১ সালে নির্বাচনে জিতে তিনি তাঁর মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দিয়েছিলেন একাত্তর সালে যারা সরাসরি পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল সেই জামায়াতে ইসলামের দুই শীর্ষ নেতাকে। বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভার একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী (বর্তমানে প্রয়াত) সংসদে বলেছিলেন, উত্তর-পূর্ব ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সহায়তা করা বাংলাদেশের নৈতিক দায়িত্ব। বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতির অভিযোগে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে বর্তমানে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড ভোগ করছেন। তাঁর স্থলে বর্তমানে লন্ডনে পলাতক বেগম জিয়ার জ্যেষ্ঠপুত্র তারেক রহমান দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তিনি শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা ও ভারতে অস্ত্র পাচারের অভিযোগে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত। লন্ডনে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন।

শারদীয় দুর্গোৎসবকে নিয়ে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সহিংসতাটি ছিল সম্পূর্ণভাবে পূর্ব পরিকল্পিত। ঘটনার সূত্রপাত সপ্তমীর দিন। কুমিল্লায় একটি অস্থায়ী পূজামণ্ডপের বাইরে স্থাপিত একটি ছোট প্রতিমার কোলের ওপর ভোরের আলো ফোটার আগেই কে বা কারা মুসলমানদের ধর্মগ্রন্থ পবিত্র কোরআন রেখে মোবাইলে তার ছবি ধারণ করে সারা দেশে ছড়িয়ে দেয় আর বলে ‘শেখ হাসিনার শাসনকালে এই দেশে ইসলাম ধর্মও এখন নিরাপদ নয়’। অথচ কোনও পাগলও বিশ্বাস করবে না এই কাজ কোনও সনাতন ধর্মাবলম্বী করতে পারে। ভোরের আলো ফোটার পরপরই সেখানে জড়ো হয় কয়েকশ’ জামায়াত কর্মী আর ছিন্নমূল বস্তিবাসী। যদিও খবর পেয়েই স্থানীয় পুলিশ সেই কোরআনের কপি নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নিয়েছিল। বিএনপি গত কয়েক বছর ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নাশকতা কার্য পরিচালনা করার জন্য জামায়াতের সন্ত্রাসী বাহিনী ছাত্রশিবিরকে ব্যবহার করে। এই ঘটনার দু’দিন পর শুক্রবার মুসলমানদের পবিত্র জুমার দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুমিল্লার ঘটনা বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া হলো। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে  অনেক জায়গায় ভুয়া ছবিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করা হয়েছে এই অজুহাতে এর ফলে বেশ কয়েক জায়গায় পূজামণ্ডপ আর মন্দিরে হামলা করে ভাঙচুর করা হয়। এমনকি পূজার দুই-তিন দিন পরেও অনেক স্থানে দোকানপাট ও বসতবাড়িতে হামলা করা হয় এবং কোনও কোনও স্থানে অগ্নিসংযোগ করা হয়।  শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে এমন ঘটনা বাংলাদেশে এই প্রথম। দুর্ভাগ্যবশত প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা অথবা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী সময় মতো বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারেনি। পারলে যে ঘটনা কুমিল্লায় শুরু হয়েছিল তা সেখানেই শেষ হয়ে যেত।

এটি ধারণা করার যথেষ্ট কারণ আছে ষড়যন্ত্রটা শুরু হয় বেশ কয়েক দিন আগে। এর আগে বিএনপি সাংগঠনিক সভার আড়ালে ছয় দিন রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছে, যেখানে লন্ডন থেকে তাদের ভারপ্রাপ্ত পলাতক চেয়ারম্যান তারেক রহমানও ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিল। সপ্তম দিনে তাদের মতাদর্শে দীক্ষিত কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গেও তারেক সভা করেছে। এটি এখন পরিষ্কার যে, যদিও বলা হচ্ছে এটি ছিল সাংগঠনিক সভা, আসলে এটি ছিল ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচনে জেতার কর্মকৌশল নির্ধারণ করা এবং তার আগে বর্তমান সরকার ও শেখ হাসিনাকে বিব্রত করা। এটি বুঝতে প্রশাসনের সময় লেগেছে। সাধারণত, কোনও রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক সভা সাত দিনব্যাপী হয় না।

