কল্যাণপুর অভিযান ও কিছু আশার কথা

Send
আশরাফ মাহমুদ
প্রকাশিত : ১৪:২৭, জুলাই ২৮, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:০৬, জুলাই ২৮, ২০১৬

আশরাফ মাহমুদ১.
কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানায় অপারেশন স্টর্ম-২৬ নামে পুলিশসহ যৌথ বাহিনীর অভিযানে নয়জন জঙ্গি নিহত হয় এবং একজনকে আটক করা হয়। এই অভিযান-কেন্দ্রিক ঘটনা আমাদের বর্তমান সময়ে অনেক তাৎপর্যপূর্ণ এবং আশাজাগানিয়া। কী রকম?
আমাদের সময় এখন দুঃসহ, প্রতিদিন পত্রিকার পাতা খুললে অথবা আন্তর্জালের পাতায় অথবা টিভিতে চোখ রাখলে অধিকাংশ দিনই খারাপ খবর, প্রতিহিংসা, খুনাখুনি, ধর্ষণ, হত্যা এইসব। সারা পৃথিবী যেন ভালো নেই। ফ্রান্স, বেলজিয়াম, জার্মানি ইত্যাদি দেশে মৌলবাদী দল আইএস ও আল কায়েদার হামলা, নারী শিশুসহ অসহায় মানুষদের হত্যা বাংলাদেশেও ঘটে গেল গুলশানের হলি আর্টিজান ও শোকালিয়ার ঈদগাহে। ভালো নেই সিরিয়া, ফিলিস্তিন, লেবানন, নিউনিশিয়া, নাইজেরিয়া, তুরস্ক। যেকোনও সংবাদমাধ্যমেই আপনি নজর রাখেন না কেন, খারাপ খবর উপচে পড়ছে। এই খারাপ খবর শুনতে শুনতে আমাদের কী ঘটে? আমাদের মন মানসিকতায় কী ধরনের পরিবর্তন আসে?
২.
কল্যাণপুরের অভিযান মূলত তিনটি কারণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত সরকার জানান দিচ্ছে যে জঙ্গি ও উগ্রবাদীদের দমনে সরকারের সদিচ্ছা আছে। ব্লগার-লেখক-সংস্কৃতিকর্মী-মানবাধিকার কর্মী কিংবা পুরোহিত হত্যার ঘটনা বারবার ঘটার পরেও সরকারের কোনও সঠিক পদক্ষেপ আছে কিনা এই সন্দেহ ছিল যে সরকার আসলেই জঙ্গি দমনে আগ্রহী কিনা; বলার অপেক্ষা রাখে না গুলশান ও শোকালিয়া হামলায় অনেক হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির ফলে এবং আন্তর্জাতিকভাবে বেশ আলোচিত হওয়াতে সরকারের টনক নড়েছে। দ্বিতীয়ত কল্যাণপুরের ঘটনায় পুলিশ ও যৌথবাহিনী সত্যিই সাধুবাদ প্রাপ্য, আগের মতো তারা মনোবল হারাননি এবং অভিযান সমাপ্ত করেছেন বেশ দক্ষতার সঙ্গে। তারা আগের মতো টিভি বার্তা সংস্থাগুলোকে ঘটনাস্থল থেকে সরাসরি সম্প্রচার করতে দেননি (যা যৌথবাহিনীর জনবল ও পরিকল্পনার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ) এবং আমাদের সংবাদমাধ্যমসমূহ ও সাংবাদিকগণ বেশ পেশাদারিত্ব দেখিয়েছেন। অর্থাৎ আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংবাদমাধ্যম পূর্ববর্তী ঘটনাগুলোর ভুল থেকে শিখছি, এবং জনগণের সদিচ্ছা ও সচেতনতায় আমরা জঙ্গি ও উগ্রবাদকে দমন করতে পারবো, এই ব্যাপারে আশাবাদী। তৃতীয়ত আমাদের মাঝে সচেতনতা আসছে, সাধারণ জনগণের মাঝে ভীতি ও ত্রাস জাগলেও আমরা অনেক বেশি সচেতন এখন। জঙ্গিদের লাশ তাদের পরিবার নিচ্ছে না, ফলে জানা যায় তার নিজ পরিবার ও সমাজের কাছে কতোটুকু অপাঙতেয়। আমরা চারিদিকে নজর রাখছি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাচ্ছি এবং সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোতে দেখা যায় যে জঙ্গিবিরোধী ব্যাপারে সাধারণ মানুষ সাহায্যে অনেক আগ্রহী। সকলের সহমর্মিতা ও সহযোগিতায় আমরা ফিরে পেতে পারবো আমাদের দেশ।

