অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও ভারতের বাঁধ খুলে দেওয়ায় আকস্মিক বন্যায় ডুবে গেছে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রায় ১০টি জেলা। বিশেষ করে ফেনী জেলার প্রায় সবকটি উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাতে বিজয়নগরের কার্যালয়ে এক জরুরি লাইভ ব্রিফিং করে আমার বাংলাদেশ পার্টি- এবি পার্টি।
কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম ও সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু।
তাজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের কয়েকটি জেলা সুনামির মতো ভয়াবহ ফ্লাশফ্লাডে আক্রান্ত হয়েছে। এতে ফেনীসহ কয়েকটি জায়গায় মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এমতাবস্থায় আমরা দাবি করছি— অবিলম্বে আক্রান্ত এলাকাগুলোকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করে সরকারি সব বাহিনীর সমন্বয়ে জনসাধারণকে দ্রুত উদ্ধার করা।’
‘এটা সম্ভব না হলে শত শত মানুষ প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। এই আকস্মিক বন্যার কারণ অতিবৃষ্টি ও ভারতের ডাম্বুরা বাঁধের সব গেট কোনও রকম সতর্কতা ছাড়াই খুলে দেওয়া। ভারতের এই ধরনের আচরণের আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।’
তিনি বলেন, ‘ভারতের এই ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে সরকারের শক্ত পদক্ষেপ আমরা দাবি করছি।’
মঞ্জু বলেন, ‘আমরা সরকারকে অবিলম্বে উদ্ধার তৎপরতায় হেলিকপ্টার ও নৌবাহিনীকে ব্যবহারের আহ্বান জানাচ্ছি।’
মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘সরকার ইতোমধ্যেই উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে। এটিকে আরও জোরদার করতে হবে। তিনি এবি পার্টির সব শাখাকে উদ্ধার তৎপরতায় শরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আলতাফ হোসাইন, যুবপার্টির আহ্বায়ক শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, এবি পার্টি ল,ইয়ার্সের যুগ্ম সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আলী নাসের খান, যুবপার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক তোফাজ্জল হোসেন রমিজ, মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সদস্য সচিব কেফায়েত হোসেন তানভীর, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রিপন মাহমুদসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।









