X
সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২
১৭ আশ্বিন ১৪২৯

ইমরান খান কি পারবেন মার্কিন থাবা থেকে বাঁচতে?

আনিস আলমগীর
০৫ এপ্রিল ২০২২, ১৩:২৬আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২২, ১৮:১২

আনিস আলমগীর পাকিস্তানে বর্তমানের সবচেয়ে বড় সাংবিধানিক এবং রাজনৈতিক সংকট শুরু হয়েছে গত ৩ এপ্রিল ২০২২ থেকে। প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে সংসদে বিরোধী দলসমূহের অনাস্থা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর ওইদিনেই রাষ্ট্রপতি ড. আরিফ আলভির জাতীয় পরিষদ ভেঙে দেওয়া এবং অনাস্থা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের বিরুদ্ধে বিরোধীরা সঙ্গে সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের আশ্রয় নেওয়ায় এই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। অনাস্থা প্রস্তাবের ওপর সংসদে ভোটাভুটির হলে ইমরানকে অতি সহজেই ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য বিরোধীদের হাতে যথেষ্ট সংখ্যক এমপি ছিল কিন্তু সংসদের ডেপুটি স্পিকার সংবিধানের পঞ্চম ধারা দেখিয়ে ভোট রুখে দেন, যে ধারায় বলা হয়েছে- ‘রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক কর্তব্য’। তিনি রুলিং দেন, যেহেতু বিরোধী দলগুলো বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে আঁতাত করে সরকার হটানোর চেষ্টা করছে তাই এটি পাকিস্তান রাষ্ট্রের অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

এরপর সংবিধানে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সংসদ বিলুপ্ত করার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আহ্বান জানালে তিনি তা-ই করেন। প্রধানমন্ত্রীর যুক্তি হচ্ছে, ক্ষমতায় কারা আসবে সেটা জনগণ নির্ধারণ করুক, পার্লামেন্ট নয়। এখন সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন করতে হবে। আর সংবিধানের ক্ষমতাবলে ইমরান অন্তত আরও দুই সপ্তাহ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় থাকতে পারবেন, যতক্ষণ না নির্বাচনের জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। ইতোমধ্যে ইমরান খান একজন সাবেক প্রধান বিচারপতির নাম এই পদের জন্য প্রস্তাব করেছেন। অন্যদিকে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা মুসলিম লীগের শাহবাজ শরীফকে রাষ্ট্রপতি নাম দেওয়ার আহ্বান জানালে তিনি এই অবৈধ প্রক্রিয়ায় অংশ নেবেন না বলে জানান।

অনেকের মতে, পাকিস্তানের ডেপুটি স্পিকার যেটা করেছেন সেটা সংবিধানের বরখেলাপ, তিনি অনাস্থা প্রক্রিয়ায় বাধা দিয়েছেন, যেটি একটি বৈধ সাংবিধানিক প্রক্রিয়া। বিরোধীরা এর প্রতিবাদে আদালতে গিয়েছে। এখন সবকিছু পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের হাতে। আমার ধারণা আজ-কালের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট একটা সিদ্ধান্ত দেবেন, যেটি হয়তো ইমরান খানের পক্ষে যাবে না। কারণ, এটা সংবিধানের বরখেলাপ ছিল। অবশ্য কোর্ট ডেপুটি স্পিকারের রুলিং প্রত্যাখ্যান করলে সেটা আবার সংসদের সার্বভৌমত্বের ওপর হস্তক্ষেপ করা হয়। কারণ, পাকিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার, ডেপুটি স্পিকারের রুলিংয়ের ওপর কোনও আদালতের প্রশ্ন তোলার এখতিয়ার নেই। কিন্তু পাকিস্তানে অসম্ভব কিছু না।

