X
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২
১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

করোনা আক্রান্ত ঢাকায় অবাধ চলাচল ডেকে আনবে মহাবিপদ

মিজানুর রহমান
১০ মে ২০২০, ২২:০০আপডেট : ১১ মে ২০২০, ১২:৩৫

  করোনার ভেতরে শনির আখড়া এলাকার একটি বাজার। ( সাম্প্রতিক ছবি)

বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ শহর ঢাকা। ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের তথ্য মোতাবেক এই শহরের প্রতি বর্গকিলোমিটারে ২৩ হাজারেরও বেশি মানুষ বাস করে। করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শহর নিউ ইয়র্কে জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১১ হাজার জন। তাই ঢাকায় করোনাভাইরাসের মতো সংক্রামক ভাইরাস ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়বে এটা অনুমিতই ছিল। ঘনবসতিতে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার অপেক্ষাকৃত জলদিই অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়। যার মধ্যে আছে ১৮ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা, ২৬ মার্চ থেকে সরকারি ছুটি এবং যানবাহন চলাচল বন্ধ ঘোষণা, ৬ এপ্রিল মসজিদে না গিয়ে বাসায় নামাজ আদায়ের অনুরোধ এবং ৮ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জসহ ঢাকার ৫২ এলাকা লকডাউন ঘোষণা। কিন্তু এতকিছুর পরেও এই শহরে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রোধ করা যায়নি বলেই বাংলা ট্রিবিউন গবেষণা বিভাগের বিস্তর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ৯ এপ্রিল থেকে ৮ মে’র মধ্যবর্তী সময়ে গড়পরতা প্রতি পাঁচ থেকে ছয় দিনে ঢাকা শহরে সংক্রমণ আগের চেয়ে দ্বিগুণ হয়েছে। ৯ এপ্রিল ঢাকা শহরে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৯৬ জন, ৮ মে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ছয় হাজার ১৬২ জনে। অর্থাৎ হিসাব অনুযায়ী ৩০ দিনে পাঁচবার সংক্রমণের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। দ্বিগুণ হওয়ার সময় বলতে বোঝানো হচ্ছে কোনও একটি সময়ে ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১০০ থেকে ২০০, বা ২০০ থেকে ৪০০ হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সময়। দ্বিগুণ হওয়ার সময় একটি মহামারির গতি নির্দেশ করে। এই সময়টি যত দীর্ঘ, সংক্রমণের গতি ততটা ধীর, অর্থাৎ ততটাই মঙ্গল। আওয়ার ওয়ার্ল্ড ইন ডেটার তথ্যমতে, বাংলাদেশব্যাপী সংক্রমণ দ্বিগুণ হওয়ার সময় হচ্ছে ১১ দিন। অর্থাৎ কার্যত লকডাউনের মধ্যে থাকলেও রাজধানী ঢাকায় সংক্রমণ সারা দেশের তুলনায় দ্বিগুণ গতিতে ছড়িয়েছে। 

চার্ট-১ ঢাকা শহরে সংক্রমণের চিত্র

৮ মে প্রাপ্ত এলাকাভিত্তিক তথ্য মোতাবেক ঢাকা শহরের ১৭৯টি এলাকায় পৌঁছে গেছে করোনাভাইরাস, যদিও ৩০ দিন আগে অর্থাৎ ৯ এপ্রিল সংক্রমিত এলাকার সংখ্যা ছিল ৬১। অর্থাৎ, ৩০ দিনের মধ্যেই আক্রান্ত এলাকার সংখ্যা বেড়ে তিনগুণ হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে পাঁচটি করে নতুন এলাকা সংক্রমিত হয়েছে। সর্বশেষ ৬, ৭ ও ৮ মে আর নতুন সংক্রমিত এলাকা পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)-এর তথ্যে এলাকা বলতে ঠিক কী বোঝানো হচ্ছে সেটি পরিষ্কার নয়। তবে উল্লেখিত এলাকাগুলোর ম্যাপিং করলে দেখা যায়, ঢাকা শহরের প্রায় সব থানাতেই সংক্রমণ পৌঁছে গেছে।

চার্ট-২ প্রতিদিন আক্রান্ত এলাকার সংখ্যা

এলাকাভিত্তিক সংক্রমণের তীব্রতা পর্যালোচনায় দেখা যায়, ৯৭টি এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০ জনের কম, ৬১টি এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০ থেকে ৪৯ জনের মধ্যে, ১৫টি এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ থেকে ৯৯ জনের মধ্যে। ১০০ জনের বেশি আক্রান্ত পাওয়া গেছে ছয়টি এলাকায়।

