X
বুধবার, ১৭ আগস্ট ২০২২
২ ভাদ্র ১৪২৯

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা বন্ধ হচ্ছে না যেসব কারণে

আমীন আল রশীদ
১২ জুন ২০২২, ১৮:৪২আপডেট : ১২ জুন ২০২২, ১৮:৪২
সংরক্ষিত আসনের একজন সাবেক সংসদ সদস্যের মেয়ের দায়ের করা মামলায় রাঙামাটির সাংবাদিক ফজলে এলাহীকে গ্রেফতারের পরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে বহুল বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। যদিও তাকে কারাগারে যেতে হয়নি। আদালত তাকে জামিন দিয়েছেন। ফজলে এলাহী দৈনিক পার্বত্য চট্টগ্রাম ও পাহাড় টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক এবং জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, দৈনিক কালের কণ্ঠ ও এনটিভির রাঙামাটি প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন।

ফজলে এলাহীকে গ্রেফতারের পরে কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে, যেমন:

১. সম্প্রতি আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার সঙ্গে সঙ্গেই কোনও সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হবে না। কিন্তু তা সত্ত্বেও সাংবাদিক ফজলে এলাহীকে কেন গ্রেফতার করা হলো?

২. আইনমন্ত্রীর এই নির্দেশনা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন কেন মানলো না? আইনমন্ত্রীর নির্দেশনাটি তাদের কাছে কি পরিষ্কার ছিল না?

৩. এই আইনে এখন পর্যন্ত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যত মামলা হয়েছে, সেখানে পরোক্ষভাবে সাংবাদিকদের ব্যক্তিগত রেষারেষি ও গ্রুপিংয়ের কি কোনও ভূমিকা আছে?

৪. সাংবাদিকদের মতো অন্য পেশার লোকেরাও যদি এই দাবি জানায় যে তারাও সমাজ ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, অতএব তাদেরও গ্রেফতার করা যাবে না—সেটি কি মানা যাবে? একই আইন কি রাষ্ট্রের একাধিক পেশার মানুষের জন্য ভিন্ন ভিন্ন প্রয়োগ হতে পারে? নাকি এখানে আইনমন্ত্রীর কথাটি আমরা ঠিক বুঝতে পারছি না?

৫. কারও বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলে কিংবা সমাজের গুরুত্বপূর্ণ কেউ গ্রেফতার হলে অথবা কাউকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে মনে হলে মানুষ এর প্রতিবাদ করে। এই প্রতিবাদটুকুই যথেষ্ট, নাকি শুরু থেকেই এই আইনটি বাতিলের যে দাবি তোলা হয়েছে, সেই দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করা উচিত?

৬. যদি আইনটি বাতিল করা হয় তাহলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কারও বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করা হলে বা সত্যিই কারও মানহানি করা হলে তিনি কোথায় প্রতিকার চাইবেন বা কীভাবে এর বিচার হবে?

৭. ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কারও বিরুদ্ধে সমালোচনা হলে, কাউকে ব্যঙ্গ করা হলেই কি মামলা করতে হবে?

এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজবার আগে দেখা যাক সাংবাদিক ফজলে এলাহীর সঙ্গে কী হয়েছে?

২০২০ সালের পয়লা সেপ্টেম্বর রাঙামাটির পুলিশ সুপার বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষ শাখার ডিআইজিকে (রাজনৈতিক) যে গোপন প্রতিবেদন দেন, সেখানে বলা হয়েছে, রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের বাসভবন সংলগ্ন ডিসি বাংলো পার্কের জায়গাটি মো. হোসেন নামে একজনকে ভাড়া দেওয়া হয়। কিন্তু সেটি মূলত ব্যবহার করতেন সাবেক এমপি ফিরোজা বেগম চিনুর মেয়ে নাজনীন আনোয়ার। কিন্তু এই পার্কে অনেক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। পার্কটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের ফলে স্থানীয় জনসাধারণও নানাভাবে বিরক্ত হয়।  তা সত্ত্বেও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে পার্কটি ব্যবহারের অনুমতি বাতিল করা যাচ্ছে না। মূলত এই ইস্যুটি নিয়েই ফজলে এলাহী রিপোর্ট করেন। কিন্তু রিপোর্টে অনেক মিথ্যা তথ্য রয়েছে এমন অভিযোগে ফজলে এলাহীর বিরুদ্ধে থানায় দুটি অভিযোগ দেওয়া হয়। পুলিশ অভিযোগ দুটি তদন্তের অনুমতি চাইলে আদালত প্রমাণ না পাওয়ায় খারিজ করে দেন। পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন নাজনীন আনোয়ার।

