X
রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪
৩০ আষাঢ় ১৪৩১

প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং ডাটার সম্পদ তত্ত্ব

ড. হাসিনুর রহমান খান
৩১ মে ২০২৪, ১৭:১৬আপডেট : ০১ জুন ২০২৪, ০০:৫৬

ইন্টারনেট এবং সম্পর্কিত বিষয়বস্তুর (আইওটি) অনুপস্থিতিতে, একবার কি ভেবে দেখেছেন আমাদের নিমিষেই কত বিশাল ক্ষতি হয়ে যেতে পারে? আইওটি’র ওপর ভর করে প্রযুক্তির গত ৩০ বছরে যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে তা যদি হঠাৎ করে হারিয়ে যায় তাহলে আমাদের জীবনযাপন কেমন হয়ে যেতে পারে? এসব কাল্পনিক অথবা অনুমিত প্রশ্নের উত্তর প্রমাণ করার জন্য বৈজ্ঞানিকভাবে টেস্ট অব হাইপোথেসিস করার দরকার নেই। চোখ বন্ধ করে একটু ভাবলেই যে সহজ উত্তর মিলবে সেটাও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করার চেয়েও অনেক শক্তিশালী হবে। প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন এবং সামাজিক জীবনকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছে যে কিছু সময়ের ইন্টারনেট বিভ্রাট, প্রযুক্তির ছোঁয়ার বাইরে অবস্থান, কিংবা এসবের সঙ্গে কৃত্রিম সম্পর্কের আচ্ছাদনের বিচ্ছেদ ঘটলে আমরা পাগলপ্রায় হয়ে যাই।

অতীতে মানুষ নিজের শিক্ষা, যোগ্যতা এবং দক্ষতার ওপর নির্ভর করে আয় করতেন। বর্তমানেও তাই, তবে বর্তমানে শিক্ষা, যোগ্যতা এবং দক্ষতাও আইওটি এবং প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে। তার মানে মানুষের আয় করার পেছনে আইওটি এবং প্রযুক্তি নির্ভরতার বাড়তি একটি প্যারামিটার যুক্ত হয়েছে, যে প্যারামিটারটি ক্রমশ আরও শক্তিশালী হচ্ছে আইওটি এবং প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে। অনেকে আবার শুধুই এই প্যারামিটারের ওপর নির্ভর করে আয় করছেন, শিক্ষা এবং যোগ্যতাকে আড়ালে রেখে।

ডাটা সংগ্রহের সনাতন পদ্ধতিগুলো প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে অনেকটাই অব্যবহৃত থেকে যাচ্ছে। বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর ডাটা সংগ্রহ করে ধারণ করে রাখার ক্ষমতা, তাৎক্ষণিক বিশ্লেষণ করার উপযোগিতা, পরিবেশ, সক্ষমতা সবকিছুই এমনভাবে বহু গুণে বেড়েছে যে সনাতন পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করে টার্গেট পপুলেশন সম্পর্কে জানার চাহিদা এবং আগ্রহ কমেছে।

অটোমেশন, সেন্সর, স্ক্যানিং, অয়েরঅ্যাবল, অ্যাপ  ইত্যাদি ডাটা সংগ্রহ পদ্ধতি নিখুঁত এবং স্মার্টভাবে টার্গেট পপুলেশনকে জানতে সাহায্য করছে। কাল্পনিক উদাহরণ হিসেবে যদি একজন ব্যক্তির প্রতিটি মুহূর্তের ডাটা অ্যাপের মাধ্যমে সংগ্রহ করা যেত তাহলে কয়েক বছরের ডাটা বিশ্লেষণ করে তার প্রতিটি কাজের আগাম পূর্বাভাস দিতে পারতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিপ লার্নিং পদ্ধতি।

স্মার্টঘড়ি ব্যবহারের মাধ্যমে শারীরিক কার্যকলাপ মনিটর করে বের করা যায় কারা বেকার। শরীরের অনেক প্যারামিটার, যেমন- ব্লাডপ্রেসার, হার্টবিট, পানির চাহিদা বের করা যায়। এরকম অসংখ্য বিষয় সম্পর্কে প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানা যায়। অর্থাৎ পপুলেশনের সাবজেক্ট সম্পর্কে যদি আইওটি ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে তাহলে সেগুলো বিশ্লেষণ করে প্যারামিটার সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। আর এ কাজটি করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডিপ লার্নিং পদ্ধতি। যেখানে দরকার পড়ে ডাটা ইঞ্জিনিয়ার, সায়েন্টিস্ট, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার এরকম অনেকের। সংগৃহীত ডাটাগুলোর আকার বড় হওয়ায় তা বিগডাটা নামে পরিচিতি পায়।

