লালমনিরহাটের তিনটি আসনে ভোট গ্রহণ শেষে বেসরকারিরভাবে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা বিজয়ী প্রার্থীদের হাতে বেসরকারি ফলাফলের তালিকা তুলে দিয়েছেন। এ সময় তিনটি আসনের বিজয়ী প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর আবু তাহের ৫৬ হাজার ২৪৪ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া গণসংহতি আন্দোলনের দ্বীপক কুমার ৪২৯, সিপিবির মধুসূধন রায় কাস্তে প্রতীকে ৮৬৯, ইসলামী আন্দোলনের আমিনুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীকে ৩ হাজার ২৮৩, জাতীয় পার্টির জাহিদ হাসান লাঙ্গল প্রতীকে ২ হাজার ১৫০ ভোট পেয়েছেন।
লালমনিরহাট-২ (কালিগঞ্জ-আদিতমারী) আসনে বিএনপির রোকনউদ্দিন বাবুল ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪৬ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতের ফিরোজ হায়দার লাভলু দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৭ হাজার ২৫২ পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মমতাজ উদ্দিন মোটরসাইকেল প্রতীকে ৩ হাজার ৪৯৯, ইসলামী আন্দোলনের মাহফুজুর রহমান হাতপাখা প্রতীকে ৬ হাজার ৯৩৯ ভোট, জনতার দলের ব্রিগেডিয়ার (অব.) শামিম কামাল কলম প্রতীকে ২০ হাজার ১২৭ ভোট পেয়েছেন।
লালমনিরহাট-১ (হাতিবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনে বিএনপির হাসান রাজিব প্রধান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ ভোটে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আনোয়ারুল ইসলাম রাজু দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৭২ ভোট পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী শিহাব আহমেদ ঘোড়া প্রতীকে ৭ হাজার ৯৫৯, জাতীয় পার্টির মশিউর রহমান রাঙ্গা লাঙ্গল প্রতীকে ৫ হাজার ১৫৮, লেবার পার্টির শুভ আহম্মেদ ১৪৩, স্বতন্ত্র রেজাউল বারি সরকার মোটরসাইকেল প্রতীকে ৮০৪, স্বতন্ত্র রেদাউনুল হক তালা প্রতীকে ১৯১, ইসলামী আন্দোলনের ফজলুল কবীর শাহরীয়ার ৪ হাজার ৪৪২, জাসদের হাবিব মোহাম্মদ ফারুক ২২৬ ভোট পেয়েছেন।









