X
শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৩
১৩ মাঘ ১৪২৯

জনগণের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনাটাই এখন সবচেয়ে জরুরি

মাসুদা ভাট্টি
০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ১৮:০৮আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ১৮:০৮

বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হয়ে যাচ্ছে কিংবা ব্যাংকের হাতে কোনও টাকা নেই, সুতরাং ব্যাংক থেকে এখনই টাকা তুলে ফেলুন–– এরকম গুজব আমরা বেশ অনেক দিন ধরেই শুনছি এবং দেখছি। ইউটিউব কিংবা ফেসবুকের কল্যাণে দেশের মানুষ মাত্রই জানে যে কারা প্রতিদিন এসব গুজব রচনা করে, প্রচার করে এবং মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে থাকে। কিছু দিন যাবৎ রাজপথে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কেউ গিলে খেয়েছে নাকি চিবিয়ে খেয়েছে তা নিয়ে বেশ তোলপাড় হলো। বক্তব্য এবং পাল্টা বক্তব্যে জনগণ বেশ আনন্দ পেলেও নিজের ক্রয়ক্ষমতা ও আতঙ্ক তাতে এক ফোঁটাও কমেছে বলে কেউ স্বীকার করবেন না। উল্টো এই গুজবের মধ্যেই জিনিসপত্রের ঊর্ধ্বমুখী মূল্য পরিশোধ করতে গিয়ে সবাই এখন এক অজানা আশঙ্কা নিয়ে ‘আগামী বছর কী হবে’ সেই দুশ্চিন্তার ভেতর দিয়ে বছরের শেষভাগ অতিক্রম করছেন।

এমনিতে বছরের এই সময়টা দেশের আবহাওয়া মূলত শীতার্ত থাকে এবং সন্তানের স্কুল বন্ধ থাকে বলে বিভিন্ন পরিকল্পনা করে থাকেন বেড়ানো কিংবা অনুষ্ঠানাদির। আবার এই সময় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনও উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠে রাজনীতি নিয়ে। দীর্ঘদিন কোভিড মহামারি আমাদের ঘরবন্দি করে রেখেছিল, রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মকাণ্ডও ছিল স্থবির। হঠাৎ দেশব্যাপী রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেন নতুন গতি পেয়েছে। সাধারণ মানুষের অনেকেই একথা বলছেন যে দীর্ঘদিন কোভিডের কারণে মানুষ ঘরবন্দি থাকার পর যে রাজনৈতিক দলই জনসভা আহ্বান করুক না কেন তাতে মানুষের ঢল নামছে। কারণ, মানুষ এই বন্দিদশা থেকে জীবিত বেরুতে পারছেন এই আনন্দ উদযাপনের একটা উপলক্ষ হিসেবেই রাজনৈতিক দলগুলোর এই জনসভা আয়োজনকে দেখছেন।

আরও একটি বিষয় এখানে যোগ করা যায়, তাহলো স্বীকার করতেই হবে যে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত সরকারের বয়স প্রায় ১৪ বছর হতে চললো। এই দীর্ঘ সময় সরকারের বিভিন্ন ত্রুটি-বিচ্যুতি, অব্যবস্থাপনা এবং বেশ কিছু দুর্নীতির চিত্র দেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় জনমনে সরকারবিরোধী একটা মনোভাব তৈরি হয়েছে। যদিও সরকারের বিকল্প কোনও রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম জনগণকে এরকম কোনও নিশ্চয়তা দিতে এখন পর্যন্ত পারেনি যে তাদের ক্ষমতায় বসালে তারা এর চেয়ে উন্নত ও ভিন্নতর কোনও কিছু দেশকে দিতে পারবেন। ফলে সরকারবিরোধী জনসভায় লোকসমাগম বাড়লেও জনগণের বড় অংশই এখনও সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন এবং এই ভয়ংকর অর্থনৈতিক দুর্যোগ কিংবা পৃথিবীময় চলা যুদ্ধাবস্থায় কীভাবে সংসার জীবন এবং জাতীয়-জীবনের মধ্যে একটি সামঞ্জস্য করা যায় তা নিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন।