২০২৪ অমর একুশে বইমেলায় আমার একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেছিলেন, ভবিষ্যতে তারাই শক্তিধর এবং সম্পদশালী দেশ হবে উঠবে যারা ডাটাকে যত বেশি ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবহার করতে শিখবে। কথাটি নির্ভেজাল সত্য। ডাটাই শক্তি, ডাটাই সম্পদ, ডাটাই অর্থ। আইওটি এবং প্রযুক্তির নির্ভরতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এগুলো চরম সত্যি হিসেবে দেখা দিচ্ছে। আইওটি এবং প্রযুক্তি ব্যবহার সবাই করবে কিংবা বাণিজ্যিক কারণে সবাইকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে। কিন্তু এগুলোর নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পর্কিত ডাটার ব্যবহার এবং নিয়ন্ত্রণ যারাই করবে তারাই বিশ্বকে শাসন করবে। তাদেরই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক করায়ত্ত প্রতিষ্ঠিত হবে। সামরিক শক্তির চেয়ে ডাটা এবং প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী রাষ্ট্র হওয়ার নিয়ামক হয়ে উঠছে।

এরইমধ্যে টিকটক, ফেসবুক, টুইটার, উবার ইত্যাদির ব্যাপক ব্যবহার, রাষ্ট্র এবং সমাজকে নিয়ন্ত্রণে এদের প্রভাব দিন দিন আরও বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিভিন্ন রাষ্ট্র তাদের বিভিন্ন রকম স্বার্থ রক্ষার জন্য এদের বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছে এবং এদের ব্যবহার করছে। অনেকে প্রতিরক্ষা এবং অর্থনৈতিক সুরক্ষা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় ভুগছে। বাণিজ্য প্রসার এবং নিয়ন্ত্রণে এদের ভূমিকা অবধারিত।

ডিজিটালাইজেশন হওয়ার কারণে এখন হ্যাকিংয়ের আশঙ্কা বাড়ছে। হ্যাকিং হচ্ছেও। এ ধরনের অন্যান্য প্রযুক্তি এবং আইওটির উন্নয়নের (যেমন, ক্রিপটো কারেন্সি) সঙ্গে সঙ্গে অর্থনৈতিকভাবে লোকসানের শিকার হচ্ছে, আবার কেউ কেউ লাভবান হচ্ছে। এমনকি এর কারণে বিভিন্ন রাজনৈতিক বলয় তৈরি হচ্ছে। প্রযুক্তি এবং আইওটির উন্নয়নের সরাসরি ফলাফল হিসেবে জন্ম হচ্ছে বিগ ডাটার।  

এক হিসাবে বর্তমানে যত ডাটা আছে তার নব্বই শতাংশ তৈরি হয়েছে গত দুই বছরে। এই সময়ে ডিজিটাল ডাটা প্রায় ৪০ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এদের অধিকাংশ এসেছে ব্যক্তিপর্যায়ের উৎস থেকে। প্রতিটি দেশের বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান এবং এজেন্সি এসব তথ্য সংগ্রহ করে। এনআইডি, ভোটার কার্ড, পাসপোর্ট, বিভিন্ন ধরনের নিবন্ধন তথ্য, বিভিন্ন টেলি কমিউনিকেশনের তথ্য ইত্যাদি। বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়মিত ব্যক্তিপর্যায়ে তথ্য বিগডাটা আকারে সংগ্রহ করে থাকে। এই ডাটা কীভাবে সম্পদ অথবা অর্থ হতে পারে কখনও কি আমরা ভেবে দেখেছি? উত্তরটা অনুমেয়। অর্থাৎ, না। পরোক্ষভাবে ডাটা যে আসলে মূল্যমান সম্পদ, একটু খতিয়ে দেখলেই তার উত্তর মিলবে।