পর্যবেক্ষণে এমন ৭৮টি এলাকা পাওয়া গেছে যেখানে সংক্রমণের  ন্যূনতম ১০-২৯ দিন পার হলেও আক্রান্তের সংখ্যা ১০ পেরোয়নি।

৩২টি এলাকা এমনও পাওয়া গেছে যেখানে বিগত ১৪ দিনে সংক্রমণের সংখ্যায় কোনও বৃদ্ধি দেখা যায়নি। যা থেকে পরিবেশিত তথ্য ও অনুমিত তথ্যের মধ্যে এক ধরনের অধারাবাহিকতার উপস্থিতি অনুমান করা যায়। উল্লেখ্য, ঢাকা শহরে সংক্রমণ সংখ্যার মধ্যে দুই হাজার ৩৭৬ জনের এলাকার তথ্য পাওয়া যায়নি। এসব ব্যক্তি কোন কোন এলাকার বাসিন্দা সেই তথ্য পাওয়া গেলে হয়তো এই চিত্রের ভিন্নতা পাওয়া যাবে।

প্রকৃত সংক্রমণের পরিমাণ না জানা গেলেও আমাদের পর্যালোচনা মোতাবেক এটি বলা যায় যে, ঢাকা শহরের প্রায় সব এলাকাতেই ভাইরাস পৌঁছে গেছে। এই মুহূর্তে মানুষের অবাদ চলাচল এলাকাভিত্তিক ছড়িয়ে পড়ার মাত্রায় গতি আনতে পারে এবং ঢাকাজুড়ে এই ভাইরাসের ব্যাপকতা গুণানুপাতিক হারে বাড়তে পারে। এর আলামত ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে।

এ বিষয়ে মালিবাগ এলাকার উদাহরণ টানা যেতে পারে। মাত্র ১২ দিনের মাথায় এই এলাকায় আক্রান্তের হার আশঙ্কাজনক গতি পেয়েছে। ২৬ এপ্রিল মালিবাগে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৩ জন। ১২ দিনের মাথায়, অর্থাৎ ৮ মে, মালিবাগে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৩-তে। উল্লেখ্য, ২৬ এপ্রিল এই এলাকায় গার্মেন্ট শ্রমিকদের একটি বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

রাজারবাগসহ ছয় এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে

চার্ট-৩ ঢাকার সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ৬ এলাকা

৮ মে মোতাবেক ঢাকা শহরের আক্রান্ত ১৭৯ এলাকার মধ্যে ১০০ জনের বেশি আক্রান্ত পাওয়া গেছে ছয়টি এলাকা থেকে। এই ছয়টি এলাকা হচ্ছে, রাজারবাগ, কাকরাইল, যাত্রাবাড়ী, মুগদা, মহাখালী ও মোহাম্মদপুর।  সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত রাজারবাগ। এই এলাকায় ২০০ জন আক্রান্ত পাওয়া গেছে। কাকরাইলে আক্রান্তের সংখ্যা ১৭৩ জন, যাত্রাবাড়ীতে ১৬৯ জন, মুগদায় ১৪৯ জন মহাখালীতে ১৪৬ জন ও মোহাম্মদপুরে ১২৬ জন। এসব এলাকায় আক্রান্তের গতি গুণানুপাতিক হারে ঊর্ধ্বমুখী।

মালিবাগসহ ১৫ এলাকায় দিতে হবে বাড়তি নজর

আক্রান্তের সংখ্যা ১০০ জনের কম কিন্তু ৫০ জনের বেশি এমন ১৫টি এলাকা হচ্ছে ধানমন্ডি, শাহবাগ, লালবাগ, বাবুবাজার, ওয়ারী, বংশাল, মগবাজার, বাড্ডা, উত্তরা, গুলশান, তেজগাঁও, গেন্ডারিয়া, মালিবাগ, খিলগাঁও ও শ্যামলী। এরমধ্যে সবক’টি এলাকাতেই সংক্রমণের গতি গুণানুপাতিক হারে ঊর্ধ্বমুখী। এই গতি চলমান থাকলে আগামী দিনগুলোতে এই ১৫টি এলাকায় সংক্রমণের গতি বাড়তে পারে।

এছাড়া সংক্রমণের সংখ্যা ১০-এর বেশি কিন্তু ৫০-এর কম এমন এলাকার সংখ্যা ৬১টি। এখনই প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এসব এলাকায়ও সংক্রমণ পরিস্থিতি গতি পেতে পারে [এলাকার তালিকা-১]।