কেন ইমরান খান এই ঘটনা ঘটাতে গেলেন? এটা স্পষ্ট যে মাসখানেক আগেও বাজারে নিত্যপণ্যে উচ্চমূল্যের কারণে তিনি অনেক অজনপ্রিয় ছিলেন। কিন্তু এখন তিনি মনে করছেন যদি ফ্রেশ ইলেকশন দেওয়া হয় তাহলে তিনি জনগণের রায়ে আবার ক্ষমতায় আসতে পারবেন। এটা সবার ধারণা যে ইমরান খান ক্ষমতায় এসেছেন সেনাবাহিনীর সহযোগিতায়। অন্যভাবে বললে ভুট্টো পরিবারের পিপিপি এবং শরীফ পরিবারের মুসলিম লীগের বাইরে সেনাবাহিনীরও দরকার ছিল ইমরানের মতো ক্লিন ইমেজের একজন নেতা, যিনি পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফের (পিটিআই) প্রধান হিসেবে ক্ষমতার জন্য দুই দশক ধরে ধারাবাহিকভাবে লড়েছেন। পর্যবেক্ষকরা এখন মনে করছেন, ইমরান খানের সঙ্গে সেনাবাহিনীর সুসম্পর্কের ইতি ঘটেছে। এই সময়টাকেই তাকে আঘাত করার জন্য বেছে নিয়েছেন তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। এমকিউএমসহ ইমরান খানের জোটের কিছু শরিক দলকে জোট ছাড়তে রাজি করাতে পেরেছে তারা।

তবে ইমরান খান তার বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের অন্য ব্যাখ্যা দিয়েছেন। মাসখানেক আগে আমেরিকায় নিযুক্ত পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূতকে তলব করে মার্কিন প্রশাসন তাকে জানিয়ে দিয়েছে, যদি ইমরান খানকে নো-কনফিডেন্সের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করা না হয় তাহলে পাকিস্তানকে এর মূল্য দিতে হবে। পাকিস্তানি মিডিয়ার খবর অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নেতৃত্বে মার্কিন সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠকে ইমরান খানকে হটানোর সিদ্ধান্ত হয় এবং সেই সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে জানিয়ে দেওয়া হয় মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারির মাধ্যমে।

ইমরান খান নাম না ধরে আমেরিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন যে এটা পাকিস্তানের ইন্টিগ্রিটির ওপর হস্তক্ষেপ, সার্বভৌমত্বের ওপর হস্তক্ষেপ। তিনি পাকিস্তানের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের কাছে রাষ্ট্রদূতের এই সংক্রান্ত পত্র হস্তান্তর করেছেন, যেখানে সেনাপ্রধানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তারা দ্বিমত করেননি যে এটি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপের শামিল। পাকিস্তান সরকারও ইসলামাবাদে নিযুক্ত মার্কিন শীর্ষ কূটনীতিককে তলব করে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের প্রতিবাদ জানিয়েছে।

যদি আদালতের রায়ে সংসদ আবার ফিরে আসে তাহলে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ক্ষমতাচ্যুত হবেন এতে কোনও সন্দেহ নেই। কারণ, ইমরান অভিযোগ করেছেন যে বিরোধী দল তার কয়েকজন সদস্যকে বিলিয়ন বিলিয়ন টাকা খরচ করে কিনে নিয়েছে। অনেকে বলেছেন, যাদের কেনা হয়েছে তাদের বিপুল ডলার দিয়েছে আমেরিকা, যদিও মার্কিন প্রশাসন এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। মার্কিনিদের প্রাথমিক পরিকল্পনা হচ্ছে প্রো-মার্কিন নেতা শাহবাজ শরীফকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী করবে। কিন্তু প্রধান বিরোধী দলগুলোর আমেরিকার প্রতি নতজানু নীতি, আমেরিকান স্বার্থে দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দেওয়ার নানা স্ক্যান্ডেল তাদের বিরুদ্ধে থাকায় কোনও মার্কিন পুতুলকে ক্ষমতায় বসানো খুব কঠিন হয়ে পড়েছে আমেরিকার জন্য। এই মুহূর্তে পাকিস্তানে মার্কিন বিরোধিতা যেকোনও সময়ের তুলনায় তুঙ্গে, যা আগে কখনও পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মার্কিন হস্তক্ষেপের সময় দেখা যায়নি। অবশ্য সত্তর দশকের শেষভাগেও কিছুটা মার্কিনবিরোধী হাওয়া পাকিস্তানে দেখা দিয়েছিল।