৩.
সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা বিশেষ করে জার্মানিতে বিপণীকেন্দ্রে হামলা ও জাপানের প্রতিবন্ধী-সেবাদানকেন্দ্রে হামলা জঙ্গি ও উগ্রবাদীদের সম্পর্কে আমাদের নজর অন্যদিকেও টানে। মানসিক স্বাস্থ্য। শুধুমাত্র ধর্মীয় উগ্রতার জন্যও নয়, পরিবেশ ও প্রতিবেশের প্রভাবে এবং মানসিক দুরবস্থার প্রভাবেও অনেকে কল্পনার অতীত ঘটনায় জড়িয়ে পড়তে পারেন। ব্যাখ্যা করছি।

এইসব হামলাকারীদের বয়স ১৫-৩০-এর মধ্যে (কিছু ব্যতিক্রম আছে), এই বয়সটি অনেক বিপদের। কিশোর ও সদ্য যুবকরা বয়স্ক জনসাধারণের তুলনায় অনেক বেশি মানসিক বৈকল্য ও সমস্যায় ভুগেন। অনেক মানসিক রোগ ও সমস্যা দেখা দেয় কিশোর বয়সে। যেমন- পরীক্ষা করতে গিয়ে অথবা ভুল সঙ্গের প্রভাবে অনেকে ধুমপান ও মাদকাসক্তে জড়িয়ে পড়েন এই বয়সেই। অর্থাৎ মানসিক অবস্থার কথা বিবেচনা করলে এই বয়সসীমা অনেক সংবেদনশীল একটি সময়।

দুর্ভাগ্য হলো যে আমাদের দেশের শিক্ষিত এবং সাধারণ জনগণের মাঝে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা নেই। বিষণ্নতা আক্রান্ত রোগীকেও (ছয় মাসেরও অধিক সময় ধরে বিষণ্নতায় আক্রান্ত থাকলে, পারিবারিক ও সামাজিক কাজ বাধাগ্রস্ত হলে) আমরা ‘সামান্য মন খারাপ’ হিসেবে দেখে অবহেলা করি, অথচ বিষণ্নতাপ্রবণ বা বিষণ্নতায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা সাধারণ জনগণের তুলনায় পাঁচ গুণ বেশি আত্মহত্যাপ্রবণ হয়ে থাকেন। আমরা মানসিক সমস্যায় আক্রান্তদের ‘পাগল’, ‘ভিমরতি ধরছে’, ‘ভান করছে’ ইত্যাদি নানা কুকথায় অবহেলা করি, এইসব ব্যাপার মূলত নির্দেশ করে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে আমাদের ধারণা কতোটুকু ক্ষীণ।

স্বাস্থ্য দুই প্রকার। শারীরিক ও মানসিক। শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য রয়েছে আপনার শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা, অসুখ হলে রয়েছে মেডিক্যাল চিকিৎসা, ডাক্তার, ওষুধ ইত্যাদি। অথচ আপনার মানসিক কোনও সমস্যা হলে আপনি কী করবেন, কী করা উচিত সেই সম্পর্কে অনেকের ধারণা নেই। যেহেতু মস্তিষ্ক আপনার যাবতীয় আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং আচরণ পরিচালনা করে তাই আপনার মাসনিক স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে আচরণে কী অস্বাভাবিকতা আসতে পারে তা নিশ্চয় বুঝতে পারছেন। আপনার মস্তিষ্ক ও শরীর একে-অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ ও সংযোগ স্থাপন করে এবং একে অন্যকে প্রভাবিত করে। অথচ আমরা আমাদের শারীরিক রোগ সমস্যা ইত্যাদি নিয়ে সচেতন থাকলেও আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে একটুও সচেতন নই।

আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অধীনে নিজস্ব মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য সেবাপ্রদানের ব্যবস্থা থাকে, আমাদের দেশের কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিশেষ করে বেসরকারি) এইরকম ব্যবস্থা নেই, ক্ষেত্র বিশেষে চিকিৎসক পাওয়া গেলেও রয়েছে দায়িত্বে অবহেলা, দুর্নীতি, ন্যাক্কারজনক সেবাদান ইত্যাদি। বলার অপেক্ষা রাখে না মানসিক চিকিৎসার ব্যাপারে কোনও ব্যবস্থা নেই। দেশের অধিকাংশ ক্লিনিক ও হাসপাতালে মনোচিকিৎসক নেই। যেহেতু আটককৃত জঙ্গিদের (গুলশান হামলা) অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয় ও ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থী, আমাদের ভাবা দরকার এইসব ছেলেমেয়েদের মানসিক অবস্থার কতোটুকু দুরবস্থা হলে তারা মানুষ হত্যা ও আত্মঘাতী হামলায় অংশ নিতে পারে। ধর্ম এখানে অন্যতম ফ্যাক্টর, কিন্তু এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আরও অনেক কারণ- রাজনীতি, জীবনলক্ষ্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকা, মানসিক সমস্যায় ভোগা এবং এর থেকে মুক্তি ও পরিত্রাণের জন্য ভুল উপায়ে গমন, বিনোদন ও সৃজনশীলতার অভাব ও সঠিক বিকাশ না থাকা ইত্যাদি অনেক কারণ। আমি বলছি না যে মানসিক স্বাস্থ্যের দুরবস্থার কারণে এই ছেলেরা জঙ্গি হচ্ছে, বলছি যে আমাদের উচিত মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দেওয়া, আমাদের সন্তানদের সঠিক মানসিক বিকাশ ও উন্নয়নের দিকে নজর দেওয়া।

৪.
সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো আমাদের মনজগতে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। অনেকে হতাশ, ভীত, স্বাভাবিক কাজে কর্মে উৎসাহ পাচ্ছেন না। এইসব ঘটনা আমাদের মানসিকতাকে কিভাবে প্রভাবিত করছে? কী করতে পারি আমরা?

একেক জনের ব্যক্তিত্ব, পরিবেশ ও জেনেটিক গঠনের ওপর নির্ভর করে একই ঘটনা দুইজন ব্যক্তিকে দুইভাবে প্রভাবিত করতে পারে, হয়তো একজন ব্যক্তি যার মানসিক শক্তি ও পীড়ন (stress) সহ্য করা ক্ষমতা বেশি সে একটি খুনের দৃশ্য দেখে কয়েক দিন খারাপ সময় কাটালেও কাজেকর্মে ফিরে আসে, অন্যজন হয়তো দুর্ঘটনা-পরবর্তী পীড়ন বৈকল্য (post-traumatic stress disorder) অথবা বিষণ্নতা ও দুশ্চিন্তা-জনিত বৈকল্যে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু এই কথা বলার অপেক্ষা রাখে না এইসব খারাপ খবর ক্রমশ আমাদের অসংবেদনশীল (desensitized) করে তোলে, ফলে আমরা আগে সাধারণ চুরির ঘটনায় সংবেদনশীল হয়ে উঠলেও পরে ক্রমশ ছিনতাই, খুন, লুট, একাধিক খুন ইত্যাদিতে অসংবেদনশীল হয়ে পড়ি, যার প্রভাব আমরা দেখতে পাই বর্তমান বাংলাদেশে।

ব্লগার হত্যার পরে আমরা নির্বিকার থাকি, এরপর পুরোহিত-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-নাট্যকর্মী-সংস্কৃতকর্মী-মানবাধিকার কর্মী থেকে শুরু করে গুলশান ও শোকালিয়ার হামলা, আমরা অসংবেদনশীল হয়ে পড়ার কারণে হাঁপিয়ে ওঠি এবং এক সময় হাল ছেড়ে দিই এইসব ব্যাপারে। অনেক লোকই বিষণ্নতায় আক্রান্ত হন, ফলে তাদের স্বাভাবিক কর্মদক্ষতা লোপ পায়, আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন দৈনন্দিক জীবনে। অনেকে দুশ্চিন্তাজনিত রোগে ভোগেন। অর্থাৎ মানসিক দিক থেকে অকেজো হয়ে পড়েন অনেকে। বলার অপেক্ষা রাখে না এভাবে নিজ জীবন ও পরিবেশ ক্রমশ সেই ব্যক্তির জন্য দুর্বিষহ হয়ে পড়ে, অবসাদ্গ্রস্ত হয়ে তাই অনেকে আত্মহত্যার পথও বেছে নিতে পারেন।