আইনের উদ্দেশ্য কী ছিল?

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ, দমন, বিচার ও আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়ন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, একজন সাংবাদিকের রিপোর্ট কী করে ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধের মধ্যে পড়ে? কারণ, একই রিপোর্ট পত্রিকায় ছাপা হয়, সেটি এই আইনে অপরাধ নয়। কিন্তু সংবাদটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এলেই অপরাধ। এটি সাংঘর্ষিক। স্মরণ করা যেতে পারে, ২০১৮ সালে যখন এই আইনটি পাস হয়, তখন সরকারের তরফে বারবার বলা হয়েছিল যে আইনটি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে না। আইনটি প্রণয়নের সময়ই সাংবাদিক সমাজের তরফে এর বেশ কয়েকটি ধারার বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানানো হয়েছিল। তখন আইনমন্ত্রী ও তথ্যমন্ত্রী বারবার এই আশ্বাস দিয়েছিলেন যে এ আইন করা হচ্ছে ডিজিটাল দুনিয়ায় নাগরিকের নিরাপত্তার স্বার্থে। কোনোভাবেই এটি গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার জন্য নয়। বাস্তবতা হলো, এই আইনটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে ফেসবুক পোস্ট এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই।

গত বছরের ৩০ জুন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের বরাত দিয়ে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের খবরে বলা হয়, ২০২০ সাল থেকে গত বছরের মে মাস পর্যন্ত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ পড়েছে ফেসবুক পোস্টের কারণে। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের বরাতে ওই খবরে বলা হয়, ২০২০ সালে ৭০ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়। আর ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত মামলা হয় ১৬টি।

অন্যদিকে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংস্থা আর্টিকেল ১৯-এর বরাতে একটি জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকীয়তে বলা হয়, ২০২০ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ১৯৮টি মামলায় ৪৫৭ জনকে বিচারের আওতায় আনা ও গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ৪৫৭ জনের মধ্যে ৭৫ জন সাংবাদিক। এমনকি করোনাকালেও অনেক সাংবাদিককে এ আইনে মামলা দিয়ে হয়রানি ও গ্রেফতার করা হয়েছে।

মূলত এই আইনে এযাবৎ যত মামলা হয়েছে, তার অধিকাংশই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনও বক্তব্য, মতামত অথবা সংবাদমাধ্যমে কোনও খবর প্রকাশের ফলে কোনও না কোনও ক্ষমতাবান ব্যক্তির কথিত মানহানির অভিযোগে। অথচ মানহানির প্রতিকার পাওয়ার জন্য দেশের প্রচলিত দণ্ডবিধিতেই (৪৯৯ ধারা) বিধান রয়েছে। তাহলে কারও মানহানি হলে তিনি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করছেন কেন? এই আইনটি বেশি শক্তিশালী এবং অধিকতর ভীতিসঞ্চারি বলে? দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি মামলা করলে পুলিশ তৎক্ষণাৎ কাউকে গ্রেফতার করে না বা আদালত সহজে জামিন দিয়ে দেন বলে? আবার যার মানহানি হয়, যদি তিনি জীবিত হন তাহলে মামলা করার কথা তার নিজের। কোনও মৃত ব্যক্তির মানহানি হলে তার পক্ষে অন্য কেউ মামলা করতে পারেন। অথচ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এযাবৎ যত মামলা হয়েছে, অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে, তার বাদী সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি নিজে নন; বরং তার পক্ষে অন্য কেউ মামলা করেছেন।