বিরোধী দলগুলোর পেছনে সেনাবাহিনীর সমর্থন রয়েছে। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী মার্কিনমুখী, তাদের মিলিটারি ট্রেনিংও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হয় এবং পাকিস্তানের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের, সাবেক ও বর্তমান জেনারেলদের সম্পত্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোতে গচ্ছিত আছে। সে কারণে তারা আমেরিকাপন্থী। কিন্তু এখন দৃশ্যপট বদলে গেছে। কারণ, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান জাতির সামনে এটা ভালোভাবে তুলে ধরতে পেরেছেন যে পাকিস্তানের একটি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি থাকা দরকার, যেটি তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের আছে। আমেরিকামুখী হয়ে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে আমেরিকার ‘ওয়ার এগেইনস্ট টেরর’ যুদ্ধে অংশ নেওয়ায় ৮০ হাজার পাকিস্তানি নাগরিকের প্রাণ গিয়েছে। বিনিময়ে পাকিস্তান তেমন কিছুই পায়নি। বরং আমেরিকা পাকিস্তানের নির্বাচিত একটি সরকারকে সরানোর জন্য এখন বিরোধীদের ‘ডলার দিচ্ছে’।

সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে যে সেনাবাহিনী ইমরান খানকে ওইভাবে সমর্থন করছে না, যেভাবে তারা চার-পাঁচ মাস আগেও করেছিল। কারণ, সেনাবাহিনীর বিশ্বাস যদি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ক্ষমতায় থাকেন তাহলে পাকিস্তানকে আমেরিকা কঠিন সমস্যার মধ্যে ফেলবে, যার পরিণতি ভালো হবে না। এই পরিণতির মধ্যে পশ্চিমা দেশে পাকিস্তানিদের পণ্য রফতানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার হুমকিও রয়েছে। এটা সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ের কিছু সদস্যের ধারণা, কিন্তু সার্বিকভাবে ইমরান খান পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মধ্যে একেবারে জনপ্রিয়তাশূন্য সেটা বলা যাবে না। কারণ, পাকিস্তানের একটি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির প্রশ্নে তাদেরও অনেকের দ্বিমত নেই, যেটা গত তিন দশক ধরে পাকিস্তানে অনুপস্থিত।

এই ঘটনাকে ২০১৬ সালে তুরস্কের একদল সেনাকে হাত করে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানকে হটানোর চেষ্টার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। এরদোয়ানকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য মিলিটারির একটা অংশকে আমেরিকা সহায়তা করেছিল, কিন্তু জনগণের প্রতিবাদের জোয়ারে সেটি ব্যর্থ হয়েছিল। এখানে পাকিস্তানের বিরোধী দল এবং সেনাবাহিনীর কিছু অংশের সমর্থনে ইমরান খানকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায় আমেরিকা। কিন্তু জনতার মাঝে ইমরান খানের জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে আছে বলা না গেলেও মার্কিন বিদ্বেষ তুঙ্গে আছে। ইমরান খান এখন তাকে পুঁজি করে পশ্চিমা বিরোধী প্রচারণার ওপর তার রাজনৈতিক ভিত্তি নির্মাণ করতে চাইছেন। আর তার সমর্থকরা তার কথাবার্তা ভালোভাবে বিশ্বাসও করছেন। অতি সম্প্রতি তিনি এক লক্ষ জনতার সমাবেশ করে দেখিয়ে দিয়েছেন যে জনতা তার সঙ্গেই আছে। কয়েকটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তার দলের সাম্প্রতিক বিজয়ও সেই প্রমাণ দিচ্ছে।

যেদিন রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করে সেদিনই ইমরান খান রাশিয়া সফর করছেন এবং আফগানিস্তানে তালেবানদের হাতে আমেরিকার পতন হয়েছে এমন কথাবার্তা বলেছেন, যা আমেরিকা এবং তার পশ্চিমা মিত্রদের পছন্দ হয়নি। তাছাড়া আমেরিকা চাচ্ছে যে আবার পাকিস্তানে তাদের সামরিক ঘাঁটি হোক, কিন্তু ইমরান খান স্পষ্ট জানিয়েছেন যে তা সম্ভব না। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী সবসময় ব্যালেন্স করে থাকার পক্ষে, কিন্তু ইমরান খান স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি চান এবং একটি নির্দিষ্ট ব্লকে যেতে চান না। এটাকে অবশ্য পশ্চিমারা ভিন্নরূপ দিচ্ছেন। তারা বলছেন, তিনি রাশিয়া কিংবা চীনের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছেন। অবশ্য তিনি চীনের দিকে ঝুঁকেও আছেন। কারণ, চীন পাকিস্তানে বিলিয়ন বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করছে, যেটা মার্কিনিরা করেনি। বরং আমেরিকা চায় পাকিস্তান অর্থনৈতিকভাবে পশ্চিমাদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকুক।