বলাই বাহুল্য, এরমধ্যে যেকোনও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা মানুষকে আরও বেশি চিন্তিত করে তুলছে। বিশেষ করে দুপক্ষের মধ্যেই কেমন একটা যুদ্ধংদেহী মনোভাব লক্ষ করা যাচ্ছে। একপক্ষ হুঙ্কার দিলে প্রতিপক্ষ পাল্টা হুঙ্কার দিচ্ছেন। বিশেষ করে ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য বিএনপির জনসভা নিয়ে দুপক্ষ যেন জনগণকে আতঙ্কিত করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। দায়িত্বশীল নেতাদের পক্ষ থেকে এরকম দায়িত্বহীন আচরণ জনগণ নিঃসন্দেহে প্রত্যাশা করে না। জনগণের প্রত্যাশা তাহলে কী?

নিজেকে জনগণের অংশ বিবেচনায় যে কথাগুলো এখন লিখতে যাচ্ছি তাই আসলে গরিষ্ঠ জনগণের চাওয়া বলে মনে করি। বাংলাদেশ একটি স্থিতিশীল অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। এই স্থিতিশীলতা মানুষের জীবনযাপনেও লক্ষমান। একটি ছোট্ট উদাহরণ দেওয়া যাক। বাংলাদেশের বিশেষ করে ঢাকাসহ বড় বড় শহরগুলোতে একটু বিখ্যাত সরকারি বা বেসরকারি স্কুলগুলোতে ভর্তি নিয়ে আমরা দিনের পর দিন নানা তুঘলকি কর্মকাণ্ডের কথা জানি। সরকারি হস্তক্ষেপ তো রয়েছেই, তার ওপর যুক্ত হয়েছিল টাকা দিয়ে ভর্তি হওয়ার মতো কুৎসিত প্রতিযোগিতাও। কিন্তু বেশ কয়েক বছর যাবৎ পত্রিকার পাতায় স্কুলে ভর্তি নিয়ে বড় ধরনের কোনও নেতিবাচক খবর প্রকাশিত হয় না। ভর্তি-পদ্ধতি নিয়ে চিরাচরিত জন-অসন্তোষ কিছুটা হলেও প্রশমিত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যায়। এরকম আরও অনেক উদাহরণ দেওয়া সম্ভব।

মানুষ যেকোনও স্থিতিশীলতায় জীবনযাপনের একটি ছক কষতে পারে। হতে পারে সেটা ক্ষুদ্র কিন্তু দেশে যদি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না থাকে মানুষ এই ক্ষুদ্র ছক কাটতেও ভীতবোধ করেন। তৈরি পোশাক কারখানায় কাজ করা নারীটি আর ঢাকার মতো শহরগুলোর বাসাবাড়িতে ‘সাহায্যকারী’ নারীটিও এখন স্বপ্ন দেখে তার সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের। পরিচিত এমন অনেক নারীর সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, প্রত্যেকেই আয়ের একটি বড় অংশ খরচ করে সন্তানের ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য। অর্থনৈতিকভাবে দেশকে একটি সুদৃঢ় স্থানে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। সরকারকৃত দাবি অনুযায়ী বিগত ১৩ বছরে দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা চারগুণ বেড়েছে। আমরা অতটা প্রগলভ না হয়ে এটা যদি দ্বিগুণও হয়ে থাকে তাহলেও সরকারকে এই সাফল্যের জন্য ধন্যবাদ দেওয়া যেতেই পারে। মানুষের জীবনাচরণেও তার প্রকাশ আমরা লক্ষ করি। বিশেষ করে ঈদে কিংবা পূজাতে আগের তুলনায় মানুষের কেনাকাটার পরিসংখ্যান দেখা যায়, তাতে অভ্যন্তরীণ বাজার ব্যবস্থায় যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে তাতে এই সত্যই প্রতিষ্ঠিত হয় যে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকাটি ক্রমাগত সচল হচ্ছে এবং দেশের মানুষই সেটা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