সংক্রমণ শুরুর পর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দিন পার হলেও আক্রান্তের সংখ্যা ১০ পার হয়নি

পর্যালোচনায় দেখা যায়, মোট ৯৭টি আক্রান্ত এলাকায় সংক্রমিতের সংখ্যা ১০-এর কম। তবে ৭৮টি এলাকা এমন পাওয়া গেছে, যেখানে প্রথম আক্রান্ত শনাক্তের ১০ থেকে ২৯ দিন পেরিয়ে গেছে কিন্তু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ পার হয়নি [এলাকার তালিকা-২]। এরমধ্যে ৪৯টি এলাকায় সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর ২০-২৯ দিন পেরিয়েছে কিন্তু আক্রান্তের সংখ্যা এখনও ১০-এর নিচেই আছে [এলাকার তালিকা- ৩]।

অপর একটি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ৩২টি এমন এলাকা পাওয়া গেছে যেগুলোতে সর্বশেষ ১৪ দিনে (২৫ এপ্রিল থেকে ৮ মে) সংক্রমণের সংখ্যা বাড়েনি [এলাকার তালিকা- ৪]। সম্ভাব্য কয়েকটি কারণে এমনটি হতে পারে; যার মধ্যে থাকতে পারে ১. মানুষ সচেতনভাবে এসব এলাকায় করোনার প্রাদুর্ভাব রোধ করে দিয়েছে। ২. এই এলাকাগুলোতে ব্যাপকভাবে টেস্ট হচ্ছে না। ৩. পরিবেশিত তথ্যে সঠিক চিত্র উঠে আসেনি। 

ঢাকা শহরে আক্রান্তের মোট সংখ্যার সঙ্গে এলাকাভিত্তিক আক্রান্তের সংখ্যার যোগফল মেলেনি

পরিবেশিত তথ্যের মান যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, জেলাভিত্তিক তথ্যে ঢাকা শহরের আক্রান্তের মোট সংখ্যার সঙ্গে এলাকাভিত্তিক আক্রান্ত সংখ্যার যোগফল মেলেনি। যদিও এই দুটি সংখ্যা একই হওয়ার কথা। সর্বশেষ ৮ মে  জেলাভিত্তিক বিবরণে ঢাকা শহরে আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখ করা হয় ৬১৬২ জন, কিন্তু এলাকাভিত্তিক সংক্রমণের সংখ্যা যোগ করলে পাওয়া যায় ৩৭৮৬ জন। অর্থাৎ ২৩৭৬ জন আক্রান্তের এলাকাভিত্তিক তথ্য অবমূল্যায়িত করা হয়েছে, যা শহরে মোট আক্রান্তের প্রায় ৩৯ শতাংশ। এই বিশাল সংখ্যক আক্রান্তের এলাকা অজানা থাকলেও অনুমান করা যায় এই আক্রান্তরা হয় উল্লেখিত এলাকাগুলোরই বাসিন্দা বা পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে আক্রান্ত, দুটি ক্ষেত্রেই যা চিত্রকে কেবলই আরও মারাত্মক রূপ দেয়।

এই বিশাল সংখ্যক আক্রান্তের বাসস্থানের তথ্য উল্লেখিত না থাকার কারণ জানতে চাইলে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)-এর অন্যতম উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “ঢাকায় অনেকেই টেস্ট করিয়েছেন, যারা বাইরের। আবার অনেকে ঠিকানা ঠিকভাবে বলতে পারেনি। এই কারণে সংখ্যার পার্থক্য। যেসব ব্যক্তি বা রোগীর ঠিকানা পাওয়া গিয়েছিল, তাদেরটা রাখা হয়েছে, কিন্তু যাদের ঠিকানা পাওয়া যায়নি তাদের এলাকার নাম লেখা হয়েছে। এটা আসলে অন্যান্য ক্যাটাগরি করে দেয়া উচিত ছিল। সেটা করা হয়নি।”

