X
মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২
১১ আশ্বিন ১৪২৯

ভুল অনুমানের বাজেট: সিপিডি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১০ জুন ২০২২, ১৭:১০আপডেট : ১০ জুন ২০২২, ১৭:১০

আসন্ন ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘ভুল অনুমাননির্ভর’ আখ্যা দিয়েছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)। সংস্থাটি থেকে বলা হয়েছে, ‘বেশ কিছু ভুল অনুমানের ভিত্তিতে প্রস্তাবিত বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। যেখানে লক্ষ্য পূরণে নেওয়া পদক্ষেপগুলো পরিপূর্ণ নয় এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অপর্যাপ্ত।’

শুক্রবার (১০ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘জাতীয় বাজেট ২০২২-২৩’ পর্যালোচনায় এমন প্রতিক্রিয়া জানায় সংস্থাটি।

সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বাজেটে বলা হয়েছে নতুন অর্থবছরে ডলারের মূল্য ৮৬ দশমিক ২ টাকায় নেমে আসবে। এটি বাস্তবতার সঙ্গে মিল নেই। কারণ রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধ এখনও চলমান। যেখানে বর্তমানে মার্কিন ডলারের মূল্য ৯২ টাকা। সেখানে ডলারের মূল্য ৮৬ টাকায় নামিয়ে আনা একটি ভুল অনুমান।‘

একইভাবে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘বাজেটে ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্য বাড়বে বলা হয়েছে। কিন্তু এটা কীভাবে সম্ভব সেটা বোধগম্য নয়।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান চড়া মূল্যের বাজারে অর্থমন্ত্রী মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬ শতাংশে রাখার যে প্রাক্কলন করেছেন তা বাস্তবতার সঙ্গে কোনও মিল নেই। বাজেটে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ মূল্যস্ফীতির হিসাব কীভাবে এলো, এটা কীভাবে কমবে তা বলা হয়নি। সারা বিশ্বে অর্থনীতির অস্থিরতা চলছে। সেখানে আমাদের মূল্যস্ফীতি কীভাবে কমে যাবে সে বিষয় নিয়ে বাজেটে সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই।’

সিপিডির পর্যালোচনায় বাজেট ঘাটতি বাস্তবসম্মত নয় বলে মত দিয়ে তিনি বলেন, ‘বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৫ দশমিক ৫ শতাংশ ধরা হয়েছে। কিন্তু এটা বাস্তবসম্মত মনে হয়নি। ঘাটতি পূরণে বিদেশি নির্ভরতা বাড়ছে। সেটা কতটা ব্যবহার করতে পারবো, তা এখন দেখার বিষয়।’

ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘সামষ্টিক অর্থনীতিতে দেখা যায় রাজস্ব আদায়, বেসরকারি খাতে ঋণ, রফতানি ভালো অবস্থানে আছে। নেতিবাচক দিকে আছে বেশ কিছু সূচক। এর মধ্যে রিজার্ভ নিচের দিকে নামছে। ঋণখেলাপির পরিমাণ বেড়েছে। মুদ্রার অবনমন ঘটছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম নাগালের বাইরে চলে গেছে। কিন্তু জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাজেটে বেশি ফোকাস করা হচ্ছে।

ব্যক্তি আয়ের ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়ের সীমা তুলে দেওয়ার প্রস্তাব করেছিল সিপিডি। কিন্তু সেটা অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানান ফাহমিদা খাতুন। বলেন, ‘এই সীমা বাড়ানো হলে সাধারণ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়া যেতো। বেতনের বাইরে বিভিন্ন সুবিধার কর বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা করা হয়েছে। এতে নিম্ন আয়ের মানুষের কোনও সুবিধা দেওয়া হয়নি।’

সংস্থাটির মতে, ‘২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চাল, ডালসহ ২৯টি নিত্যপণ্যের দাম কমানোর দরকার ছিল। কিন্তু তা করা হয়নি। সিপিডির পক্ষ থেকে নিত্যপণ্যের দাম কমাতে কর কমানোর সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু সেটিও রাখা হয়নি।’

সংস্থাটির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘মনে হচ্ছে বাজেট প্রণয়নের সময় ইউক্রেন যুদ্ধের বাস্তবতাকে অস্বীকার করা হয়েছে। কোভিড আর আসবে না বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। চীনের সাম্প্রতিক লকডাউনের বিষয়টিও এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।’

ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘সরকারি হিসাবে এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতির হার ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ। যদিও বাস্তবে এই হার আরও অনেক বেশি। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল খাদ্যপণ্যসহ সবধরনের জিনিসের দাম বাড়ছে। কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করার পর থেকেই বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য বাড়ছে। ফেব্রুয়ারি শেষে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলার পর তা আরও বেড়ে গেছে।’

অন্যদিকে চীনে সাম্প্রতিক লকডাউনের কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। চীন বিশ্ববাজারে পণ্য জোগান দেওয়ার একটি অন্যতম বড় দেশ। এ পরিস্থিতিতে পণ্য কোত্থেকে আসবে, সেটাও একটি বড় প্রশ্ন বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘এই সংকটকালে কীভাবে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬ শতাংশে আটকে রাখবেন অর্থমন্ত্রী আমাদের কাছে তা বোধগম্য নয়। তাহলে প্রশ্ন জাগে, অর্থমন্ত্রীর হাতে কি জাদুর কাঠি আছে, যার মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনবেন?’

ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘দুই বছরের বেশি সময়ের করোনা মহামারির পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় বর্তমানে জনজীবনের ওপর চাপ বেড়েছে। বাজেটে প্রত্যাশা ছিল নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষকে স্বস্তি দেওয়া হবে, কিন্তু দেওয়া হয়নি। উল্টো বিত্তবানদের জন্য কর কমানো হয়েছে।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘যেসব মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে গেছে, তারা কীভাবে আগের জায়গায় ফিরতে পারবে, তারও সুনির্দিষ্ট কোনও দিকনির্দেশনা নেই বাজেটে।’

তার মতে, ‘বাজেট বক্তৃতায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণসহ ছয়টি চ্যালেঞ্জের কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী নিজেই। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে, অর্থমন্ত্রী রোগ চিহ্নিত করেছেন ঠিকই; কিন্তু সেই রোগ সারাতে ওষুধ ঠিকমতো হয়নি। নতুন বাজেট যে লক্ষ্য নিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে তা পূরণে নেওয়া পদক্ষেপগুলো পরিপূর্ণ নয়। নীতিকৌশলের ক্ষেত্রে পদক্ষেপ অসম্পূর্ণ এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তা অপর্যাপ্ত।’

ফাহমিদা খাতুন আরও বলেন, ‘আমরা দেখেছি, বাজেটে মূল্যস্ফীতি কথাটি অনেকবার এলেও এটি নিয়ে অর্থমন্ত্রীর পদক্ষেপ পর্যাপ্ত নয়। কর কাঠামোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর প্রত্যাহারের প্রস্তাবনা যথেষ্ট নয়। অনেক পণ্যেই কর রয়ে গেছে। বাজেটে গম ছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক পণ্যে করছাড় নেই। বাড়ন্ত মূল্যস্ফীতির এই সময়ে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হয়নি, ভর্তুকি ও সামাজিক সুরক্ষার আওতাও ওই অর্থে বাড়েনি। তাহলে অর্থমন্ত্রী মূল্যস্ফীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবেন কীভাবে?’

শুধু জিডিপি প্রবৃদ্ধির উপর নজর না দিয়ে মূল্যস্ফীতির চাপের পরিপ্রেক্ষিতে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষার উপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সিপিডি। ড. ফাহমিদা বলেন, ‘আমরা শুধু জিডিপি প্রবৃদ্ধির ওপর নজর না দিয়ে আমাদের বর্তমান অর্থনীতি ও মূল্যস্ফীতির যে চাপ, তার পরিপ্রেক্ষিতে যারা দরিদ্র ও নিম্নআয়ের জনগণ আছেন, তাদের কীভাবে সুরক্ষা দেওয়া যায় এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা কীভাবে রক্ষা করা যায় সেগুলোর ওপর জোর দিতে বলেছিলাম। সেটি করতে গিয়ে যা প্রয়োজন আর্থিক বা মুদ্রা পদক্ষেপ, সেটির মধ্যে সমন্বয় করা খুবই প্রয়োজন। আমরা প্রায়শই দেখি, এগুলোর মধ্যে কোনও সমন্বয় থাকে না।’

এসময় তিনি মোটা দাগে সিপিডির ৪টি সুপারিশ তুলে ধরেন। সেগুলো হলো- নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর থেকে কর তুলে দেওয়া কিংবা কর কমিয়ে ফেলা, আমদানির ক্ষেত্রে এবং দেশের ভেতরের পর্যায়েও। সেই সঙ্গে মধ্যম ও নিম্নমধ্যম আয়ের মানুষকে করের বোঝা থেকে কিছুটা অব্যাহতি দেওয়া। ভর্তুকির জন্য পর্যাপ্ত অর্থ রাখা, যাতে গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা যায় এবং কিছু দিনের জন্য সেখানে ভর্তুকি চালিয়ে যাওয়া। 

সুপারিশে তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের জন্য বিশেষ করে দরিদ্র জনগণের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর প্রসার, এর আওতা বাড়ানো এবং পরিমাণ বাড়ানো প্রয়োজন।

প্রস্তাবিত বাজেটে পাচার করা টাকা দেশে আনার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা নৈতিকতা পরিপন্থি বলে মনে করে সিপিডি। তিনি বলেন, ‘পাচার করা টাকা কর দিয়ে দেশে আনার যে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এতে সৎ করদাতাদের নিরুৎসাহিত করা হয়; এটা অনৈতিক। এটা থেকে কোনও অর্থ আসবে না। কারণ যারা দেশের বাইরে টাকা পাচার করে, তারা দেশে ফিরে আসার জন্য টাকা পাচার করে না।’

