আফ্রিকান প্রতিপক্ষের সামনে অপরাজিত থাকার রেকর্ড নিয়ে আজ মাঠে নামছে ইংল্যান্ড। শেষ ষোলোয় রাত ১টায় তাদের প্রতিপক্ষ আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন সেনেগাল।
এখন পর্যন্ত ২০বার আফ্রিকান দলের মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড। তার মধ্যে সাতবারই বিশ্বকাপে। কোনও ম্যাচেই হার দেখেনি। তবে সেনেগালের বিপক্ষে এবারই প্রথম তারা খেলতে নামছে। ইংলিশদের সর্বশেষ ম্যাচটাও ছিল মার্চে সেনেগালের মহাদেশীয় প্রতিদ্বন্দ্বী আইভোরি কোস্টের বিপক্ষে। দ্বিতীয় সারির দল নিয়েও তাদের ৩-০ গোলে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড। তবে তার চেয়েও স্মরণীয় জয়টা তিন দশক আগে ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে। কোয়ার্টার ফাইনালে ক্যামেরুনের বিপক্ষে এক সময় ২-১ গোলে পিছিয়ে থেকেও অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো ম্যাচটা ৩-২ গোলে জিতে তারা মাঠ ছেড়েছিল।
নজির আছে গোলশূন্য ড্রয়েরও।২০০২ বিশ্বকাপে নাইজেরিয়ার সঙ্গে ও ২০১০ বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষেও গোলহীন ম্যাচ হয়েছিল। সেনেগাল চাইবে আফ্রিকানদের খরা কাটাতে। অঘটন আর চমকে ভরা বিশ্বকাপে সেটি অসম্ভবও নয়। তবে সেনেগালের জন্য দুঃসংবাদ আজ সাইডলাইনে হয়তো প্রেরণদায়ী কোচ আলিও সিসেকে তারা পাবে না। অসুস্থতার কারণে মাঠের বাইরে রয়েছেন। চ্যালেঞ্জটা আরও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে মিডফিল্ডার ইদ্রিসা গেয়ের কার্ড নিষেধাজ্ঞায়।
সেনেগালের সহকারী কোচ রেগিস বোগায়ের্ট অবশ্য আশা ছাড়ছেন না, ‘ইংল্যান্ড হারানো অসাধারণ অর্জন হবে। যদি ইংল্যান্ডকে হারাতে পারি সেটা আমাদের উন্নতির বার্তাবাহক হবে।’
সাম্প্রতিক সময়ে সেট পিসে ইংল্যান্ডকে ভীষণ বিপজ্জনক দেখা গেছে। বোগায়ের্ট জানালেন, সেনেগাল এই সেট পিস নিয়েই বেশি কাজ করেছে, ‘আমরা কিছু বিষয় চিহিৃত করেছি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয় সেটা হলো এই ধরনের বড় ম্যাচে সেট পিস বড় নির্ধারক হয়ে উঠতে পারে। তাই সেট পিসের সুযোগ কাজে লাগাতে চাই। বলতে পারেন আমাদের রণ কৌশল ঠিক হয়ে আছে।’