চার্ট-৪ মোট আক্রান্ত ও এলাকাভিত্তিক আক্রান্তের যোগফলের অসঙ্গতি

এলাকার তালিকা-১: আক্রান্তের সংখ্যা ১০-এর বেশি কিন্তু ৫০-এর কম এমন ৬১টি এলাকা: আদাবর, আগারগাঁও, আজিমপুর, বেইলি রোড, বনানী, বাসাবো, বসুন্ধরা, ক্যান্টনমেন্ট এলাকা, চানখাঁরপুল, চকবাজার, ডেমরা, এলিফ্যান্ট রোড, ইস্কাটন, ফার্মগেট, গোপীবাগ, গোড়ান, গ্রিন রোড, গুলিস্তান, হাজারীবাগ, জুরাইন, কলাবাগান, কল্যাণপুর, কামরাঙ্গীরচর, কারওয়ান বাজার, কাজীপাড়া, কদমতলী, কোতোয়ালী, লক্ষ্মীবাজার, মান্ডা, মানিকনগর, মিরপুর-১, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৪, মিরপুর-৬, মিটফোর্ড, নাখালপাড়া, নারিন্দা, নাজিরাবাজার, নিউ মার্কেট, পল্লবী, পল্টন, পান্থপথ, পুরানা পল্টন, রাজাবাজার, রমনা, রামপুরা, শাহজানপুর, সায়েদাবাদ, শাঁখারীবাজার, শান্তিবাগ, শান্তিনগর, শেরবাংলা নগর, শনির আখড়া, সূত্রাপুর, স্বামীবাগ, তাঁতিবাজার, টিকাটুলি, টোলারবাগ ও টঙ্গী।

এলাকার তালিকা-২: সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার ১০ থেকে ২৯ দিন পেরুলেও যে ৭৮টি এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০ পেরুয়নি সেগুলো হচ্ছে, জিগাতলা, হাতিরপুল, পীরেরবাগ, ইসলামপুর, হাতিরঝিল, মিরপুর-১৩, বেগুনবাড়ি, দয়াগঞ্জ, শোয়ারিঘাট, সেন্ট্রাল রোড, ধোলাইখাল, শাহ আলীবাগ, বসিলা, বুয়েট এলাকা, উর্দু রোড, নিকুঞ্জ, মানিকদি, আশকোনা, বেড়িবাঁধ, মীরহাজারীবাগ, ঢাকেশ্বরী, রায়েরবাজার, নবাবপুর, সিদ্ধেশ্বরী, জেলগেট, রায়েরবাগ, শ্যামপুর, মতিঝিল, সবুজবাগ, মাতুয়াইল, ভাটারা, কুড়িল, আরমানিটোলা, বানিয়ানগর, বকশিবাজার, তেজতুরীবাজার, বেগমবাজার, শেওড়াপাড়া, ফরিদাবাদ, কচুক্ষেত, সায়েন্স ল্যাব, শেখেরটেক, খিলক্ষেত, মালিটোলা, সদরঘাট, কলতাবাজার, মোহনপুর, নবাবগঞ্জ, নিমতলী, নয়াবাজার, বাংলামোটর, কাঁঠালবাগান, গোলারটেক, সেগুনবাগিচা, বনশ্রী, কমলাপুর, গণকটুলি, আমিনবাজার, অমলপাড়া, তুরাগ, মিরপুর-২, পোস্তগোলা, ইব্রাহীমপুর, মাদারটেক, নীলক্ষেত, ফকিরাপুল, দনিয়া, করাতিটোলা, রসুলপুর, রূপগঞ্জ, বারিধারা, ইসলামবাগ, আব্দুল্লাহপুর, বিজয়নগর, দক্ষিণখান, তেজকুনিপাড়া, মনিপুর ও মেরাদিয়া।

এলাকার তালিকা-৩: সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর ২০-২৯ দিন পেরিয়েছে, কিন্তু আক্রান্তের সংখ্যা এখনও ১০-এর নিচেই আছে এমন ৫৯টি এলাকা হচ্ছে, জিগাতলা, হাতিরপুল, পীরেরবাগ, ইসলামপুর, হাতিরঝিল, মিরপুর-১৩, বেগুনবাড়ি, দয়াগঞ্জ, শোয়ারিঘাট, সেন্ট্রাল রোড, ধোলাইখাল, শাহ আলীবাগ, বসিলা, বুয়েট এলাকা, উর্দু রোড, নিকুঞ্জ, মানিকদি, আশকোনা, বেড়িবাঁধ, মীরহাজারীবাগ, ঢাকেশ্বরী, রায়েরবাজার, নবাবপুর, সিদ্ধেশ্বরী, জেলগেট, রায়েরবাগ, শ্যামপুর, মতিঝিল, সবুজবাগ, মাতুয়াইল, ভাটারা, কুড়িল, আরমানিটোলা, বানিয়ানগর, বকশিবাজার, তেজতুরীবাজার, বেগমবাজার, শেওড়াপাড়া, ফরিদাবাদ, কচুক্ষেত, সায়েন্স ল্যাব, শেখেরটেক, খিলক্ষেত, মালিটোলা, সদরঘাট, কলতাবাজার, মোহনপুর, নবাবগঞ্জ ও নিমতলী।