তাছাড়া কোনও পত্রিকা বা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত সংবাদের ব্যাপারে কারও আপত্তি থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে প্রতিবাদলিপি পাঠানো যায়। সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম তাদের ব্যাখ্যাসহ প্রতিবাদ প্রকাশ করবে। তাতে সুরাহা না হলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি প্রেস কাউন্সিলে যেতে পারেন। তাতেও বিষয়টির নিষ্পত্তি না হলে আদালতে যাওয়ার পথও খোলা রয়েছে; কিন্তু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আসার পর প্রচলিত এসব বিধান এখন কার্যত অকার্যকর।

অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, এই আইনটি করা হয়েছে মূলত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের জীবিত ও মৃত নেতা, এমপি, মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে যেকোনও ধরনের বক্তব্য, রসিকতা, ব্যঙ্গ, কার্টুন, ছবি ইত্যাদি ঠেকানোর জন্য। নাগরিকের ব্যক্তিগত সুরক্ষার কথা বলা হলেও এই আইনের মূল ফোকাস যে সেটি নয়, তা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক ঘটনায় প্রমাণিত হয়েছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য একটি শক্তিশালী আইন থাকাই উচিত। কিন্তু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ব্যবহার (অপব্যবহার) দেখে মনে হয়, এখানে ব্যক্তি বলতে শুধু যাদের ক্ষমতা আছে, তারাই।

তবে এই আইনটির প্রয়োগ অনেকাংশে কমানো যেত যদি ক্ষমতাসীন ও ক্ষমতাবান রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা একটু সহনশীল হতেন। কেউ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তাদের নিয়ে রসিকতা করলেই, ব্যঙ্গ করলেই, কার্টুন বা ব্যঙ্গাত্মক ছবি আপ করলেই তারা সেটিকে সিরিয়াসলি না নিয়ে বরং উপেক্ষা করলে মামলার সংখ্যা কমে আসতো। কেউ ব্যঙ্গ করেছে বলেই তার বিরুদ্ধে মামলা করে দিতে হবে কেন?

সহনশীল হওয়া এবং উপেক্ষা করতে পারার মানসিকতা গড়ে তুলতে না পারলে ডিজিটাল আইনে মামলার প্রবণতা কমবে না। বস্তুত এই আইনের প্রয়োগ অথবা অপপ্রয়োগে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেন ক্ষমতাসীন, ক্ষমতাবান লোকদের অতি উৎসাহী কর্মী-সমর্থকরা, অধিকাংশ ক্ষেত্রে যারা সরাসরি মানহানির শিকার না হলেও মামলার বাদী হন তারাই। অর্থাৎ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি মামলা করেন না। মামলা করেন অন্য কেউ। তারা এটা করেন ওই ব্যক্তির প্রতি তার আনুগত্য প্রদর্শনের জন্য। ওই দল ও সংগঠনে নিজের অবস্থান পোক্ত করার জন্য।

সাংবাদিকদের দায় নেই?

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগের (অপপ্রয়োগ) পেছনে কিছু সাংবাদিক বা সাংবাদিক নামধারী ব্যক্তির দায়ও কম নয়। এ পর্যন্ত যত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এই আইনে মামলা হয়েছে, নিবিড় অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে তার অনেক মামলার পেছনেই ওই সাংবাদিকের পরিচিত কোনও না কোনও সাংবাদিক বা সহকর্মী পরোক্ষভাবে ইন্ধন জুগিয়েছেন। ব্যক্তিগত রেষারেষির কারণে তারা তৃতীয় কাউকে দিয়ে ডিজিটাল আইনের মামলা দিয়ে হয়রানি করিয়েছেন। বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে সাংবাদিকদের মধ্যে গ্রুপিং, দলাদলি, একাধিক প্রেস ক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি, টেলিভিশন সাংবাদিক সমিতি, অনলাইন জার্নালিস্ট ফোরামসহ নানা রকম সংগঠন রাজনীতি প্রকাশ্যেই করেন। সাংবাদিকদের মধ্যে একটি গ্রুপ স্থানীয় এমপির লোক, একটি গ্রুপ প্রশাসনের লোক, একটি গ্রুপ সরকারবিরোধী—এভাবে নানারকম ভাগে বিভক্ত এবং সাংবাদিকরা নিজেরাই পরস্পরের বিরুদ্ধে এসব বলে বেড়ান। তারা একজন আরেকজনকে চাঁদাবাজ বলে গালি দেন। এসব কারণে সমাজের অন্য পেশার মানুষের কাছে স্থানীয় সাংবাদিকদের মর্যাদা ক্রমেই কমছে।

