X
বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২
২৩ আষাঢ় ১৪২৯

গণপরিষদ বিতর্কে সংবিধানের মৌলিক চারটি স্তম্ভ

আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২১, ১০:২৯

কাওসার আহমেদ

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন হলো সংবিধান। ১৯৭১ সালে নয় মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিসংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতার পর জনগণের জাতীয় মুক্তির সনদ হিসেবে একটি সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ’। এর সদস্যরা ১৯৭২ সালের ১২ থেকে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে মোট নয় দিন খসড়া সংবিধানের বিভিন্ন দিক নিয়ে সাধারণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধান প্রণয়নের ভিত্তি হিসেবে গৃহীত চার মৌলিক নীতি বা স্তম্ভ যথা জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যার চেষ্টা করেছেন। বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রেক্ষাপট, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বুঝতে হলে গণপরিষদে সংঘটিত চার মূলনীতি বিষয়ক আলোচনা বা বিতর্ক জানা প্রয়োজন।

গণপরিষদ কার্যবিবরণীতে সংবিধান প্রণয়নের মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার উল্লেখ সর্বপ্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কীয় প্রস্তাবের খসড়ায় দেখা যায়। ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গৃহীত এই ঘোষণার মাধ্যমে গণপরিষদ কর্তৃক চারটি বিষয় স্বীকার করা হয়। যথা– (১) বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছেন, (২) ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন, (৩) স্বাধীনতার সনদ বা ঘোষণাপত্র ও গণপরিষদের প্রামাণিকতা এবং (৪) জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা– এই চার মূলনীতির ভিত্তিতে বাংলাদেশের জন্য একটি সংবিধান প্রণয়নের দায়িত্ব গ্রহণ। স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কীয় প্রস্তাব গণপরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর খসড়া সংবিধান প্রসঙ্গে দেওয়া ভাষণে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সংবিধানের মৌলিক স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করেন। উপযুক্ত চারটি মূলনীতি সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু এই ভাষণে বলেন, ‘এই চারটি আদর্শের ভিত্তিতে বাংলার শাসনতন্ত্র তৈরি হবে। এটা জনগণ চায়, জনগণ এটা বিশ্বাস করে। জনগণ এজন্য সংগ্রাম করেছে, লাখ লাখ লোক এজন্য জীবন দিয়েছে। এই আদর্শ নিয়েই বাংলার নতুন সমাজ গড়ে উঠবে।’

চারটি মৌলিক স্তম্ভকে একত্রে মুজিববাদ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছিল।

বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম মৌলিক স্তম্ভ হলো জাতীয়তাবাদ। বঙ্গবন্ধুসহ গণপরিষদের অন্য সদস্যরা বাঙালি জাতীয়তাবাদকে বাঙালির সংস্কৃতি-ঐতিহ্যগত আত্মপরিচয়, জাতীয় সংহতি, জাতিগত পরিচয়সহ বিভিন্নভাবে অভিহিত করেছেন। বাঙালি জাতীয়তাবাদকে বাংলাদেশ রাষ্ট্রপত্তনের ভিত্তিমূল হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। তাঁরা দ্ব্যর্থহীনভাবে উল্লেখ করেছেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটেছে। ভাষা আন্দোলন প্রাথমিকভাবে সাংস্কৃতিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন হলেও এর অভিঘাতে বাঙালি জনগণ দ্রুত এই উপলব্ধিতে পৌঁছাতে সমর্থ হয় যে, রাজনৈতিক অধিকার ব্যতীত সাংস্কৃতিক বা অর্থনৈতিক কোনোটাই অর্জন করা যায় না। গণপরিষদের সদস্যরা ছয় দফা আন্দোলন, এগার দফা আন্দোলন, ৬৯-এর গণআন্দোলন, ৭০-এর নির্বাচন এবং ৭১-এর অসহযোগ আন্দোলন ইত্যাদিকে বাঙালি জাতীয়তাবাদ গঠনের ক্ষেত্রে একেকটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী এ এইচ এম কামরুজ্জামান বাঙালি জাতীয়তাবাদ গঠনে আওয়ামী লীগের একক প্রচেষ্টার কথা গণপরিষদে তুলে ধরেন। বাঙালি জাতীয়তাবাদ গঠনে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা গণপরিষদে বিশেষভাবে উল্লেখ রয়েছে। গণপরিষদে পাকিস্তানের ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদের ব্যর্থতাও আলোচিত হয়েছে। বাঙালি জাতীয়তাবাদই যে বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয়ের পেছনের মূল চালিকাশক্তি এবং বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এর চূড়ান্ত উন্মেষ ঘটেছে, গণপরিষদ সদস্যরা একথা অবিসংবাদিতভাবে উল্লেখ করেছেন।

গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্র বাংলাদেশের সংবিধানের অপর দুই মৌলিক স্তম্ভ হিসেবে পরিগৃহীত হয়েছে। খসড়া সংবিধান প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ থেকে প্রতীয়মান হয় যে; তিনি চেয়েছিলেন বাংলাদেশের সরকার-ব্যবস্থা হবে গণতান্ত্রিক, কিন্তু অর্থনীতি হবে সমাজতান্ত্রিক। বাংলাদেশের মতো একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত, চরম দারিদ্রপীড়িত এবং নবীন দেশে উদারনৈতিক পুঁজিবাদী অর্থনীতি সমাজে অনাকাঙ্ক্ষিত ধন-বৈষম্য সৃষ্টি করতে পারে। সেজন্য অর্থনৈতিক শোষণের অবসান ও সম্পদের সুষম বন্টন অর্থে খসড়া সংবিধানে সমাজতন্ত্রকে সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছিল। উদারনৈতিক অর্থনীতি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এবং সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির অনুষঙ্গ হলো কর্তৃত্বকামী শাসনব্যবস্থা। এ নিয়ে গণপরিষদ সদস্যরা সবিশেষ সচেতন ছিলেন। তাই বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থায় গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের মধ্যে মিথস্ক্রিয়া কীভাবে প্রতিষ্ঠা করা হবে তা ছিল গণপরিষদ সদস্যদের বিতর্কের অন্যতম বিষয়বস্তু। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ অনুসারী গণপরিষদ সদস্যরা তাদের বক্তৃতায় গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের সমন্বয় এবং গণতন্ত্রের মাধ্যমে সমাজতন্ত্রে উন্নীত হওয়ার কথা বলেছেন।

ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ও সবশেষ মৌলিক স্তম্ভ। গণপরিষদের সদস্যদের বক্তব্য পর্যালোচনা করলে প্রতিভাত হয় যে, পাকিস্তান আমলের সাম্প্রদায়িক রাজনীতির তিক্ত অভিজ্ঞতাই ধর্মনিরপেক্ষতাকে সংবিধানের একটি মৌলিক স্তম্ভ হিসেবে গ্রহণ করার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল। পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহার এবং সাম্প্রদায়িকতাকে আশ্রয় করে বাংলাদেশের জনগণকে দীর্ঘদিন শোষণ ও বঞ্চিত করেছে। ১৯৫৬ এবং ১৯৬২ সালের সংবিধানে পাকিস্তানকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সেটি পাকিস্তানকে স্থায়িত্ব দিতে ব্যর্থ হয়। পাকিস্তান আমলের অভিজ্ঞতা থেকে গণপরিষদ সদস্যরা বুঝতে পেরেছিলেন, কোনও দেশ বা জাতি শুধু ধর্মের ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয় না। নির্দিষ্ট ভৌগলিক অঞ্চলের মানুষের সামগ্রিক আশা-আকাঙ্ক্ষা, ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে দেশ বা জাতি গঠিত হয়। শুধু তাই নয়, ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ১৯৭১ সালে এদেশের জনগণের ওপর গণহত্যা চালিয়েছে। এমন বাস্তবতা মওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশের বক্তৃতায় সবচেয়ে সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। গণপরিষদে তিনি বলেছেন, ‘ইসলামের নামে পাকিস্তানের বর্বর স্বৈরাচারী পশুরা একরাত্রে বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। এদেশের যুবক-যুবতী, নারী ও শিশুদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছিল। তিন লাখ মা-বোনের সম্র্ামহানি করেছিল যারা,তারা বলেছে– ‘আমরা মুসলমান; ইসলাম রক্ষা করার জন্য আমরা এসব করেছিলাম।’