এলাকার তালিকা- ৪: ১৪ দিনে (২৫ এপ্রিল থেকে ৮ মে) সংক্রমণের সংখ্যা বাড়েনি যেসব এলাকায় সেগুলো হচ্ছে, পুরানা পল্টন, টোলারবাগ, শোয়ারিঘাট, সেন্ট্রাল রোড, ধোলাইখাল, শাহ আলীবাগ, বসিলা, বুয়েট এলাকা, উর্দু রোড, নিকুঞ্জ, মানিকদি, আশকোনা, বেড়িবাঁধ, ঢাকেশ্বরী, সিদ্ধেশ্বরী, জেলগেট, বানিয়ানগর, বেগম বাজার, ফরিদাবাদ, কচুক্ষেত, সায়েন্স ল্যাব, শেখেরটেক, কলতাবাজার, মোহনপুর, নবাবগঞ্জ, গোলারটেক, তুরাগ, করাতিটোলা, রসুলপুর, রূপগঞ্জ, বিজয়নগর ও দক্ষিণখান। 

/এআরআর/এসএএস/এমওএফ/
নারী অভিবাসীদের নিয়ে ৭৯ ভাগ খবরই নেতিবাচক
নারী অভিবাসীদের নিয়ে ৭৯ ভাগ খবরই নেতিবাচক
‘করোনায় কর্মসংস্থান হারালেও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব’
‘করোনায় কর্মসংস্থান হারালেও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব’
নদীর দু’পাশে করোনা সংক্রমণের এত পার্থক্য কেন?
নদীর দু’পাশে করোনা সংক্রমণের এত পার্থক্য কেন?
বাড়ছে না ছুটি, ঢাকার সামনে কী অপেক্ষা করছে?
বাড়ছে না ছুটি, ঢাকার সামনে কী অপেক্ষা করছে?
টেস্ট ও রোগী দুটোই বেড়েছে: কতটা বেড়েছে?
টেস্ট ও রোগী দুটোই বেড়েছে: কতটা বেড়েছে?
আইইডিসিআর’র তথ্যে অসঙ্গতি কেন?
আইইডিসিআর’র তথ্যে অসঙ্গতি কেন?
‘কোভিড-১৯ মে মাসে শেষ হবে’: বৈজ্ঞানিক বাস্তবতায় অন্য কিছুর ইঙ্গিত
‘কোভিড-১৯ মে মাসে শেষ হবে’: বৈজ্ঞানিক বাস্তবতায় অন্য কিছুর ইঙ্গিত
কেন বাংলাদেশে করোনাভাইরাস এত ছড়িয়ে গেলো?
কেন বাংলাদেশে করোনাভাইরাস এত ছড়িয়ে গেলো?
সেনাবাহিনীর অবস্থা নিয়ে মুখ খুললেন জাতীয়তাবাদী রুশ রাজনীতিক
সেনাবাহিনীর অবস্থা নিয়ে মুখ খুললেন জাতীয়তাবাদী রুশ রাজনীতিক
চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার
চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার
মেসিকে পরীর চুমু, চঞ্চলের সংলাপ ‘বোঝনাই ব্যাপারটা’!
আর্জেন্টিনার জয়ে ফেরামেসিকে পরীর চুমু, চঞ্চলের সংলাপ ‘বোঝনাই ব্যাপারটা’!
নারীর মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহিংসতাই অন্যতম বাধা
নারীর মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহিংসতাই অন্যতম বাধা
যেভাবে জানা যাবে এসএসসি ও সমমানের ফল
যেভাবে জানা যাবে এসএসসি ও সমমানের ফল
সড়কে প্রাণ গেলো মা-বাবা-মেয়ের
সড়কে প্রাণ গেলো মা-বাবা-মেয়ের
দুদক রাঘববোয়ালদের নয়, চুনোপুঁটিদের ধরতে ব্যস্ত: হাইকোর্ট
দুদক রাঘববোয়ালদের নয়, চুনোপুঁটিদের ধরতে ব্যস্ত: হাইকোর্ট
মোংলায় শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে পণ্য খালাস বন্ধের শঙ্কা
মোংলায় শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে পণ্য খালাস বন্ধের শঙ্কা
সর্বশেষসর্বাধিক