ইন্টারনেট ও ডিজিটাল ডিভাইসের সহজলভ্যতার সুযোগ নিয়ে অনলাইন সাংবাদিকতা যেহেতু এখন সহজ হয়েছে, ফলে এখন ঘরে ঘরে সাংবাদিক। নামের পরে একটা ডটকম লাগিয়ে দিলেই সেটা অনলাইন নিউজে পোর্টাল। হাতেগোনা কিছু অনলাইন পোর্টাল বাদ দিলে অধিকাংশই কোনও পেশাদার প্রতিষ্ঠান নয়। সেখানে সাংবাদিকতার কোনও নীতি-নৈতিকতার বালাই নেই। এমনকি সংবাদের যে ন্যূনতম মান, সেটিও রক্ষা করা হয় না। এরা নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে, নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে টার্গেট করে কথিত সংবাদ প্রকাশ করে একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে। ফলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি তখন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। কিন্তু মামলা হয়ে যাওয়ার পরে কিংবা অভিযুক্ত ব্যক্তি গ্রেফতার হওয়ার পরে মানুষ এই আইন নিয়ে যত সমালোচনা করে, কথিত সাংবাদিকতার  নামে যেসব অপেশাদার ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং অন্যান্য প্রেক্ষাপটে মামলাটি করা হলো, তা আলোচনায় থাকে না।

মুদ্রার অন্য পিঠ হলো, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো একটা কালাকানুন আছে বলেই কিছু লোক এটির সুবিধা নিচ্ছে। ফলে এরকম আইন বাতিল করা যেমন জরুরি, তেমনি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ব্যক্তির সম্মানহানি বন্ধ করাও জরুরি। সবচেয়ে বেশি জরুরি সহনশীলতা। কে কী বললো, কে কী লিখলো, তার সবকিছু আমলে নিলে, সবকিছু পাত্তা দিলে এই আইনে মামলা চলতেই থাকবে। অর্থাৎ সোশাল মিডিয়ায় কাউকে নিয়ে বিষোদ্গার করা, গালাগাল করা, এমনকি সাংবাদিকতার নামে অপসাংবাদিকতা যেমন বন্ধ করা দরকার, তেমনি এগুলো বন্ধ করতে গিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে ডিজিটাল অনিরাপত্তা আইনে পরিণত করার বিরুদ্ধেও দাঁড়ানো দরকার।

লেখক: কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স এডিটর, নেক্সাস টেলিভিশন।
/এসএএস/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
ইউক্রেন সফরে আসছেন এরদোয়ান ও গুতেরেস
ইউক্রেন সফরে আসছেন এরদোয়ান ও গুতেরেস
গ্রিস-তুরস্ক সীমান্তের নির্জন দ্বীপে ৩৮ অভিবাসী উদ্ধার
গ্রিস-তুরস্ক সীমান্তের নির্জন দ্বীপে ৩৮ অভিবাসী উদ্ধার
কেজিতে ৪০ টাকা কমলো কাঁচা মরিচের দাম 
কেজিতে ৪০ টাকা কমলো কাঁচা মরিচের দাম 
ভিয়েনায় জাতীয় শোক দিবস পালিত
ভিয়েনায় জাতীয় শোক দিবস পালিত
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