এই ইতিবাচক অগ্রগতির খবরের মধ্যেই আমরা হঠাৎ হঠাৎ দেখতে পাই যে বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়ে গেছে। বিদেশে নিয়ে গেছেন একদল অসাধু ব্যবসায়ী কিংবা স্বয়ং ব্যাংক মালিকগণ। লক্ষমান যে এযাবৎ ঘটে যাওয়া এরকম ব্যাংক লোপাটের জন্য কাউকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের খবর কিন্তু গণমাধ্যম প্রকাশ করতে পারেনি। তার মানে হচ্ছে, সেরকম কোনও ঘটনা আসলে ঘটেনি। মানুষের হতাশাটা এখানেই। একটি উঠতি অর্থনীতির দেশে টাকা-পয়সা নিয়ে ‘নয়-ছয়’ কিংবা ব্যাংকিং সিস্টেমের ত্রুটির কারণে অর্থপাচার খুব অস্বাভাবিক কিছু নয়। অস্বাভাবিক হচ্ছে এসব ত্রুটি ধরা পড়ার পরও না শোধরানো এবং অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দেওয়া। বাংলাদেশের মানুষের মনের ভেতর যত নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয় তা সরকারের এই নিষ্ক্রিয়তা এবং ব্যাংক লোপাটকারীদের পক্ষান্তরে উৎসাহ দেওয়ার কারণেই হয়। না হলে যে ভয়াবহ বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্যেও কোভিড মহামারি-উত্তর বাংলাদেশ নিজের অবস্থানে টিকে আছে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানসমূহও বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে যেভাবে ইতিবাচক রিপোর্ট দিয়েছে, তার সঙ্গে সরকারের ব্যাংকিং খাতের এই অব্যবস্থাপনা কিংবা এভাবে টাকা পাচার হয়ে যাওয়ার বিষয়টি ঠিক মেলানো যায় না। জনগণ ঠিক এই জায়গাটিতেই সরকারের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং একই সঙ্গে দুষ্টু চক্রের হাতে অর্থপাচার হওয়ার বিষয়টি মেলাতে পারে না। আর যা কিছু মেলানো যায় না তা নিয়ে তৈরি হয় হতাশা। এই হতাশা থেকে জনগণকে মুক্ত না করতে পারাটাই আওয়ামী লীগ সরকারের মূল ব্যর্থতা বলে আমি বিশ্বাস করি।

দুঃখজনক হলেও সত্যি, এরমধ্যে সরকারবিরোধী রাজনীতি এবং দেশের ভেতরকার গবেষণা-প্রতিষ্ঠানসমূহও সাধারণ জনগণকে কেবল বিভ্রান্তই করে চলেছে। কখনও গুজব ছড়িয়ে এবং অনেক সময়ই প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নিজেদের কেবলমাত্র ‘বিরোধিতাকারী’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুক কিংবা ইউটিউব খুললেই দেখা যায় অসংখ্য ভিডিও’র ছড়াছড়ি, যাতে কেবল অসত্য তথ্য আর গুজব দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা। অনেকেই বলতে পারেন যে মূলধারার গণমাধ্যমের ব্যর্থতার জন্যই এসব গুজবে মানুষ বিভ্রান্ত হয়। কিন্তু এ কথাও সত্য যে আজ পর্যন্ত যত ব্যাংক-লোপাট কিংবা আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনার খবর পাওয়া গেছে তার সবগুলোই মূলধারার সংবাদমাধ্যম থেকেই পাওয়া গেছে। কিন্তু ব্যাংকে আপনার আমানত নিরাপদ নয় বলে যে গুজব ছড়ানো হয়েছিল তার ফলে সরকারি হিসাবেই (মাত্র গতকালই বিআইডিএস-এর একটি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কায়কাউস জানিয়েছেন যে আতঙ্কে মানুষ ৫০ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক থেকে তুলে ফেলেছে এবং এখন আবার বাড়িতে অর্থ রাখাটা নিরাপদ নয় মনে করে সেই টাকা ব্যাংকে ফেরত আসতে শুরু করেছে) হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যাংক থেকে তোলা হয়েছে। কিন্তু সে টাকা যে জলের মতো খরচও হয়ে গেছে তাও কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত পোস্ট থেকে জানা যায়। এমনই একজন পোস্ট করেছেন, ইউটিউবে পোস্ট দেখে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে এসে দ্রুতই ব্যাংকে জমানো কুড়ি লাখ টাকা তুলে ফেলেন এবং হঠাৎ তার আত্মীয়-স্বজনের নানাবিধ অসুবিধার কারণে তার কাছে ধারপ্রার্থীর সংখ্যাও বেড়ে যায়। নিজেই একটু হাতখোলা হয়ে খরচও করে ফেলেন কয়েক লাখ টাকা। তারপর তিনি দেখেন যে তার কষ্টের জমানো টাকা দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত তিনি ১৩ লাখ টাকা পুনরায় ব্যাংকে রেখে ফিরে যান মালয়েশিয়ার কর্মক্ষেত্রে। অর্থাৎ এই গুজবের কারণে তিনি ৭ লাখ টাকা এবং বিমান ভাড়াসহ কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিতির দরুন আরও কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবেন কিনা এরকম সন্দেহ করে সবাইকে এসব গুজবে কান না দেওয়ার জন্য ফেসবুকে এরকম একটি পোস্ট দিয়েছেন এবং অসংখ্য মানুষ সেটি আবার তাদের ফেসবুকে ‘রি-পোস্ট’ করেছেন।

