উপকূলীয় জেলা বরগুনায় ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাব শুরু হয়েছে। সকাল থেকে বৃষ্টি ও দমকা বাতাস বইছে। বৃষ্টি ও বাতাসের গতি আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
রোববার (১৪ মে ) সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় গুঁড়ি গুড়ি বৃষ্টি ঝরছে। বিষখালী ও বুড়িশ্বর নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ থেকে ৭ ফুট পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা আবহাওয়া অফিস। পানি বাড়ার আশঙ্কায় বেড়িবাঁধের বাইরে ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার জন্য মাঠে নেমেছে জেলা প্রশাসন।
এদিকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় বেতাগী এবং বামনা উপজেলা ছাড়াও বাকি চার উপজেলায় সিপিপির মোট ৮ হাজার ৪৬০, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ৩০০, জাগনারীর ১৫০, ব্র্যাকের ৩৫৫ এবং রোভার স্কাউটের ৩৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণহানি এড়াতে বরগুনা জেলার প্রায় চার লাখ মানুষের জন্য ৬৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ২৫ মেট্রিক টন চাল, ১০০০ কার্টুন শুকনা খাবার, ৭০০ প্যাকেট বিস্কুট এবং ১৯০ বান টিন রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় মোখার ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় আমাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে। সরাসরি ঘূর্ণিঝড়টি বরগুনার উপকূলে আঘাত না হানলেও তার প্রভাবে যে জলোচ্ছ্বাস ও বৃষ্টিপাত হবে সে বিষয়ে আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।’









