‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুপুর বেলা একশো টাকার খাবার খান। ১০০ টাকায় সখীপুরেও খাবার পাওয়া যাবে না।’ গত ৬ জুলাই টাঙ্গাইলের সখীপুরে এক অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
প্রশ্ন হলো, প্রধানন্ত্রী কেন একশো টাকার খাবার খান, এর বেশি খাওয়ার সক্ষমতা কি তার নেই? নিশ্চয়ই আছে। মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রীর ভাষায়, ‘এটা হচ্ছে পরিবর্তনের সূচনা।’ অর্থাৎ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেই কৃচ্ছ্রতা সাধন তথা অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর যে নীতিতে সরকার চলছে, প্রধানমন্ত্রীর জন্য দুপুরের খাবারে একশো টাকা বরাদ্দ রাখা তারই অংশ।
এরপর গত ১৮ আগস্ট রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার। তবে প্রয়োজনীয় খাতে অবশ্যই ব্যয় করা হবে।’ এনবিআরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা কী ধরনের ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছি, এটি দেশের যেকোনও শ্রেণিপেশার মানুষের চেয়ে আপনারা বেশি অবগত।’
এটা ঠিক যে, জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পরে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগে। অন্তর্বর্তী সরকার দেড় বছরেও সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি। বরং কিছু জায়গায় সংকট আরও বেড়েছে। বিশেষ করে শিল্প-কারখানা তথা ব্যবসা-বাণিজ্যে। সব মিলিয়ে একটা ভঙ্গুর অর্থীতির মধ্যে সরকার গঠন করে বিএনপি।
গত জুন মাসে জাতীয় সংসদে বাজেট পাস হওয়ার কয়েক দিন আগেই রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘দেশের বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধির ধারায় ফিরিয়ে আনতে সরকারের অন্তত দুই বছর সময় প্রয়োজন।’ সবশেষ গত ২৪ আগস্ট রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যে ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছি, তা পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে। এ থেকে বেরিয়ে আসার পথ তৈরি হচ্ছে। আমরা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করছি।’
ফলে যখন অর্থমন্ত্রী বলছেন, সরকার জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে দেশের অর্থনীতি যখন ভীষণ চাপের মুখে এবং সরকার যখন প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যয় সংকোচন নীতি অবলম্বন করছে; বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী নিজেই যখন সর্বক্ষেত্রে কৃচ্ছ্রতা সাধন করছেন— সেই মুহূর্তে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন একলাফে একশো থেকে ১৪২ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এই বাড়তি টাকা কোথা থেকে আসবে এবং অন্য কোনও গুরুত্বপূর্ণ খাতে বরাদ্দ কমানো হবে কিনা— তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তার চেয়ে বড় কথা, সরকারি অফিসগুলোয় সার্ভিস বা সেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে যে প্রতিনিয়ত হয়রানি ও কালক্ষেপণের শিকার হতে হয়, ঘুষ ছাড়া যেখানে কাজ আদায় করা কঠিন, সরকারি প্রকল্প থেকে যে দেশে শত শত কোটি টাকা দুর্নীতি ও লুটপাট এখন মোটামুটি ডালভাতে পরিণত হয়েছে— সেই দেশে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন একসঙ্গে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে সরকার আসলে কী বার্তা দিতে চাইলো? বরং, জুলাই অভ্যুত্থানের পরে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোয় যে সংস্কারের দাবি জোরালো হয়েছিল, সেই সংস্কারের পথে সরকার কতুটুক হাঁটছে, বিশেষ করে সরকারি অফিসগুলো ঘুষ-দুর্নীতি, হয়রানি আর সময়ক্ষেপণ বন্ধে সরকার গত ছয় মাসে কী পদক্ষেপ নিয়েছে— সেই প্রশ্নটিও এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
সোমবার (৩১আগস্ট) মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত পে স্কেলের প্রস্তাব অনুযায়ী ২০তম গ্রেডের সর্বনিম্ন মূল বেতন হবে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ প্রথম গ্রেডের জন্য ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।