ব্র্যাডফোর্ডের (Bradford) মনো-গবেষকরা সম্প্রতি দেখেন যে সেইসব ব্যক্তি হিংসাত্মক ঘটনা বেশি দেখেন বা শুনেন তারা বেশি মাত্রায় মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হন। বহির্মুখী (extrovert) ব্যক্তিত্ব যাদের তারা এইসব হিংসাত্মক ঘটনা দ্বারা প্রভাবিত হন বেশি মাত্রায়। অনেক নিজেও হিংসাপ্রবণ হয়ে ওঠেন। অন্তর্জাল ও সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোর কারণে আমরা এখন অহরহ এবং তাৎক্ষণিক খবর পাই পৃথিবীর যেকোনও প্রান্ত থেকে, এসব খবর আমাদের সেই সময়কার মনোভাব পাল্টে দেওয়া ছাড়াও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। যেমন- দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক ও মানসিক পীড়নের ফলে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়, হরমোন ও বিপাকীয় ক্রিয়াসমূহ বাধাগ্রস্ত হয়, এমনকি অনেকে ক্যানসার, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগের সঙ্গে এইসব পীড়নের সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন, এবং যেহেতু আপনার শরীর ও মস্তিষ্ক (মানসিক অবস্থা) একে অন্যকে প্রভাবিত ও নিয়ন্ত্রণ করে তাই দীর্ঘমেয়াদে আপনি কেবল শারীরিক নয়, মানসিক সমস্যাতেও আক্রান্ত হবেন। কিন্তু এই থেকে পরিত্রাণের জন্য আমরা কী করতে পারি? আদিকাল থেকে চলে আসা উপদেশ। অর্থাৎ মন্দ জিনিস থেকে দূরে রাখাই উত্তম, এইসব সাইট, অ্যাপ এমনকি মুঠোফোনের ব্যবহার সীমিত রাখুন। বিবর্তনের ইতিহাস দেখলে লক্ষ্য করবেন যে মানুষ এইসব স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তথ্য আহরণের জন্য বিবর্তিত হয়নি, আমাদের মস্তিষ্ক অনেক বেশি নমনীয় হলেও মস্তিষ্কেরও সীমাবদ্ধতা আছে। প্রতিদিন এইসব সাইট, অ্যাপ ইত্যাদির ১-৩ ঘণ্টার বেশি ব্যবহার ভালো নয়।

এইসব খারাপ খবর নিয়মিত শোনার আরেকটি বাজে দিক হচ্ছে আমরা নিজেরাই মনে করতে শুরু করি যে এইসব ঘটনা আমাদের ক্ষেত্রেও ঘটতে পারে, ফলে আপনার শরীর ও মস্তিষ্ক এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে, কিন্তু অতিরিক্ত নিরাপত্তা যেমন বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে তেমনি এই ডিপেন্সমেকানিজম আমাদের শরীর ও মনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ভালো কিছু নয়।

সন্ত্রাস ও উগ্রপন্থীরা চায় তাদের ত্রাসের কারণে জনসাধারণ তাদের স্বাভাবিকতা বিসর্জন দিয়ে উগ্রপন্থীদের মতো চলবে, আপনি যদি আপনার স্বাভাবিক কাজকর্ম রেখে তাই করতে শুরু করেন তবে উগ্রপন্থীদেরই জয়। সুতরাং সব ভুলে স্বাভাবিক থাকুক। আপনার দৈনন্দিন কাজ আগের মতো রাখুন। শিশুদের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিন, যেহেতু শিশুদের মস্তিষ্কের গঠন অসম্পূর্ণ ও অভিজ্ঞতার অভাব তাই এইসব ঘটনা ও সংবাদ তাদের প্রভাবিত করে বেশি। তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন এবং বোঝান আপনার সাধ্যমত, তবে সত্য আড়াল করা কিংবা ভুল ব্যাখ্যা করবেন না।

৫.
আমরা আশা রাখি সরকার কল্যাণপুরের অভিযানের মতো অভিযান অব্যাহত রাখবে। ফলে জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের যেমন মনবল ও নেটওয়ার্ক ভেঙে পড়বে তেমনি জনসাধারণের মাঝে স্বস্তি ও শান্তি ফিরে আসতে শুরু করবে। কিন্তু আমাদের সচেতন থাকতে হবে। এবং এই ক্রান্তিকালে আমাদের টিকে থাকতে হবে, শারীরিক ও মানসিক দুইভাবেই।
লেখক: গবেষক ও অনুবাদক।
[email protected]

আরও খবর: 'ভদ্র' আকিফুজ্জামান খান জঙ্গি, হতবাক প্রতিবেশীরা

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

লাইভ

টপ