গণপরিষদ সদস্যদের বক্তব্য থেকে প্রতিফলিত হয় যে, তারা মূলত তিনটি উদ্দেশ্যে ধর্মনিরপেক্ষতাকে সাংবিধানিক আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। যথা– (১) ধর্ম পালনের স্বাধীনতা, (২) রাজনৈতিক কারণে ধর্মকে ব্যবহার না করা এবং (৩) সাম্প্রদায়িকতা রোধ করা। তারা মনে করেছেন, জাতীয় জীবনে সাম্প্রদায়িক পরিচয়ের বিভাজন বাঙালি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে না। খসড়া সংবিধান প্রসঙ্গে দেওয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণে এসব উদ্দেশ্য সর্বপ্রথম সুস্পষ্টভাবে বিধৃত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়। হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান যার যার ধর্ম পালন করবে। কেউ কারও ধর্মে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। বাংলার মানুষ ধর্মের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ চায় না। রাজনৈতিক কারণে ধর্মকে ব্যবহার করা যাবে না।’ এছাড়া রাষ্ট্রকর্তৃক কোনও ধর্মকে স্বীকৃতি না দেওয়া, কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য না করা, ধর্মীয় শিক্ষার বাধ্যবাধকতা না থাকা, ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগঠন না করা ইত্যাদিতে ব্যবহারিক অর্থে গণপরিষদ সদস্যরা ধর্মনিরপেক্ষতাকে ব্যাখ্যা করেছেন।

জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক স্তম্ভ বা মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করার ক্ষেত্রে গণপরিষদ সদস্যদের মধ্যে কোনও মতদ্বৈততা ছিল না। তথাপি এসব মূলনীতি সংবিধানের বিধানগুলোতে কীভাবে প্রতিফলিত হবে কিংবা তাদের প্রয়োগ কীভাবে হবে তা নিয়ে গণপরিষদে বিতর্ক সংঘটিত হয়েছে। যেমন–গণপরিষদে বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিৎ সেনগুপ্ত এবং স্বতন্ত্র সদস্য মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা মত দিয়েছেন– খসড়া সংবিধানে গণতন্ত্র কিংবা সমাজতন্ত্র কোনোটাই পুরোপুরি সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়নি। মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার মতে, খসড়া সংবিধানে উৎপাদনযন্ত্র ও উৎপাদন-ব্যবস্থার মালিকানার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় মালিকানার পাশাপাশি সমবায়ী মালিকানা ও ব্যক্তিগত মালিকানার বিধানের ফলে তা সমাজতন্ত্র বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ হয়নি। অপর পক্ষে সুরঞ্জিৎ সেনগুপ্ত মনে করেছেন, ব্যক্তিগত সম্পত্তির মালিকানার ক্ষেত্রে অন্তত এর ঊর্ধ্বতন সীমা সংবিধানে উল্লেখ থাকা উচিত ছিল। সন্দেহ নেই, গণপরিষদে দেওয়া সুরঞ্জিৎ সেনগুপ্ত এবং মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার বক্তব্য সংবিধান বিষয়ক গবেষকদের চিন্তার খোরাক যোগাবে।

স্বাধীনতার ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের জনগণ পাকিস্তান আমলে সুদীর্ঘ তেইশ বছর সংবিধান ও গণতন্ত্রের জন্য বুকের রক্ত ঢেলে সংগ্রাম করেছে। অবশেষে ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হওয়ার মাধ্যমে এদেশের জনগণের দীর্ঘদিনের লালিত সেই স্বপ্নপূরণ হয়। সংবিধান চূড়ান্তভাবে গৃহীত হওয়ার আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গণপরিষদে দেওয়া বক্তব্যে সংবিধানের চারটি মৌলিক স্তম্ভের জন্য জনগণের ত্যাগের কথা উল্লেখ করে বলেন,‘চারটি স্তম্ভের ওপর এই শাসনতন্ত্র রচিত হয়েছে। এসবই যে মূল চারটি স্তম্ভ জনগণ ভোটের মাধ্যমে তা প্রমাণ করে দিয়েছে। শুধু ভোটের মাধ্যমে নয়; ৩০ লাখ মানুষ জীবন দিয়ে রক্তের মাধ্যমে প্রমাণ করে দিয়েছে।’

সংবিধানের চারটি মৌলিক স্তম্ভ ব্যক্তিজীবন তথা সমাজজীবনে পূর্ণ রূপে প্রতিফলিত হলেই মুক্তিযুদ্ধে বাঙালিদের মহান আত্মত্যাগ সার্থক হবে।  

লেখক: আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

/এসএএস/জেএইচ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
জোর করে গরু নামাতে বাধা দেওয়ায় পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেফতার ৩
জোর করে গরু নামাতে বাধা দেওয়ায় পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেফতার ৩
পর্দা নামলো উইমেন্স লেন্স আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসবের
পর্দা নামলো উইমেন্স লেন্স আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসবের
সীতাকুণ্ডে আগুন: তদন্তে একমাস লাগার কারণ
সীতাকুণ্ডে আগুন: তদন্তে একমাস লাগার কারণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মসজিদের টাকার হিসাব নিয়ে বিবাদে নিহত ১
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মসজিদের টাকার হিসাব নিয়ে বিবাদে নিহত ১
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