অতি সম্প্রতি আইএমএফ তাকে যেসব শর্তে টাকা দিতে চেয়েছিল সেটা তার গলার ফাঁস হয়ে যেত বলে নিতে পারেননি। ফলে দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর ক্ষেত্রেও মার্কিনিদের হাত ছিল এমন অভিযোগ আছে। এখানে আরেকটি বিষয় স্পষ্ট যে চীন, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলার নির্ভরতা কমিয়ে আনতে চায়। পরিবর্তে তারা চীনের কারেন্সিকে প্রাধান্য দিতে চাচ্ছে। যদি সেটা হয় তাহলে তা হবে আমেরিকান অর্থনীতির ওপর সবচেয়ে বড় চপেটাঘাত। ইমরান খান সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে বরাবরই সুসম্পর্ক বজায় রাখছেন এবং মধ্যপ্রাচ্যের ওই দুই শক্তিশালী রাষ্ট্র বাইডেন প্রশাসনকে পাত্তা দিচ্ছে না। তারাও চাচ্ছে যে তেল বিক্রির ক্ষেত্রে চাইনিজ কারেন্সিও ব্যবহৃত হোক। সুতরাং ইমরান এখানে চীন-মার্কিন ঠান্ডা যুদ্ধের মধ্যে স্যান্ডউইচ হয়ে আছেন।

ইমরান খানকে নিয়ে মার্কিনিদের সবচেয়ে বড় আপত্তির কারণ মার্কিনিরা জানে যে তিনি তাদের কথা শুনবেন না এবং স্বাধীনভাবে চলার চেষ্টা করবেন। পশ্চিমাদের ইমরান খান থেকে পাকিস্তানের আর কেউ বেশি চেনেন না। কারণ, তিনি দীর্ঘদিন পশ্চিমাদের ঘনিষ্ঠ ছিল, তাদের সঙ্গে তার ওঠাবসা ছিল শিক্ষাজীবন থেকে। ইমরানের নীতিমালা হয়তো পাকিস্তানের বিরোধী দল কিংবা সেনাবাহিনী এখনও বুঝে উঠতে পারেনি। তাছাড়া তাদের পলিটিক্যাল ইন্টারেস্ট পশ্চিমাদের সঙ্গে সম্পর্কিত। ফলে এটা বলার অপেক্ষা রাখে না ইমরান খানের যদিও এখন কঠিন সময় চলছে তবু পাকিস্তান যদি মার্কিন থাবা থেকে বের হয়ে আসতে পারে তবে দেশটির জন্য তা আখেরে মঙ্গলজনক হবে। অতীতে মার্কিন নীতির বিরুদ্ধে যাওয়ায় পাকিস্তানের অনেক রাষ্ট্রনেতা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন। পাকিস্তানি গোয়েন্দা রিপোর্ট দাবি করেছে, ইমরানের ওপরও আততায়ী হামলা হতে পারে। কিন্তু আমি মনে করি না ৭০ দশকের সেই ঘটনাবলির পুনরাবৃত্তির এখনও সুযোগ রয়েছে। কারণ, এখন মিডিয়া আগের থেকে অনেক বেশি সক্রিয়। জনগণও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে অনেক সচেতন।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট। ইরাক ও আফগান যুদ্ধ-সংবাদ সংগ্রহের জন্য খ্যাত।

 [email protected]

 

/এসএএস/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
গাজীপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ী ও কলেজছাত্র নিহত
গাজীপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ী ও কলেজছাত্র নিহত
হেফাজতে ইসলাম নেতা মাওলানা জুনায়েদের জামিন
হেফাজতে ইসলাম নেতা মাওলানা জুনায়েদের জামিন
রাতে ভক্তদের ভিড় পূজামণ্ডপে
রাতে ভক্তদের ভিড় পূজামণ্ডপে
৭ ম্যাচের সিরিজ ইংল্যান্ডের
৭ ম্যাচের সিরিজ ইংল্যান্ডের
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