অবশ্য এই পে স্কেলের উদ্যোগ বিএনপি গ্রহণ করেনি। বরং বিগত অন্তর্বর্তী সরকার গত বছরের ২৭ জুলাই ২৩ সদস্যের নবম জাতীয় পে কমিশন গঠন করে। সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন এই কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। অর্থাৎ অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত উদ্যোগই মূলত বিএনপি বাস্তবায়ন করলো।
কিন্তু দেশের অর্থনীতি যখন চাপের মুখে, বিশেষ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে যখন শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে; অসংখ্য কল-কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে, ঠিক সেই মুহূর্তে একটি নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বছরে নতুন করে এক লাখ কোটি টাকা খরচের বোঝা কেন বাড়াতে হলো; কেন এই পে স্কেল বাস্তবায়নে আরও সময় নেওয়া গেল না; অর্থাৎ বিদ্যমান সংকট নিরসনকে অগ্রাধিকার না দিয়ে কেন সরকারি চারিজীবীদের তুষ্ট করার পথে সরকারকে হাঁটতে হলো—সেই প্রশ্নটি জনমনে আছে।
কাকতালীয় হলেও সত্যি, যেদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারি চাকরিজীবীদের নবম পে স্কেল অনুমোদন দেওয়া হলো, তার ঠিক আগের দিন রাতে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম নিজের ফেইসবুকে লিখেছেন: ‘প্রশাসনের একটি প্রভাবশালী অংশ সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণ করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। এখনই যদি এই দায়িত্বজ্ঞানহীন চক্রটিকে চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয়, তবে সামনে আমাদের জন্য ঘোর অন্ধকার অপেক্ষা করছে।’ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট ও জনদুর্ভোগের বিষয়ে তিনি এই পোস্ট দিলেও এখানে আরও কিছু ইঙ্গিত আছে। সরকারি দলের একজন সংসদ সদস্য যখন ফেসবুকের মতো পাবলিক প্ল্যাটফর্মে এইধরনের মন্তব্য করেন, তখন বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, পরিস্থিতি কতটা গুরুতর। তিনি স্পষ্টতই সরকারি কর্মচারীদের একটি অংশের দিকে আঙুল তুলেছেন এবং সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ ছাড়া সরকারি দলের একজন সংসদ সদস্য এই ধরনের পোস্ট দিয়েছেন , এটি ভাবার কোনও কারণ নেই।
প্রশ্ন হলো, প্রশাসনের একটি অংশ কি সত্যিই সরকারকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করছে? নাকি তারা নানাভাবে সরকারকে চাপে ফেলে নিজেদের সুযোগ-সুবিধা আদায় করে নিচ্ছে? দেশের অর্থনীতি যখন নানারকম চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে একশো থেকে ১৪২ শতাংশ বেতন বাড়িয়ে কি সরকারি কর্মচারীদের সম্ভাব্য ‘বিদ্রোহ’ বা অসহযাগিতা ঠেকানোর চেষ্টা করা হলো?
এই প্রসঙ্গে আরেকটি ঘটনার উল্লেখ করা যাক। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের বিভিন্ন খাতে ব্যয় স্থগিত ও হ্রাসের বিষয়ে গত ৯ জুলাই দুটি সার্কুলার জারি করেছিল। যেখানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদেশ সফর, নতুন যানবাহন ও আসবাব ক্রয়, বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি সংগ্রহ এবং অন্যান্য অনুৎপাদনশীল ব্যয় সীমিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এক সপ্তাহের মধ্যে গত ১৬ জুলাই এই সার্কুলার স্থগিত করা হয়। তার মানে কী এই যে, সরকারি কর্মচারীরা যা চাইবে, যেভাবে চাইবে সরকার সেভাবেই চলবে? সরকারি কর্মচারীরাই সরকারের কাছে অগ্রাধিকার?
বাস্তবতা হলো, সরকার তার দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করে সরকারি কর্মচারীদের মাধ্যমেই। ফলে তাদের সহযোগিতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাদের বেতন বৈষম্য আছে, অনেক গ্রেডে বেতন খুবই কম ছিল, এটিও অস্বীকারের কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু প্রশ্নটা অন্য জায়গায়। সেটি হলো, বেতন বাড়ানোর মধ্য দিয়ে কি বৈষম্য কমানো গেছে? নতুন পে স্কেল অনুযায়ী ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন বেতন যেখানে ২০ হাজার টাকা, সেখানে প্রথম গ্রেডের বেতন কী করে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা হয়? তাছাড়া যিনি ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা মূল বেতন পাবেন, এর