গত কয়েক দিন সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক সংগঠন, ছাত্র জনতা, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক,আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, প্রগতিশীল সুশীল সমাজ রাস্তায় নেমেছে, ঘটনার প্রতিবাদ করেছে। বলেছে রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ।  মিছিল ও সমাবেশ করেছে, ইতোমধ্যে প্রায় চারশত পঞ্চাশ জনকে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যারা এই সন্ত্রাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার  জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। মন্দিরসহ যেসব স্থাপনায় ভাঙচুর করা হয়েছে তা মেরামত করার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এটা ঠিক, বিএনপি বা তার সমমনা দলগুলো আগামীতেও এই ধরনের নাশকতা চালাতে পারে। কারণ, সামনের নির্বাচনে তাদের ক্ষমতায় যাওয়া চাই। পাঠকদের মনে আছে, ২০১৩ ও ২০১৪ সালে বিএনপি ও জামায়াত মিলে দেশে যে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল তাতে জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। পেট্রোলবোমায় প্রায় ১৬৬ জন  নিরীহ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল,সরকারি সম্পদের ক্ষতি হয়েছিল কমপক্ষে তিনশ’ কোটি টাকার। এই সহিংসতা পরিচালনা করার দায়িত্ব নিয়েছিলেন স্বয়ং বিএনপি প্রধান বেগম জিয়া। নব্বই দিন তিনি গুলশানের নিজ দফতরে থেকে এই সহিংসতা পরিচালনা করেছিলেন।

এখনও সেই ধারাবাহিকতায় বিএনপি’র কর্মকাণ্ড চলছে। দৃষ্টি ২০২৩ সালের সাধারণ সংসদ নির্বাচন।  যদিও এই মুহূর্তে নেতৃত্ববিহীন এই দলটির ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই ক্ষীণ, বিশেষ করে যখন দেশটির অর্থনীতি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সবার চেয়ে এগিয়ে আর বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। যখন দুর্বৃত্তরা দেশের কোনও কোনও জায়গায় এই ধরনের সহিংসতায় লিপ্ত তখন উত্তরবঙ্গের লালমনিরহাটে একই প্রাঙ্গণে মসজিদ আর মন্দিরের সহ-অবস্থানের ছবি দেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। মন্দিরে বেশ নির্বিঘ্নে দুর্গোৎসবও হয়েছে।  বাস্তবে সত্তরটির মতো পূজামণ্ডপে সহিংসতা হয়েছে বাকি পূজামণ্ডপগুলোতে পূজা যথাযথভাবে চলেছে, সময় মতো বিসর্জন হয়েছে। অনেক স্থানে এলাকার মানুষ রাত জেগে মন্দির, পূজামণ্ডপ পাহারা দিয়েছে। এটাই তো মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশ।

শেখ হাসিনা প্রায় বলেন ‘ধর্ম যার যার উৎসব সভার’। এর চেয়ে সম্প্রীতির স্লোগান আর কী হতে পারে। সব শেষে ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি বাণী দিয়ে লেখাটি শেষ করি। তিনি তাঁর বিদায় হজের ভাষণে বলেছিলেন, ‘সাবধান! ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ির ফলেই অতীতে বহু জাতি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে’।  এর আগে সংগঠিত এমন সহিংস ঘটনাগুলোর বিচার হলে হয়তো এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতো না। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, গত কুড়ি বছরে এ ধরনের কোনও সহিংস ঘটনার এখন পর্যন্ত বিচার হয়নি।  এবার হবে আশা করি।

লেখক: বিশ্লেষক ও গবেষক

/এসএএস/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চলচ্চিত্র নির্মাতা গৌতম ঘোষের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চলচ্চিত্র নির্মাতা গৌতম ঘোষের সাক্ষাৎ
পাঞ্জাবকে হারিয়ে প্লে-অফের আশায় দিল্লি
আইপিএলপাঞ্জাবকে হারিয়ে প্লে-অফের আশায় দিল্লি
৪ ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু
৪ ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু
এশিয়ান কাপ ফুটবল: ছিটকে গেলেন বাংলাদেশ গোলকিপার
এশিয়ান কাপ ফুটবল: ছিটকে গেলেন বাংলাদেশ গোলকিপার
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