বিভিন্ন দেশের সরকার নিজেরাই সনাতন পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়ার বাইরে হাঁটতে শুরু করেছে। অনেক দেশ বিভিন্ন বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে এই তথ্যগুলো সংগ্রহ করছে টাকার বিনিময়ে। যেমন, ইউএস সেন্সাস ব্যুরো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে গ্রাহকের ঠিকানা যাচাই সংক্রান্ত তথ্য কিনে নেয়। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসেস প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান করে মেপি-হেলথ একটি স্টার্টআপ চালু করে, যার মাধ্যমে টুইটারের তথ্য যাচাই করে রোগের গতি-প্রকৃতি নির্ভুলভাবে নির্ণয় করে। ইউএসের সিডিসি সম্প্রতি এই মেপি-হেলথের ডাটাকে রিয়েল টাইম ডাটার সঙ্গে, যেমন- গুগল ফ্লু ট্রেন্ডের সঙ্গে মিলিয়ে রোগের প্রাদুর্ভাব এবং বিস্তার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পায়। এ জন্য গুগলকে অনেক অর্থ দিতে হয়। আমেরিকার সরকার প্রচুর তথ্য কিনে নেয় বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে।

যেমন, ট্রাফিক এজেন্সি টমটম-এর ডাটা নিয়ে বিভিন্ন শহরের ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট করে থাকে।

২০১০ সালের শুমারিতে তাদের ব্যয় হয় ১৫ বিলিয়ন ডলার। প্রায় ৫ লক্ষ ৬৫ হাজারের বেশি কর্মী নিয়োগ করে মিলিয়ন মিলিয়ন পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে। কিন্তু বিভিন্ন ডাটা অ্যাগ্রিগেটর কোম্পানি, যেমন- একজিয়ম, চয়েস পয়েন্ট এবং রেপলিফ ইউএস সেন্সাস ব্যুরোকে তাদের শুমারির চেয়েও বেশি বেশি তথ্য দেয় অর্থের বিনিময়ে, যা ব্যবহার করে শুমারি তথ্য নির্ভুল এবং সঠিকভাবে সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। এভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্য সমন্বয় এবং একত্রিত করে শুমারির ব্যয় দারুণভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়। এক সমীক্ষা অনুযায়ী যুক্তরাজ্যে প্রতিবছর প্রায় ৫৬ বিলিয়ন ডলার অপচয় রোধ করা সম্ভব হতো যদি সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দেওয়া জনগণের সব ব্যক্তিগত তথ্য রাষ্ট্র সমন্বয় করে ব্যবহার করতে পারতো।

এমনকি যুক্তরাজ্যের শুমারি উঠিয়ে দেওয়া সম্ভব হতো যদি এই তথ্যগুলো সঠিকভাবে সমন্বয় করা যেতো এবং তাতে করে প্রতিবছর দেশটির মাথাপিছু প্রায় ৮০০ ডলার সাশ্রয় হতো।

আমরা কারেন্সি বলতে চকচকে নোটকে বোঝাই। ইতিহাসের দিকে তাকালে কারেন্সির প্রাথমিক ব্যবহার হয় মূল্যবান সামগ্রীর (গবাদিপশু, শস্যদানা) বিনিময় দিয়ে। এরপর খ্রিষ্টপূর্ব ৬০০ শতাব্দীতে ধাতব মুদ্রার আবির্ভাব ঘটে। খ্রিষ্টীয় ৬০০ থেকে  ৯০০ শতাব্দীতে কাগজের নোটের প্রচলন শুরু করে চীন। তারপর দ্রুত সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। আইওটি এবং প্রযুক্তির উন্নয়নে কারেন্সির ইলেকট্রনিক অবয়ব (ডেবিট, ক্রেডিট, অনলাইন ডিজিটাল) খুব দ্রুত প্রসার পায় গত ৩০-৪০ বছরে। বর্তমানে আল্ট্রা ডিজিটাল যুগে ডিজিটাল কারেন্সি বা ক্রিপ্টো কারেন্সির (বিটকয়েন, ইথারিয়াম) ব্যবহার এবং জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এখন কারেন্সি আসলে হতে চলেছে শুধু বিনিময়ের একটা ভার্চুয়াল উপকরণ। কারেন্সির এই বৈশিষ্ট্যগুলো ডাটার মধ্যেও দেখা যায়। অনেক প্রতিষ্ঠান ডাটা লেনদেনের মাধ্যমে তাদের বাণিজ্য করে থাকে। পৃথিবীর শীর্ষ ১০টি বড় কোম্পানির মধ্যে অর্ধেক কোম্পানি আসলে ডাটাভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, যেমন ফেসবুক, Google, আলিবাবা।

