ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে উন্নত অস্ত্রের ঘাটতি ও সরবরাহব্যবস্থার সংকটের কথা স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের (পেন্টাগন) ইন্সপেক্টর জেনারেলের কার্যালয়। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমান, ঘাঁটি ও কূটনৈতিক স্থাপনায় হামলার ক্ষয়ক্ষতিরও বিস্তারিত চিত্র উঠে এসেছে প্রথমবারের মতো প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে। মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি এ খবর জানিয়েছে।
সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে উন্নত অস্ত্রের ক্ষেত্রে ‘কৌশলগত মজুতের ঘাটতি’ তৈরি হয়েছে এবং গোলাবারুদ পুনরায় সরবরাহে মার্কিন সামরিক শিল্পভিত্তিতে নানা সংকট দেখা দিয়েছে। উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত যুদ্ধ শুরুর আগের পর্যায়ে ফিরিয়ে নিতে সামরিক ঠিকাদারদের প্রায় তিন বছর সময় লাগতে পারে বলে এর আগে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন।
তবে গোলাবারুদের ঘাটতি নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের বিষয়ে পেন্টাগন বারবার আপত্তি জানিয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর যেকোনও সংঘাত মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় অস্ত্র রয়েছে বলে তারা দাবি করেছে। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘ইতিহাসের যেকোনও সময়ের চেয়ে বেশি উন্নত ও অভিজাত অস্ত্র’ তৈরি করছে।
ট্রাম্প লিখেছেন, এসব অস্ত্র প্রতিদিন মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর কাছে সরবরাহ করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে আধুনিক অস্ত্র পাঠানোর গতি বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প