সিপিডির বিশেষ ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বিদেশে পাচার করা টাকা কর দিয়ে দেশে আনার সুযোগ নৈতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক- তিন দিক থেকেই অনৈতিক।’ 

কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘টাকা বাইরে দুর্নীতি আর অবৈধভাবে নিয়ে গেছেন। এটা নৈতিকভাবে যৌক্তিক নয়। আর বৈধভাবে টাকা বাইরে নেওয়ার সুযোগ নেই। এর আগে কালো টাকা সাদা করার যে সুযোগ দেয়া হয়েছিল সেটাতে খুব বেশি রাজস্ব বাড়েনি বলে জানান তিনি। অর্থাৎ অর্থনৈতিকভাবে এতে উপকার নেই।

এই সুবিধার ফলে টাকা পাচার আরও বাড়বে বলে মনে করেন মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘যারা বাইরে টাকা পাচার করেন তারা ইঙ্গিত পেয়ে গেলেন যে, বাইরে টাকা পাঠালেও দেশে নিয়ে আসা সম্ভব হবে।’

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার(৯ জুন) বর্তমান সরকারের ২২তম এবং বাংলাদেশের ৫১তম বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বাজেট অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন।

‘কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তন’ প্রতিপাদ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট জাতীয় সংসদে পেশ করা হয়েছে। নতুন এ বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এতে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬ শতাংশে রাখার কথা বলা হয়েছে।

বাজেটে ধনী ও অর্থপাচারকারীদের জয় হয়েছে’ বলে মন্তব্য করেন সিপিডি সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, এবারের বাজেটে যাদের টাকা-পয়সা আছে, উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী, যারা টাকা পাচার করে; এই শ্রেণির জয় হয়েছে। গরিবের জন্য বাজেটে তেমন কিছু নেই। সবচেয়ে বেশি উপেক্ষিত হয়েছে মধ্যবিত্ত।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকার ধরেই নিয়েছে করোনা চলে গেছে। করোনার সামগ্রীর ওপর কর আরোপ করা হয়েছে। এটা ঠিক হয়নি। কোনও কারণে করোনা মহামারি আবার ফিরে এলে ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফা করবে।’ শিক্ষার অন্যতম উপকরণ ল্যাপটপের দাম এই মুহূর্তে বাড়ানো ঠিক হয়নি— বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

/জিএম/ইউএস/
টাইমলাইন: জাতীয় বাজেট ২০২২-২৩
১০ জুন ২০২২, ১৭:১০
ভুল অনুমানের বাজেট: সিপিডি
সম্পর্কিত
নতুন বাজেটে রাষ্ট্রপতির সম্মতি
নতুন বাজেটে রাষ্ট্রপতির সম্মতি
শেষ হলো বাজেট অধিবেশন
শেষ হলো বাজেট অধিবেশন
বাজেট পাস, শুক্রবার থেকে কার্যকর
বাজেট পাস, শুক্রবার থেকে কার্যকর
৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট পাস হচ্ছে আজ
৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট পাস হচ্ছে আজ
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
বঙ্গমাতা সেতুর পিলারে মালবাহী জাহাজের ধাক্কা
বঙ্গমাতা সেতুর পিলারে মালবাহী জাহাজের ধাক্কা
আদিতির হত্যাকারীর বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
আদিতির হত্যাকারীর বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পিবিআই’র চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার
কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পিবিআই’র চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার
শিল্পকলায় নাট্যকেন্দ্রের ১৫তম প্রযোজনা
শিল্পকলায় নাট্যকেন্দ্রের ১৫তম প্রযোজনা
এ বিভাগের সর্বশেষ
বাজেটে স্যানিটেশন ও হাইজিন খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর সুপারিশ
বাজেটে স্যানিটেশন ও হাইজিন খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর সুপারিশ
‘বাজেটে প্রতিবন্ধিতা খাতে বরাদ্দ চাহিদার তুলনায় কম’
‘বাজেটে প্রতিবন্ধিতা খাতে বরাদ্দ চাহিদার তুলনায় কম’
বিনা প্রশ্নে পাচারের অর্থ দেশে আনার সুযোগ বেআইনি: টিআইবি
বিনা প্রশ্নে পাচারের অর্থ দেশে আনার সুযোগ বেআইনি: টিআইবি
বাজেটের ওপর বিসিআই’র প্রতিক্রিয়া
বাজেটের ওপর বিসিআই’র প্রতিক্রিয়া
বিদেশ থেকে অর্থ ফিরিয়ে আনার বিষয়টি অনৈতিক: সিপিডি
বিদেশ থেকে অর্থ ফিরিয়ে আনার বিষয়টি অনৈতিক: সিপিডি