ডাটা থেকে ভ্যালু তৈরি করে তার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা যায়। আজকের দিনে টেলিভিশন অজনপ্রিয় হওয়ার পেছনে কারণ নেটফ্লিক্স এবং সমপর্যায়ের প্ল্যাটফর্ম, আমরা কি তা কখনও ভেবে দেখেছি? নেটফ্লিক্স প্রথম যখন চাহিদা অনুযায়ী আসল কনটেন্ট মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাইলো, তখন তারা দর্শকদের ডাটা ব্যবহার করে সঠিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে তাদের চাহিদা মাফিক কনটেন্ট সরবরাহ করতে শুরু করে। এর মাধ্যমে রাতারাতি জনপ্রিয়তা এবং বেশি বেশি অর্থ উপার্জন করতে শুরু করে। যে গ্রাহকরা তাদের টাকা দিয়ে নেটফ্লিক্স ব্যবহার করেছে তাদেরই ডাটা মূল্যবান সম্পদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ডাটাই যে শক্তি এবং ডাটাই যে অর্থ, নেটফ্লিক্স সেটা দারুণভাবে উপলব্ধি করছে। বহুল পরিচিত সোশ্যাল মিডিয়া এবং অ্যামাজনের মতো অসংখ্য বাণিজ্যিক অনলাইন প্রতিষ্ঠান এভাবে ডাটাকে ব্যবহার করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করছে।

টিকটক, ফেসবুক, টুইটার, গুগল, আলিবাবা ইত্যাদি মানুষকে ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়ার বিনিময়ে আমাদের কাছ থেকে মূল্যবান তথ্য সংগ্রহ করছে। এসব সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীর সংখ্যা বহু দেশের জনসংখ্যার চেয়েও অনেক অনেক বেশি। ডাটা সায়েন্স, মেশিন লার্নিং, ডিপ লার্নিং ইত্যাদি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠান তথ্যকে সঠিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ভ্যালু তৈরি করে সেখান থেকে অর্থ আয় করছে। অন্যদিকে উইকিলিকসসহ অনেক প্রতিষ্ঠান আবার তথ্য বেহাত এবং চুরি করে তা বিক্রির মাধ্যমে অবৈধভাবে অনেক অর্থ উপার্জন করছে। আমাদের দেশেও জনগণের ব্যক্তিগত তথ্য মাঝে মাঝে বেহাত হওয়ার খবর শোনা যাচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা রাখা এবং নির্ভরযোগ্যতার সঙ্গে ব্যবহার করার বিভিন্ন সার্ভিস প্রতিষ্ঠানও তৈরি হচ্ছে, যেমন পার্সোনাল ডটকম। আবার রিপুটেশন ডটকম নামের প্রতিষ্ঠানে তথ্য রাখলে সেটি অন্য কারা কারা কীভাবে কোথায় ব্যবহার করছে সে সম্পর্কে ট্র্যাক করা যাচ্ছে। প্রযুক্তির উৎকর্ষতার সঙ্গে সঙ্গে তথ্যের সংরক্ষণের পাশাপাশি সুরক্ষা এবং নিয়ন্ত্রণের কৌশল দারুণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। যেকোনও রাষ্ট্র সবসময় তথ্য সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবহারের সবচেয়ে বড় স্টেকহোল্ডার। তাই প্রযুক্তির দ্রুত উৎকর্ষতা এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লব বাস্তবায়নের পরিপ্রেক্ষিতে এসব ব্যাপারে সত্যিকারের প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং নির্ভরযোগ্যতা অর্জন করতে হবে এবং সেগুলো সময়ের সঙ্গে গতিশীল রাখতে হবে, এর কোনও বিকল্প নেই।

লেখক: অধ্যাপক, ফলিত পরিসংখ্যান এবং ডাটা সায়েন্স, পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

E-mail: [email protected]

/এসএএস/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
যাত্রাবাড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেলো ক্রেনচালকের
যাত্রাবাড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেলো ক্রেনচালকের
একসঙ্গে গোসল করতে নেমে ৪ মেয়ের মৃত্যু
একসঙ্গে গোসল করতে নেমে ৪ মেয়ের মৃত্যু
২ ঘণ্টায় রোগীর বিল ২১ হাজার টাকা
২ ঘণ্টায় রোগীর বিল ২১ হাজার টাকা
উইম্বলডনে টিকে থাকলো আলকারাজের রাজত্ব
উইম্বলডনে টিকে থাকলো আলকারাজের রাজত্ব
সর্বশেষসর্বাধিক