বাইরে তিনি আরও কয়েক লাখ টাকার বৈধ সুবিধা পান। গাড়ির তেল খরচ, মিটিং ভাতা, বিদেশ সফরসহ নানা খাতে। ঘুষ এবং বিভিন্ন প্রকল্প থেকে লুট করা টাকার অঙ্ক বাদ দিলেও। কিন্তু নিচের গ্রেডের কর্মচারীরা বেতনের বাইরে খুব বেশি সুবিধা পান না। সুতরাং, নিচের গ্রেডে বেতন বাড়ানো যতটা যৌক্তিক, ওপরের দিকে, বিশেষ করে প্রথম গ্রেডের বেতন দ্বিগুণ করে দেওয়া ততটাই অযৌক্তিক। কেননা, ঘুষ দুর্নীতি ছাড়াও সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মচারীরা যে পরিমাণ আর্থিক সুবিধা ভোগ করেন, সেটি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক বাস্তবতায় কম— এ কথা বলার কোনও সুযোগ নেই।
আরেকটা বাস্তবতা হলো, সরকারি অফিসগুলোয় যে পরিমাণ লোকবল প্রয়োজন, কাজ করে তার চেয়ে অনেক বেশি। অনেক প্রতিষ্ঠানে গেলে দেখা যাবে, কিছু লোক সারাদিন মোটামুটি অলস সময় পার করেন কিংবা নানা ধান্দা-ফিকিরে ব্যস্ত থাকেন। আবার সচিব বা এরকম উচ্চপদস্থ কর্মচারীদের সহায়তার জন্য যে পরিমাণ ব্যক্তিগত কর্মচারী নিয়োজিত থাকেন, সেটি যেকোনও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অনেক বেশি। এটা দায়িত্ব নিয়েই বলা যায় যে, সরকারি অফিসের তিনজন লোক মিলে যে কাজ করেন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেই কাজ করতে হয় একজনকে। বেসরকারি অফিসে যে কাজ একদিনে বা তিন ঘণ্টায় হয়, সরকারি অফিসে সেই কাজ তিনদিন কিংবা ক্ষেত্রবিশেষে আরও বেশি সময় লাগে। অথচ সেখানে লোকবল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ে অনেক বেশি। প্রশ্ন হলো, জনগণের ট্যাক্সের পয়সায় এই বিপুল সংখ্যক লোকবল কেন পুষতে হবে?
নবম পে স্কেল বা বেতন বাড়ানো নিচের দিকের কর্মচারীদের জন্য নিশ্চয়ই জরুরি ছিল। কিন্তু প্রশ্ন হলো, বাজার তথা অর্থনীতিতে এর কী প্রভাব পড়বে? নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যদি এই উসিলায় বেড়ে যায়, বেসরকারি চাকরিজীবীরা তার ভিকটিম হবে। কেননা, তাদের বেতন বাড়েনি।
অনেকে যুক্তি দেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতন বেশি। এটা হয়তো কিছু কিছু ক্ষেত্রে সঠিক। কিন্তু সরকারি কর্মচারীরা বেতনের বাইরেও যে পরিমাণ সুযোগ-সুবিধা পান; অবসরে যাওয়ার পরে আমৃত্যু এবং তার মৃত্যুর পরে পরিবার যেভাবে পেনশন ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সুবিধা পায়; সরকারি কর্মচারীদের একটি বিরাট অংশ যেভাবে অনিয়ম-দুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকা কামাতে পারেন—বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেই সুযোগ আছে? প্রশ্ন উঠতে পারে, সরকারি চাকরিজীবীদের সবাই ঘুষ খায় বা দুর্নীতি করে? নিশ্চয়ই না। কিন্তু অনিয়ম দুর্নীতি করে না, এই সংখ্যাটি কত?
সুতরাং, কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর আগে সরকারের বরং এটা নিশ্চিত করা জরুরি ছিল যে, সরকারি অফিসে গিয়ে মানুষ বিনা হয়রানি, বিনা ঘুষ এবং বিনা কালক্ষেপণে সেবা পাচ্ছে কিনা। এখন কি এটা জোর দিয়ে বলা যাবে যে, যেহেতু একশো থেকে ১৪২ শতাংশ বেতন বাড়ানো হলো, অতএব কাল থেকে কোনও সরকারি কর্মচারী ঘুষ খাবেন না? এই নিশ্চয়তা কি সরকার দেবে বা দিতে পারবে? সুতরাং, যে সময়ে সরকারি কর্মচারীদের বেতন দ্বিগুণ এবং কারও কারও ক্ষেত্রে প্রায় দেড় গুণ বাড়ানো হলো, সেই সময়টি সঠিক নয়। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল হলে; গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট কাটিয়ে শিল্প-কারখানায় উৎপাদন স্বাভাবিক হলে; দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সচল হবে; সাধারণ মানুষের আয় ঠিক থাকলে সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি চোখে লাগতো না, বা এটি নিয়ে সমালোচনা হতো না। কিন্তু কাজটা এমন সময়ে করা হলো যে, সরকার এর পক্ষে শক্ত কোনও যুক্তি দিলেও সেটি ধোপে টিকবে না। বরং সরকারের উচিত ছিল সরকারি অফিসে সেবার মান নিশ্চিত করা এবং ঘুষ-দুর্নীতি অনিয়ম ও কালক্ষেপণের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা। সেটি না করে ১৪২ শতাংশ বেতন বাড়িয়ে সমাজে এবং অর্থনীতিতে মূলত আরেকটা বৈষম্যের দরজা খুলে দেওয়া হলো।
আমীন আল রশীদ: সাংবাদিক ও লেখক