কিন্তু কথা হলো, এই কাজটি কোনও ভুক্তভোগী নয়, কাজটি করার কথা ছিল সরকারের। কারণ, জনগণকে যেকোনও গুজব বা অপপ্রচারের হাত থেকে রক্ষা করার দায় ও দায়িত্ব সরকারের। বাংলাদেশের বিরোধী রাজনীতি বিশেষ করে আওয়ামীবিরোধী রাজনীতি সবসময় মিথ্যা ও গুজবনির্ভর। ফলে আওয়ামী লীগকে অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হয় এবং হবে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে মানুষকে এই ভীতিকর গুজব থেকে রক্ষার কোনও পদক্ষেপ তো লক্ষ করা যায়ই না, উল্টো এসব গুজবের কারণেই হোক আর একটু আগেই উল্লেখিত সরকারের নিষ্ক্রিয়তার কারণে জনমনে অবিশ্বাস, সন্দেহ এতটাই দানা বেঁধেছে যে সরকারের প্রতি এক ধরনের অবিশ্বাস কাজ করতে শুরু করেছে। অবিলম্বে জনমনে এই বিশ্বাস ফিরিয়ে না আনতে পারলে বিগত বছরগুলোতে সরকারের সব অর্জন বিসর্জনের ঝুড়িতে নিক্ষিপ্ত হবে। এবং তাতে জনগণের দোষ দেওয়া যাবে না একটুও। জনগণ চেয়েছিল কিন্তু সরকার জনগণের জন্য কাজ করেও জনগণকে সেসব কাজের সুবিধাদি পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারেনি– এই ব্যর্থতা আর কারও নয়, সম্পূর্ণই সরকারের।

লেখক: এডিটর ইনচার্জ, দৈনিক আমাদের অর্থনীতি

[email protected]

    

/এসএএস/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
কুমিল্লা ক্রিকেট কমিটির সভাপতির পদত্যাগ
কুমিল্লা ক্রিকেট কমিটির সভাপতির পদত্যাগ
রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে ৭০ জনকে গ্রেফতার
রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে ৭০ জনকে গ্রেফতার
সলঙ্গার হাটের চিত্র বদলালেও বিলেতি পণ্য বর্জনকারীদের স্মৃতিস্তম্ভ বসেনি
সলঙ্গার হাটের চিত্র বদলালেও বিলেতি পণ্য বর্জনকারীদের স্মৃতিস্তম্ভ বসেনি
দুই শতাধিক মামলা প্রত্যাহারের দাবি হেফাজতের: কী করছে পুলিশ?
দুই শতাধিক মামলা প্রত্যাহারের দাবি হেফাজতের: কী করছে পুলিশ?
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